content
stringlengths
0
129k
আবার না বললেও তাঁর ঔদ্ধত্যের পালে হাওয়া দেয়া হবে
তাঁর সাথে আমি যতটা সময় থেকেছি এবং কথা বলেছি, তাঁকে আমার কখনও স্বাভাবিক মনে হয় নি
একজন নীচ স্বভাবের বহুগামী, বহুকামী মানুষ তিনি
আচার-আচরণ বেয়াদব এবং খোলসের আবরণে চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে সাইফুল বাতেন টিটো বরাবরই অসম্ভব অসৎ মনের
আমি লক্ষ্য করেছি এবং শুনেছি, স্বীয় স্বার্থ চরিতার্থের জন্যই সে কাক হয় ময়ুর সাজে
যে সিদ্ধি হাতে প্রেমের বস্র হরণ করেন!
আবার তাঁর লেখক স্বত্বা নিয়েও তাঁর হামভড়া ভাব আছে
একদিন তিনি বিশেষ খ্যাত লেখক হয়ে উঠবেন
কিন্তু তা তাঁর মতে নৈতিক স্খলনের পথ ধরেই, তিনি তা হবেন
কিন্তু তিনি এই প্রতিভূ কাদের হবেন? তাঁর বইয়ের তিন পাতা পাঠে তাঁকে আমার আহামরি কিছু লিখিয়ে মনে হয় নি
তাঁর বই ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কর্তৃক নিষিদ্ধ হবার কারণেই তিনি কিছুটা পরিচিতি পেয়েছেন
এটাকে তিনি পুঁজি করে তাঁর চারপাশটাকে চাপকাচ্ছেন! স্বীয় নীতি- নৈতিকতা খুইয়ে দম্ভের বুলি আওড়াচ্ছেন?
সাইফুল বাতেন টিটো কেনো আর সাধারণ দশ জনের মতোই ধর্ষকামী তা তাঁর বলা কথাতেই সহজেই অনুমেয়
ধর্ষক এবং ধর্ষকামী মনস্তত্ত্বকে বুঝাতে আমিও আমার একটি লেখাতে ফ্রয়েড-এর কিছু কথা উল্লেখ করেছিলাম
আশ্চর্য হলেও সত্য টিটো সেই কথা উল্লেখ করে তাঁর কৃতকর্মকে ধূর্ত শিয়ালের মতো আড়াল করতে চেয়েছিলেন
কিন্তু তাঁকে সেই কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয় নি তখন
তবে কথাগুলো প্রাসঙ্গিক বলে আবারও স্মরণ করা যাক
বিখ্যাত নিউরোলোজিস্ট সাইকিয়াট্রিস্ট ফ্রয়েড আসলে কি বলেছিলেন নৈতিকতার প্রশ্নে! ফ্রয়েড বলছেন; মানুষ মূলত তিনটি সত্ত্বার সমন্বয়ে গঠিত
ইড, ইগো এবং সুপার ইগো
'ইড' মানুষকে জৈবিক সত্ত্বার দিকে নিয়ে যায়
মানব মনের স্বভাবজাত চাহিদা পুরণে 'ইড' বার বার উৎসাহিত করে তোলে
সহজ করে বললে, মানুষের মন যা চায় তাই পূরণে এই 'ইড' কাজ করে
আর 'ইড' মানুষ এবং পশুর মাঝে সমানভাবে বিরাজমান
ইড-এর কোনো মানবিক দিক বা বিকাশ নেই
এর পুরোটায় মানুষ কিংবা পশুর লোভ-লালসা আর কাম চিন্তায় ভরপুর
'ইড' মানুষের ভিতরের এক প্রকার সুপ্ত পশু যার প্ররোচনায় মানুষ যেকোনো অসামাজিক, অনৈতিক, অপরাধ থেকে শুরু করে খুন-ধর্ষণের মতন বর্বর কর্মকাণ্ড করতেও দ্বিধাবোধ করে না
'ইড' আর 'সুপার ইগো'র মাঝখানে বসবাস 'ইগো'
'ইগো'র কাজ হচ্ছে 'ইড' এর কাজগুলোকে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে বাস্তবায়ন করা, সে দিকে মানুষকে প্ররোচিত করা
আর 'সুপার ইগো' হচ্ছে মানুষের বিবেক
'ইড' যখন জৈবিক কামনা বাসনা পুরণ করতে উদ্দীপ্ত করে তোলে, তখন 'সুপার ইগো' একে বাধা দেয়
'সুপার ইগো' মানুষকে সব সময় মানবিক হতে সহায়তা করে, ভাল কাজ করতে উদ্দীপ্ত করে
