content
stringlengths
0
129k
তারপর ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে নিজস্ব প্রাইস নির্ধারণ করে দিবেন
উদাহরণ স্বরূপ, কোন একটা ব্র্যান্ডের প্রতিটি পোস্টের জন্য আপনি ৫০০০ টাকা নির্ধারণ করতে পারেন
৮. অ্যাকাউন্ট সেল করে আয়
সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট এবং ফ্যান পেজ কেনা-বেচার সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি ওয়েবসাইট এ নিজের পুরাতন অ্যাকাউন্ট বিক্রি করেও আপনি ফেসবুক থেকে আয় করতে পারেন
কিছুদিন আগেও একের অধিক অ্যাকাউন্ট খোলার একটা ট্রেন্ড চালু ছিল
কিন্তু এখন মার্কেটাররা সেই পুরোনো অ্যাকাউন্টগুলো কিনতে আগ্রহী
কারণ হিসাবে ধরা হয় ফেসবুকে পুরোনো অ্যাকাউন্টের গুরত্ব বেশি
একইভাবে, ফ্যান-ফলোয়ারের ওপর ভিত্তি করেও আপনার পুরোনো ফেসবুক গ্রুপ বা পেজও বিক্রি করতে পারেন ঐ ওয়েব সাইটে
৯. ফেসবুক শপ
অনলাইনে জিনিসপত্র বিক্রি করার জন্য একটা অসাধারণ অ্যাপ
আপনার যদি ই-কমার্স স্টোর কিংবা ছোটখাট ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপনি এটা ব্যবহার করতে পারেন
এই অ্যাপের ফ্রি এবং পেইড ভার্সন আছে
ফ্রি ভার্সনটা লিমিটেড, তবে পেইডটা অসাধারণ
১০. গ্যারেজ সেল
অ্যাপটি . এর সাথে সংযুক্ত
এখানেও আপনি আপনার পুরাতন জিনিসপত্র বিক্রি করে অতিরিক্ত আয় করতে পারবেন
জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকটি এখন আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্যই বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে
এটার সবচেয়ে সুবিধাজনক দিক হচ্ছে এটি জনপ্রিয় এবং প্রত্যেক শ্রেণিপেশার মানুষের জন্য নিজের অবস্থান ও দক্ষতা অনুযায়ী আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে
আগ্রহী যে কেউ নিজের মেধা ও সময়ের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে ফেসবুক থেকে আয় করতে পারেন
১১. ফেসবুক ইন্সট্যান্ট আর্টিকেল
আপনার ওয়েবসাইটে করা পোস্টগুলো যখন আপনি আপনার ফেসবুক পেজে ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল হিসেবে পোস্ট করবেন তখন সেটি পড়ার জন্য ইউজারদের মোবাইলের ডাটা খরচ করে নতুন কোন ট্যাবে বা ব্রাউজারে যেতে হবে না
তবে লক্ষ্যনীয় যে, ফেসবুক ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল শুধুমাত্র স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরাই দেখতে পারবেন
বিশ্বের বড় বড় সংবাদমাধ্যমগুলো ইতোমধ্যেই ফেসবুকের ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল ফিচারটির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন বা হচ্ছেন
ফেসবুক মূলত নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ইউজার বা ভিজিটরদের আরও বেশি সময় ধরে রাখার জন্য, দ্রুত সাইটে প্রবেশ (লোডিং টাইম), নিউজ সাইটগুলো আরও বেশি ফেসবুকমুখী হওয়া, বিজ্ঞাপনদাতাদের টার্গেট অডিয়েন্স ধরা এবং ওয়েবসাইটের মালিকদের সঙ্গে রেভিনিউ শেয়ার করার জন্য এই ফিচারটি চালু করেছে
এডসেন্সের মত আয়ের টাকা ১০০ ডলার হলেই চলে আসবে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে
ঢাকা ও ঢাকার বাইরের জেলা শহরের ছোট কিংবা মাঝারি অনলাইন সংবাদমাধ্যমগুলোও প্রতিনিয়ত এ পদ্ধতির সঙ্গে সংযুক্ত হচ্ছে
তবে পরবতীর্তে ফেসবুক ইন্সট্যান্ট আর্টিকেল নিয়ে বিস্তারিত একটি আর্টিকেল লিখবো ইনশাআল্লাহ
.. ফেসবুক থেকে টাকা আয়
ইউটিউব থেকে আয়, একাউন্ট তৈরি করা থেকে মনিটাইজেশন
ডিজিটাল মার্কেটিং টিউটোরিয়াল পার্ট-১
নেশার জিনিস হতে পারে পেশার জিনিস
7, 2020
:
ডিজিটাল মার্কেটিং টিউটোরিয়াল পার্ট-১
10, 2020
ফেসবুক থেকে টাকা ইনকামের সেরা ১১টি উপায়
9, 2020
ইউটিউব থেকে আয়, একাউন্ট তৈরি করা থেকে মনিটাইজেশন
9, 2020
স্থগিত সকল চাকুরির পরীক্ষা নভেম্বরে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
24, 2020
এ টুইট করে নামি দামী গুনিজন
8, 2020
2020 2020
. & . . & .
