content
stringlengths 0
129k
|
|---|
যেমন ভাবে রেলের টিকিট কাউন্টারে টিকিট দেন রেলের যে সমস্ত কর্মীরা ঠিক তেমনই টিকিট কেটে দিতে হবে যাত্রীদের । সর্বপ্রথম অনলাইনে টিকিট কাটতে আইআরসিটিসির ওয়েবসাইটে যেতে হবে । প্রতীকী ছবি ।
|
সেখানে এজেন্ট ওয়ার জন্য আবেদন করতে হবে । এরপরে অথোরাইজড টিকিট বুকিং এজেন্ট হয়ে যাবেন ( ) । এরপরেই টিকিট বুক করতে পারা যাবে । প্রতীকী ছবি ।
|
টিকিট বুকিং করা হলে আইআরসিটির থেকে ভাল কমিশন পাওয়া যাবে । টিকিট প্রতি ২০ টাকা ও এসি টিকিট বুক করলে ৪০ টাকা কমিশন পাওয়া যায় । মাসে যত খুশি টিকিট বুক করা যায় । প্রতীকী ছবি ।
|
১৫ মিনিটে তৎকাল টিকি বুক করা যায় । এছাড়াও ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক বিমানের টিকিট ও বুক করা যাবে অতি সহজেই । প্রতীকী ছবি ।
|
৮০,০০০ টাকা পর্যন্ত একমাসে একজন এজেন্ট রোজগার করতে পারেন । যদি কাজে মন্দাও থাকে তবু মাসে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা রোজগার করা যেতে পারে । প্রতীকী ছবি ।
|
আইআরসিটির এজেন্ট হতে গেলে ৩,৯৯৯ টাকা ফি জমা দিতে হবে । ২ বছরের জন্য এর চার্জ ৬,৯৯৯ টাকা । প্রতি মাসে কোনও এজেন্ট যদি ১০০ টিকিট বুক করে থাকেন সেক্ষেত্রে টিকিট প্রতি ১০ টাকা ফিজ দিতে হবে রেলকে । প্রতীকী ছবি ।
|
১০১ থেকে ৩০০ কিটি বুক করলে টিকিট প্রতি ৮ টাকা ও ৩০০ এর বেশি টিকিট বুক করলে টিকিট প্রতি দিতে হবে ৫ টাকা ফিজ । প্রতীকী ছবি ।
|
দুই দশকেরও কম সময়ের ব্যবধানে মোবাইল ফোন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ হয়ে উঠেছে, এবং এই ডিভাইসগুলোর প্রতি আমাদের নীর্ভরতা এবং চাহিদা দিনের পর দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে
|
বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় একটি ব্র্যান্ড
|
দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সাথে, প্রতিবছর তাদের ব্যবহারকারীদের জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী এবং বৈশিষ্ট্যযুক্ত স্মার্টফোন বাজারে নিয়ে আসে
|
বাংলাদেশ এ আমাদের বিক্রেতা এবং বিশ্বস্ত সদস্যদের দেওয়া বিজ্ঞাপন থেকে পছন্দের মোবাইল ফোন বেছে নিন
|
বাংলাদেশ এ সেরা দামে কিনুন 6 মোবাইল ফোন
|
সার্চ করুন এবং সেরা 6 মোবাইল ফোন গুলো শুধুমাত্র . - বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেস থেকে বেছে নিন
|
আপনি কি কোনো নির্দিষ্ট মোবাইল ফোনের মডেল খুঁজছেন? তাহলে ভার্চুয়াল শপগুলো ভিজিট করুন এবং আমাদের যাচাইকৃত ব্যক্তিগত বিক্রেতা, বিশ্বস্ত সদস্য এবং সারাদেশের অনুমোদিত ডিলারদের কাছ থেকে সেরা মূল্যে 9 , 3, কিনুন
