content
stringlengths
0
129k
তিনি বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক
তার বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ রয়েছে
ধর্ষণের শিকার শিশু স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী
তার বাবা একজন দিনমজুর
শিশুটির বাবা জানান, দুপুরে মায়ের ভেজা কাপড় শুকাতে বাড়ির পার্শ্ববর্তী মাঠে যায় তার মেয়ে
এ সময় সুজন তাকে একা পেয়ে মুখে চেপে ধরে ওই মাঠের পাশের জঙ্গলে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যান
সেখানে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মোবাইল ফোনে নগ্ন ভিডিও দেখান এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন
তিনি তাকে বাড়িতে না পেয়ে তার খোঁজে মাঠে চলে যান এবং ডাকতে থাকেন
পরে শিশুটির চিৎকার শুনে ওই পরিত্যক্ত ঘরে গেলে দুজনকে বিবস্ত্র অবস্থায় দেখা যায়
ধর্ষককে আটকানোর চেষ্টা করলে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে কিল-ঘুষি মেরে পালিয়ে যান
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মিজানুল হক বলেন, শিশুটিকে থানায় আনা হয়েছে
তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে
এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা
কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের ডা. আতিকুজ্জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে ওই শিশুর গোপনাঙ্গে কিছু লক্ষণ পাওয়া গেছে
তবে এটা ধর্ষণ কি-না, তা এখান থেকে নির্ণয় করা সম্ভব নয়
এজন্য আমরা ভিকটিমকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছি
আজ সকাল ১০.০০ ঘটিকায় রাজশাহী-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের জ্যেষ্ঠ ভাইস-চেয়ারম্যান জনাব ফজলে হোসেন বাদশা রাজশাহী রেশম কারখানার ৫টি পাওয়ার লুমের কার্যক্রম পরীক্ষামূলকভাবে উদ্বোধন করেন
রাজশাহী রেশম কারখানা চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, রাজশাহী রেশম কারখানা চালু হওয়া তাঁর এবং রাজশাহীবাসীর স্বপ্ন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এই স্বপ্ন আজ সফল হওয়ার পথে
তিনি রেশম কারখানার ৫টি পাওয়ার লুমের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন
তিনি রেশম শিল্পকে রেশম কারখানার শিল্প না ভেবে এটিকে সামাজিক শিল্প হিসেবে বাস্তবায়নের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান
প্রথমত ট্রায়াল বেসিসে ৫টি লুমের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে এর পরিধি ক্রমান্বয়ে আরও বাড়ানোর কথা বলেন
২০০২ সালে রেশম কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার ফলে রাজশাহী তথা বাংলাদেশকে পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন
অন্যদিকে তিনি অন্যান্য সুবিধার পাশাপাশি বর্তমানে কারখানায় গ্যাস সংযোগ প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট সমাজ সেবক জনাব শাহীন আক্তার রেনী বলেন, রাজশাহী সিল্কের ব্রান্ডিং পেয়েছে
রাজশাহী এখন সিল্ক হেভেন
তিনি রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাওয়ার কথা বলেন
সভাপতির বক্তব্যে রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক বলেন, আমাদের গর্বের এবং আত্মসম্মানের প্রতীক হলো এই রেশম কারখানা
তৎকালীন সময়ে কারখানার লোকসান থাকলেও তা চালু রাখা যু্ক্তিযু্ক্ত ছিল বলে তিনি বলেন
তিনি রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য চীন, ভারত থেকে উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার বিষয়টি উল্লেখ করেন
এজন্য রেশম শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক অধ্যাপিকা তসলিমা খাতুন, স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধান উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ কর্মকর্তা মো: মাহবুবুর রহমান, আরও বক্তব্য দেন সিবিএ সভাপতি মো: আবু সেলিম
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সকলে ৫টি পাওয়ার লুম চালুকরণের সকল পর্যায় অর্থাৎ ধাপ পরিদর্শন করেন
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ড. সাবরিনা নাজ, বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য(অর্থ ও পরিকল্পনা)ও সদস্য(উৎপাদন ও বাজরজাতকরণ) অ:দা: সৈয়দা জেবিননিছা সুলতানা, সদস্য(সম্প্রসারণ ও প্রেষনা) এম.এ মান্নান, রেশম শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি মো: লিয়াকত আলী, রেশম উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ, শ্রমিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন
অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের ভূমিকা পালন করেন বোর্ডের সচিব মো: জায়েদুল ইসলাম
আজ সকাল ১০.০০ ঘটিকায় রাজশাহী-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের জ্যেষ্ঠ ভাইস-চেয়ারম্যান জনাব ফজলে হোসেন বাদশা রাজশাহী রেশম কারখানার ৫টি পাওয়ার লুমের কার্যক্রম পরীক্ষামূলকভাবে উদ্বোধন করেন
রাজশাহী রেশম কারখানা চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, রাজশাহী রেশম কারখানা চালু হওয়া তাঁর এবং রাজশাহীবাসীর স্বপ্ন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এই স্বপ্ন আজ সফল হওয়ার পথে
তিনি রেশম কারখানার ৫টি পাওয়ার লুমের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন
তিনি রেশম শিল্পকে রেশম কারখানার শিল্প না ভেবে এটিকে সামাজিক শিল্প হিসেবে বাস্তবায়নের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান
প্রথমত ট্রায়াল বেসিসে ৫টি লুমের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে এর পরিধি ক্রমান্বয়ে আরও বাড়ানোর কথা বলেন
২০০২ সালে রেশম কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার ফলে রাজশাহী তথা বাংলাদেশকে পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন
অন্যদিকে তিনি অন্যান্য সুবিধার পাশাপাশি বর্তমানে কারখানায় গ্যাস সংযোগ প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট সমাজ সেবক জনাব শাহীন আক্তার রেনী বলেন, রাজশাহী সিল্কের ব্রান্ডিং পেয়েছে
রাজশাহী এখন সিল্ক হেভেন
তিনি রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাওয়ার কথা বলেন
সভাপতির বক্তব্যে রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক বলেন, আমাদের গর্বের এবং আত্মসম্মানের প্রতীক হলো এই রেশম কারখানা
তৎকালীন সময়ে কারখানার লোকসান থাকলেও তা চালু রাখা যু্ক্তিযু্ক্ত ছিল বলে তিনি বলেন
তিনি রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য চীন, ভারত থেকে উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার বিষয়টি উল্লেখ করেন
এজন্য রেশম শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক অধ্যাপিকা তসলিমা খাতুন, স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধান উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ কর্মকর্তা মো: মাহবুবুর রহমান, আরও বক্তব্য দেন সিবিএ সভাপতি মো: আবু সেলিম
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সকলে ৫টি পাওয়ার লুম চালুকরণের সকল পর্যায় অর্থাৎ ধাপ পরিদর্শন করেন
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ড. সাবরিনা নাজ, বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য(অর্থ ও পরিকল্পনা)ও সদস্য(উৎপাদন ও বাজরজাতকরণ) অ:দা: সৈয়দা জেবিননিছা সুলতানা, সদস্য(সম্প্রসারণ ও প্রেষনা) এম.এ মান্নান, রেশম শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি মো: লিয়াকত আলী, রেশম উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ, শ্রমিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন
অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের ভূমিকা পালন করেন বোর্ডের সচিব মো: জায়েদুল ইসলাম
আজ সকাল ১০.০০ ঘটিকায় রাজশাহী-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের জ্যেষ্ঠ ভাইস-চেয়ারম্যান জনাব ফজলে হোসেন বাদশা রাজশাহী রেশম কারখানার ৫টি পাওয়ার লুমের কার্যক্রম পরীক্ষামূলকভাবে উদ্বোধন করেন
রাজশাহী রেশম কারখানা চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, রাজশাহী রেশম কারখানা চালু হওয়া তাঁর এবং রাজশাহীবাসীর স্বপ্ন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এই স্বপ্ন আজ সফল হওয়ার পথে
তিনি রেশম কারখানার ৫টি পাওয়ার লুমের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন
তিনি রেশম শিল্পকে রেশম কারখানার শিল্প না ভেবে এটিকে সামাজিক শিল্প হিসেবে বাস্তবায়নের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান
প্রথমত ট্রায়াল বেসিসে ৫টি লুমের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে এর পরিধি ক্রমান্বয়ে আরও বাড়ানোর কথা বলেন