ডিজিটাল মার্কেটিং টিউটোরিয়াল পার্ট-১
10, 2020
ফেসবুক থেকে টাকা ইনকামের সেরা ১১টি উপায়
9, 2020
ইউটিউব থেকে আয়, একাউন্ট তৈরি করা থেকে মনিটাইজেশন
9, 2020
স্থগিত সকল চাকুরির পরীক্ষা নভেম্বরে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
24, 2020
এ টুইট করে নামি দামী গুনিজন
8, 2020
ডিজিটাল মার্কেটিং টিউটোরিয়াল পার্ট-১
10, 2020
আপনার জীবনের সেরা পেশা ও নেশা হতে পারে
7, 2020
‍ করেও হতে পারেন আর্নার
7, 2020
নেশার জিনিস হতে পারে পেশার জিনিস
7, 2020
করে আপনি কামাই করুন হাজার ডলার
7, 2020
এফিলিয়েট মার্কেটিং 10
করোনাভাইরাস বৈশ্বিক মহামারির অন্যতম কারণ হলেও প্রায় দু'বছর ধরে লকডাউন, স্থিতিশীলতা, বেড়ে যাওয়া, কমে যাওয়াসহ নানা প্রভাব কাটিয়ে উঠলেও নানা খাতে প্রাণ সঞ্চার হয়েছে
শুধুমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের ঠেলে দেয়া হচ্ছে কঠিন বিপথের দিকে
করোনাভাইরাসের দুর্যোগে সকল খাত নিয়ে বিবেচনা, সুবিবেচনা করা হলেও কেনো জানি করোনা নামক ভাইরাসের অভিশাপ দিয়ে শিক্ষাব্যবস্থা কিবা শিক্ষার্থীদের নিয়ে ভাবা হচ্ছে না
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের তারিখ পেছাতে পেছাতে এ পর্যন্ত কতোবার যে তা পেছালো তার হিসেব আর নেই
খোদ শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিও রাখেননি
শিক্ষার্থীদের বিপথে ঠেলে দিতে শিক্ষাব্যবস্থার অবস্থা নাজুক করে তোলা হয়েছে
করোনা অজুহাতে দেশে কোন খাতটি বন্ধ আছে? কল-কারখানা, মিল-ইন্ডাস্ট্রিজ, অফিস-আদালত, যানবাহন গাড়ি-ঘোড়া, আকাশপথ, নৌপথ, কোনোটাই বন্ধ নেই
মুখে মুখে লকডাউন, কাগজে-কলমে লকডাউন ঘোষিত হলেও বাস্তবায়নে তা চোখে পড়ে না
দেশে কতোগুলো খাত লকডাউন ও ছুটি বা বন্ধের আওতায় আনা হয়েছে? কেবল মাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া আর কোনো খাতে কার্যকর হয়নি এতো দীর্ঘ সময় ধরে
এতো লম্বা সময় ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়াতে শিক্ষার্থীরা অপেক্ষার প্রহর গুনতে গুনতে তারা বিভিন্ন রকম বিপথে চলে গেলো
শতকরা ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী শিক্ষা থেকে ঝরে গেলো অকালে
৩০ শতাংশ শিক্ষার্থী নেশাসহ বিভিন্ন খারাপ কাজে জড়িয়ে গেলো
৩০ শতাংশ শিক্ষার্থী বিভিন্ন কাজে লেগে গেলো
বিপথগামী হলো ৩০ শতাংশ শিক্ষার্থী, বিভিন্ন ধরনের মোবাইল খেলা যেমন পাবজি, ফ্রী ফায়ার, তাস, লুডু সহ নানা নেশাযুক্ত খেলায় আচ্ছন্ন হলো ৩০ শতাংশ শিক্ষার্থী, ৩০ শতাংশ শিক্ষার্থী মাদক, চুরি-ছিনতাইসহ নানা অপরাধের সাথে যুক্ত হয়ে পড়েছে
বড়ো দুঃখের বিষয় এসব শিক্ষার্থীদের আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়
করোনা প্রকোপ চলে যাওয়ার কোনো লক্ষণ আপাতত দেখা না যাওয়ায় কিছু কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনলাইন ক্লাস শুরু করলেও তা অল্প সময়ের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের আস্থা হারিয়ে ফেলেছে এবং শিক্ষার্থী ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে
যেখানে ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীদের বেত হাতে, চোখরাঙানি, নাম ধরে সতর্ক করার মতো ক্লাস করে মনোযোগ ধরে রাখতে শিক্ষকরা হিমশিম খেতো, সেখানে ভার্চুয়াল ক্লাস অনলাইন ক্লাসে শিক্ষার্থীদের মনযোগ কিভাবে অটুট রাখবে? মানে ফলাফল ছিলো শুন্য
অনলাইন ক্লাস ব্যর্থ
শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়নের নামে হাজার হাজার কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে মন্ত্রী, সচিব, উপসচিব, সহকারি সচিব, ডিজি,এডিজি, শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পকেট ভরিয়ে লাভ কি! অযথা বরাদ্দ না দেয়ার জন্য সরকারের সুবিবেচনা করা উচিত
কারন এখন তো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সব বন্ধ