content
stringlengths
0
129k
তাকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার বিষয়টি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে লিখিতভাবে জানানো হয় এবং কমিশনের আদেশের পর ওই প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে
উল্লেখ্য, তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে আগামী ২৮ নভেম্বর মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার দিঘীসহ ১০টি ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে
দিঘী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুল মতিন মোল্লা (নৌকা)
এ ছাড়াও নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আখতার উদ্দিন আহমেদ রাজা (মোটরসাইকেল, মতিয়ার রহমান (চশমা) এবং নুসরাত ইসলাম (আনারস)
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন
মন্তব্য করুন
'); // // (!='') $().('
'); // // }); = .; $('._ ').((){ $().('',':100%;'); }); });
--- বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
সরকারি অন্যান্য পোর্টাল দেখুন
বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
--- বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
সরকারি অন্যান্য পোর্টাল দেখুন
বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
রংপুর বিভাগ---সিলেট বিভাগঢাকা বিভাগচট্রগ্রাম বিভাগরাজশাহী বিভাগখুলনা বিভাগময়মনসিংহ বিভাগবরিশাল বিভাগরংপুর বিভাগ
দিনাজপুর ---পঞ্চগড় দিনাজপুর লালমনিরহাট নীলফামারী গাইবান্ধা ঠাকুরগাঁও রংপুর কুড়িগ্রাম
---নবাবগঞ্জ বীরগঞ্জ ঘোড়াঘাট বিরামপুর পার্বতীপুর বোচাগঞ্জ কাহারোল ফুলবাড়ী দিনাজপুর সদর হাকিমপুর খানসামা বিরল চিরিরবন্দর
পদোন্নতি পেতে যাচ্ছেন প্রাথমিকের শিক্ষক-কর্মকর্তারা
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা-২০২০ এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে
এখন সেটি অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) থেকে জানা গেছে
নিয়োগ বিধিমালা অনুমোদন হলে সহকারী শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষক, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, সহকারী পরিচালক, এমনকি সর্বোচ্চ পরিচালক পর্যন্ত পদোন্নতি পাবেন বলে জানা গেছে
এবারই প্রথম প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসন থেকে পরিচালক নিয়োগ করা হবে
এর আগে বিসিএসের প্রশাসন ক্যাডার থেকে পরিচালক নিয়োগ করা হতো
প্রাইমারি টিচার ইন্সটিটিউটে (পিটিআই) কয়েকটি বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হলেও মৌলিক বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ের প্রশিক্ষক ছিল না
এখন নিয়োগ বিধিমালার খসড়ায় এই তিন বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে তাদের মাধ্যমে বিদ্যালয় শিক্ষকদের প্রশিক্ষক দিতে বলা হয়েছে
বুধবার (১৩ জানুয়ারি) এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, 'প্রাথমিকে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে ও শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের হতাশা দূরীকরণে তাদের পদোন্নতির রাস্তা খুলে দেয়া হচ্ছে
এজন্য একটি অভিন্ন নিয়োগ বিধিমালা তৈরি করা হচ্ছে
বর্তমানে সেটি অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে
তিনি আরো বলেন, 'আমরা শিক্ষকদের কর্মকর্তা বা কর্মচারী ভাবতে চাই না
তারা শিক্ষক, তারা সম্মানীয়
তাই তাদের জন্য আমরা ১৯৮৫ সালের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের গেজেটেড অফিসার ও নন-গেজেটেড কর্মচারীদের নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করছি
সেটি মন্ত্রণালয়ে খসড়া পাঠানো হয়েছে
এদিকে বুধবার (১৩ জানুয়ারি) ২০১৩-১৪ সালে বেসরকারি থেকে সরকারি হওয়া প্রাথমিক শিক্ষকদের টাইম স্কেলের সুবিধা ফেরত দেয়ার বিষয়ে পরিপত্র জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়
টাইম স্কেলের এ সুবিধা দেয়া হয়েছিল জাতীয়করণ করা ৪৮ হাজার ৭২০ জন শিক্ষককে
সম্প্রতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষকের বিভাগীয় পদোন্নতি নিয়ে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়
এ বিষয়ে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে লিখিত একটি আবেদন দেওয়া হয়
যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর নিয়োগ বিধিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নেয়
দেশআন্তর্জাতিকরাজনৈতিকবিনোদনখেলাধুলালাইফস্টাইলবিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবাংলাদেশখাদ্যঅর্থনৈতিকনরেন্দ্র মোদিফ্যাশনপ্রতিরক্ষারাজ্যক্রাইমস্বাস্থ্য
ইন্ডিয়ান আইডল-এর মঞ্চে বিচারক হিসেবে আর দেখা যাচ্ছে না বিশাল দাদলানিকে, এপ্রসঙ্গে কি বললেন সুরকার?
