content stringlengths 0 129k |
|---|
. * |
: |
< ="" =""> < =""> < =""> <> < =""> <> <> < =""> <> <> < =""> <> <> <> |
সুরমা মেইল ডেস্ক : ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীদের বরাদ্দকৃত খাদ্য বিতরণে অনিয়ম, দুর্নীতির মাধ্যমে ঠিকাদার হাশেম আলী আয় করেছেন কোটি কোটি টাকা |
গড়েছেন অগাধ বিত্ত বৈভব |
এ সংক্রান্ত বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ধারাবাহিকভাবে সংবাদপত্রে প্রকাশ করেন, দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিনের তৎকালীন সম্পাদক বর্তমানে আমাদের কণ্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি খায়রুল আলম রফিক |
ঠিকাদার হাশেম আলী দুর্নীতি অনিয়মের সংবাদ প্রকাশ করাটাই কাল হয়ে উঠে সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিকের |
হাশেম আলী তার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে খায়রুল আলম রফিকের বিরুদ্ধে দায়ের করে একের পর মিথ্যো মামলা |
মামলা ও গ্রেফতারের ভয়ে পালিয়ে থাকতে হয়েছে তাকে |
বন্ধ হয়ে যায় আয় রোজগার হওয়ার পথে |
দুর্নীতিবাজ ঠিকাদারের রোষানলে পড়ে সাংবাদিকের পরিবার মানবেতর জীবন-যাপন করেন |
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খায়রুল আলম রফিকের নামে দায়েরকৃত ৬টি মামলার মধ্যে বিজ্ঞ জুডি: ম্যাজি: শেরপুর আদালত মামলা নং-১১৬/১৬, বাদী : কামরুজ্জামান লেবু নামের এক আ,লীগের নেতা, বিজ্ঞ জুডি: ম্যাজি: আদালত ময়মনসিংহ, মামলা নং-১১৭/১৭, বাদী: ত্রিশাল নজরুল কলেজের অধ্যাপক মজিবুর রহমান, বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ ৩ যুগ্ম আদালত মাম... |
বিজ্ঞ সাইবার ট্রাইব্যুনাল ময়মনসিংহ আদালত মামলা নং-৭৭/২১, বাদী: ড. মোঃ ইদ্রিস খান, বিজ্ঞ জুডি: ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গাজীপুর মামলা নং-৫৭৮/১৯ এবং বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত জামালপুর মামলা নং-১২৩/১৯ |
এছাড়া ঠিকাদার হাশেম আলী নিজেও বাদী হয়ে সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিকের নামে একটি সাজানো মামলা করেছেন |
এসব মামলায় দীর্ঘসময় জেলও খেটেছেন সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিক |
পরে প্রমাণ হয়েছে, সবই সাজানো মামলা |
আদালতের মাধ্যমে মিলেছে নিস্কৃতি |
কিন্তু এরই মধ্যে যা হওয়ার হয়ে গেছে |
একে একে এসব সাজানো মামলায় হাজিরা দিতে দিতে কিংবা জেলের ঘানি টানতে টানতে আজ নিঃস্ব তিনি |
সাংবাদিকতার পাশাপাশি বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তি দেখাশোনা করতেন, তাও আজ নেই |
অনুসন্ধানে জানা গেছে , খায়রুল আলম রফিকের নামে এমনও মামলা হয়েছে, যে মামলার বাদীর বাড়িঘর কিংবা নিজের কোনো অস্তিত্বই পাওয়া যায়নি |
আবার মামলার বর্ণনার ঘটনাও ঘটেনি |
সূত্র জানায়, বিজ্ঞ জুডি: ম্যাজি: শেরপুর আদালত মামলায় ২০২০ সালে খালাস পান খায়রুল আলম রফিক |
একই ভাবে বিজ্ঞ জুডি: ম্যাজি: আদালত ময়মনসিংহ, মামলা থেকে ২০২০ সালে, বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ ৩ যুগ্ম আদালতের মামলায়, ২৪/১১/২০২১, বিজ্ঞ সাইবার ট্রাইব্যুনাল ময়মনসিংহ আদালত মামলায় ২২/১১/২০২১ সালে, বিজ্ঞ জুডি: ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গাজীপুর মামলা ২০২১ সালে এবং বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত জামালপুর মামলায় ২০২১ সালে ... |
