content
stringlengths 0
129k
|
|---|
করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের শঙ্কা
|
. *
|
, , .
|
2020
|
4 5 6 7 8 9 10
|
11 12 13 14 15 16 17
|
18 19 20 21 22 23 24
|
25 26 27 28 29 30 31
|
" "
|
সর্বাধিক পঠিত
|
যে দোয়ায় দিনরাত সব সময় সওয়াব মিলে
|
যুক্তরাজ্য জাসদের উদ্যোগে আলোচনা ও মতবিনিময় সভা
|
বৃটেনে ইসলামী শিক্ষা বিস্তার ও মসজিদ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠায় মাওলানা তহুর উদ্দীন গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রচনা করে গেছেন
|
আখরোট শুধু বাদাম জাতীয় ফল বলেই পৃথিবীব্যাপি জনপ্রিয় তাই নয়, এর ভিন্নধর্মী স্বাদ এবং অনন্য পুষ্টিগুণের জন্যও এটি প্রসিদ্ধ
|
পুষ্টিগুণে ভরপুর আখরোটে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আমিষ এবং শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিড
|
প্রতিদিনের নাস্তায় অথবা রাতে ঘুমানোর আগে অল্প পরিমাণে আখরোট আপনাকে দিতে পারে নানাবিধ উপকারিতা
|
আখরোটের ইতিকথা গোলাকার আকৃতির যে বীজ আখরোট গাছের ফল ...
|
সুস্থতার প্রয়োজনে আখরোট "
|
মুখরোচক স্বাদে কাঠবাদাম
|
আমাদের পণ্য / / ০৬/০৯/২০২১ ০৬/০৯/২০২১
|
বন্ধুদের আড্ডায়, প্রিয় মানুষের সাথে কাটানো বিকেলে অথবা ঘরোয়া কোন ডেজার্টে, একমুঠো বাদামের চেয়ে কাঙ্ক্ষিত কিছু হতে পারে না। ভরপুর পুষ্টিগুণ এবং সহজলভ্যতার কারণে বাঙালীর আবেগের বেশখানিকটা জায়গা জুড়ে রয়েছে বাদামের উপস্থিতি
|
আমাদের দেশে বাদামের বেশ কয়েকটি ধরণ রয়েছে
|
এর মধ্যে কাজু বাদাম, কাঠবাদাম, পেস্তা বাদাম ইত্যাদি অন্যতম
|
কাঠবাদামের ইতিকথা কাঠবাদাম গাছের উৎপত্তি কোথায় সেটা ...
|
মুখরোচক স্বাদে কাঠবাদাম "
|
ভিন্নস্বাদের পেস্তা বাদাম
|
আমাদের পণ্য / / ০৬/০৯/২০২১ ০৬/০৯/২০২১
|
পেস্তা বাদাম ভিন্নরঙের, ভিন্ন স্বাদের বলে অন্যান্য বাদামের তুলনায় পৃথিবীব্যাপী ব্যাপক চাহিদা তৈরী করেছে
|
হালকা বেগুনী এবং সবুজ রঙের এই বাদামকে হ্যাপিনাট বা হাসিখুশি বাদামও বলা হয়
|
কারণ এর আকৃতিটা দেখতে অনেকটা হাসিমাখা একটি মুখাবয়বের মতো
|
পেস্তা বাদামের রয়েছে নানাবিধ উপকারিতা
|
এর বিভিন্ন উপকারি দিক নিয়েই আজকের আলোচনা
|
পেস্তা বাদামের ইতিকথা পেস্তা বাদাম আমেরিকায় বিভিন্ন ...
