content stringlengths 0 129k |
|---|
জনপ্রিয়তা দ্বারা বাছাইগড় রেটিং সাজানোর ক্রমসর্বশেষ দ্বারা সাজানমূল্য দ্বারা বাছাই: কম থেকেমূল্য দ্বারা বাছাই: কম উচ্চ |
--- বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ |
সরকারি অন্যান্য পোর্টাল দেখুন |
বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ |
কলকাতার লোকজনকে যদি সপ্তাহান্তে কাছে পিঠে বেড়াতে যেতে বলা হয়, তবে একটাই নাম আসবে তাদের মনে |
সেটা দিঘা |
আমি যে কতবার গেছি এখানে তা হিসেব করা মুশকিল, কিন্তু শেষবার দিঘা যাওয়ার পরে বুঝেছি, |
2 জন ভালোবেসেছেন |
১ মিনিট সময় লাগবে |
357 জন পড়েছেন |
১ টি মন্তব্য |
আমি একজন শান্তশিষ্ট পত্নীনিষ্ঠ ভদ্রলোক |
পেশায় একটি বহুজাতিক সংস্থার ওয়েবমাস্টার হলেও, ঘুরতে বেশ লাগে |
কত পিঁপড়ে জল ঢেলে স্নানঘরের ফুটো দিয়ে অন্ধকারে ঠেলেছি |
জলের সাথে অতটুকু প্রাণী লড়তে পারে? পা ছেঁচড়ে ছেঁচড়ে একের পর এক পড়ছিলো গর্তের অন্ধকারে |
সেখান থেকে ট্যাঙ্কের ভেতরে |
পাইপের ভেতর দিয়ে টপাটপ পড়ছিলো মৃত্যুর মুখে |
গর্তের কিনারা থেকে দেখলাম কেউ প্রাণপণে বেঁচে গেল |
স্নানঘরের দেওয়াল বেয়ে অতি কষ্টে আবার সে উঠছিল |
যত্ন করে ফের তাকে পা দিয়ে লাথি মেরে নামিয়ে আবার জলে ফেলেছি |
ওদের ফেরার ঘর ছিলো |
ওদেরও সেদিন যেতে হতো কোথাও |
ওরাও সেদিন সকালে উঠে হাওয়ায় দুলতে দুলতে বেরিয়ে পড়েছিলো খাবার খুঁজবে বলে |
আমার কোনও মহর্ষি থাকলে এই কথাটা আমাকে কিছুটা শাস্তি দিয়ে বোঝাতেন হয়তো |
উনি পিঁপড়েদের লক্ষ্য করতেন |
উনি আমার স্নানঘর |
এতবার আমার মহর্ষি মুছে দিয়েছে, তবু মা ওদের কখনো দেখতে পায়নি |
মায়ের চোখে ছিলো আমার ছোটবেলার স্নানের ছবি |
এর সাথেই ফড়িঙের ডানা ছেঁড়া ছিলো |
পথের ধারে, বড় দরিদ্র এক অসুস্থ লতাগাছ একটানে ছিঁড়ে দেওয়া ছিলো |
রৌদ্রজ্জল দুপুরে গরমের ছুটিতে এসব আমার শৈশব ছিলো |
ভাগ্যিস ওই পিঁপড়েগুলোর মতোই সেসবও আর কখনো ফিরবে না |
এই কথাটাই একদল ফকির পিঁপড়ে আমাকে শেখালেন |
এইতো স্নানঘরে আলো আসছে |
এই লেখা পড়তে পড়তে ঠিক এই মুহূর্তে যে অন্ধকারে আমার দুঃখ নামছে, তার পিঁপড়েতম ভেতরে দেখা যাবে, জীবন থাকলেও জলের কোনও ঘর নেই |
যেন পিঁপড়ের শিশু আমরা কেউ দেখিনি |
সেটা পিঁপড়েকে ছোট করে দেখা নয় |
দূরপাল্লার গাড়িতে বসে আছি |
রাস্তা পার হওয়া হাঁসের বাচ্চা প্রায়ই আসে চাকার তলায় |
ছটফট করতে করতে মরতে দেখি |
কষ্টের রঙ নীল |
কে জানে কোথা থেকে পাথর আসে |
পাথরের পর পাথর |
ধুলোর পর ধুলো |
পথ বদলে যায় |
নীল মুছে লাল |
লাল থেকে হালকা হলুদ |
বাড়ি ফিরে কুসুম খাই চেটেপুটে |
ডিম আমার প্রিয় |
ডিম নিয়ে কবিতা লিখি |
এইতো দুঃখের গাছ |
দুঃখের ভ্রুণ |
নিঝুম দুপুরের ক্ষত মেখে পাপ মেখে হস্তমৈথুন মেখে কাকেরা বসে থাকে |
প্রথম উড়তে শেখা বুলবুলির বাচ্চা ছটফট করে কাকের ঠোঁটে |
মা বুলবুলি হয়তো অল্পেই ভুলে যায় |
আমাকে ভুলতে দেয়না আমার অহংকার |
প্রচন্ড রাগ হয় |
কেন কাকের গায়ে পাথর ছুঁড়তে গিয়েও আলগা হয়ে আসে মুঠো |
অন্যমনস্ক হয়ে আকাশ দেখি |
আকাশের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে একা লাগে |
তাই তাড়াতাড়ি সৌন্দর্যবোধ ডেকে আনি |
ঔদাস্যকে শিস দিয়ে ডাকি |
