content
stringlengths
0
129k
ফ্যান ভাত সাহায্য করে মোটা হতে এবং ওজন বৃদ্ধি করতে
সাধারণত ভাতের ফ্যানে বেশিরভাগ পুষ্টি ও ফ্যাট থাকে যা ফ্যান ফেলে দেয়ার সাথে সাথে বেরিয়ে যায়
আপনি এই ভাতের ফ্যান নিয়মিত এক মাস খেলে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন
মধুর ‌ব্যবহার: চেষ্টা করুন প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস ঘন দুধে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেতে
ওজন বাড়ানোর জন্য মধু খুবই কার্যকরী, এটি নিয়মিত রাতে খেলে ওজন বাড়তে বাধ্য
আরো খাবেন সবজি এবং ফল: প্রচুর শাকসবজি ও ফল খান! ভাবছেন এগুলো তো ওজন কমানোর জন্য খাওয়া হয়? ওজন বাড়াতে ও কিন্তু আপনাকে সাহায্য করবে এই ফল আর সবজি
এমনকি অনেক ফল আর সবজি আছে যারা উচ্চ ক্যালরিযুক্ত
যেমন আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলু, কাঁচা কলা ইত্যাদি
ফল ও সবজি খেলে ওজন বেড়ে যাবে
মোটা হতে চাই! কোন বিশেষ খাবার গুলো খাদ্যতালিকায় রাখবো?
আপনার নিয়মিত খাবারের পাশাপাশি অবশ্যই কিছু উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার যোগ করতে হবে খাদ্যতালিকায় না হলে ওজন কেন বাড়বে! উচ্চচাপ এর সমস্যা না থাকলে এই খাবারগুলো খেতে পারেন অনায়াসেই
যেমন কি মাখন, ডিম, চিজ, পানির, কোমল পানীয়, গরু-খাসির মাংস, আলু ভাজা, মিষ্টি জাতীয় খাবার, চকলেট মেওনিস ইত্যাদি
দিনে কতবার খাবেন?
আপনি যদি ওজন বাড়াতে চান তাহলে দিনে পাঁচ থেকে সাত বার পরিমিত পরিমাণে খাবার খান
আমরা সচরাচর তিনবার খেয়ে থাকি আপনি দিনে ৬ বার খান কিন্তু পরিমাণ কে নির্দিষ্ট করে
এতে করে আপনার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না
কলা, আম ইত্যাদি ফল বেশি করে খাবেন পাশাপাশি অন্যান্য ক্যালরিযুক্ত খাবার গুলো
মনে রাখবেন আপনি যত পরিমাণে জাঙ্কফুড খাবেন আপনার দেহ থেকে তার চেয়েও বেশি পরিমাণে প্রোটিন বেরিয়ে যাবে
মনে রাখবেন আপনি যত পরিমাণে জাঙ্কফুড খাবেন আপনার দেহ থেকে তার চেয়েও বেশি পরিমাণে প্রোটিন বেরিয়ে যাবে
তাই ভাজা বাদ দিয়ে বাদাম, পরিমিত মিষ্টি' ঘরে তৈরি রসায়ন জাতীয় খাবার খেয়ে যান
আরো হেলথ টিপস নিন এখান থেকে ফ্রী!
দাতের ফাঁকা দূর করুন ১০০% কার্যকারী উপায়
দাঁতে ব্যথা দূর করার সহজ উপায় | ১০০% প্রমাণিত টিপস
মাথা ব্যথা কেন হয়? মাথা ব্যথা হওয়ার কারণ কি কি জেনে নিন!
১০০ বছরের পুরনো দাউদ ও চুলকানি দূর করার ১০০% ঘরোয়া উপায়
ভাত বেশি খেলে কি হয়? জানলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন নিঃসন্দেহে
কোন নিয়মে খাবার খাবেন?
আপনি খাবার খাচ্ছেন কিন্তু কোন নিয়ম মেনে খাচ্ছেন না এতে করে আপনার কোনো কাজই হবে না বরং হিতে বিপরীত হবে
আপনার শরীরের ওজন কোনোভাবেই বারবে না
আপনি যদি নিয়ম করে খাবার তালিকা তৈরি করে খেয়ে থাকেন তাহলে আপনার ওজন বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে
তালিকা তৈরি করুন এবং সেটি পালন করুন ঘড়ি ধরে
মোটামুটি ভাবে চার সপ্তাহের মধ্যে একটি ভালো ইতিবাচক ফলাফল পেয়ে যাবেন
ওজন বাড়ে খাবারগুলো খাবেন এবং পর্যাপ্ত ঘুমাবেন
এই নিয়মে এবং এই খাবারগুলো যদি আপনি নিয়মিত খেয়ে থাকেন রুটিনমাফিক তাহলে আপনি দুই বা চার সপ্তাহের মধ্যে আপনার ওজন বেড়ে যাবে
তারপরও যদি আপনার শরীরের ওজন না বেরে থাকে তাহলে আপনার শরীরে অন্য কোন সমস্যা রয়েছে, তাই এজন্য আপনি ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করুন
://../?=1
মোটা হতে চাই
: হেলথ টিপস ডেক্স
"" " " ; . , ' .
