content
stringlengths 0
129k
|
|---|
৪. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
|
ডালিম দেহের কোলস্টেরলের ঝুঁকি কমায়
|
এতে রক্তচলাচল বৃদ্ধি পায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে
|
৫. স্মৃতিশক্তি বাড়ায়
|
ডালিম স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে
|
আর এ কারণে এটি অ্যালঝেইমার্সের মতো রোগীদের জন্যও উপকারি
|
৬. হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি
|
ডালিমে রয়েছে বহু পুষ্টি উপাদান, যা দেহের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায়
|
এতে অ্যানেমিয়া ও রক্তের নানা সমস্যা দূর করতে ভূমিকা রাখে
|
৭. প্রাকৃতিক ইনসুলিন
|
ডালিম ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী
|
অনেকেই একে ইনসুলিনের বিকল্প হিসেবে বলেন
|
এটি মিষ্টি হলেও সাধারণত ডায়াবেটিস রোগীদের কোনো সমস্যা হয় না
|
৮. ক্যান্সার প্রতিরোধী
|
ডালিমের বেশ কিছু উপকার রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধ
|
বিশেষ করে স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে এর ভূমিকা প্রমাণিত হয়েছে গবেষণায়
|
৯. ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী
|
দেহে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে ডালিম
|
এছাড়া এটি ফাংগাস ইনফেকশনের বিরুদ্ধেই ভূমিকা রাখে
|
১০. শারীরিক অনুশীলনের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি
|
সুস্থ থাকার জন্য কিংবা ভালো পারফর্মেন্সের জন্য অনেকেই শারীরিক অনুশীলন করেন
|
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনুশীলনের পাশাপাশি ডালিম খাওয়া হলে তা কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে
|
নৌ দুর্ঘটনার ২৯ ঘণ্টা পর নিমজ্জিত লঞ্চ মর্নিং বার্ড উদ্ধার না করেই কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘোষণা করেছে বিআইডব্লিউটিএ
|
লঞ্চের ভেতর থেকে ডুবুরিরা আরও একটি মরদেহ উদ্ধার করায় নিহতের সংখ্যা ৩৩ জনে দাঁড়িয়েছে
|
অনিবার্যকারণে উদ্ধারকারী জাহাজ ঘটনাস্থলে আসতে না পারায় ৫ ঘণ্টা বিরতি দিয়ে সকাল সাড়ে দশটার দিকে বিআইডব্লিউটিএ'র টাগ বোট দিয়ে নিমজ্জিত লঞ্চটি টেনে তোলার চেষ্টা করে বিআইডব্লিটিএ ও ফায়ার সার্ভিস
|
দু'ঘণ্টা চেষ্টার পর উপরের দিকে জাগানো সম্ভব হয় লঞ্চটিকে
|
সেসময় বিআইডব্লিউটিএ"র প্রকৌশলীরা নিমজ্জিত লঞ্চটি ঘাটের কাছে টেনে নিয়ে আসেন
|
বুড়িগঙ্গায় লঞ্চ দুর্ঘটনার ১৩ ঘণ্টা পর একজন যাত্রীর জীবিত উদ্ধার করা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা
|
ফায়ার সার্ভিস বলেছে ডুবুরিরা আগেই এ ধরনের আভাস পেয়েছিলেন
|
দুপুরের দিকে নিমজ্জিত লঞ্চ থেকে আরও একজন পুরুষ যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা
|
এর কিছু পরে দুপুর দুইটার দিকে উদ্ধার তৎপরতা সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়
|
দুর্ঘটনাকবলিত দুটি লঞ্চকে মামলার আলামত হিসেবে জব্দ করেছে নৌ পুলিশ
|
ময়ূরী-২ লঞ্চের মালিক ও ৫ চালকসহ ৬ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে কেরানীগঞ্জ থানায়
|
দুর্ঘটনা কবলিত লঞ্চ দুটির কোনোটাতেই যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য লাইফ জ্যাকেট ছিল না
|
পুরো করোনার সময় একটা বাসার চার দেয়ালের ভেতরে আটকা থেকে সময় কাটিয়েছি
|
তখন বসে বসে নানা কিছু চিন্তা করেছি, তার মাঝে একটা ছিল করোনার উপদ্রব শেষ হওয়ার পর কী করবো তার নানারকম পরিকল্পনা
|
সবচেয়ে বড় কল্পনাটা ছিল রাজশাহী গিয়ে হাসান আজীজুল হক স্যারের সঙ্গে দেখা করে কিছুক্ষণ কথা বলে আসা
|
