content
stringlengths
0
129k
এই অ্যাপটিতে রয়েছে অতিরিক্ত কিছু ফিচার যা আপনি ওয়েব ভার্শনে পাবেন না
এরপরে রয়েছে এর এন্ড্রয়েড এবং অ্যাপল মোবাইল অ্যাপ
আর্থিক আফ্রিক পুরষ্কার একটি ব্যতিক্রমী ইভেন্ট যা প্রতি বছর একত্রিত হয়, 2018 সাল থেকে, বিশেষজ্ঞ, ব্যাঙ্ক, বীমা কোম্পানি, পাবলিক প্রতিষ্ঠান, ফিনটেক, স্টক এক্সচেঞ্জ এবং বিনিয়োগ তহবিল ইত্যাদির সিনিয়র এক্সিকিউটিভদের পাশাপাশি আফ্রিকার সিইও এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা
আর্থিক আফ্রিক পুরস্কারের সমাপ্তি হবে পুরস্কারের সন্ধ্যায় তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের পুরস্কৃত করার মাধ্যমে
আফ্রিকান ট্যুরিজম বোর্ড সম্পর্কে
2018 এ প্রতিষ্ঠিত, দী আফ্রিকান ট্যুরিজম বোর্ড () এমন একটি সংস্থা যা আফ্রিকান অঞ্চলে, থেকে এবং এর মধ্যে ভ্রমণ এবং পর্যটনের দায়িত্বশীল বিকাশের জন্য একটি অনুঘটক হিসাবে কাজ করার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত
এটিবি এর অংশ আন্তর্জাতিক কোয়ালিশন অফ ট্যুরিজম পার্টনারস (আইসিটিপি). অ্যাসোসিয়েশন তার সদস্যদের সারিবদ্ধ অ্যাডভোকেসি, অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ গবেষণা, এবং উদ্ভাবনী ঘটনা প্রদান করে
বেসরকারী এবং সরকারী সেক্টরের সদস্যদের সাথে অংশীদারিত্বে, আফ্রিকান ট্যুরিজম বোর্ড আফ্রিকায় ভ্রমণ ও পর্যটনের টেকসই বৃদ্ধি, মূল্য এবং গুণমান বাড়ায়
অ্যাসোসিয়েশন তার সদস্য সংস্থাগুলিকে ব্যক্তিগত এবং সমষ্টিগত ভিত্তিতে নেতৃত্ব এবং পরামর্শ প্রদান করে
বিপণন, জনসংযোগ, বিনিয়োগ, ব্র্যান্ডিং, প্রচার এবং কুলুঙ্গি বাজার প্রতিষ্ঠার সুযোগ সম্প্রসারণ করছে
লেখাগুলো ক্রিয়েটিভ কমন্স অ্যাট্রিবিউশন/শেয়ার-আলাইক লাইসেন্সের আওতাভুক্ত; এর সাথে বাড়তি পদ প্রযোজ্য হতে পারে
ব্যবহারের শর্তাবলীতে বিস্তারিত দেখুন
লেখাগুলো ক্রিয়েটিভ কমন্স অ্যাট্রিবিউশন/শেয়ার-আলাইক লাইসেন্সের আওতাভুক্ত; এর সাথে বাড়তি পদ প্রযোজ্য হতে পারে
ব্যবহারের শর্তাবলীতে বিস্তারিত দেখুন
দৈনিক বিবর্তন এর সাথে আছে একদল তরুণ উদ্যমী সাংবাদিক ও পুরো দলকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে অভিজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ
যথাযথ পরিশ্রম ও আন্তরিকতার সাথে প্রতিটি জেলা উপজেলার সংবাদ পরিবেশন করে
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক বিবর্তন
ঠিকানা: ৯৭/এ বসির উদ্দিন রোড, কলাবাগান ঢাকা, ১২০১ মোবাইলঃ- +৮৮ ০৯৬৯৬১০১০৬০,০১৭১৪২১৮১৭৩ ইমেইলঃ [ ]
বিবেক কাঁপানো একজন শোভা বৃত্তান্ত স্কুলে হিন্দুদের_কে_গো_মাংস_খাওয়ানো_হল তেলের দাম কমাতে জো বাইডেনের ঘোষণা শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পরী, পুরস্কার তুলে দিলেন তথ্যমন্ত্রী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি 'সনাতন সমাজের' সুফিয়া কামালকে কেন আমাদের স্মরণে রাখতেই হবে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ও তৃণমূল নেতৃত্বের ভাবনা কোথায়, কার কাছে গেলে বিচার পাবেন বিমল শীল হবিগঞ্জে কোরআন শরীফ নিয়ে মন্দিরে গ্রেফতার মিজান