যদিও সুপার ইগোর প্রতি অবিচল থাকা নির্ভর করে ব্যক্তির নৈতিক, পারিবারিক, প্রাতিষ্ঠানিক এবং সামাজিক শিক্ষা এবং মূল্যবোধের উপর
তাহলে সাইফুল বাতেন টিটো কি ইড ও ইগোতেই রয়ে গেছে? এবং আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় সাইফুল বাতেন টিটোর অভাবও নেই
ঘটনাটি আমার জীবনসঙ্গীর সাথে ঘটেছে বলে নয়, ঘটনাটি টিটোর সহধর্মিণীর বেলায়ও ঘটতে পারে বা পারতো? তাহলেও আমদের প্রতিবাদ অভিন্নই হতো
তাই আওয়াজটা এই হোক যে, আসক্ত, অসুস্থ মানুষের সেবা জরুরি প্রয়োজন
উল্লেখ্য যে সাইফুল বাতেন টিটো ভয়াবহ ড্রাগ এডিক্টেক মানুষ
তাঁর আশু চিকিৎসা প্রত্যাশা করছি
নাহলে তাঁর দ্বারা যে কোনো সময়ে যে কোনো মেয়ে/ছেলে ভয়াবহ ভাবে আক্রান্ত এবং প্রতারিত হতে পারে
আমরা সবকিছুর সমন্বিত প্রচেষ্টায় যুগোপযোগী মূল্যবোধের জায়গা তৈরি করতে চাই, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে স্বরণে রেখে
আমরা এ-ও জানি এ আশা সুদূরপ্রসারী
তবুও আলো ও আলোকিত মানুষ এবং সুস্থ্য ও সুন্দর পৃথিবী গড়ার প্রচেষ্টা সবার মাঝে বিরাজ করুক
2611
নারী'তে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার বিষয়বস্তু, ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যসমুহ সম্পূর্ণ লেখকের নিজস্ব
প্রকাশিত সকল লেখার বিষয়বস্তু ও মতামত নারী'র সম্পাদকীয় নীতির সাথে সম্পুর্নভাবে মিলে যাবে এমন নয়
লেখকের কোনো লেখার বিষয়বস্তু বা বক্তব্যের যথার্থতার আইনগত বা অন্যকোনো দায় নারী কর্তৃপক্ষ বহন করতে বাধ্য নয়
নারীতে প্রকাশিত কোনো লেখা বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রকাশ কপিরাইট আইনের লংঘন বলে গণ্য হবে
সর্বাধিক পঠিত
'নারী' একটি অন লাইন পত্রিকা
'নারী' নারী'র চিন্তাজগত উন্মোচনের অবারিত ক্যানভাস
'নারী' নারী'র মানবিক ভারমুক্তির জানালা
'নারী' নারী'র বু্দ্ধিবৃত্তিক দ্বিধাহীন প্রকাশের উন্মুক্ত আকাশ
লিখুন নারী'তে
নারী'তে লেখা পাঠানোর ঠিকানা @.
লেখার সাথে আপনার পছন্দের একটি ছবি ও সংক্ষিপ্ত পরিচিতি পাঠাতে ভুলবেন না
সাম্প্রতিক
সোমবার, ফেব্রুয়ারী ১২, ২০১৮ ২:২৪
দিস ইজ আমেরিকা! এদেশে বর্তমানটুকুই সত্যি, বাকী সব মিথ্যে!
আজ থেকে আমেরিকার বাতাসে ডলারেরা ডানা মেলে উড়তে শুরু করেছে
কারণ সারা বছর দেয় ট্যাক্স রিটার্ন শুরু হয়েছে
আমেরিকার সাধারণ জনগণ বছরের এই সময়টির দিকে হাঁ করে তাকিয়ে থাকে
ট্যাক্স...
রবিবার, মে ২৪, ২০২০ ৫:৪৯
রিমঝিম আহমেদ-এর কবিতা
ইল্যুশন আমাকে ডাকছ তুমি, অথবা ডাকছই না
যেনবর্ণমালা ছিঁড়ে ফেলা শিশু - মলাটেররঙ খুলে এঁকে গেল অবিদ্যার গুণ
যে শিল্পিত অস্বীকারেজলগামছাটা ধুয়ে আসো দ্বারকেশ্বরের জলেহয়তো আমিও যাব, গ্রাম শেষে সরুপথ - আরঅশ্বত্থে হেলান দিয়ে একগ্লাস...