স্যারের সঙ্গে অনেকবার দেখা হয়েছে, অনেকবার কথা হয়েছে, কিন্তু আর কেউ নেই শুধু আমি আর স্যার, তার সঙ্গে বসে সাহিত্য, দেশ, ইতিহাস, রাজনীতি এসব সিরিয়াস বিষয় নিয়ে কথা বলার একটা ছেলেমানুষী শখ ছিল
|
যত সময় গেছে সেটা নিয়ে আমার সেই শখটা অনেক বেড়ে গিয়েছিল
|
খবর পেয়েছিলাম স্যারের শরীরটা ভালো যাচ্ছে না
|
তার ছেলের বক্তব্য থেকে জানতে পেরেছিলাম, স্যারের স্মৃতিশক্তিও কমে আসছে, অনেক সময় পরিচিত মানুষকে চিনতে পারেন না
|
তারপর দেখলাম স্যারকে চিকিৎসার জন্যে ঢাকা নিয়ে আসা হয়েছে, খুব ভয় পেয়েছিলাম তখন
|
তাঁর ছেলের কাছে স্যারের খোঁজ নিয়েছি
|
করোনার সময়টিতে আমরা আইসিইউ নামে একটা ভয়ংকর শব্দ শিখেছি, দেখে আসছি একবার কেউ তার ভেতরে গেলে প্রায় কখনোই বেঁচে ফিরে আসছেন না
|
স্যার কিন্তু সুস্থ হয়ে বের হয়ে এসেছেন, আবার রাজশাহী ফিরে গেছেন দেখে অনেক শান্তি পেয়েছিলাম
|
শুধু তা-ই না, কয়েক সপ্তাহ আগে দেখলাম স্যার পত্রিকায় একটি লেখা দিয়েছেন, লেখার বিষয়বস্তু আমাকে যতটুকু আনন্দ দিয়েছে তার থেকে বেশি আনন্দ দিয়েছে স্যার আবার লিখছেন সেই তথ্যটুকু
|
আরও পড়ুন ::
|
জেলহত্যা দিবসের স্মৃতিকথা
|
4 সপ্তাহ
|
এই দুঃখ কোথায় রাখি?
|
অক্টোবর 20, 2021
|
আমি যখন রাজশাহী যাওয়ার কথা চিন্তা করছি তখন একেবারে হঠাৎ জানতে পারলাম স্যার আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন
|
হঠাৎ মনে হলো একেবারে একা হয়ে গেছি
|
আমাদের বুঝি দেখে-শুনে রাখার আর কেউ নেই
|
বহুকাল আগে একবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গেছি
|
তখন সময়টা ভালো না, দেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, বঙ্গবন্ধুর অবদান এসব কিছুকে নির্বাসন দেওয়া হয়েছে
|
সেই দুঃসময়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ছেলেমেয়েরা মিলে মুক্তিযুদ্ধের জন্য ভালোবাসাটুকু ধরে রাখার জন্য একটা সংগঠন করেছে
|
সেই বাচ্চা ছেলেমেয়েরা আমাকে ডেকেছে, আমি তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলছি
|
হঠাৎ দেখি সেই বাচ্চা ছেলেমেয়েদের মাঝে একজন বড় মানুষ - খবর পেয়ে হাসান আজীজুল হক স্যার চলে এসেছেন
|
দেশের বাইরে ছিলাম বলে দেশের এই বড় বড় কবি, সাহিত্যিক শিল্পীদের সঙ্গে আমার পরিচয় নেই, তার ওপর সবাই ঢাকাকেন্দ্রিক, শুধু স্যার রাজশাহী থাকেন! স্যারের সঙ্গে পরিচয় হলো, কথা হলো
|
তারপর থেকে যতবার রাজশাহী গেছি, স্যারের সঙ্গে একটিবার হলেও দেখা করে এসেছি, স্যার হাসিমুখে আমার যন্ত্রণা সহ্য করেছেন
|
আমি সিলেটের শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে, অভ্যাস অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কথাবার্তা বলে জামাত শিবিরের চক্ষুশূল হয়ে আছি
|
দুদিন পরপরই আমাকে নিয়ে ঝামেলা হয়, কখনও বাসায় বোমা পড়ে, কখনও ফাঁসির দাবি, কখনও আমার বিরুদ্ধে আন্দোলন - স্যার প্রতিবার রাজশাহী থেকে আমাকে ফোন করেন, সাহস দেন
|
আমার পাশে আছেন বলে আমিও ভরসা পাই, বাড়াবাড়ি করছি কিনা জানি না, কিন্তু ভুল করছি না সেই বিষয়টা বুঝতে পারি
|
এই দেশে যারা থেকেছে, মুক্তিযুদ্ধের জন্য ভালোবাসাটুকু ধরে রাখার জন্য তাদের কাজ করতে হয়েছে, সেজন্য ঝামেলাও কম হয়নি
|
কাজেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হওয়ার পরও স্যারের পরিচয় শুধু অধ্যাপক নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল চেতনার একজন অভিভাবকও
|
এত কিছুর পরেও স্যারের সবচেয়ে বড় পরিচয় হচ্ছে লেখক
|
আমি নিজে আমার ছেলেমানুষী লেখার চেষ্টা করি বলে বুঝতে পারি আমরা কেন দায়সারা লেখক আর স্যার কেন সত্যিকারের লেখক
|
শুধু লেখক নয়, বড় লেখক! খুব বেশি লিখেননি কিন্তু যেটুকু লিখেছেন একেবারে খাঁটি সোনা
|
