content
stringlengths
0
129k
{{#}}{{{}}}{{/}}{{^}} . {{_}} ( {{_}}). . {{/}}
{{#}}{{{}}}{{/}}{{^}} . , . . {{/}}
...
সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতি কি সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়ক?
শিক্ষা দুর্নীতি: একটি পর্যালোচনা
ছাত্রজীবন সুখের জীবন, যদি না থাকে এক্সামিনেশন
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্ব-মূল্যায়ন, প্রাথমিকেও হোক
উচ্চশিক্ষার মান: শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক
নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়নের ভিত্তি, শিখন ক্ষেত্র এবং...
টিআইবি প্রতিবেদন, শিক্ষায় দুর্নীতি ও আমাদের...
বই পড়া কেন এতো গুরুত্বপূর্ণ?
সাম্প্রতিক লেখা
নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়নের ভিত্তি, শিখন ক্ষেত্র এবং কিছু প্রসঙ্গ
টিআইবি প্রতিবেদন, শিক্ষায় দুর্নীতি ও আমাদের উদ্বিগ্নতা
বই পড়া কেন এতো গুরুত্বপূর্ণ?
বিশ্ব শিক্ষক দিবস: "শিক্ষক আমি শ্রেষ্ঠ সবার, দিল্লীর পতি সে তো কোন্ ছার"
করোনা ক্রান্তিকাল ও শিক্ষা: তামার দামে বিকিয়ে যাওয়া সোনার দিন
আমাদের সম্পর্কে
বাংলাদেশের শিক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত নানা প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা ও মতামত প্রকাশ করা হয় এই ওয়েবসাইটে
আমরা বিশ্বাস করি, মানুষের শিক্ষা-সম্পর্কিত ভাবনার প্রকাশ বাংলাদেশের শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে
বাংলাদেশের শিক্ষা নিয়ে আপনার লেখা পাঠিয়ে দিন আমাদের ইমেইলে: @.
মনোনীত লেখা প্রকাশিত হবে
সম্পাদক: গৌতম রায়
সহকারী সম্পাদক: আকলিমা শরমিন ও মুশফিকুর রহমান
ডিসক্লেইমার
বাংলাদেশের শিক্ষা ওয়েবসাইটে প্রকাশিত মতামত ও মন্তব্য সংশ্লিষ্ট লেখকের ও মন্তব্যকারীর নিজস্ব, বাংলাদেশের শিক্ষা কর্তৃপক্ষ এজন্য কোনভাবেই দায়ী নন
ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষের নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত ও মন্তব্য সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে
লেখা ও মন্তব্যের সর্বস্বত্ব সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট লেখকের বা মন্তব্যকারী কর্তৃক সংরক্ষিত
লেখকের বা মন্তব্যকারীর অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত লেখার বা মন্তব্যের আংশিক বা পূর্ণ অংশ কোনো ধরনের মিডিয়ায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না
তবে শিক্ষা বা জ্ঞানার্জনের জন্য এই বিধিনিষেধ প্রযোজ্য নয়
শীতের দিনের ঠাণ্ডায় ঘুমানোর সময় বাঙ্গালীর সবচেয়ে বেশি যে জিনিষের কথা মনে পড়ে সেটি হল কাঁথা
সেটা যদি হয় নকশী কাঁথা তাহলে তো কথাই নেই
বাংলার লোকসংস্কৃতি আর গ্রামীণ কুটির শিল্পের একটি বড় জায়গা দখল করে আছে এই কাঁথা
নকশী কাঁথা সাধারণত একদিনে তৈরি হয় না
