content stringlengths 0 129k |
|---|
সমকামের ক্ষেত্রেও একই আইন কার্যকর হবে |
তিনি জানান, যে জওয়ানরা সীমান্তে রয়েছেন তারা কোনওভাবেই যাতে পরিবারকে নিয়ে চিন্তিত না থাকেন সেটা সবার আগে নজরে রাখতে হয় |
সে কারণেই কোনও রকম ব্যভিচার এখানে বরদাস্ত করা হয়না |
সমকামি অথবা রূপান্তকামীদের জন্য এই নিয়ম কার্যকর করা হবে |
একই সঙ্গে জওয়ানদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ক্ষেত্রে রক্ষণশীল হতে হবে বলে জানিয়েছেন বিপিন রাওয়াত |
বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়তো করা হবে না, তবে জওয়ানরা যাতে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহারে সতর্ক হন সেদিকে নজর রাখা হবে |
গঠনমূলক কাজে ব্যবহার করতে হবে সোশ্যাল মিডিয়া |
সে জন্য জওয়ানদের সচেতনও করা হচ্ছে |
কারণ গত কয়েক বছরে ভারতীয় জওয়ানদের সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্র্যাপে ফেলার প্রবণতা বেড়েছে |
তার মোকাবিলাতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভারতীয় সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত |
শেয়ার করুন ! |
এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য- লেখকের একান্তই নিজস্ব |
.-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই |
লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে . আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না |
'ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভাঙচুরকারীদের আদর করা হয়েছে' |
ডিসেম্বর ৯, ২০২১ |
ফোর্বস: বিশ্বের ক্ষমতাধর নারীর তালিকায় শেখ হাসিনা |
ডিসেম্বর ৯, ২০২১ |
কঠোর অবস্থানে শেখ হাসিনা: জাহাঙ্গীর-মুরাদের পর কার পালা? |
ডিসেম্বর ৮, ২০২১ |
'ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভাঙচুরকারীদের আদর করা হয়েছে' |
ডিসেম্বর ৯, ২০২১ |
প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিলে জাইমার শিষ্টাচারের প্রশংসা, নোংরামি করলে চুপ সুশীল সমাজ! |
ডিসেম্বর ৯, ২০২১ |
ফোর্বস: বিশ্বের ক্ষমতাধর নারীর তালিকায় শেখ হাসিনা |
ডিসেম্বর ৯, ২০২১ |
ডা. মুরাদকে রাস্তায় ফেলে হত্যার হুমকিদাতা ইশরাকের বিচার হবে না? (ভিডিও) |
ডিসেম্বর ৯, ২০২১ |
বিএনপি-জামায়াতি গুজবের জবাব দেয়াতেই বাঁশের কেল্লার টার্গেট নাহিদ? |
ডিসেম্বর ৮, ২০২১ |
সাম্প্রতিক সকল লেখা পড়তে এখানে ক্লিক করুন |
পাঠক প্রিয় |
৮ শতাধিক ধান্ধা লীগ নিয়ে বিব্রত আওয়ামী লীগ |
ফেসবুকে গুজব রটানো ভুয়া সাংবাদিকসহ গ্রেপ্তার ৭ |
ভাঙা হলো দিল্লির রোহিঙ্গা ক্যাম্প |
সেই 'পলিথিন তবারক' গ্রেপ্তার |
সম্পদের হিসাব দাখিলে সরকারি চাকরিজীবীদের প্রতি নির্দেশ |
এই সপ্তাহের পাঠক প্রিয় দেখতে এখানে ক্লিক করুন |
যোগাযোগঃ [ ] |
সময় এখন এই সময়ের সকল সংবাদ প্রকাশে নিরপেক্ষ অনলাইন দৈনিক |
*** প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ |
অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে |
মতামত বিভাগের লেখা সম্পূর্ণভাবে লেখকের ব্যক্তিগত |
সময় এখন কেবল মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস ও চর্চা করে |