|
ভিন্নস্বাদের পেস্তা বাদাম "
|
পুষ্টিগুণে ভরপুর কাজুবাদাম
|
আমাদের পণ্য / / ০৬/০৯/২০২১ ০৬/০৯/২০২১
|
স্বাস্থ্যকর বিভিন্ন বাদামের মধ্যে কাজুবাদাম অন্যতম
|
পুষ্টিগুণ বিবেচনায় এবং অনন্য স্বাদের জন্য কাজুবাদাম পৃথিবীব্যাপি জনপ্রিয়
|
কাজুবাদামের হরেক রকম গুণাবলি নিয়েই তাই আজকের আলোচনা
|
কাজুবাদামের উপকারিতা কাজুবাদামের উপকারিতা অন্যান্য বাদামের তুলনায় কম নয়
|
পুষ্টিগুণ সম্পন্ন কাজুবাদামে উপস্থিত বিভিন্ন ধরণের উপকারী উপাদান মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয়
|
এমন নানান উপকারী দিকের মধ্যে কয়েকটি নিয়েই নিম্নের আলোচনা
|
কাজুবাদামে রয়েছে প্রচুর ...
|
পুষ্টিগুণে ভরপুর কাজুবাদাম "
|
১ ২ →
|
আমাদের সম্পর্কে
|
বুনিয়াদি ২০১০ সাল থেকে খুবি সাফলতার সাথে এগিয়ে যাচ্ছে
|
আপনার সুস্বাস্থ্য ও খাবারের নিত্যনতুন খবর পেতে আমাদের সাথে থাকুন
|
১৯৮৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর মূলত ডলার কূটনীতি কার্যকরভাবে ফাংশন করতে শুরু করলো
|
বেচাকেনার একদম শুরুতে এটা ছিল স্রেফ দ্রব্যাদির বিনিময়
|
তারপর আবিস্কৃত হলো যে স্বর্ণের সর্বজনীন আকর্ষণ আছে, এবং ভার-ভারিক্কি দ্রব্য বিনিময় ব্যবস্থার বদলি হিসাবে এটা সুবিধাজনক
|
দ্রব্য ও সেবার বিনিময়ের সুবিধে করে দিল স্বর্ণ, পাশাপাশি যারা দুর্দিনের জন্য সঞ্চয় করতে চাইতো তাদের জন্য স্বর্ণ মূল্যের মজুদ হয়েও থাকতে পারে
|
ওদিকে বাজারে স্বাভাবিকভাবেই অর্থ ক্রমান্বয়ে বিকশিত হতে থাকলো
|
ক্ষমতার ওপর সরকারের দখল বাড়ার সাথে সাথে তারা অর্থের ওপর একক নিয়ন্ত্রণ কায়েম করে বসলো
|
স্বর্ণের গুণগত মান এবং ভেজালমুক্ততা নিশ্চিতকরণে সরকারগুলো কখনো কখনো সফল হলেও, এটা নিয়ে তারা খুশী ছিল না
|
একসময় তারা নিজেদের রাজস্ব আয় বাড়ানোর অন্য উপায় শিখে ফেললো
|
নতুন কর আরোপ কিংবা করের হার বৃদ্ধি সবসময়ই জনগণকে নাখোশ করে
|
সুতরাং শাসকরা শিখলো যে কিভাবে প্রতিটি চাকতির স্বর্ণের পরিমাণ কমিয়ে নিজেদের মুদ্রার পরিমাণ স্ফীত করা যায়
|
যখন স্বর্ণ বিনিময়ের মাধ্যম হিসাবে ব্যবহৃত হতো এবং আইন-কানুন সৎ বাণিজ্যের সুরক্ষা দিতো, তখন উৎপাদনশালী দেশ বিস্তার লাভ করতো
|
যখনই সম্পদশালী জাতিসমূহ-- যাদের শক্তিশালী সব সেনাদল ও স্বর্ণসম্ভার ছিলো-- যারা শুধু সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতে এবং নিজের দেশে কল্যানমূলক খরচ করতে ব্যতিব্যস্ত ছিলো-- তারা জাতি হিসাবে ব্যর্থ হতে লাগলো
|
নীতিসমূহ আজও আগের মতোই আছে, কিন্তু প্রক্রিয়া একেবারেই বদলে গেছে
|
স্বর্ণ আর মুদ্রা নয়, মুদ্রা হচ্ছে কাগজ
|
অন্তত এই সময়ের জন্য সত্য হচ্ছে, 'যে টাকা ছাপায় সে শাসন করে'
|