মাঝারি আকারের কাঁথা তৈরিতে সাত থেকে পনের দিন সময় লেগে যায়
বড় কাঁথা এবং জটিল নকশা করতে এক মাসেরও বেশি সময় লাগতে পারে
নকশী কাঁথায় একটি বৃত্তকে কেন্দ্র করে চারদিকে ছড়িয়ে পড়া নকশা দেখা যায় হরহামেশাই
এছাড়া পদ্মফুল এবং চাকার নকশাও চোখে পড়ে কাঁথায়
আরো দেখা যায় গাছ-লতা-পাতা কিংবা ফুল-পাখি সম্বলিত নকশা
নকশী কাঁথার নকশা শুধু কাঁথার জমিনে সুঁইয়ের ফোঁড়ে ফুটিয়ে তোলা নকশাই নয়, একেকটি নকশী কাঁথার জমিনে লুকিয়ে থাকে গল্প
সংস্কৃত রামায়ণকে পৃথিবীর আদি মহাকাব্য বলা হয়
এতে প্রাচীন ভারতের সমাজ, সংস্কৃতি, রাজনীতি, অর্থনীতি, ধর্ম, দর্শন, শিক্ষা প্রভৃতি বিষয়ে আদর্শিক তথ্য সন্নিবেশিত হয়েছে
রাম, সীতা, হনুমান, রাবণ, দশরথ, লক্ষ্মণ, দশরথ, কৈকেয়ী, ভরত, শত্রুঘœ প্রমুখ এই মহাভারতের অন্যতম চরিত্র
পিতৃসত্য ও প্রজা পালন, পতিপরায়ণতা, ভ্রাতৃভক্তি, ভগবদ্ভক্তি ইত্যাদি গুণের কারণে এ চরিত্রগুলো শাশ্বত রূপ লাভ করেছে
বর্তমানে সুলভ বাল্মীকি রামায়ণ
বর্তমানে সুলভ বাল্মীকি রামায়ণের সংস্করণটি মোটামুটি ৫০,০০০ পঙ্‌ক্তি সম্বলিত
কয়েক হাজার আংশিক ও সম্পূর্ণ পুথিতে এই পাঠটি বর্তমানে সংরক্ষিত
এই পুথিগুলোর মধ্যে সর্বপ্রাচীন পুথিটি খ্রিষ্টীয় একাদশ শতকে লিখিত হয়
মূল রামায়ণের একাধিক আঞ্চলিক পাঠান্তর, সংস্করণ ও উপসংস্করণ বিদ্যমান
পুথিবিশারদ রবার্ট পি. গোল্ডম্যান এই সংস্করণগুলোকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছেন
যথা: (ক) উত্তর ভারতীয় ও (খ) দক্ষিণ ভারতীয়
এই সংস্করণগুলির মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য তামিল ভাষায় কম্বন কর্তৃক রচিত রামাবতারম্ (খ্রিষ্টীয় একাদশ-দ্বাদশ শতক); বাংলা ভাষায় কৃত্তিবাস ওঝা রচিত শ্রীরামপাঁচালী বা কৃত্তিবাসী রামায়ণ (খ্রিষ্টীয় পঞ্চদশ শতক) এবং হিন্দি ভাষার অবধি উপভাষায় তুলসীদাস গোস্বামী রচিত রামচরিতমানস (খ্রিষ্টীয় ষোড়শ শতক)
রামায়ণের ধর্মতাত্ত্বিক গুরুত্ব
রামায়ণের নায়ক রাম হিন্দুধর্মে একজন অন্যতম প্রধান দেবতা বিবেচিত হন
হিন্দু সংস্কার অনুযায়ী, রামায়ণ পাঠ অথবা শ্রবণে পাঠক বা শ্রোতা পাপমুক্ত হন
হিন্দুরা বিশ্বাস করেন, বিষ্ণু জগতের সকল জীবকে ধর্মের পথসন্ধান দিতে রাম রূপে অবতীর্ণ হয়েছিলেন
আরিশা সাত্তারের মতে, রামায়ণ ও মহাভারতের কেন্দ্রীয় বিষয়বস্ত হলো রাম ও কৃষ্ণের গোপন দেবত্ব ও তার ক্রমপ্রকাশ
---: --- & , --- & , --- |
আপনি 11 ভার্সনে এই সময় সাইট দেখছেন
এই সময় সাইট অপটিমাইজড এবং এডজ ও ক্রোম ব্রাউজারে সেরা অভিজ্ঞতা দেয়
প্লিজ আপনার ব্রাউজার আপডেট করুন
4700 মধ্যে পাউন্ড, 4700 মধ্যে , 4700 মধ্যে , 4700 কিলোগ্রাম মধ্যে , 4700 কিলোগ্রাম মধ্যে পাউন্ড
আমাদের মূল লক্ষ হলো সফট্ওয়্যার খাতে উন্নত মানের সেবা প্রদান করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে প্রযুক্তিতে আরো একধাপ সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া