|
মূল্য, কন্ডিশন, ও মডেল অনুযায়ী 6 ফিল্টার করুন
|
বাংলাদেশে সেরা দামে মোবাইল খুঁজে নিন
|
. এর মাধ্যমে আপনি সহজেই দাম, কন্ডিশন ব্র্যান্ড, ও মডেল অনুযায়ী ফিল্টার করার মাধ্যমে আপনার কাঙ্খিত পণ্য খুঁজে নিতে পারবেন
|
নতুন কিংবা পুরাতন আপনি যেই ধরণের মোবাইল ফোন খুঁজছেন ফিল্টার করার মাধ্যমে আপনি সহজেই তা . এ পেয়ে যাবেন
|
. এ সহজেই বিক্রি করুন 6 মোবাইল ফোন
|
. এ মোবাইল ফোন বিক্রি করা নিরাপদ, সহজ, ও ফ্রি
|
পরিষ্কার ছবি, পূর্ণাঙ্গ বিবরণ এবং সঠিক দাম দিলে দ্রুত মোবাইল ফোন বিক্রি করা যায়! তাই পোস্ট করার কয়েক ঘন্টার মধ্যে আপনার মোবাইল ফোন বিক্রি হয়ে গেলে অবাক হওয়ার কিছু নেই
|
বিক্রি করার পূর্বে আপনার ফোনটি রিসেট দিন এবং গ্রাহকের কাছে নিরাপদে হস্তান্তর করুন
|
শ্রেষ্ঠাংশে - আরিফিন শুভ, এবিএম সুমন, মাহিয়া মাহী, নওশাবা, শিপন মিত্র, সৈয়দ হাসান ইমাম, আলমগীর, আফজাল হোসেন, তাসকিন রহমান প্রমুখ
|
উল্লেখযোগ্য গান - টুপটাপ, টিকাটুলীর মোড়, পথ যে ডাকে, তেলাপোকা পাখি না
|
মুক্তি - ৬ অক্টোবর ২০১৭
|
রেটিং - ৮.৫/১০
|
আমাদের ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রিতে বর্তমান প্রজন্মের দর্শক অন্য সব প্রজন্মের দর্শক থেকে সম্পূর্ণ আলাদা
|
তারা প্রতিনিয়ত আপডেটেড কিছু চায়
|
ছোটবেলা থেকে একই গল্পের গতানুগতিক ছবি অনেক দেখে এসেছে তাই এখন তারা সেসব থেকে মুক্তি চায়
|
মুক্তির উপায়গুলো এক একজনের কাছে এক একরকম হলেও মিল একটা জায়গাতেই যে তাদের প্রত্যাশা অনেক
|
প্রত্যাশার পারদ সচল রাখতে এবছরের অন্যতম আলোচিত ছবি 'ঢাকা অ্যাটাক'-এর আগমন ঘটেছে
|
দেশের প্রথম পুলিশ থ্রিলারের আয়োজন দর্শক বিপ্লব ঘটিয়ে মন্দার ইন্ডাস্ট্রিতে এক পশলা বৃষ্টি ঝরালো
|
একটা ছবির অ্যারেজমেন্ট যখন বিগ বাজেটের সাথে দর্শকের অনেক প্রত্যাশাকে যোগ করে সেটার আলাদা একটা অধ্যায় শুরু হয়
|
'ঢাকা অ্যাটাক' সে কাজটি করেছে
|
এ ছবির পেছনে ছবির প্রতিটি সেক্টরে কাজ করা মানুষগুলোর নিজস্ব আইডিওলজি কাজ করেছে
|
তারা কি করে দেখাতে পারে সেটাই ছিল আল্টিমেট চ্যালেন্জ
|
যত সুনির্মিত ছবিই হোক ছবি দেখার পর দর্শক-সমালোচকের তীক্ষ্ণ চোখে সীমাবদ্ধতা ধরা পড়বেই পাশাপাশি ট্রল, সার্কাজম বা পরশ্রীকাতর বিষয়ও থাকবে
|
সেগুলোকে অভিজ্ঞতা হিশাবে নেয়ার অপশন থাকে
|
'ঢাকা অ্যাটাক' এসব কিছুকে ধারণ করেই এগিয়েছে ও এগিয়ে যাচ্ছে
|
ছবিটির ওভারঅল নানা বিষয় বিশ্লেষণের জন্য ক্রম মেইনটেইন করে গেলে অনেককিছু একসাথে দেখা যাবে