ভারতে গরুর জন্য চালু হচ্ছে অ্যাম্বুলেন্স সেবা | 24 ভারতে গরুর জন্য চালু হচ্ছে অ্যাম্বুলেন্স সেবা | 24
তথ্যপ্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
লাইফস্টাইল
কৃষি ও প্রকৃতি
সাক্ষাৎকার
মাসিক পাথেয়
এশিয়া, শীর্ষ
ভারতে গরুর জন্য চালু হচ্ছে অ্যাম্বুলেন্স সেবা
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম
১৫ নভেম্বর, ২০২১ ১৩:১৪
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ভারতের উত্তর প্রদেশে গরুর জন্য অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু হচ্ছে
এনডিটিভি অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়
গতকাল রোববার রাজ্যের দুগ্ধ উন্নয়ন, পশুপালন ও মৎস্যবিষয়ক মন্ত্রী লক্ষ্মী নারায়ণ চৌধুরী বলেন, উত্তর প্রদেশ সরকার গুরুতর রোগে আক্রান্ত গরুর জন্য অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা চালু করতে প্রস্তুত
লক্ষ্মী নারায়ণ চৌধুরী আরও বলেন, এ পরিষেবা চালুর জন্য ৫১৫টি অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রয়েছে
খবরে বলা হয়, ভারতে উত্তর প্রদেশেই সম্ভবত প্রথম অসুস্থ গরুর জন্য অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা চালু হচ্ছে
লক্ষ্মী নারায়ণ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ১১২ জরুরি পরিষেবা নম্বরের মতোই নতুন পরিষেবাটি গুরুতর অসুস্থ গরুর দ্রুত চিকিৎসার পথ প্রশস্ত করবে
রাজ্যের পশুপালনবিষয়ক মন্ত্রী জানান, অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার জন্য অনুরোধ জানানোর ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে একজন পশুচিকিৎসক, দুজন সহকারীসহ একটি অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাবে
আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এ পরিষেবা শুরু হতে পারে
এ প্রকল্পের অধীনে অভিযোগ গ্রহণের জন্য লক্ষ্ণৌতে একটি কলসেন্টার স্থাপন করা হবে
লক্ষ্মী নারায়ণ চৌধুরী জানান, প্রথমে পাইলট প্রকল্প হিসেবে রাজ্যের আটটি জেলায় অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা চালু হবে
উত্তর প্রদেশ রাজ্যের ইতিহাসে যোগী আদিত্যনাথ সরকার প্রথম পথভ্রষ্ট গবাদিপশু রাখার জন্য গো-আশ্রয়কেন্দ্রকে তহবিল দিয়েছে
শরতের পেঁজা তুলোর মতো মেঘ আশ্বিনের শুভেচ্ছা বয়ে নিয়ে আসে
সেই মেঘের ওপার থেকে ভেসে আসে আগমনীর সুর
মা আসেন মর্ত্যধামে এইসময়
গিরিরাজের কন্যা উমা আসেন সপরিবারে তাঁর মায়ের কাছে, কৈলাস ছেড়ে পিতৃগৃহে আসা উমা যেন আমাদেরই ঘরের মেয়ে
আর তাই তো আমরা আপামর বাঙালিরা ঠিক এই সময়টাতেই উমার আগমনকে কেন্দ্র করে আরাধনা করি দেবী দুর্গার
তিনিই এ বিশ্ব সংসারের শুভ শক্তির জাগরণ ঘটান
দেবী দুর্গা বাঙালিদের অন্যতম প্রধান দেবী, বাঙালিদের শ্রেষ্ঠ পুজো এই দুর্গাপূজা
কিন্তু শরৎকালেই নয়, চৈত্রমাসে বসন্তকালেও দেবী দুর্গার পূজা করা হয়
দুর্গাকে নিয়ে প্রচলিত আছে হাজারো পৌরাণিক কাহিনি
শুধুই ভারত নয়, বিশ্বের যেখানে যেখানে বাঙালিরা আছেন, সেখানেই মহা আড়ম্বর সহকারে পালিত হয় দুর্গাপূজা
আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষে পাঁচ দিন ধরে আয়োজিত হয় এই দুর্গাপূজা