ওই যে বললাম, মা বুলবুলি ভুলে যায়, আসলে দুঃখের বিরুদ্ধে হেরে গিয়ে অহংকারকে অস্ত্র করে দর্শনের দিকে এগোই |
মা বুলবুলির শিশুকাল এগিয়ে যাচ্ছে এক ছোট্ট অসহায় কেঁচোর দিকে |
কেঁচো অন্ধ বলে বুলবুলির ওপর আর রাগ হয়না |
দুঃখ হয়না |
বরং নিপুণ হয়ে ওঠে দুঃখবোধ |
ভাবি একদিন কোনও অন্ধ মানুষ চাকার তলায় আসার আগেই পথ পার করে দেব |
কিন্তু এভাবে নিজেকে গাড়ি থেকে টেনে হিঁচড়ে বার করা যায় কি? |
তছনছ হয়ে যাওয়ার পরে কেউ এসেছিলো |
মা তাকে দেখতে পায়নি |
সাদা রঙের রাস্তায় অজস্র সাদা পোশাকের মানুষ |
চক দিয়ে হিজিবিজি লাইন টানছিল যে পাগল, তারও সর্বাঙ্গে শ্বেতী |
ব্যাঙের ছাতায় ভরে উঠেছিল বটগাছ |
কতকাল আয়নার সামনে এসে মাকে খুঁজে গেছে সিঁদুর |
কাচের গায়ে লাল টিপের রঙ উঠে এসেছে প্রায় |
কাচের ওপারেই উলটে যায় ঘড়ি |
উলটে যায় মানুষ |
বাবার উলটো ছায়া দেখে কাঁদতে কাঁদতে ভুল রাস্তায় চলে যাচ্ছে মা |
বাবার শরীরেই কি তাহলে মা আটকে রাখতো ওই প্রিয় লাল টিপগুলো? গতরাত্রে বাবার মাথার মধ্যে পায়চারী করেছিলো |
ব্যান্ডেজে লেগে আছে মুছে যাওয়া আলতার দাগ |
সাদা গাড়িটার ভেতরে শুয়ে বাবা বোধহয় বুঝতে পেরেছিলো, অ্যামবুলেন্স কথাটা কাচে কেন উল্টো করে লেখা থাকে |
গত ১১ জুলাই, হারারে টেস্টের শেষ দিনে মাঠে নামার সময় সতীর্থদের কাছ থেকে 'গার্ড অব অনার' পান মাহমুদউল্লাহ |
টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার কথা তিনি ড্রেসিং রুমে সতীর্থদের জানান বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে |
টিভি ধারাভাষ্যকাররাও পরে জানিয়ে দেন অবসরের কথা |
কিন্তু এরপর এটি নিয়ে চলতে থাকে নানা লুকোচুরি, ছড়াতে থাকে ধোঁয়াশা |
অবশেষে সেই টেস্ট শেষ হওয়ার চার মাসের বেশি সময় পর আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হলো টেস্ট থেকে তার অবসর |
বুধবার সন্ধ্যায় বিবৃতিতে দিয়ে মাহমুদউল্লাহর অবসর নিশ্চিত করে বিসিবি |
জুলাইয়ে ওই টেস্ট দিয়েই দেড় বছর পর টেস্টে ফেরেন মাহমুদউল্লাহ |
ফেরার ম্যাচে দলের চরম বিপর্যয়ের মধ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে খেলেন ১৫০ রানের অসাধারণ ইনিংস |
পরে ম্যাচের তৃতীয় দিনেই তিনি ড্রেসিং রুমে এই সংস্করণ ছাড়ার কথা জানান বলে শোনা যায় |
টেস্টের শেষ দিনে তিনি 'গার্ড অব অনার' পেলেও ম্যাচের পর অধিনায়ক মুমিনুল হক কিংবা তিনি নিজে, কেউই খোলাসা করেননি কিছু |
পরে তার হঠাৎ অবসর নিয়ে বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান |
অগাস্টের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের আগে টেস্ট অবসর নিয়ে জিজ্ঞেস করা হলে মাহমুদউল্লাহ বলেন, "এ বিষয়ে শিগগিরই আপনাদের বিস্তারিত জানাব |
" পরে সেপ্টেম্বরে বোর্ড সভা শেষে বিসিবি সভাপতি বলেন, "এটা (মাহমুদউল্লাহর অবসর) এখনও পেন্ডিং আছে |
অবশেষে তার অবসর রহস্যের জট খুলল |
যদিও এই টানাপোড়েনের কারণ পরিষ্কার নয় |
২০০৯ সালে শুরু হওয়া তার টেস্ট ক্যারিয়ার শেষ পর্যন্ত অনেকটা অপূর্ণই রয়ে গেল |
বাংলাদেশের হয়ে তার ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার শুরু ২০০৭ সালে |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.