স্বর্ণের ব্যবহার না থাকলেও আর্থিক লাভের ব্যাপার আগের মতোই আছে; অন্য দেশগুলোকে উৎপাদন করতে এবং তাদের সামরিক শক্তি কমাতে বাধ্য করো এবং নিজেদের মুদ্রাব্যবস্থার ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ কমাও
|
যেহেতু কাগুজে মুদ্রা হলো স্রেফ প্রতারণা, 'প্রকৃত মূল্যহীন', সুতরাং যেই দেশ আর্ন্তজাতিক মুদ্রার মালিক হবে সেই দেশের অবশ্যই প্রচুর সামরিকশক্তি থাকতে হবে যাতে করে পুরো ব্যবস্থার ওপর নিয়ন্ত্রণ কায়েম রাখা যায়
|
মূলত বিশ্ব-মুদ্রা বলতে যা বোঝায়, সেই মুদ্রার মালিক দেশের জন্য এটা একটা সম্পদ বা বিত্ত বাড়ানোর একটি চমৎকার ও চিরস্থায়ী পদ্ধতি
|
কংগ্রেস ১৯১৩ সালে ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেম চালু করে
|
এরপর থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত নিরাপদ মুদ্রা'র নীতি পদ্ধতিগতভাবেই অবহেলা করা হয়েছে
|
এই পুরোটা সময়জুড়ে যুদ্ধে অর্থের যোগান দেয়া ও অর্থনীতিকে নিজেদের ইচ্ছেমতো চালানোর জন্য খুব সহজ একটি কাজ করেছে ফেডারেল রিজার্ভ-- তারা যখন ইচ্ছে তখনই বাজারে মুদ্রা সরবরাহের পরিমাণ বাড়িয়েছে
|
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আর্ন্তজাতিক মুদ্রাবাজারে ডলারের আধিপত্য একলাফে বহুগুণ বেড়ে যায়
|
আমেরিকা দুনিয়ার অনেক দেশে বিধ্বংসী হামলা চালায়, ওই দেশগুলো দুর্ভোগের শিকার হয়, কিন্তু তাদের স্বর্ণে মার্কিন সিন্দুকগুলো ভরপুর হযে ওঠে
|
২য় বিশ্বযুদ্ধের পর কোনো দেশ স্বর্ণমান ভিত্তিক পদ্ধতিতে ফিরতে আগ্রহী হয় নি
|
দেনা পরিশোধের লক্ষ্যে কর আদায় করা কিংবা অপ্রয়োজনীয় খরচ নিয়ন্ত্রণের চেয়ে কাগুঁজে মুদ্রা ছাপানোর সিদ্ধান্ত তখন অনেক জনপ্রিয় হয়েছিল
|
তাতে করে অল্প মেয়াদে উপকার পাওয়া গিয়েছিল সত্য কিন্তু দশকের পর দশক ধরে এই ভারসাম্যহীনতা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে
|
১৯৪৪ সালে ব্রেটন উডস চুক্তিতে ব্রিটিশ পাউন্ডের বদলে দুনিয়ার প্রধানতম রিজার্ভ মুদ্রা হিসাবে ডলারকে ধার্য করা হয
|
মূলত মার্কিন রাজনৈতিক শক্তি, সামরিক শক্তি ও তাদের হাতে থাকা প্রচুর পরিমাণ স্বর্ণের প্রতি খেয়াল রেখেই দেশগুলো ডলারের পক্ষ নেয়
|
প্রতি ৩৫ ডলার হচ্ছে ১ আউন্স স্বর্ণের সমমূল্য- এই হারে
|
ডলারকে বলা হলো 'স্বর্ণের মতো সুবর্ণ' এবং ১/৩৫ হারে দুনিয়ার যেকোনো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ডলার বিনিময়ের সুযোগ হলো
|
স্বর্ণ বিনিময়ের এই ১/৩৫ হার থেকেই পতনের যাত্রা শুরু হলো
|
সবাই যা আন্দাজ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র ঠিক তা-ই করলো
|
বিপরীতে কোনো স্বর্ণ গচ্ছিত না রেখেই সে ডলার ছাপাতে থাকলো
|