|
তো শুরু করা যাক আমরা কি পারি বা পেরেছি করে দেখাতে-
|
১. নির্মাতার দর্শন :
|
'এই থানা-পুলিশের বাইরেও একটা বড় পুলিশিং আছে
|
তারা অনেক স্মার্ট
|
তারা বিষয়গুলো অনেক সায়েন্টিফিকভাবে ডিল করে, সমাধান করে
|
এটা পুরো মানুষকে জানানো দরকার
|
সো এই জায়গা থেকে এই ছবিটার ভাবনাটা শুরু
|
যখন কোনো বড় অ্যাটাক হয় দেখা যায় মিডিয়া খুব দ্রুত একটা নাম করে দেয় যেমন-প্যারিস অ্যাটাক
|
টিভি স্ক্রলে যখন এটা যাবে সেখান থেকে নামটা পিক করা ঢাকা অ্যাটাক
|
' - দীপঙ্কর দীপন
|
যমুনা টিভি-কে দেয়া 'ঢাকা অ্যাটাক'-এর সাক্ষাৎকারে থিমেটিক বিষয়টি বলেছেন নির্মাতা
|
পুলিশ থ্রিলারের বিষয়টি অনেকের কাছে হয়তো হালকা মনে হতে পারে তাই নির্মাতা তার দায়িত্বটা পালন করেছেন
|
পুলিশ আসামী গ্রেফতার করবে, এজাহার লিখবে, আসামীকে টর্চার করবে, কোর্টে চালান দেবে, ঘুষ খাবে এসবই চিরাচরিত ছিল
|
কিন্তু এসবের বাইরেও যে আলাদা বিষয় আছে পুলিশের যার মধ্যে গর্ব করার অপশন আছে সেগুলো ছবিতে দেখানো হয়েছে
|
পুলিশের স্মার্ট তদন্ত, সরেজমিনে ঘোরা, নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে বুদ্ধি ও মেধা খাটিয়ে এগিয়ে যাওয়া এসব ছিল ছবির মূল দিক
|
নির্মাতা তার জায়গায় স্ট্রং
|
২. প্রযোজকের দর্শন :
|
'এটা সিনেমা হচ্ছে এটা পুলিশের কোনো ডকুমেন্টারি না
|
লাস্ট নাইন ইয়ারস আই অ্যাম ওয়ার্কিং ইন দ্য ডিটেক্টিভ ব্রাঞ্চ
|
সো এখানে ল ইনফোর্সমেন্ট অ্যাজেন্সির ইনভেস্টিগেশনের যে পার্টটা তাদের অস্ত্র ধরার স্টাইল, তাদের টকিং স্টাইল এগুলো রিয়েলিস্টিক করার জন্য কিন্তু আমি এখানে শুধু লেখক হিশাবেই না এখানে আমি একজন কনসালটেন্ট হিশাবেও কাজ করতেছি
|
' - সানী সানোয়ার
|
ছবির কাহিনীকার ও প্রযোজক সানী সানোয়ার ছবিটির ক্লাসিফিকেশন ক্লিয়ার করেছেন
|
একে যদি কেউ ভুল করে ডকুমেন্টারির পর্যায়ে নিয়ে যায় তবে ভুল করবে
|
ভবিষ্যতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অন্য কোনো থ্রিলার হলে 'ঢাকা অ্যাটাক' যাতে একটা উদাহরণ হতে পারে পরবর্তী নির্মাতাদের কাছে প্রযোজক সূক্ষ্মভাবে তা নির্দেশ করেছেন
|
সবচেয়ে বড় কথা তিনি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে ছবিটিতে ইনভেন্ট করেছেন এবং তদারকি করেছেন
|
৩. পুলিশ থ্রিলার প্রথম যেভাবে :
|
বলা হয়েছে এ ছবি দেশের প্রথম পুলিশ থ্রিলার
|
তবে কি এর আগে কোনো থ্রিলারই দেশের ছবিতে আসেনি
|
এসেছে তবে এ ছবির মতো করে আসেনি
|
দেখা গেল অন্য ছবিগুলোতে ঘরোয়াভাবে একইরকম পুলিশিং ছিল কিন্তু এ ছবিতে বড় পরিসরে সেক্টর-টু-সেক্টর এসেছে