ষড়যন্ত্রমূলক জামালপুর ও গাজীপুরের দুটি মামলার বাদী সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিককে চিনেনই না |
বাদীরা জানিয়েছেন, খায়রুল আলম রফিককে চেনেন না তারা |
অপরদিকে নাম ঠিকানা ভূয়া হওয়ায় গাজীপুরের মামলার বাদীকেই কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক |
পরে ১ মাস কারাভোগের পর বাদীকে জামিনে নেয় তার পরিবার |
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খায়রুল আলম রফিকের বিরুদ্ধে এইসব মামলার পেছনে আছে মচিমহার বিএনপিপন্থী ঠিকাদার হাশেম আলী কোটি কোটি টাকার সম্পদ |
সাংবাদিক রফিক ঠিকাদার হাশেমের দুর্নীতি অনিয়ম এবং অগাধ সম্পদের তথ্য সংবাদপত্রের মাধ্যমে জনসন্মুখে প্রকাশ করায় নিজেকে আড়াল করতেই হাশেম আলী তার অনুগতদের দিয়ে এসব মামলা দায়ের করেছেন |
অনুসন্ধানে জানা গেছে, খায়রুল আলম রফিকের সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় প্রশাসনের টনক নড়ে |
এরপর একের পর মামলা ও এভাবেই গ্রেপ্তার হওয়ার পর আর রক্ষা মেলা দায় হয়ে যায় সাংবাদিক রফিকের |
জামিন নিয়ে বের হওয়ার পরপরই পড়ে আরেকটি মামলার কোপ |
বাড়তে থাকে মামলার সংখ্যা |
মামলা টানতে টানতে দিন, সপ্তাহ, মাসও বছর পেরোয় |
এড. আবু সাদাত মোহাম্মদ খায়ের জানান, সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিকের বিরুদ্ধে জামালপুর,শেরপুর ও গাজীপুরে মিথ্যা অভিযোগকারীদের যথাযথভাবে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন |
মিথ্যা মামলার চাপে মাথায় দুশ্চিন্তা নিয়ে জীবনের রোজকার দিনগুলি পার করতে হয়েছে তাকে |
নিরপরাধ সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিকের বন্দীত্ব, অর্থনৈতিক ক্ষতি, মানসিক দুশ্চিন্তা এবং তার পরিবারের সদস্যদের অসহায়ত্ব- সব কিছু বিবেচনায় আনতে হবে |
মিথ্যা মামলায় নির্দোষ খায়রুল আলম রফিক ও তার পরিবারের যে পরিমাণ মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে, শুধু অর্থনৈতিক জরিমানা কিংবা নামমাত্র সাজা, সেই ক্ষতকে কখনই পূরণ করতে সক্ষম হয় না |
আইন সহায়তা কেন্দ্র ফাউন্ডেশনের (আসক) নির্বাহী পরিচালক খন্দকার সাইফুল ইসলাম সজল বলেন, মিথ্যা মামলায় একজন পেশাদার সাংবাদিক হয়রানির শিকার হয়েছেন |
এর দায় আমরা এড়াতে পারি না |
নিউজ ডেস্ক: ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় পেঁয়াজের দাম বেড়েই চলছে |
দুদিনের ব্যবধানে ১৪০ টাকার পেঁয়াজ এখন ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে |
বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে গফরগাঁওয়ের আড়তদাররা পাইকারি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন |
খুচরা বাজারে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজের কেজি |
পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ইতোমধ্যে মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে |
এ অবস্থায় বাজারে দেখা গেছে দুজন ভিক্ষুক টাকা চাইছেন না, টাকার বদলে পেঁয়াজ ভিক্ষা চাইছেন তারা |
সরেজমিনে দেখা যায়, গফরগাঁওয়ের অধিকাংশ দোকানে পেঁয়াজ নেই |