, 21 2021, 12:14
জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো 'ইন্ডিয়ান আইডল'-এ চলতি বছরের প্রথম থেকেই প্রায় অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে জুড়ে ছিলেন জনপ্রিয় বলিউড সুরকার বিশাল দাদলানি
তবে শো চলাকালীন গত জুন মাসে ব্রেক নেওয়ার পর থেকেই আর তাঁকে বিচারকের আসনে দেখা যায়নি
তাঁর পরিবর্তে বিচারকের আসনে বলি-সুরকার অনু মালিককে বসতে দেখা যায়
'ইন্ডিয়ান আইডল ১২'-এ আর ফিরে আসেননি বিশাল
কেন এমনটা হল? এই ব্যাপারে কোনও রাখঢাক না রেখে তিনি জানিয়েছেন, "মিউজিক রিয়েলিটি শো-তে বিচারক হিসেবে তাঁর পারিশ্রমিক অত্যন্ত চড়া
সেই তুলনায় অনু মালিকের পারিশ্রমিক অনেক 'সস্তা'
তাই নির্মাতারা স্বাভাবিকভাবেই সবদিক ভেবেই ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন
রোশন আরা বেগম (উর্দু: رَوشن آرا بی‎‎) (১৯১৭ - ৫ ডিসেম্বর, ১৯৮২) ছিলেন একজন পাকিস্তানি শাস্ত্রীয় কণ্ঠশিল্পী
আবদুল হক হক খানের কন্যা রোশন আরা, তাঁর চাচাত ভাই আবদুল করিম খানের মাধ্যমে, শাস্ত্রীয় সংগীতের কিরানা ঘরানার (গানের শৈলী) সাথে যুক্ত হয়েছিলেন
[১][২][১]
মালিকা-ই-মৌশিকি
রোশন আরা বেগম
সিতারা-ই-ইমতিয়াজ পিপি
ওয়াহিদ-উন-নিসা
কলকাতা, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত
৬ ডিসেম্বর, ১৯৮২
ধ্রুপদী গায়িকা, কণ্ঠশিল্পী
ঠুমরি, খয়াল, গজল
পিটিভি (পাকিস্তানি টেলিভিশন)
মালিকা-ই-মৌশিকি (সঙ্গীতের রাণী)
দাম্পত্য সঙ্গী
চৌধুরী আহমেদ খান
আব্দুল হক খান (পিতা)
আব্দুল করিম খান
প্রাইড অফ পারফরম্যান্স
সিতারা-ই-ইমতিয়াজ (স্টার অফ এক্সিলেন্স)
পরিচ্ছেদসমূহ
১ প্রারম্ভিক জীবন ও শিক্ষা
২ সঙ্গীতজীবন
৩ মৃত্যু ও সম্মাননা
৪ গ্ৰন্থপঞ্জী
৫ তথ্যসূত্র
প্রারম্ভিক জীবন ও শিক্ষাসম্পাদনা
১৯১৭ সালে বা তার কাছাকাছি সময়ে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করা রোশন আরা বেগম তাঁর কিশোরী বয়সে ব্রিটিশ ভারতের (বর্তমান পাকিস্তানের) অন্তর্গত লাহোরের চুন পীরে কয়েকজন ধনাঢ্য লোকের আয়োজন করা সঙ্গীত সন্ধ্যাতে অংশগ্রহণ করতে লাহোর গিয়েছিলেন
শহরে সফরকালে মাঝে মাঝে তিনি তৎকালীন লাহোরের অল ইন্ডিয়া রেডিও স্টেশন থেকে গান সম্প্রচার করেছিলেন
তাঁর পেশাদার নাম বোম্বেওয়ালি রোশন আরা বেগম হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছিল
তিনি এই জনপ্রিয় নামটি অর্জন করেছিলেন কারণ তিনি ১৯৩০ এর দশকের শেষদিকে মুম্বাইতে (তৎকালীন বোম্বে) আবদুল করিম খানের নিকটে বসবাস করতে চলে এসেছিলেন, যার কাছ থেকে তিনি পনেরো বছর ধরে হিন্দুস্তানী শাস্ত্রীয় সংগীতের পাঠ গ্রহণ করেছিলেন
বোম্বের একজন প্রবীণ পুলিশ কর্মকর্তা এবং সংগীত প্রেমী চৌধুরী আহমেদ খান ১৯৪৪ সালে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে তাঁর কাছে এসেছিলেন