শরীর সুস্থ রাখতে চান?
ধূমপান ত্যাগ করার কার্যকারী উপায় |
রূপচর্চা করার জন্য তিনটি বিষয়ে অবশ্যই জানা দরকার
কিভাবে শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বাড়াবেন
← পাকা আম খেলে শরীরের ভিতরে যা ঘটতে পারে জানলে অবাক হবেন রাতে ঘুম হয় না? রাতে মাত্র ১ মিনিটেই ঘুমানোর সহজ পদ্ধতি জানুন →
[ =""]আয়েল্টস () পরীক্ষায় শুধুমাত্র ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা যাচাইয়ের পরীক্ষাই নয়; আয়েল্টস একটি লাইফ স্কিল এক্সাম
তাই আয়েল্টস পরীক্ষায় ভালো স্কোর করতে প্রয়োজন দৈনন্দিন লাইফে ইংরেজি ভাষার ব্যবহার
কখনোই মাত্র ৭ দিন বা ৫ দিনের প্রস্তুতি নিয়ে আয়েল্টস পরীক্ষায় টপ স্কোর করা সম্ভব নয়
পরীক্ষায় ভালো স্কোর করতে হলে অবশ্যই প্রস্তুতি নিতে হয় আগে থেকেই
যদি গ্রামার বা ভোকাবুলারীতে দুর্বলতা থাকে তবে প্রস্তুতির সময় ৩-৪ মাস পর্যন্ত হয় অনেক ক্ষেত্রেই
তবে ভালো স্কোরের জন্য প্রয়োজন প্রতিদিনই কম-বেশি চর্চায় রাখা
আয়েল্টস () পরীক্ষার প্রস্তুতিটা হতে হয় স্ট্রাটিজিক্যালি
তাই ভালো স্কোর করার জন্য শেষ ৭দিনে প্রস্তুতিটাও হতে হয় পরিকল্পনা অনুযায়ী স্ট্রাটিজিক্যাল
বাকি দিন ৭
এই সময়ে প্রতিদিন কমপক্ষে একটি করে পূর্ণাঙ্গ টেস্ট প্রাকটিস করতে হবে
আর এই প্রাকটিসগুলো হতে পারে ক্যামব্রিজ আয়েল্টস সিরিজের ৬-৭ বই দুটি থেকে
এ সময় অবশ্যই কোন সেকশনে সময় বেশি লাগছে এবং কেন বেশি লাগছে তা যাচাই করতে হবে
এর পাশাপাশি রাইটিংয়ের কিছু স্যাম্পল উত্তর এবং স্পিকিংয়ের উপর জোড় বাড়াতে হবে
ইমেইল চেক করে নিশ্চিত হতে হবে যে স্পিকিং পরীক্ষার ডেট কবে পড়েছে
যদি ইমেইল না আসে তবে ভয় পাবার কিছু নেই
স্পিকিং পরীক্ষার ডেট কমপক্ষে ৩দিন আগে ইমেইল করে জানিয়ে দেয়া হয়
কোন কারনে যদি পরীক্ষা আয়েল্টস পরীক্ষার আগে না হয়, সেক্ষেত্রে স্পিকিংয়ের ডেট আরও পড়ে আসবে
তাই বিভ্রান্ত হবার বা টেনশনের কোন কিছু নেই
স্বাভাবিক ভাবে নিজের প্রস্তুতি চালিয়ে যেতে হবে
বাকি দিন ৬
হাতে আছে আর ৬ দিন
এই সময়ে প্রস্তুতির গতি আরও বাড়িয়ে দিতে হবে
এই সময়ে পূর্ণাঙ্গ আয়েল্টস মডেল টেস্ট একাধিক সলভ করতে হবে
রাইটিং ফরমেট এবং ফরমাল ওয়েতে স্পিকিংয়ের উপর টিউটোরিয়াল বা লেসনগুলো আবারও ঝালাই করে নিতে হবে
যদি স্পিকিং এক্সামের ডেট জানা থাকে তবে সেভাবে স্পিকিং সেকশনের জন্য আলাদা ভাবে প্রস্তুতি নেয়া শুরু করতে হবে
বেশি বেশি প্রাকটিস করতে হবে