( , , , . .) |
দেশের সর্বদক্ষিণের জেলা কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা সদরের শাপলা চত্বর থেকে মিনিট দশেক দূরত্বের নাজিরপাড়া |
টেকনাফ পৌরসভার একেবারে শেষ প্রান্তে সদর ইউনিয়নের একটি গ্রাম |
মূল সড়ক থেকে মাঠের পাশ দিয়ে কয়েক কদম হাঁটলেই মাঠের কোনায় এই গ্রামের জিয়াউর রহমানের আলিশান ডুপ্লেক্স বাড়ি |
পেশায় ইয়াবা কারবারি জিয়া গত বছরের নভেম্বরে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছেন |
তার বাড়িটিও অর্ধমৃত |
বাড়ির প্রবেশপথের প্রধান ফটক থেকে শুরু করে সামনের পুরো অংশ ভাঙাচোরা |
দরজা-জানালা সবই ভেঙে পড়েছে |
দেখে মনে হয় যুদ্ধবিধ্বস্ত বাড়ি |
জিয়ার বাবা মো. ইসলাম জানান, বাড়িটি বুলডোজার দিয়ে পুলিশ গুঁড়িয়ে দিয়েছে |
অবশ্য পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে |
জিয়ার বাড়ির মতোই তার পাশের বাড়িটিও গুঁড়িযে দেওয়া |
বাড়িটির মালিক নুরুল হক ভুট্টো |
শুধু এ দুটি বাড়িই নয়, টেকনাফ উপজেলার অনেক গ্রামে পা রাখলেই এমন দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া অন্তত অর্ধশত বাড়ির দেখা মিলবে |
প্রতিটিই আলিশান ডুপ্লেক্স বাড়ি |
বাড়ির মালিকরা ইয়াবার জাঁদরেল ব্যবসায়ী |
এসব বাড়ি এখন বিলকুল জনশূন্য |
গত কয়েক দিনে টেকনাফের নাজিরপাড়া, জালিয়ারপাড়া, মৌলভীপাড়া, ছোট হাবিরপাড়া, বড় হাবিরপাড়া, শিলবুনিয়া, ডেলপাড়া, হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা, শিকদারপাড়া, হোয়াখংসহ অনেক গ্রাম সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, এসব গ্রামে গড়ে ওঠা ইয়াবা কারবারিদের অনেকের বাড়িঘর বিধ্বস্ত-বিচূর্ণ |
নাজিরপাড়া গ্রামের এক যুবক বলেন, টেকনাফের গ্রামে গঞ্জে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের ধরতে পুলিশ ৩ মাস প্রতি রাতে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে |
ওই সময়ই এসব বাড়ি ভাঙচুর হয়েছে |
পুলিশি অভিযানে অতিষ্ঠ ইয়াবা ব্যবসায়ীরা প্রাণ বাঁচাতে গা ঢাকা দিয়েছে |
ওই যুবক বলেন, বড় বড় এবং তালিকাভুক্ত কারবারিদের বাড়িতে অভিযানটা চলেছিল প্রবল বেগে, গুরুতর আঘাত হেনে |
তার বক্তব্যে সায় দেন আরেক যুবক |
পেশায় স্কুলশিক্ষক ওই যুবক বলেন, অবিরাম এমন সাঁড়াশি অভিযান তারা এর আগে দেখেননি |
গত অক্টোবরে টেকনাফের পুলিশ প্রশাসনে বড় পরিবর্তন আসার পর থেকে প্রায় ৩ মাস ধরে অভিযানের মাত্রা ও ভয়াবহতা বেড়েছে কয়েক গুণ |
এর আগে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনও এতটা তৎপর ছিল না |
নাজিরপাড়ার আরেক যুবক বললেন, সুনির্দিষ্টভাবে বললে বলা যায়, টেকনাফের নতুন ওসি প্রদীপ কুমার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ইয়াবা কারবারিরা বাড়িঘর ছেড়ে পালায় |
ইয়াবা ব্যবসায়্যীদের এসব বাড়িঘর কীভাবে বা কারা ভেঙেছে জানতে চাইলে স্থানীয় লোকজন বলেন, রাতের বেলা কারা ভেঙেছে আমরা তা দেখিনি |
তবে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিকরা বলছেন, পুলিশ এমন করেছে |