রোশন আরা বেগম এ সম্পর্কে নিজের শিক্ষক ওস্তাদ আবদুল করিম খানের সাথে পরামর্শ করেছিলেন
অবশেষে তিনি এই শর্তে বিয়ের প্রস্তাব গ্রহণ করেছিলেন যে বিয়ের পরে তাঁকে সঙ্গীত ছেড়ে দিতে হবে না
তাঁর স্বামী তাঁর প্রতিশ্রুতি পালন করেছিলেন এবং তিনি সারা জীবন গান চালিয়ে যান
মুম্বইয়ে তিনি তাঁর স্বামী চৌধুরী চৌধুরী আহমেদ খানের সাথে একটি বিশাল বাংলোয় থাকতেন
সঙ্গীতজীবনসম্পাদনা
ভারত বিভাজনের পরে ১৯৪৮ সালে রোশন আরা বেগম তাঁর স্বামীর সঙ্গে ভারত ত্যাগ করে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে গিয়ে সেখানকার একটি ছোট্ট শহর লালামুসাতে বসবাস শুরু করেছিলেন
এই শহরটি পাকিস্তানের সাংস্কৃতিক রাজধানী লাহোর থেকে বেশ দূরে, তারপরেও তিনি সঙ্গীতের কার্যসূচী, রেডিও ও টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য আমন্ত্রিত হতেন
বহুল সন্মানিত পাকিস্তানের একজন শাস্ত্রীয় সঙ্গীত পৃষ্ঠপোষক হায়াত আহমেদ খান ১৯৫৯ সালে তাঁকে 'অল পাকিস্তান মিউজিক কনফারেন্স'-এর একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হতে আহ্বান জানিয়েছিল
শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রসারের জন্য এই সংগঠনটি পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে বার্ষিক সঙ্গীত সন্মিলনের আয়োজন করেছিল, যা এখনো চালু রয়েছে
তাঁকে পাকিস্তানে 'মালিকা-ই-মৌশিকি' অর্থাৎ সঙ্গীতের রাণী বলে সম্বোধন করা হয়েছিল
তারপরেও ব্যক্তিজীবনে তিনি নম্র, সৎ ও লক্ষণীয় ভাবে সরল ব্যক্তি ছিলেন
[৩] তিনি একদম ভোরে উঠতেন ও ফজরের প্রার্থনার পরে রেওয়াজ আরম্ভ করতেন
তাঁর কোনো সন্তান না থাকায় তিনি একটি বালক ও একটি বালিকাকে দত্তক নেওয়ার মনস্থ করছিলেন
তিনি বেশকয়েকটি চলচ্চিত্রে বিশেষকরে সঙ্গীত পরিচালক অনিল বিশ্বাস, ফিরোজ নিজামী, তসদ্দুক হুসেইনের তত্ত্বাবধানে পেহলি নজর (১৯৪৫), জুগনু (১৯৪৭), কিসমত (১৯৫৬), রূপমতী বাজবাহাদুর (১৯৬০), নীলা পর্বত (১৯৬৯) ইত্যাদি ছবিতে গান গেয়েছিলেন
পাকিস্তানে শীর্ষস্থানীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পীরা, যেমন পাতিয়ালা ঘরানার বড়ে ফতেহ আলী খান, আমানত আলী খান ও শাম চৌরাসিয়া ঘরানার ওস্তাদ সালামত আলী খান, রোশন আরা বেগমের গান শুনে আনন্দ উপভোগ করতেন
মৃত্যু ও সম্মাননাসম্পাদনা
তিনি ১৯৮২ সালের ডিসেম্বর মাসে পাকিস্তানে আনুমানিক পঁয়ষট্টি বছর বয়সে মারা যান
রোশন আরা বেগম ১৯৬০ সালে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে সিতারা-ই-ইমতিয়াজ পুরস্কার বা স্টার অফ এক্সিলেন্স পুরস্কার এবং প্রাইড অফ পারফরম্যান্স পুরস্কার পেয়েছিলেন
তিনি সিতারা-ই-ইমতিয়াজ পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রথম মহিলা কণ্ঠশিল্পী