দু-একটি দোকানে অল্প পরিমাণে দেশি পেঁয়াজ থাকলেও ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে |
এ অবস্থায় নিম্ন আয়ের কেউ কেউ পেঁয়াজ না কিনে ফিরে গেছেন |
আবার কেউ কেউ ২৫০ গ্রাম পেঁয়াজ ৪০ টাকা দিয়ে কিনেছেন |
পেঁয়াজ ক্রেতা আলমগীর হোসেন বলেন, কাল পেঁয়াজের কেজি ছিল ১৪০ টাকা |
আজ ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ |
৪০ টাকা দিয়ে ২৫০ গ্রাম পেঁয়াজ কিনেছি |
তরকারিতে পেঁয়াজ খাওয়া কমিয়ে দিয়েছি আমরা |
খুচরা ব্যবসায়ী মীর আবু হোসেন বলেন, বুধবারও ১৫০ টাকা দরে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে |
একদিনের ব্যবধানে কেজিপ্রতি প্রায় ৪০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে |
আমাদের কিছুই করার নেই |
পেঁয়াজের আমদানি খুব কম |
দেশি পেঁয়াজ ছাড়া বাজারে কোনো পেঁয়াজ নেই |
যে অবস্থা দেখা যাচ্ছে তাতে বোঝা যায় পেঁয়াজের দাম আরও বাড়বে |
পেঁয়াজের পাইকারি বিক্রেতা কামরুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিন আমার ১০০ বস্তা পেঁয়াজ লাগে |
কিন্তু এখন মাত্র ৪০ বস্তা পেঁয়াজ আমদানি করি |
বিদেশি পেঁয়াজ যেগুলো দেশে আসছে তা ঢাকা-চট্টগ্রামে শেষ হয়ে যায় |
এখানে পৌঁছে না |
পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রেতা কামরুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলা অবস্থায় দুই নারী ভিক্ষুক এসে বলেন, 'আল্লারস্তে দুইডা পেঁয়াজ ভিক্কা দেনগো বাবা |
এ সময় কামরুল ইসলাম দুই ভিক্ষুককে দুই টাকা করে দিতে চাইলে তারা টাকার বদলে পেঁয়াজ চান |
পরে একটি করে পেঁয়াজ দিয়ে তাদের বিদায় করেন পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রেতা কামরুল |
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গফরগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী মাহবুব উর রহমান বলেন, বাজার মনিটরিংয়ের ব্যাপারে আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা আসেনি |
নির্দেশনা এলে বাজারে অভিযান চালানো হবে |
টিকা নিতে আগ্রহীদের নিবন্ধন শুরু ২৬ জানুয়ারি শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত নারীদের জটিল মনে হওয়ায় পুতুল বিয়ে করলেন এই যুবক ফের বিয়ে করলেন হাবিব ওয়াহিদ দুই করিমের বিয়ে! পাহাড় খেয়ে নুরু টাকার পাহাড়ে মোস্তাক ২য় বারের নৌকা প্রতীক পাওয়ায় গণসংবর্ধনা মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার হুমকি বাইডেন... |
খাগড়াছড়িতে মদ খেয়ে নদীতে গোসল করতে গিয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু |
2, 2021 |
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি জেলার লক্ষীছড়ি উপজেলার মহিষকাটা নামক এলাকার এক উপজাতি অতিরিক্ত মদপান করে ধুরং খালে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছে |
মৃত ব্যক্তির নাম রশি কুমার চাকমা |
তার পিতার নাম আনন্দ কুমার চাকমা |
জানা গেছে, উপজেলার মহিষকাটা চাকমাপাড়া গ্রামের আনন্দ কুমার চাকমার পুত্র রশি কুমার চাকমা(৫০) ২ জুলাই বেলা সাড়ে ১২ টায় মদ পান করে মাতাল অবস্থায় বাড়ীর অদূরে ধুরং খালে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে যায় |
দীর্ঘ সময় ঘরে ফিরে না আসায় বাড়ীর লোকজন তাকে খুঁজতে গিয়ে ডুবে যাওয়া স্থানের ৪ কিলোমিটার দূর কালাপানি সুইচ গেইট এলাকায় মরদেহ খুঁজে পায় |
