content
stringlengths
0
129k
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করা কোনো নিষ্ঠাবান মুসলমান তো দূরের কথা সুস্থ বিবেক বুদ্ধিসম্পন্ন কোনো মানুষের কাজ হতে পারেনা...
2019-12-05
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
ডা. শফিকুর রহমান
ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে এক অনন্য নাম
এদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় যারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তাদের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান অন্যতম
ব্যক্তিগত, পারিবারিক, পেশাগত ও জাতীয় রাজনৈতিক জীবনে তিনি সততা, যোগ্যতা, মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন
দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন
জাতির এই সাহসী সন্তান ও প্রতিভাবান রাজনীতিবিদ ১৯৫৮ সালের ৩১ অক্টোবর মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া থানার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন
তার পিতার নাম মোহাম্মদ আবরু মিয়া এবং মাতার নাম খতিবুন্নেছা
শফিকুর রহমান এর তিন ভাই ও এক বোন রয়েছে
ভাই-বোনদের মধ্যে তিনি তৃতীয়
শিক্ষা ও ক্যারিয়ার :
ডা. শফিকুর রহমান ১৯৭৪ সালে স্থানীয় বরমচাল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস এস সি এবং ১৯৭৬ সালে সিলেট এম সি কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে এইচ এস সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন
তিনি ১৯৮৩ সালে সিলেট মেডিকেল কলেজ (বর্তমান এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ) থেকে এমবিবিএস ডিগ্রী অর্জনের পর চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি রাজনীতিতে আত্মনিয়োগ করেন
রাজনৈতিক জীবন :
বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী ডাঃ শফিকুর রহমান জাসদ ছাত্রলীগের মাধ্যমে ছাত্র রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন
১৯৭৩ সালে জাসদ ছাত্রলীগে যোগদান করেন
১৯৭৭ সালে দ্বীন প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়দীপ্ত কাফেলা বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরে যোগদান করেন
পরবর্তিতে এই সংগঠনের সিলেট মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি এবং সিলেট শহর শাখার সভাপতির দয়িত্ব পালন করেন
১৯৮৪ সালে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানের মাধ্যমে তিনি বৃহত্তর রাজনীতিতে পদার্পন করেন
এরপর সিলেট শহর, জেলা ও মহানগরী আমীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন
২০১৬ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত জামায়াত ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হয়ে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন
২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর জামায়াতে ইসলামীর রুকনগণের (সদস্য) প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে আমীর নির্বাচিত হন এবং ২০১৯ সালের ৫ ডিসেম্বর ২০২০-২০২২ কার্যকালের জন্য তিনি আমীরে জামায়াত হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন
একনজরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে উল্লেখযোগ্য দায়িত্বসমুহ:
১৯৮৫ : কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার নির্বচিত সদস্য
