content
stringlengths
0
129k
'); (!='') $().('
'); $().('
'); }); // $('#_').((){ // = ''; // .(,'_'); // }); // $('#_').((){ // = ''; // .(,'_'); // });
--- বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
সরকারি অন্যান্য পোর্টাল দেখুন
বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
--- বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
সরকারি অন্যান্য পোর্টাল দেখুন
বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
বিআলো ডেস্ক:বাংলাদেশে মানবিক আশ্রয় নেয়া বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা সম্প্রদায় মানব পাচারের ঝুঁকিতে রয়েছে
এর মূল কারণ প্রত্যাবাসনে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় রোহিঙ্গাদের ক্রমাগতভাবে হতাশায় নিমজ্জিত হচ্ছে
মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) মানব পাচার রোধে জাতিসংঘের বৈশ্বিক কর্ম পরিকল্পনার মূল্যায়নের উপর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ আয়োজিত এক উচ্চ পর্যায়ের সভায় এসব কথা বলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা
তিনি বলেন, মানব পাচারের মূল কারণগুলো বিশেষ করে জলবায়ুজনিত নাজুক পরিস্থিতি এবং সংঘাত ও বাস্তুচ্যুতির মতো বহুমূখী কারণে সৃষ্ট মানব পাচারের কারণগুলো খুঁজে বের করে তা সমাধান করতে হবে
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমনে শক্তিশালী আইনী কাঠামো, বহু-অংশীজনের অংশীদারিত্ব ও কার্যকর আন্তর্জাতিক সহযোগিতার উপর গুরুত্বরোপ করেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি
তিনি আরো বলেন, মানব পাচার একটি গুরুতর অপরাধ যা মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদার মৌলিক নীতিগুলোর পরিপন্থী
মানব পাচার রোধ শেখ হাসিনা সরকার গৃহীত বিভিন্ন আইন, নীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা
তিনি বলেন, শ্রমিক পাচারসহ মানব পাচার ও চোরাচালানের মধ্যে যে যোগসাজস রয়েছে তা আমলে নিয়েই আমরা জাতীয় পর্যায়ে মানব পাচার বিরোধী কার্যক্রম গ্রহণ করে থাকি
এছাড়া এ বিষয়ক আইন প্রণয়নে আমরা পালারমো প্রটোকল অনুসরণ করেছি
রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে জাতীয় কর্মপরিকল্পনাকে এসডিজি বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ও জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার সাথে সন্নিবেশিত করেছে যা মানব পাচার রোধে ভূমিকা রেখেছে
পাচারের শিকার ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা প্রদান ও এবিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে এনজিও, সুশীল সমাজসহ অন্যান্য সংস্থাসমূহের কাজের স্বীকৃতি প্রদান করেন
তিনি শ্রমিক পাচার হ্রাসে শ্রম অভিবাসনের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরো সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান
বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক খাত এবং নিজ দেশে ফেরত অভিবাসীদের উপর কোভিড এর ভয়াবাহ প্রভাবের উদাহরণ টেনে রাষ্ট্রদূত ফাতিমা উপযুক্ত জীবিকার সুযোগ ও রাষ্ট্রসমূহের কোভিড পুনরুদ্ধার পরিকল্পনায় তাদের অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান
মানব পাচার প্রতিরোধ বিষয়ক সাধারণ পরিষেদ রেজুলেশন এর আওতায় দুইদিন ব্যাপী উচ্চ পর্যায়ের এই সভা অনুষ্ঠিত হয়
এতে মানব পাচার প্রতিরোধে বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি মূল্যায়ন করা হয়
সভার এবিষয়ক একটি রাজনৈতিক ঘোষণা গৃহীত হয়
মূল আয়োজনের পাশাপাশি বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, নাইজেরিয়া, কাতার, যুক্তরাজ্য ও ইউএনওডিসি একটি উচ্চ পর্যায়ের সাইড ইভেন্ট আয়োজন করে
প্রশ্ন : আমি অনেকের কাছে শুনি যে, হযরত আলী ছাড়া বাকি তিন খলিফাদের নাকি শিয়ারা কাফের বলে? আর এটাও অনেকের কাছে শুনেছি যে, শিয়ারা নাকি আলীকে রাসূলের থেকেও শ্রেষ্ঠ মানে? অনেক শিয়া নাকি এটা বিশ্বাস করে যে, কুরআনের আয়াত ১১ হাজারের বেশি? আর রাসূলের (সা) হাদিস নাকি শিয়ারা মানে না? আমি শিয়াদের মধ্যে রাফেজি ও আলাভী গোত্র ...
পরিশেষে আমি জানতে চাই যে, মূলধারার শিয়া মাজহাব এ ব্যাপারে কী বলে?