পরে বিকাল সাড়ে ৪ টায় মহিষকাটা চাকমা পাড়া শ্বশ্মানে তাকে দাহ করা হয় |
লক্ষীছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবীর জানান, ঘটনাটি শুনেছি |
অতিরিক্ত মাত্রায় মদ পান করার কারণে মাতাল অবস্থায় হোসল করতে গিয়ে এমন ঘটনা ঘটে |
তবে কেউ এ বিষয়ে থানায় আসে নি বা কোনো অভিযোগও পাওয়া যায়নি |
পৃথিবীব্যাপী নারী স্বাধীনতা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী-পুরুষের বৈষম্য দূরীকরণে অগ্রগতির বহু হিসাব-নিকেশই হচ্ছে |
হিসেব করলে বেশ কিছু অগ্রগতি হয়তো দেখা যাবে |
কোথাও কোথাও রাষ্ট্রীয় আইনকানুন এবং নানা অধিকার প্রতিষ্ঠায় সমাজে পরিবর্তন হয়তো এসেছে |
কিন্তু 'নারী' এবং 'পুরুষ'কে ভিন্ন দাড়িপাল্লায় মাপার সামাজিক মানদণ্ড কতটা পাল্টেছে তা ভেবে দেখার মতো? |
কোনো কোনো দেশে একটু ব্যতিক্রম থাকলেও পৃথিবীর বেশির ভাগ দেশেই এখনো একই কাজের জন্য বা একই চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের জন্য নারীকে পুরুষের চেয়ে কঠোর সমালোচনার শিকার হতে হয় |
নারী, গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদে বসে আছেন, কীভাবে অতো বড় পোস্টে আছেন আমরা কি কিছু জানি না ভেবেছেন! হুম! সব জানি |
শরীর আর চেহারা দেখিয়ে কুপোকাত করেছেন বসকে, বিভাগীয় প্রধানকে, না হলে অত বড় পদ? প্রমোশন? ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট? অসম্ভব! মেধা বলতে কিছু আছে নাকি মেয়েদের? শুধুই চেহারা, শরীর আর মেয়ে হয়ে জন্মানোর সুযোগ নেয় তাঁরা |
বাদ যাবে না কোন নারী |
সবার অবস্থানই এক এক করে প্রকাশ করা হবে |
সামিয়া রহমান, উপাচার্যের সোফার হাতলে বসে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি বাগিয়েছেন, কাজেই তাকে ভার্চুয়ালি রেপ করা হোক, এই অধিকার দেশের মানুষের আছে এবং এই উপর্যুপরি বাক্যবাণের সাথে 'প্ল্যাজারিজম' নামক বিষয়ের কোন সম্পর্ক আছে কিনা তা অন্তত আমার জানা নেই |
অবশ্য এইসব আলোচনা, সমালোচনা এবং ব্যক্তি বিদ্বেষমূলক বক্তব্যে যারা অংশ নিয়েছেন তাদের কাউকে প্রকৃত সমালোচক মনে হয়নি, তাদেরকে নারী বিদ্বেষী ছাড়া আর কিছু বলা যায় কিনা আমার অন্তত জানা নেই |
এরপরের আক্রমনের শিকার হয়েছেন বাংলাদেশে বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বাল্যবিবাহের শিকার, ডিভোর্সি মেয়ে জান্নাতুল নাঈম এভরিল |
তথ্য আড়াল করে সে যে ভুলটি করেছে, সেই ভুল নিয়ে আলোচনায় তার অসততার সমালোচনা না করে, তার চেহারা, শরীর, তার অতীত, তার পরিবার কাউকে ছাড়িনি আমরা |
একটি ভুল নিয়ে কথা বলা যেত, তা না করে তাকে যেভাবে ভার্চুয়াল আক্রমণ করা হলো তাতে মেয়েটা যে আত্মহত্যা করেনি এজন্য প্রশংসার দাবিদার |
সমালোচনাটা হতে পারতো তার তথ্য গোপন নিয়ে, এমনকি আয়োজকদের অনিয়ম নিয়ে, কিন্তু সেসব না করে মেয়েটির ব্যক্তিগত জীবনসহ তার চেহারা, শরীর কিছুই বাদ যায়নি |
একজন নারীবাদী দেখলাম তার চেহারায় নাকি প্লাস্টিক সার্জারি করা এবং এই টাকার উৎস নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন |
মজার ব্যাপার হলো, এই নারী বিদ্বেষমূলক সমালোচনায় নারী, পুরুষ, শিক্ষিত, অশিক্ষিত কেউ পিছিয়ে নেই |
এরপরের আক্রমণের শিকার হয়েছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.