১৯৮৬-৮৮ : সিলেট জেলা সেক্রেটারী
১৯৮৯-৯১ : সিলেট জেলা নায়েবে আমীর
১৯৯১-৯৮ : সিলেট জেলা আমীর
১৯৯৮ : কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য
১৯৯৮-২০০৭ : সিলেট মহানগর আমীর
২০১০ : এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারী জেনারেল
২০১১ : নির্বাহী পরিষদ সদস্য
২০১১-২০১৬ : ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী জেনারেল
২০১৭-২০১৯ : সেক্রেটারী জেনারেল
২০২০ : আমীরে জামায়াত (অদ্যবধি)
পারিবারিক জীবনঃ
ডা. শফিকুর রহমান ১৯৮৫ সালে ডা. আমিনা বেগমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন
ডাঃ আমিনা বেগম অষ্টম জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন
তিনি দুই মেয়ে ও এক ছেলের জনক
বড় মেয়ে এফসিপিএস (কার্ডিওলোজি) অধ্যয়নরত এবং একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেজিস্ট্রারার হিসেবে কর্মরত
ছোট মেয়ে এমবিবিএস ও এমপিএইচ ডিগ্রী অর্জনের পর এখন একটি বেসরকারী মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক হিসাবে কর্মরত আছেন
একমাত্র ছেলে এমবিবিএস ৫ম বর্ষে (শেষ বর্ষ) অধ্যয়নরত
সামাজিক কাজ :
জননেতা ডা. শফিকুর রহমান প্রখ্যাত রাজনীতিকই নন বরং তিনি একজন খ্যাতিমান সমাজ সেবক, বলিষ্ঠ সংগঠক এবং সফল উদ্যোক্তা
তিনি একটি বেসরকারী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান
একনজরে আমরা ডা. শফিকুর রহমানের সামাজিক কাজের কিছু অংশ দেখবো
১. একটি বেসরকারী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান
২. একটি হাইস্কুল ও কলেজ এর গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান হিসাবে বিভিন্ন মেয়াদে দায়িত্ব পালন
৩. একাধিক হাইস্কুলের ম্যানেজিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে বিভিন্ন মেয়াদে দায়িত্ব পালন
৪. একটি কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন
৫. একাধিক ইয়াতিমখানা প্রতিষ্ঠার উদ্যোক্তা
৬. একাধিক দাতব্য হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা
৭. কয়েকটি মসজিদ প্রতিষ্ঠা
৮. ছাত্রজীবনে মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র থাকা অবস্থায় স্বেচ্ছায় রক্তদানকারী ক্লাব "পালস" প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি হিসাবে দায়িত্বপালন
৯. একাধিক পাঠাগার প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা
১০. সিলেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের আজীবন সদস্য
১১. বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির আজীবন সদস্য
১২. বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন (বিএমএ) এর আজীবন সদস্য
১৩. সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর সদস্য
বিদেশ ভ্রমনঃ
তিনি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সভা সেমিনারে যোগদানের জন্য যুক্তরাজ্য, ইতালি, জার্মানী, অষ্ট্রিয়া, স্পেন, গ্রীস, তুরস্ক, বেলজিয়াম, আয়ারল্যান্ড, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ফিলিফাইন্স, ব্রুনাই ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন
জিএসটি পেমেন্টস্ বেতন অ্যাকাউন্টিং এবং ইনভেন্টরি মানি ম্যানেজমেন্ট ব্যবসায়িক টিপস জিএছটি ইনকাম ট্যাক্স টেলী খবর
'
ব্যবসায়িক টিপস
অ্যাকাউন্টিং এবং ইনভেন্টরি মানি ম্যানেজমেন্ট জিএছটি ইনকাম ট্যাক্স টেলী খবর
/ অ্যাকাউন্টিং এবং ইনভেন্টরি