কিন্তু তা সত্ত্বেও ১৯৬০ সালে নতুন প্রশ্ন না ওঠানো পর্যন্ত দুনিয়া ওই ডলারের ওপর রাজি-খুশি ছিল
|
১৯৬০ সালে ফ্রান্স এবং আরো কয়েকটি দেশ দাবি করলো; আমাদের ট্রেজারিতে তাদের জমা দেয়া প্রতি ৩৫ ডলারের বদলে ১ আউন্স করে স্বর্ণ দেয়ার যে প্রতিশ্রুতি মার্কিনিরা দিয়েছিলো তা যেন তারা ফিরিয়ে দেয়
|
ওই প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে গিয়ে প্রচুর পরিমাণ স্বর্ণ বাইরে চলে গেল এবং এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সাজানো 'কাল্পনিক স্বর্ণমান' ব্যবস্থা ধাক্কা খেলো
|
১৯৭১ এর ১৫ আগস্ট ওই ব্যবস্থার সমাপ্তি ঘটালো আমেরিকা
|
নিক্সন সেদিন স্বর্ণ বিনিময় বন্ধ করে দিলেন এবং কোষাগারে অবশিষ্ট ২৮০ মিলিয়ন আউন্স স্বর্ণ হতে আর কোনো পাওনা পরিশোধ করতে অস্বীকার করলেন
|
যে অস্বীকৃতির মূল কথা হলো; আমেরিকা তাদের অস্বচ্ছলতা ও প্রতারণার ঘোষণা দিলো এবং সব দেশই উপলদ্ধি করলো যে মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে অন্য কোনো মুদ্রব্যাবস্থা সাজাতে হবে
|
বিস্ময়করভাবে এমন এক নতুন ব্যবস্থা সাজানো হলো; যে ব্যবস্থায় কোনো নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই দুনিয়ার প্রধান রিজার্ভ মুদ্রা হিসাবে কাগুজে ডলার ছাপানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র অনুমতি পেয়ে গেল-- কাল্পনিক স্বর্ণমানে ডলার রূপান্তরযোগ্য হবে কিংবা এ ধরনের কোনো শর্ত ছাড়াই! ১৯৭১ সালে ঘোষণা করলো তারা আর ব্রিটন উডস সিস্টেম মানবে না, তারা নির্দিষ্ট কোন ডলার রেটে স্বর্ণ বেচাকেনা করবে না
|
স্বর্ণের দাম হবে অনির্দিষ্ট
|
মানে মার্কেট অটোমেটিকালী স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করবে
|
সরকারের কোন নিয়ন্ত্রণ থাকবে না
|
ডলার হয়ে গেলে ভাসমান মুদ্রা, এর এখন থেকে গোল্ডের উপর কোন ডিপেন্ডেন্সি নাই
|
ডলার তখন থেকে স্বর্ণ হতে স্বাধীনতা পেল
|
এই নতুন ব্যবস্থা যদিও আগেকারটির চেয়ে আরো বেশি দুর্বল ছিল কিন্তু তা সত্ত্বেও এর ফলেও ডলার-আধিপত্য বিস্তারের দরজা খুলে দিল
|
কিন্তু নতুন ব্যবস্থার প্রতি দেশগুলোর সংশয়ভাব রয়েছে এবং সবাই নতুন কিছু একটা চাইছে এটা বুজতে পরে শীর্ষ মুদ্রা ব্যবস্থাপকরা যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের জোর সমর্থন পেয়ে একটা আচানক কাজ করে বসলো
|
তারা ওপেক-এর সাথে চুক্তি করলো যে, দুনিয়াজুড়ে তেল বেচা-কেনার ক্ষেত্রে শুধু মাত্র ডলারকেই বিনিময় মুদ্রা হিসাবে গ্রহণ করা হবে
|
দুনিয়ার মুদ্রাগুলোর মধ্যে ডলারকে একটা বিশেষ জায়গা করে দিল এই চুক্তি
|
ডলার তেলের ওপর উঠে দাঁড়াল
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.