সিলেটে প্রাচীন শৈব ভাস্কর্যের সন্ধান
এক্সক্লুসিভ, স্লাইড
একজন খুনী কিভাবে দেশপ্রেমিক হলো
রিপোর্টার নাম
আপডেট টাইমঃ শনিবার, ডিসেম্বর ২, ২০১৭,
271 সংবাদটি পঠিক হয়েছে
নজরুল মিন্টো
আরব আমীরাত আদালত ছয় বাংলাদেশীর শিরচ্ছেদের রায় দিয়েছে
তাদের অপরাধ তারা এক পাকিস্তানিকে রান্নার বটি দিয়ে দুই টুকরো করে ফেলেছে
খবরটি শুনে অবাকই হলাম! একি করলো এরা! নিজের কাছে নিজে প্রশ্ন রাখলাম- শেষমেষ বিদেশের মাটিতে বাঙালিরা অপরাধ জগতে জড়িয়ে গেলো তাহলে?২০০৭ সাল
আরব আমীরাত আদালত ছয় বাংলাদেশীর শিরচ্ছেদের রায় দিয়েছে
তাদের অপরাধ তারা এক পাকিস্তানিকে রান্নার বটি দিয়ে দুই টুকরো করে ফেলেছে
খবরটি শুনে অবাকই হলাম! একি করলো এরা! নিজের কাছে নিজে প্রশ্ন রাখলাম- শেষমেষ বিদেশের মাটিতে বাঙালিরা অপরাধ জগতে জড়িয়ে গেলো তাহলে? আমার জীবনের প্রায় বারো বছর আমি আমিরাতে কাটিয়েছি
আমার প্রচুর বন্ধু-বান্ধব সেখানে
আমি থাকা অবস্থায় কোন বাংলাদেশীর শিরচ্ছেদ করা হয়েছে বলে শুনিনি
মধ্যপ্রাচে্য যত অপরাধ হতো তার ৯৯ ভাগ অপরাধীরা ছিল পাকিস্তানি, সুদানি এবং সোমালিয়রা
এখনও চুরি হলে প্রথম নাম আসে সুদানি এবং সোমালিয়দের
ধর্ষন এবং ড্রাগসএর ঘটনা ঘটলে প্রথম নাম আসে পাকিস্তানিদের
বুঝা যায় জন্ম থেকে এই জাতিগুলি অপরাধী
বাঙালিরা আরবিদের কাছে 'মিসকিন' জাতি হলেও খুবই বিশ্বস্ত
বাঙালিরা দেশে যাই করুক বিদেশে সৎ জীবন যাপন করে
বাঙালিরা চুরি করে না, ড্রাগস-এর ব্যবসা করে না, ধর্ষণ, খুন তথা কোন ধরনের অপরাধে জড়িত হয় না
সময়ের আগে বাঙালিরা কর্মস্থলে পৌঁছায়
নিয়োগকর্তাদের মধে্য বাঙালিরা হচ্ছে প্রথম পছন্দ
অর্থাৎ নাম্বার ওয়ান
ঘটনার পূর্বাপর: আরবিদের পুরনো একটি বড় বাড়িতে বেশ ক'জন ব্যাচেলর বাঙালি, পাকিস্তানি এবং ভারতীয় কয়েকটি রুম ভাগাভাগি করে বসবাস করে
পেশায় এরা সবাই সাধারণ শ্রমিক
তারা বিভিন্ন কন্ট্রাকটারের অধীনে খুব অল্প বেতনে কাজ করে
ছোট্ট একটা রুমে গাদাগাদি করে থাকে
যেখানে থাকার কথা একজন সেখানে থাকে দশজন
দেশে থাকা পরিবার পরিজনের স্বার্থে এ কষ্টের জীবন তারা এভাবেই মেনে নিয়েছে
এক শুক্রবার ছুটির দিন বিকেলে দুই রুমমেট রান্নার জন্য তরকারি কুটছিল
রুমের ভেতর ক্যাসেট প্লেয়ারে বাজছে বাংলা গান
এমন সময় ঐখানে এক পাকিস্তানির আগমন ঘটে
একথা, সেকথা বলার পর এক পর্যায়ে সে কটাক্ষ সূরে বলে- তোমাদের খাওয়া দাওয়া, চলা-ফেরা সব ইণ্ডিয়ানদের মতো
একজন উত্তর দেয়- 'ইণ্ডিয়ানদের মতো হতে যাবে কেন? আমরা আমাদের মতো করে খাই, আমরা আমাদের ষ্টাইলে চলি
মুর্খের মতো কথা বলো কেন?' পাকিস্তানিটি তখন বলে- 'তোমাদের জন্মটা কি আমার অজানা? ইণ্ডিয়াকে পাকিস্তানিরা .... করে গাভিন করেছিল আর তারপরে তোমাদের ঐ তথাকথিত সোনার বাংলার জন্ম'
এক বাঙালি তখন তাকে মুখ সামলে কথা বলার জন্য অনুরোধ করে
অন্য বাঙালিটি তাকে এখান থেকে চলে যাওয়ার জন্য বলে
পাকিস্তানিটি তখন আরও গলা উঁচিয়ে তাদের উদ্দেশ্য করে বলে- '৭১ সালে পাকিস্তানীরা ৯৯% বাঙালি নারীকে গর্ভবতী করে এসেছিল; এরপর থেকে বাঙালি একটা কালো, একটা সাদা, যেমনটি তোমরা দুইজন দুই রকম..,
' এক বাঙালি আর ধৈর্য রাখতে পারে না
