content stringlengths 0 129k |
|---|
পাসপোর্ট নিয়ে প্রবেশ করতে হবে |
তারা বলেন, আমরা ভারতে এবং ভারতের সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীরা যদি কাগজপত্র আদান প্রদান করতে না পারি তবে ব্যবসা বাণিজ্য মুখ থুবড়ে পড়বে |
এই কাগজ পত্র পেয়ে উভয় দেশে আইজিএম খোলা হয় তারপর মালামাল দুই দেশে প্রবেশ করে |
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের বন্দর বিষয়ক সম্পাদক আওয়াল হোসেন বলেন, বাণিজ্যিক সুবিধার্থে দুই পাশের সিঅ্যান্ডএফ স্টাফরা কাগজপত্র প্রস্তুত করতে বেনাপোল ও পেট্রাপোল বন্দরে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের দেওয়া পরিচয় পত্রের মাধ্যমে যাতায়াত করে থাকেন |
কিন্তু হঠাৎ করে ভারতীয় বিএসএফ সদস্যরা স্টাফদের বন্দরে যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে |
এতে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় |
বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) আব্দুল জলিল বলেন, কোনো আলোচনা ছাড়াই বিএসএফের এমন সিদ্ধান্ত বেআইনি |
এতে বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে |
পেট্রাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বাণিজ্য সচল করার চেষ্টা করছি |
বেনাপোল কাস্টমসের সহকারী কমিশনার উত্তম চাকমা জানান, সিএন্ডএফ এজেন্ট কর্মচারীরা যাতে দ্রুত ভারতে প্রবেশ করতে পারে সেই চেষ্টা চালানো হচ্ছে |
তবে ধারণা করা হচ্ছে, সে দেশে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট সফরের কারণে সীমান্ত জুড়ে কঠোর নজরদারীর ফলে বাংলাদেশ থেকে কোনো সিএন্ডএফ কর্মচারীকে ভারতে ঢুকতে দিচ্ছে না |
বিষয়টি নিয়ে উভয় দেশের কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে আমদানি-রফতানি সচল করার চেষ্টা চলছে |
অনলাইন আপডেট |
জাল ভোট-সহিংসতায় শেষ হলো তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন |
২৮ নবেম্বর ২০২১ - ১৬:৫২ |
ভালুকায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা |
২৮ নবেম্বর ২০২১ - ১৬:৪৫ |
হাফ ভাড়ার জন্য সংসদে আইন পাসের দাবি রুমিন ফারহানার |
২৮ নবেম্বর ২০২১ - ১৬:৩১ |
ইভিএম বিড়ম্বনা: সাড়ে চার ঘণ্টায় পড়লো মাত্র ১০৯ ভোট |
২৮ নবেম্বর ২০২১ - ১৬:২২ |
পরমাণু ইস্যুতে ভিয়েনায় ইরানের সাথে ৫ দেশের অনানুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু |
২৮ নবেম্বর ২০২১ - ১৫:১৭ |
'তেহরানের সাথে যুদ্ধ করার সাহস নেই ইসরাইলের' |
২৮ নবেম্বর ২০২১ - ১৫:০৫ |
নতুন ভ্যারিয়েন্টের জন্য 'শাস্তি দেয়া হচ্ছে' দ. আফ্রিকাকে |
২৮ নবেম্বর ২০২১ - ১৫:০২ |
সব বিদেশীর জন্য প্রবেশ নিষিদ্ধ করবে ইসরাইল |
২৮ নবেম্বর ২০২১ - ১৪:৫৪ |
যুক্তরাজ্যে করোনার 'ওমিক্রন' ধরনে ২ জন আক্রান্ত |
২৮ নবেম্বর ২০২১ - ১৪:৫১ |
খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার দাবিতে বিএনপির সমাবেশ অনুষ্ঠিত |
২৮ নবেম্বর ২০২১ - ১৪:৪৪ |