আমাদের সম্পর্কে
কিংক্রিয়েটর একটি বাংলাদেশী অন-ডিমান্ড সফটওয়্যার কম্পানি যা প্রাথমিক ভাবে যাত্রা শুরু করে ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে
তবে কিংক্রিয়েটর-এর মূল কার্যক্রম শুরু হয় ২০২০ সাল থেকে
কিংক্রিয়েটর-এর যাত্রা শুরুর পেছনে অন্যতম কারণ হলো বাংলাদেশের ওয়েব ও সফট্ওয়্যার ডেভলপমেন্ট কমিউনিটিকে আরো একটু বেশী শক্তিশালী করে তোলা
কিংক্রিয়েটর উন্নত মানের ওয়েব ভিত্তিক সেবা প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের সফট্ওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিতে স্থান করে নেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের উচ্চ পর্যায়ের ব্যাক্তিবর্গ থেকে শুরু করে নিম্ন-পর্যায়ের মানুষদের মাঝেও উন্নত মানের ডিজিটাল সেবা সুলভ মূল্যে পৌছে দেওয়ার জন্য কাজ করছে
বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ তথা সারা বিশ্বেই সফট্ওয়্যার ও ডিজিটাল সার্ভিসের চাহিদা ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে
প্রতিটা ক্ষেত্রে ডিজিটাল সেবা প্রদানের প্রয়োজনীয়তা সরকারি ও বেসরকারি সব ধরণের প্রতিষ্ঠানই উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী সকল প্রতিষ্ঠানই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করে সেবা প্রদানের চেষ্টা করছে
যার ফলে একদিকে সেবা প্রদান সহজ থেকে সহজতর হচ্ছে এবং অপরদিকে সল্প-সংখ্যক লোকবল ও রিসোর্স ব্যবহার করে ব্যাপক সংখ্যক মানুষের মাঝে সেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে
যারই প্রেক্ষিতে বর্তমান সময়ে যে কোন ধরণের ডিজিটাল সার্ভিস তথা ওয়েবসাইট, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, কাস্টমাইজড সফট্ওয়্যার, গ্রাফিক্যাল কন্টেন্ট ইত্যাদির চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে
ডিজিটাল সার্ভিস এর চাহিদা অনেকাংশে বেড়ে গেলেও দুঃখজনক যে, বাংলাদেশে চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমানে উন্নতমানের ডিজিটাল বা প্রযুক্তিগত সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা খুবই সীমিত
এর পাশাপাশি যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান সফট্ওয়্যার সেক্টরে কাজ করছে তার অধিকাংশই শুধুমাত্র মুনাফা লাভের জন্য কাজ করছে
তাদের মূল উদ্দেশ্যই হলো এই সেক্টরটি কাজে লাগিয়ে নিম্নমানের সেবা প্রদান করে উচ্চ মুনাফা অর্জন করা
তাই আমরা কিংক্রিয়েটর-এ সব সময় চেষ্টা করি, আমাদের গ্রাহকদেরকে আন্তর্জাতিক মানের সেবা প্রদান করতে এবং তাদেরকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে যাতে তারা তাদের ব্যাক্তিগত বা ব্যাবসায়িক ক্ষেত্রে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হয় এবং সুলভ মূল্যে সর্বোচ্চ ডিজিটাল সেবাটি পেতে পারে
আমরা মূলত কি করি?