হাতের কাছে থাকা রান্নার বটি দিয়ে এক কোপে পাকিস্তানিটিকে দুই টুকরা করে ফেলে
অর্থাৎ শরীর থেকে মাথা আলাদা হয়ে যায়
পলকের মধ্যে ঘটে যায় ঘটনা
ছুটে আসে আশে পাশের মানুষ
আসে পুলিশ
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে হাতকড়া লাগিয়ে ঘরের মধ্যে যে ক'জন ছিল সবাইকে ধরে নিয়ে যায়
ঘটনার অতঃপর: স্থানীয় মিডিয়ায় ফলাও করে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি প্রকাশ পায়
মুখে মুখেও খবরটি পৌঁছে যায় এক শহর থেকে অন্য শহরে
মামলা ওঠে আদালতে
বাঙালিটি একা খুন করেছে বলে স্বীকারোক্তি দিলেও তাকে সহযোগিতা করার অপরাধে বাকিদেরও দোষী সাব্যস্থ করে আদালত
আমিরাতের নিয়ম অনুযায়ী হত্যার সাজা হত্যা অর্থাৎ শিরচ্ছেদ
তবে নিহতের নিকটাত্মীয় (স্ত্রী, সন্তান, মা, বাবা) যদি ক্ষমা করে দেয় তাহলে সাজা মওকুফ হতে পারে
অথবা যদি আদালত কর্তৃক নির্ধারিত নগদ অর্থদন্ড ( ) পরিশোধ করা যায় তবে শিরচ্ছেদ রহিত হতে পারে
বিভিন্নভাবে চেষ্টা করা হলো নিহতের পরিবারের সাথে, কিন্তু লাভ হলো না
তারা কেবল আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অর্থদন্ডের পক্ষে অবস্থান নিলো
দন্ডপ্রাপ্তদের বাড়ি চট্টগ্রামের কোন এক অঁজপাড়াগাঁয়ে
বলতে গেলে সবাই নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান
কেউ কেউ অতি দরিদ্র পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি
এত টাকা তারা পাবে কোথায়? এদিকে প্রকৃত ঘটনা জানাজানি হওয়ায় ভেতরে ভেতরে ফুঁসতে থাকে আমিরাত প্রবাসী বাঙালিরা
আদালতের রায়ে তাদের রক্ত টগবগ করে ওঠে
আলাপ আলোচনায়, টেলিফোনে-সাক্ষাতে একই কথা- 'খুন করেছে বেশ করেছে
উচিৎ শিক্ষা দিয়েছে
তার জায়গায় আমরা হলেও একই কাজ করতাম
' আবেগপ্রবণ বাঙালির অন্তরাত্মা কেঁদে ওঠে
হত্যাকারি যুবক যে একজন দেশপ্রেমিক তাতে কারো কোন সন্দেহ নাই
দেশের অপমান সহ্য করতে পারেনি বলেই সে পাকিস্তানিকে হত্যা করেছে
একজন বীর হিসেবে যুবকটি সকল বাংলাদেশির হৃদয়ে স্থান করে নিলো
এরপর পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যেতে থাকে
জনমত তৈরি হতে বেশি দিন লাগলো না
শুরু হলো প্রচারণা এবং অর্থ সংগ্রহ
দলমত নির্বিশেষে সকল বাঙালি এক কাতারে
এ যুবকদের বাঁচাতেই হবে
জাতির ইজ্জতের প্রশ্ন
অতীতের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বাঙালিরা আজ পর্যন্ত সম্মিলতভাবে যত কাজে হাত দিয়েছে সবগুলোতে বিজয় ছিনিয়ে এনেছে এবং এক্ষেত্রেও ব্যর্থ হলো না
চট্টগ্রামের চেম্বার এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও অর্থ সাহায্য নিয়ে এগিয়ে এলেন
সহযোগিতার জন্য দূতাবাসের ওপরও চাপ সৃষ্টি করা হলো
খবর চলে গেলো পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় হয়ে সরকারের উচ্চমহলে
ঘটনার বিস্তারিত শুনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবুধাবী পাঠালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপুমণিকে
কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ-আলোচনা হলো
তারা জানালো, যদি নির্দিষ্ট তারিখের আগে উল্লিখিত অর্থ পরিশোধ করা হয় তাহলে দন্ডপ্রাপ্তরা শিরচ্ছেদ থেকে মুক্তি পেতে পারে