|
বোম ডিসপোজাল ইউনিট, সোয়াট বাহিনীর তৎপরতা, গোয়েন্দা বিভাগের কার্যকর্ম, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ, সরেজমিন তদন্ত, ছোট ছোট আলামত নিয়ে এগিয়ে যাওয়া, টার্গেট ফিক্সড করা, টার্গেট ফুলফিল করা এভাবে একটা ক্রোনোলজি মেইনটেইন করে ছবিটি এগিয়েছে
|
এভাবে নিয়ম মেনে একের পর এক পুলিশি স্মার্ট থ্রিলিং আসেনি
|
অতঃপর এটা প্রথম পুলিশ থ্রিলার
|
৪. মাল্টিস্টারার কাস্টিং :
|
একটা ছবির আকর্ষণ বৃদ্ধির জন্য তার বিভিন্ন ধরনের অপশন থাকে পরিচালকের হাতে
|
অন্যতম একটা অপশন ছিল মাল্টিস্টারার কাস্টিং
|
নায়ক-নায়িকার পাশাপাশি সমসাময়িক জাদরেল আর্টিস্টের সাথে সিনিয়র লিজেন্ডারি আর্টিস্টকে এক করার কাজটি করেছে এ ছবি
|
আরিফিন শুভ, মাহিয়া মাহী, এবিএম সুমন, নওশাবা, শিপন মিত্র তারা ছিল ছবির কমার্শিয়াল ইলিমেন্টে নায়ক-নায়িকা
|
সমসাময়িক জাদরেল অভিনেতা শতাব্দী ওয়াদুদ ছিল অন্যতম শক্তি
|
লিজেন্ডারি আর্টিস্টদের মধ্যে ছিল সৈয়দ হাসান ইমাম, আলমগীর, আফজাল হোসেন-রা
|
তাদের ভূমিকা কারো একটু বেশি কারো বা ক্যামিও
|
খলনায়ক তাসকিন রহমান ছিল সম্পূর্ণ নতুন আবিষ্কার
|
এই মাল্টিস্টারার কাস্টিং ছবিটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ
|
৫. টুইস্ট :
|
ছবির চমক বা টুইস্ট যদি বলি একটা জায়াগাতেই হিট ক্লিক করেছে আর তা হচ্ছে ছবিটির খলনায়ক তাসকিন রহমান
|
টিভি, ইউটিউব হয়ে চলচ্চিত্রের অভিষেক ঘটিয়ে প্রথমেই চমক দেখিয়ে দর্শকের বড় মনোযোগ আকর্ষণ করেছে
|
এ ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে অত্যন্ত বিরল
|
৬. মানবিক থিমে নির্মাণের উত্তাপ :
|
ছবির থিম ছিল মানবিক
|
একটা বোমা বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে যে ঘটনার সূত্রপাত ঘটে তার পেছনে অনেকগুলো মানবিক বিষয় এমনিতেই জড়িয়ে যায়
|
- তদন্তে নৃশংসতার চিহ্ন পাওয়া
|
- স্বজনদের আহাজারি
|
- তদন্তের কূলকিনারা করতে পারবে কিনা
|
- হামলাকারীর পরিকল্পনা ও নৃশংসতার মাত্রা
|
- হামলাকারীকে ট্রেস করা ও ইমোশনাল পার্ট মেইনটেইন
|
সরেজমিন তদন্তে আরিফিন শুভ, এবিএম সুমন, সহশিল্পীরা অভিনয় করেছে
|
পুলিশিং ও সাংবাদিকতা ভিন্নভাবে প্যারালালি সরেজসিনে তদন্ত করেছে বান্দরবান থেকে ঢাকা পর্যন্ত
|
মাঝখানে আন্তর্জাতিকভাবে তার সূত্রটি শিপন মিত্রের মাধ্যমে এসেছে
|
স্বজনদের আহাজারি, জনতার ভিড় বা উৎসুক অবস্থা এগুলো ছিল
|
তদন্তের সিসটেমেটিক সমাধান ছিল
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.