২০০২ সালে রেশম কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার ফলে রাজশাহী তথা বাংলাদেশকে পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন
অন্যদিকে তিনি অন্যান্য সুবিধার পাশাপাশি বর্তমানে কারখানায় গ্যাস সংযোগ প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট সমাজ সেবক জনাব শাহীন আক্তার রেনী বলেন, রাজশাহী সিল্কের ব্রান্ডিং পেয়েছে
রাজশাহী এখন সিল্ক হেভেন
তিনি রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাওয়ার কথা বলেন
সভাপতির বক্তব্যে রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক বলেন, আমাদের গর্বের এবং আত্মসম্মানের প্রতীক হলো এই রেশম কারখানা
তৎকালীন সময়ে কারখানার লোকসান থাকলেও তা চালু রাখা যু্ক্তিযু্ক্ত ছিল বলে তিনি বলেন
তিনি রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য চীন, ভারত থেকে উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার বিষয়টি উল্লেখ করেন
এজন্য রেশম শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক অধ্যাপিকা তসলিমা খাতুন, স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধান উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ কর্মকর্তা মো: মাহবুবুর রহমান, আরও বক্তব্য দেন সিবিএ সভাপতি মো: আবু সেলিম
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সকলে ৫টি পাওয়ার লুম চালুকরণের সকল পর্যায় অর্থাৎ ধাপ পরিদর্শন করেন
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ড. সাবরিনা নাজ, বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য(অর্থ ও পরিকল্পনা)ও সদস্য(উৎপাদন ও বাজরজাতকরণ) অ:দা: সৈয়দা জেবিননিছা সুলতানা, সদস্য(সম্প্রসারণ ও প্রেষনা) এম.এ মান্নান, রেশম শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি মো: লিয়াকত আলী, রেশম উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ, শ্রমিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন
অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের ভূমিকা পালন করেন বোর্ডের সচিব মো: জায়েদুল ইসলাম
রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য সমন্বিত প্রকল্প (সম্প্রসারণ, গবেষণা, প্রশিক্ষণ, উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ইত্যাদি)
তৃতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৮৫-৯০)
রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য সমন্বিত প্রকল্প (সম্প্রসারণ, গবেষণা, প্রশিক্ষণ, উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ইত্যাদি) (দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা থেকে স্পীল্ড ওভার)
রেশম শিল্পের সম্প্রসারণ, রেশম বীজগুটির উৎপাদন কেন্দ্র সহাপন ও জাতীয় রেশম গবেষণা উন্নয়ন (জুলাই,১৯৯০-নভেম্বর,১৯৯৬)
রেশম শিল্পের সম্প্রসারণ, রেশম বীজগুটির উৎপাদন কেন্দ্র সহাপন ও জাতীয় রেশম গবেষণা উন্নয়ন
(২য় পর্যায়) (জুলাই'৯৭- জুন ২০০১)
ইতোপূর্বে সমাপ্ত রেশম শিল্পর সম্প্রসারণ, রেশম বীজগুটির উৎপাদন কেন্দ্র সহাপন ও জাতীয় রেশম গবেষণা উন্নয়ন প্রকল্পর বন্যায় ক্ষতিগ্রসহ অংগসমূহের পূনর্বাসন প্রকল্প
(ডিসেম্বর'৯৮-জুন ২০০০)
১৯৯৮ সালর বন্যায় ক্ষতিগ্রসহ ক্ষূদ্র রেশম চাষী, রেশম সূতা ও রেশম বসএ উৎপাদনকারীদের পুনর্বাসন কর্মসূচী প্রকল্প
(ডিসেম্বর'৯৮-জুন ২০০১)
রাজশাহী রেশম কারখানার বিএমআরই প্রকল্প
(জুলাই'৯৫-জুন'৯৯)
ঠাকুরগাঁও রেশম কারখানার বিএমআরই প্রকল্প
(জুলাই'৯৬-জুন'৯৯)
পাবর্ত্য রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় বিশেষ রেশম চাষ সম্প্রসারণ প্রকল্প (জুলাই'৯৩-জুন'৯৯)
বাংলাদশ রেশম গবেষনা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটকে শক্তিশালী করার মাধ্যম রেশম শিল্প যথাযথ প্রযুক্তি প্রবর্তন ও প্রচার
(জুলাই-৯৭-জুন ২০০৩)
বাংলাদেশে রেশম চাষ সম্প্রসারণ ও রেশম শিল্পের উন্নয়ন
(জুলাই'২০০১--জুন'২০০৬) জুলাই'২০০১--জুন'২০০৬পর্যন্ত
পার্বত্য চট্রগ্রাম জেলাসমুহে রেশম চাষ সম্প্রসারণ (২য় পর্যায়)
(জুলাই'২০০৬ থেকে জুন'২০০৮ পর্যন্ত)
পার্বত্য চট্রগ্রাম জেলাসমুহে রেশম চাষ সম্প্রসারণ (২য় পর্যায়)
(জুলাই'২০০৮ থেকে জুন'২০১১ পর্যন্ত)
রেশম চাষ ও শিল্পের সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন
(১ম সংশোধিত)
(জুলাই'২০০৮ থেকে জুন'২০১১ পর্যন্ত)
১৯ বাংলাদেশে সরকারী ও বেসরকারী খাতে রেশম চাষ সম্প্র্রসারণ ও উন্নয়ন (জুলাই ২০০৯-জুন ২০১৪) ৩০০০.০০ ২৯১০.১৫ ৯২.৪৭%