আমরা আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী কম্পিউটার সফট্ওয়্যার তৈরী করে থাকি, পাশাপাশি ব্যাক্তিগত, ব্যবসায়িক বা ই-কমার্স ভিত্তিক ওয়েবসাইটও তৈরী করি এবং যে কোন ধরণের গ্রাফিক্যাল কন্টেন্ট তৈরীর পাশাপাশি আই.টি কনসাল্টেশনও করে থাকি
কাস্টমাইজড সফট্ওয়্যার
আমরা তৈরী করি সম্পূর্ণ কাস্টমাইজড লোকাল বা ক্লাউড বেজড সফট্ওয়্যার
ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট
আমাদের দক্ষ ডেভেলপমেন্ট টিম সর্বদা তাদের উন্নত সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত
গ্রাফিক্স ডিজাইন
আমাদের ক্রিয়েটিভ গ্রাফিক্স ডিজাইনার টিম আপনার প্রয়োজনীয় সকল কন্টেন্ট তৈরী করবে সব চেয়ে দ্রুততম সময়ে
আই.টি. কনসাল্টেশন
আপনার যে কোন আই.টি. সমস্যায় আমাদের আছে দক্ষ আইটি সাপোর্ট টিম
৩০% কম সময়ে
৫০% মূল্য সাশ্রয়ে
শতভাগ কোয়ালিটি
আপনার প্রযুক্তিগত যে কোন প্রয়োজনে আলোচনা বা পরামর্শের জন্য আমাদের অভিজ্ঞ কনসাল্টেশন সার্ভিস নিতে পারেন একেবারেই বিনামূল্যে
আমাদের কনসাল্টেশন এক্সিকিউটিভ সরাসরি আপনাকে ফোন করে আপনার সমস্যার কথা শুনবেন এবং আপনাকে উপযুক্ত সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করবেন
বিস্তারিত জানতে এবং একটি সম্পূর্ণ ফ্রি কনসাল্টেন্সি সার্ভিস বুক করতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন
☉ প্রতিপক্ষের হামলায় পিতা-পুত্র আহত ॥ থানায় মামলা☉ ধানীসাফায় নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার☉ দাফনের ৪৫ দিন পর কবর থেকে বিদ্যুত মিস্ত্রির লাশ উদ্ধার☉ বলেশ্বরের তীরে মিলল হাত বাঁধা অজ্ঞাত নারীর গলিত মরদেহ☉ এসিল্যান্ড অফিসের সার্ভেয়ার আসাদ উল্ল্যাহ'কে ঘুষ বাণিজ্যের দায়ে প্রত্যাহার! অডিও ফাঁস☉ বড়মাছুয়া-রায়েন্দা ফেরীতে চল...
পল্লী বিদ্যুতের ছেড়া তারে জড়িয়ে দুগ্ধবতী গাভীর মৃত্যু
এপ্রিল ৭, ২০২১ মঠবাড়িয়া সংবাদ ৬:২৮ অপরাহ্ণ সংবাদটি ৬০ বার পঠিত হয়েছে
স্টাফ রিপোর্টার: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার বড়শৌলা গ্রামে (মিলবাড়ি) ধানক্ষেতে বুধবার (৭ এপ্রিল) সকালে পল্লী বিদ্যুতের ছেড়া তারে জড়িয়ে একটি দুগ্ধবতী গাভীর মৃত্যু হয়েছে
আনুমানিক প্রায় ৮০ হাজার টাকা মূল্যের গাভীটির একটি তিন মাসের বাচ্চা রয়েছে
গাভীর মালিক বড়শৌলা গ্রামের আঃ হাকিম হাওলাদারের ছেলে কৃষক মোঃ শাহ আলম (৬৫)
পল্লী বিদ্যুতের অবহেলায় মর্মান্তিক এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে
এলকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত রোববার রাতে কালবৈশাখী ঝড়ে বাদুরা-বড়শৌলা ১১ হাজার ভোল্টেজের সঞ্চালন লাইনের বড়শৌলা মিলবাড়ির খুটির এলটি লইনের ২টি তারই ছিড়ে মাটিতে পড়ে