-মো. রকিবুল ইসলাম মাহীন, ঢাকা- বাংলাদেশ
'সুন্নি মাযহাবের সম্মানিত ব্যক্তিত্বের অবমাননা হারাম'
প্রথম তিন খলিফাকে মূল ধারার শিয়ারা তথা ১২ ইমামে বিশ্বাসী বা 'ইসনা আশারা' শিয়ারা কাফির মনে করেন না বরং তাদের অবমাননাকে হারাম মনে করেন
বৃহত্তর ইসলামী ঐক্যের স্বার্থে হযরত আলী (রাঃ) এই তিন সাহাবির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেননি বলেও তারা বলে থাকেন
তাদের সম্পর্কে বা সুন্নিদের কাছে সম্মানিত সাহাবিদের ব্যাপারে অশোভন উক্তি করা বা গালি দেয়াকে (শিয়া মুসলমানদের জন্য) নিষিদ্ধ করে গেছেন মূল ধারার শিয়া নেতৃবৃন্দ ও আলেম
মূল ধারার শিয়া নেতারা সুন্নি মুসলমানদেরকে মুসলমান বলেই মনে করেন
এ সম্পর্কে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর একটি ঐতিহাসিক ফতোয়া উল্লেখযোগ্য
২০১০ সালে আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী এক ফতোয়ায় মহানবী (স.)'র স্ত্রী হযরত আয়েশাসহ সুন্নি মাজহাবের সকল সম্মানিত ব্যক্তিত্বের অবমাননাকে হারাম ঘোষণা করেন
এ ঐতিহাসিক ফতোয়া বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সাড়া জাগায়
বিশেষ করে কুয়েতের দৈনিক 'আল আম্বিয়া',বার্তা সংস্থা মুহিত,লেবাননের দৈনিক আস সাফির,লন্ডনে থেকে প্রকাশিত আল হায়াত এবং মিশরের বেতার ও টেলিভিশন সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে ফতোয়াটি ফলাও করে প্রকাশ করা হয়
কুরআন অবিকৃতঃ
শিয়া মুসলমানরা মনে করেন কুরআন অবিকৃত রয়েছে এবং বর্তমানে প্রচলিত কুরআন ও আদি কুরআনের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই
তবে কোরানের বিভিন্ন আয়াতের ব্যাখ্যা নিয়ে কিছু মতভেদ আছে এবং এ বিষয়টি ইসলামের নানা মাজহাব সৃষ্টি ও মুসলমানদের মধ্যে মতভেদের অন্যতম বড় কারণ
আপনি কিছু প্রশ্ন বা অভিযোগের ব্যাপারে শিয়াদের মূল ধারার বক্তব্য জানতে চেয়েছেন
শিয়াদেরকেই সামগ্রীকভাবে রাফেজি বলে থাকেন বিভিন্ন মাজহাব বা ধারার মুসলমানরা
কারণ, শিয়া মুসলমানরা মনে করেন একমাত্র হযরত আলীই (তাঁর ওপর সালাম) ছিলেন বিশ্বনবী (স.)'র ঘোষিত ও মহান আল্লাহর মনোনীত প্রথম ইমাম বা খলিফা
তারা আবুবকর, ওমর এবং ওসমানকে ন্যায়সঙ্গত খলিফা হিসেবে মেনে নিতে অস্বীকার করেন বলেই এই শব্দটি তথা রাফেজি (অর্থাৎ 'অস্বীকারকারী') ব্যবহার করা হয় তাদের সম্পর্কে
আলাভীদের ব্যাপারে মূল ধারার শিয়াদের দৃষ্টিভঙ্গিঃ
'অ্যালাভাইট' বা 'আলাভী' বলতে এক সময় হযরত আলী (আ.)'র বংশধর ও তাঁর সমর্থকদেরকে বোঝাত
এখনও প্রাচীন বইয়ে ব্যবহৃত এই শব্দকে সেই অর্থেই ব্যবহার করা যায়
তবে আলাভী বলতে একটি বিভ্রান্ত সম্প্রদায়ও ছিল প্রাচীন যুগে এবং বর্তমান যুগেও এ সম্প্রদায়ের অস্তিত্বের কথা জানা যায়
এরা আলী (আ)-কে আল্লাহর সমতুল্য বলে মনে করে
মূল ধারার শিয়ারা তাদেরকে কাফির বলে মনে করেন
ইরানের ইসলামী বিপ্লবের পর এইসব বিভ্রান্ত ব্যক্তিদের অনেকেই মূল ধারার শিয়ায় পরিণত হয়েছেন
শিয়াদের দৃষ্টিতে বিশ্বনবী ও হাদিসঃ
শিয়ারা বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা)-কে সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সর্বশেষ নবী ও রাসূল বলে মনে করেন
বিশ্বনবীর নাম শুনা মাত্র তারা উচ্চস্বরে দরুদ পড়াকে অনেকটা ওয়াজিবের মতই পালন করে থাকেন