এছাড়াও স্পিকিং সেকশনে ভাল করার জন্য কিছু কার্যকরী টিপস্ জেনে নিতে পড়তে পারেন এই আর্টিকেলটি- [ =",," ="" ="://../--/" = "_"]' স্পিকিং সেকশনের টপ 10 টিপস্'[/]
বাকি দিন ৫
ক্যামব্রিজ আয়েল্টস সিরিজের ৮ এবং ৯ খন্ড বই থেকে প্রাকটিস টেস্টগুলো বেশি বেশি প্রাকটিস করতে হবে
সময় পেলেই স্পিকিংয়ের প্রাটিস চালিয়ে যেতে হবে
এছাড়াও লিসেনিং এবং রিডিং সেকশনের জন্য বিবিসি এবং অন্যান্য ইউকে বেইজড সংবাদ মাধ্যমের খবরগুলো পড়তে হবে এবং শুনতে হবে
যেহেতু আগামী দিন স্পিকিং পরীক্ষা তাই স্পিকিং সেকশনে জোড় দিয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে
প্রাকটিস চালিয়ে যেতে হবে এবং ইন্টারভিউ'য়ে কিভাবে নিজেকে প্রেজেন্ট করবেন তার পূর্ণ পরিকল্পনার ছক নিজের মাথায় গেছে নিতে হবে
এক্ষেত্রে [ =",," ="" ="://../--/" = "_"]'আয়েল্টস (স্পিকিং) ইন্টারভিউ: করণীয়-বর্জনীয়'[/] -এই আর্টিকেলটি সহায়ক হতে পারে
বাকি দিন ৪: স্পিকিং পরীক্ষা
সকাল সকাল প্রস্তুত হয়ে স্পিকিং পরীক্ষার জন্য রওনা হয়ে যেতে হবে
স্পিকিং এক্সাম ভেন্যুর বাইরে গিয়ে অপেক্ষমান এক্সামিনিদের সাথে ইংরেজিতে কথা বলতে থাকতে হবে
পরীক্ষার হলের বাইরে যারা অপেক্ষা করেন তারা সবাই মূলত স্পিকিং টেস্টের জন্যই অপেক্ষা করেন
তাই সেখানে গিয়ে চুপচাপ এক কোণায় দাড়িয়া থাকা বা কারও সাথে কথা না বলাটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না
বরং সেখানে যারা রয়েছেন তাদের মধ্যে আগ্রহীদের সাথে নিজে থেকেই কনভার্সেন শুরু করে দেয়া উচিত
এবং ইন্টারভিউ রুমের ভেতরে প্রবেশের আগ পর্যন্ত স্পিকিং চালিয়ে যাওয়া উচিত
এতে করে নিজের মধ্যে কনফিডেন্স বাড়বে এবং জড়তা থাকলে তাও কেটে যাবে
স্পিকিং টেস্ট শেষ করে আর আশায় বুক বাধা বা হতাশ হবার কোন কারন নেই
যা হয়ে গেছে তা আর পরিবর্তন করা সম্ভব নয়
তাই পরবর্তী পরীক্ষার দিকে ফোকাস বাড়াতে হবে
বাকি দিন ৩
ইতিমধ্যে স্পিকিং টেস্ট হয়তো শেষ হয়ে গেছে
এবার অন্যান্য সেকশনের প্রস্তুতিতে পূর্ণ মনোযোগ দিতে হবে
ক্যামব্রিজ সিরিজ থেকে ১০ এবং ১১ তম বইয়ের প্রাকটিস টেস্ট গুলো সমাধান করতে হবে
যদি এই বইগুলো আগেই করা হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে ক্যামব্রিজ অফিসিয়াল ম্যাটেরিয়াল ১ এবং ২ দুটি পৃথক বই প্রাকটিস করা উচিত
কোন সেকশনে আপনার প্রস্তুতি বেশ ভালো এমন আত্মবিশ্বাস মনে রাখার প্রয়োজন নেই
সকল সেকশনে সমান ভাবে গুরুত্ব দিতে হবে
যে সেকশনে এখনও দুর্বলতা রয়েছে সেই সেকশনের প্রাকটিস আরও বেশি করে করতে হবে