| 20, 2020
বিলিং সফটওয়্যার কী? - এটি অর্থায়নে ক্ষুদ্র ব্যবসায়কে কীভাবে সহায়তা করে?
বিলিং সফটওয়্যার কী?
ছোট বা বড় যে কোনও ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কারণে একটি বিল প্রস্তুত করা প্রয়োজন
বিল হ'ল লিখিত দলিল যা গ্রাহককে সরবরাহিত পণ্য বা পরিষেবার বিবরণ ধারণ করে
বিল পরিষেবা পরিষেবা সরবরাহকারী দ্বারা প্রস্তুত এবং ক্রেতার কাছে হস্তান্তরিত
পুরানো দিনগুলিতে, প্রতিটি ব্যবসায়িক পরিষেবার সাথে সম্পর্কিত সমস্ত বিবরণ প্রবেশের মাধ্যমে বিলগুলি ম্যানুয়ালি প্রস্তুত করা হত
তবে প্রযুক্তিতে অগ্রগতির সাথে সাথে আপনি একটি বিলিং সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন যা আপনার বিলগুলি প্রস্তুত করতে, প্রক্রিয়াটি গতি বাড়িয়ে তুলতে এবং সঠিকতাও উন্নত করতে সহায়তা করবে
একটি বিলে প্রয়োজনীয় বিবরণে বিক্রেতা এবং ক্রেতার নাম, ঠিকানা, যোগাযোগের বিশদ অন্তর্ভুক্ত থাকবে
সহজ ট্র্যাকিংয়ের জন্য বিল নম্বর, পণ্য বিক্রয় বা পরিষেবাতে ব্যয়, করের বিশদ এবং প্রদানের নির্দেশাবলী সহ বিশদ সরবরাহ করা হয়
বিলিং সফটওয়্যার দ্বারাসরবরাহিত বৈশিষ্ট্য
বাজারে উপলভ্য অনলাইন বিলিং সফ্টওয়্যারটি এমন বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্য সরবরাহ করে যা ব্যবসায়ের জীবনকে সহজ করে তোলে
আপনাকে কেবল একবার সফ্টওয়্যার ইনস্টল করতে হবে এবং আপনি ভবিষ্যতে বিল উত্পন্ন করে রাখতে পারেন
চালান উত্পাদন - এটি ভারতের প্রতিটি বিলিং সফটওয়্যারগুলির মূল বৈশিষ্ট্য যা প্রকল্প, সময় এবং গ্রাহকের বিবরণ বের করে একটি পেশাদার চালান তৈরি করবে
গ্রাহক রেকর্ড তৈরি - গ্রাহকের বিবরণ এবং ক্রয়ের তথ্য সংক্ষিপ্ত করতে কিছু উন্নত বিলিং সফ্টওয়্যার সহায়তা করে
স্মার্ট সিস্টেমটি সহজেই পুনরুদ্ধার এবং রেফারেন্সের জন্য প্রতিটি গ্রাহকের নামে বিশদটি আলাদা করে দেবে
প্রক্রিয়া ক্রেডিট কার্ড - একটি বিলিং সফ্টওয়্যার, রেস্তোঁরাগুলির মতো ব্যবসায়ের জন্য কাস্টম তৈরি করা ক্রেডিট কার্ডগুলি প্রক্রিয়া করবে এবং যথাযথ অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে একটি অনুস্মারক সরবরাহ করবে
কাস্টমাইজড টেম্পলেটগুলি - এই বৈশিষ্ট্যটি ব্যবসায়কে চালান প্রস্তুত করতে এবং গ্রাহকের চাহিদা এবং বিশদগুলির উপর ভিত্তি করে এটি কাস্টমাইজ করার অনুমতি দেবে
সুতরাং এই এক সময়ের অনুশীলন ভবিষ্যতের বিলিংগুলি দ্রুত এবং নির্ভুল করে তুলবে
ট্যাক্স প্রতিবেদন উত্পাদন - সেরা অনলাইন বিলিং সফ্টওয়্যার অবশ্যই ট্যাক্স রিপোর্ট উত্পন্ন করতে সক্ষম হবে
এই বৈশিষ্ট্যটির সাহায্যে কোনও ট্যাক্স রিপোর্ট উত্পন্ন করতে কোনও বাহ্যিক ব্যবস্থার উপর নির্ভরতা হ্রাস করা যেতে পারে
বিলিং সফটওয়্যার
3 বছর কেটে গেছে ভারত সরকার গুডস অ্যান্ড সার্ভিস ট্যাক্স () চালু করেছে বং ছোট ব্যবসায়ীরা তাদের কর পরিচালনার জন্য জিনিসগুলি ঠিক করতে চায়
জিএসটি এটিকে একটি মুদ্রাস্ফীতি বিরোধী পদ্ধতি হিসাবে পরিণত করে খুব ন্যূনতম করের ক্যাসকেড নিশ্চিত করে
জিএসটির সাহায্য নিয়ে ব্যবসা পরিচালনায় ব্যয় হ্রাস পাচ্ছে
ফ্রি বিলিং সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীদের জিএসটি নির্ধারণ করতে এবং কোনও সময়েই ট্যাক্স ফাইল করতে দেয়
সময় এসেছে এবং এটি অবশ্যই প্রয়োজনীয় যে সমস্ত ব্যবসায় প্রতিটি ব্যবসায়িক লেনদেনের জন্য জিএসটি চালান উপস্থাপন করে
সঠিক ফ্রি বিলিং সফ্টওয়্যার কীভাবে চয়ন করবেন?