তাদের মত এত বেশি দরুদ পাঠ অন্যরা করে না
হাদিস প্রসঙ্গে কথা হল, শিয়ারা মনে করেন সুন্নি ভাইরা যেসব হাদিস মেনে চলেন তার মধ্যে অনেক হাদিসই অনির্ভরযোগ্য বা জাল তবে সব হাদিস নয়
আসলে সুন্নিদের মধ্যে পথভ্রষ্ট ও অনাচারী বা বেদাআতী মুসলমানদের দোষ-ত্রুটিকে যেমন সমস্ত সুন্নি মুসলমানদের বৈশিষ্ট্য বলা যায় না, তেমনি শিয়াদের কোনো বিচ্যূত বা পথভ্রষ্ট ধারাকে সব শিয়াদের চিন্তাধারা বলে প্রচার করার বা মনে করার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই
কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে শিয়া মুসলমানদের নামে নানা অপপ্রচার যুগ যুগ ধরে প্রচলিত রয়েছে
এর পেছনে রয়েছে ইসলাম ধর্মের শত্রুদের বড় ষড়যন্ত্র
তারা এ ধরনের বিষয়গুলোকে অপব্যবহার করে মুসলমানদের মধ্যে অনৈক্য জিইয়ে রাখতে চায়
রেডিও তেহরান বাংলার ওয়েবসাইট থেকে হুবুহু তুলে ধরা হলো
শিয়া মাজহাব কি এবং ওদের সাথে আমাদের পার্থক্য কোথায়? তাদের কে কি মুসলিম বলা যায়? তাদের সাথে কি মুসলিম হিসেবে ঐক্য স্থাপন করা যায়? এসব প্রশ্নের উত্তর তাদের থেকেই শুনি
শিয়া সুন্নীর মূল বিরোধ কোথায় জানতে এই লিখাটা পড়তে পারেন
:
এটি ইমেল করুনএটি ব্লগ করুন!-এ শেয়ার করুন-এ শেয়ার করুন
নবীনতর পোস্ট পুরাতন পোস্ট হোম
0 :
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
ফেসবুক পাতা
টুইটারে সাথে থাকুন
@_
কালো পঁচিশ কি আসলেই কালো?
২৫ মার্চের আলোচনায় যাওয়ার আগে একটা ভিন্ন প্রসঙ্গে আসি
আপনারা জানেন চট্টগ্রামে ছাত্রশিবির এবং জামায়াতের ব্যপক প্রভাব
চট্টগ্রামের আ. ল...
১৪ই ডিসেম্বরের বুদ্ধিজীবী হত্যাকারী কারা?
১৯৭১ সালে নিহতদের মধ্যে যারা বুদ্ধিজীবী হিসেবে চিহ্নিত এরকম আছেন প্রায় ৩৬ জন
এদের মধ্যে আঠার জন ১৪ই ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেছেন
বঙ্গকথা পর্ব-৭৪ : ১৯৭১ সালের হত্যাযজ্ঞ, ধর্ষণ ও সত্যাসত্য প্রসঙ্গ
বাংলাদেশে ৫০ বছরে এই পর্যন্ত ৭১ এর হত্যাযজ্ঞ নিয়ে ভালো কোনো তালিকা বা রেকর্ড তৈরি করেনি এদেশের কোনো সরকার
বরং পারলে বাধা দিয়েছে
মুজিব সরক...
সীমানাভাঙা বিপ্লবের কবি আল্লামা ইকবাল
আল্লামা ইকবাল যখন জন্ম নিলেন তখন মুসলিম নেতৃত্বের সূর্য অস্তমিত হচ্ছে
তিনি যখন যৌবনে তখন মুসলিম সালতানাত ভেঙে খান খান হচ্ছে
ইউরোপিয়ানদের জ...
শহীদ তিতুমীর ও আমাদের করণীয়
এখন থেকে দুই শতাধিক বছর আগে এই বঙ্গে জন্ম নিয়েছেন এক অসাধারণ ব্যক্তি
যিনি মুশরিক ও নাসারাদের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিজের সারাজীবন বিলিয়ে দিয়েছ...
মায়ানমারে রোহিঙ্গা বিরোধী অপারেশন এর পর সাড়ে পাঁচ লক্ষ রোহিঙ্গা ইতিমধ্যে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে..এছাড়াও বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন প্রান্ত দিয়ে ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্য আসাম,ও পশ্চিমবঙ্গ সহ পূর্ব-উত্তর অঞ্চলের বিভিন্ন রাজ্যে ৫০ হাজার অনুপ্রবেশ করেছে..উত্তরপ্রদেশে ইতিমধ্যে রোহিঙ্গা মুসলিম বিরোধী অভিযান জোরদার করা হ...
রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেফতার হায়দ্রাবাদ পুলিশের 18:33 : 5
0 :
: ( )