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, পৌরসভা থেকে নাজিরপাড়া যাওয়ার পথে নাজিরপাড়া মূল সড়কের ওপর পলিথিন দিয়ে আড়াল করে রাখা হয়েছে একটি বাড়ি |
পলিথিনের ফাঁক দিয়ে দেখা যায়, বাড়িটি ভেঙেচুরে একাকার |
ডুপ্লেক্স এ বাড়ির মালিক সৈয়দ হোসেন |
তিনি সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির বেয়াই |
শিলবুনিয়াপাড়ায় একটি আলিশান বাড়ির সীমানাপ্রাচীর ভেঙে দেওয়া হয়েছে |
বাড়ির মালিক সাইফুল করিম |
শূন্য থেকে কোটিপতি বনে যাওয়া হাজী সাইফুল করিম হচ্ছেন বাংলাদেশের সর্বনাশের নাটের গুরু |
তার হাত ধরেই ইয়াবা নামের মরণব্যাধি ঢুকেছিল সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে |
কালক্রমে টেকনাফ হয়ে ওঠে ইয়াবার স্বর্গরাজ্য |
সেখান থেকে তার অনুগত ২ হাজার রোহিঙ্গার মাধ্যমে সারাদেশে ছড়িয়ে গেছে এই মরণনেশার বড়ি |
জানা গেছে, মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হতেই দেশান্তরী হয়েছেন হাজী সাইফুল করিম |
আরও যেসব এলাকায় চূর্ণ-বিধ্বস্ত বাড়ির দেখা পাওয়া গেছে তার মধ্যে রয়েছে টেকনাফ পৌর এলাকার জালিয়াপাড়ার ইয়াবা ব্যবসায়ী মো. জুবায়ের, জিয়াউল ও মোজাম্মেল, মৌলভীপাড়ার আবদুর রহমান, তার ভাই একরাম এবং তাদের পিতা ফজল হাজী (যদিও তার বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসার অভিযোগ নেই |
শুধু ছেলেদের কারণে তার বাড়িটি ভাঙনের শিকার), ডেলপাড়া গ্রামের শফিক, হোয়্যাখং গ্রামের জুনায়েদ আলী শিকদার, টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও লেদা গ্রামের নুরুল হুদা মেম্বার ও বাবুল মেম্বারের বাড়ি |
ইয়াবা কারবারিদের বাড়িঘর ভেঙে দেওয়াকে সমর্থন করছেন স্থানীয় লোকজনও |
মৌলভীপাড়া গ্রামের এক ব্যক্তি জানালেন, ইয়াবা ব্যবসার টাকায় যারা এমন শাহেনশাহি বাড়িঘর বানিয়েছে সেসব বাড়িঘর নিশ্চিহ্ন করে দেওয়াই উচিত |
সরকারের উচিত এসব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা |
শুধু বাড়িঘরই নয়, মাছ ধরার যেসব ট্রলার ব্যবহার করে ইয়াবা কারবারিরা মিয়ানমার থেকে সাগরপথে ইয়াবার চালান নিয়ে আসত সেসব ট্রলারের অনেক পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে |
এ সংখ্যা কমপক্ষে ১৬টি হবে |
স্থানীয় প্রশাসনের সূত্রগুলো বলছেন, দুর্বৃত্তদের মনে চরম ভীতি তৈরি করতে প্রশাসন নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে যাতে ওরা টেকনাফে আর কখনো ইয়াবার কারবার চালানোর সাহস না পায় |
এসব বাড়িঘর ভাঙার বিষয়ে জানতে চাইলে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ গতকাল বলেন, পুলিশ কারও বাড়িঘর ভাঙেনি |
কেউ থানায় এসে অভিযোগও করেনি |
কারা ভেঙেছে সে বিষয়েও তিনি অবগত নন |
তিনি জানান, কেউ যদি থানায় অভিযোগ করে তাহলে পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখবে |
ইয়াবা কারবারিদের অর্থবিত্তের দাপটের সামনে এখানকার সাধারণ মানুষ একেবারেই অসহায় এবং তটস্থ |
ইয়াবাবিরোধী অভিযান শুরুর ফলে হয়তো এলাকার ক্ষুব্ধ লোকজন কারবারিদের বাড়িঘর ভেঙে দিয়ে থাকতে পারে |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.