দেখে ভালো লাগে যে, স্যারের লেখার জন্য দেশে এবং দেশের বাইরে ঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে
|
বহুদিন আগে এলিস ওয়াকারের লেখা 'দি কালার পারপল' নামে একটা উপন্যাস পড়েছিলাম (আমার ধারণা এই নামে তৈরি চলচ্চিত্রটি মূল বই থেকে বেশি পরিচিত)
|
যারা মূল বইটি পড়েছেন তারা জানেন এই বইয়ের ভাষা কিন্তু আমাদের পরিচিত ইংরেজি নয়, আমেরিকান কালো মানুষদের নিজস্ব এক ধরনের ভাষা
|
প্রথম এক দুই পৃষ্ঠা পড়লেই এই ভাষাটিতে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া যায়, তখন এই নতুন ভাষাটিকে রীতিমতো মিষ্টি একটি ভাষা বলে মনে হতে থাকে
|
আমাদের বাংলা ভাষায় লেখা বইয়েও কেউ এক দুটি সংলাপ নয়, পুরো বইটি এভাবে লিখেছেন কিনা আমার সেটি নিয়ে কৌতূহল ছিল
|
হাসান আজীজুল হক স্যারের আগুনপাখী বইটি পড়ে আমার সেই অতৃপ্তিটুকু প্রথমবার পূরণ হয়েছে
|
প্রমিত ভাষায় বই পড়ে পড়ে হঠাৎ একটা স্থানীয় আঞ্চলিক ভাষায় একটা মেয়ের জবানিতে পুরো বইটুকু পড়ে মনে হয় সামনে বুঝি একটা নতুন দিগন্ত খুলে গেছে
|
বইয়ের ভাষা হচ্ছে মাত্র একটি দিক, বইটিতে সেই সময়ের এত নিখুঁত এবং এত মানবিক একটি ইতিহাস উঠে এসেছে যে তার তুলনা নেই
|
ব্রিটিশ উপনিবেশ, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ, আমাদের দেশে যে ভয়াবহ অবস্থা তৈরি করেছিল তার একটা অসাধারণ বাস্তব ছবি এই বইয়ে পরম মমতায় তুলে ধরা হয়েছে, সেটি না পড়া পর্যন্ত কেউ বুঝতে পারবে না
|
স্যারের সঙ্গে যতবার দেখা হয়েছে প্রত্যেকবার সাধারণ কথাবার্তা হয়েছে কিন্তু আমার মনের গহিনে একজন সত্যিকার সাহিত্যিকের সঙ্গে সাহিত্য নিয়ে কথা বলার একটা গোপন বাসনা ছিল
|
সেই বাসনাটুকু বাসনা হিসেবেই থেকে গেলো
|
হাসান আজীজুল হক স্যারের মেধাবী ছেলেটি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেওয়ার জন্য ইন্টারভিউ দিতে এসেছিল
|
সে যোগ্য প্রার্থী ছিল, এখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কিন্তু সেই সময়টিতে হাসান আজীজুল হকের পুত্র হওয়ার অপরাধে এখানে নিয়োগ পায়নি, যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ে তার মতো একজনের খুবই প্রয়োজন ছিল
|
তখন তার সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল এবং তার কাছে স্যারের অনেক গল্প শুনেছি
|
তার কাছে জেনেছি স্যারের হাতের লেখা নাকি খুবই দুর্বোধ্য, যারা তাঁর হাতের লেখার সঙ্গে পরিচিত নন তাদের কাছে মনে হবে স্যার বুঝি কলম দিয়ে কাগজে দাগ দিয়ে গেছেন, মাঝে মাঝে শুধু কলমটি একটু উপরে নিচে করেছেন! শুধু সে তার হাতের লেখা মর্মোদ্ধার করতে পারে! আমি স্যারের হাতের লেখা দেখিনি, তাই কথাটুকু কতটুকু বাবাকে নিয়ে কৌতুক কতটুকু সত্যি কখনও যাচাই করে দেখতে পারিনি! হাতের লেখা যেরকমই হয়ে থাকুক, সেই লেখা দিয়ে তিনি যে অসাধারণ লেখাগুলো লিখে গিয়েছেন তার জন্য আমরা সবসময়েই স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবো
|
আমি জানি, স্যার পরিণত বয়সে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন শেষে অসাধারণ কালজয়ী কিছু লেখা আমাদের উপহার দিয়ে, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে থেকে দেশের অসংখ্য মানুষের অভিভাবক হয়ে আত্মীয়-পরিজন-গুণগ্রাহীদের মাঝে থেকে বিদায় নিয়েছেন
|
আমাদের হয়তো দীর্ঘশ্বাস ফেলে এটা মেনেই নিতে হবে
|
কিন্তু যখন মনে হয় তিনি আর নেই, তখনই মনে হয় এখন আমরা একা
|
একেবারেই একা
|
এন এইচ, ১৯ নভেম্বর
|
1 সপ্তাহ
|
134 4
|
আরও পড়ুন ::
|
পরীমণি যেন প্রতিহিংসার শিকার না হন
|
আগস্ট 7, 2021
|
পরীমনিদের মানসম্মান
|
আগস্ট 7, 2021
|
সাইমনের ফিরে আসা হলো না
|
জুলাই 22, 2021
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.