দিন ০১ ০২ ০৩ ০৪ ০৫ ০৬ ০৭ ০৮ ০৯ ১০ ১১ ১২ ১৩ ১৪ ১৫ ১৬ ১৭ ১৮ ১৯ ২০ ২১ ২২ ২৩ ২৪ ২৫ ২৬ ২৭ ২৮ ২৯ ৩০ ৩১ মাস জানুয়ারি ফেব্রুয়ারি মার্চ এপ্রিল মে জুন জুলাই আগষ্ট সেপ্টেম্বর অক্টোবর নভেম্বর ডিসেম্বর বছর ২০২১ ২০২০ ২০১৯ ২০১৮ ২০১৭ ২০১৬ ২০১৫ ২০১৪ ২০১৩ ২০১২ ২০১১ ২০১০ |
সম্পাদকঃ আবুল আসাদ |
বাংলাদেশ পাবলিকেশন লিঃ- এর পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক আল ফালাহ প্রিন্টিং প্রেস, ৪২৩, এলিফেন্ট রোড, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত |
পিএবিএক্সঃ +৮৮০২৯৩৪৬৪৪৮, +৮৮০২৯৩৫৮৮৬২, +৮৮০২৯৩৪৬৩৬২, +৮৮০২৮৩৫০০১৩, +৮৮০২৮৩১৮১২৮, +৮৮০২৮৩২১০৭৩ |
যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক অঙ্গীকার যত বড় এবং ব্যাপক, তাঁর শুরু কিন্তু ততটা বড় হলো না |
তাঁর অভিষেকে জনসমাবেশ কম হয়েছে বলেই যে এমনটি বলা যাবে, তা নয় |
তবে কথাটি উঠছে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে তাঁর বিবাদকে কেন্দ্র করে |
বিবাদের বিষয় অবশ্য তাঁর অভিষেকে লোক বেশি হয়েছিল, নাকি সাবেক প্রেসিডেন্ট ওবামার অভিষেকে |
আমেরিকাকে মহান বানানোর অঙ্গীকার করে ক্ষমতাসীন ট্রাম্প যে এত ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিষয়ে তর্কে লিপ্ত হবেন, সেটাই সবাইকে বিস্মিত করছে |
তাঁর প্রশাসন নিজেদের দাবিকে বিকল্প সত্য বা অল্টারনেটিভ ট্রুথ হিসেবে প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে নেমেছে |
আমেরিকাকে আবার মহান বানানোর প্রকল্প যেন শুরুতেই একটা হীন দৈন্যের শিকার হলো |
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম খবর দিয়েছে যে তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা টিমে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগদানের কাজটি শেষ হয়নি |
সিরিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজাখস্তানে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতায় সোমবার শুরু হওয়া গুরুত্বপূর্ণ একটি আন্তর্জাতিক বৈঠকে তাঁর প্রশাসন থেকে কাউকে পাঠানো যায়নি |
সেখানে প্রতিনিধিত্ব করছেন দেশটিতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত |
যেসব দেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ওয়াশিংটন বিশেষ গুরুত্ব দেয়, সেসব জায়গায় রাষ্ট্রদূতেরা সাধারণত রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ পান |
ট্রাম্প রাজনৈতিক নিয়োগ পাওয়া সব রাষ্ট্রদূতকে বরখাস্ত করেছেন, কিন্তু উত্তরাধিকারী নিয়োগের কাজটি হয়নি |
কত দিনে তা সম্ভব হবে, তা-ও অজানা |
ফলে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্কগুলোর গতিবিধি বুঝতে কিছুটা সময় লাগাই স্বাভাবিক |
আমেরিকা শ্রেষ্ঠ হলে বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল একটি দেশের কি খুব বেশি কিছু আসে যায়? কিছুটা তো নিশ্চয় |
তবে মাত্রাটা কী হবে, তা নির্ভর করবে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক ভারসাম্য ও স্থিতিশীলতা কতটা এবং কীভাবে বদলায়, তার ওপর |
সুতরাং মোটা দাগে আন্তর্জাতিক সমীকরণগুলোই আগে দেখে নেওয়া দরকার |
রাজনীতি, বাণিজ্য, সামরিক আধিপত্য - এগুলোর সবকিছুই এ ক্ষেত্রে বিবেচ্য |
আমেরিকা ফার্স্ট বা সবার আগে আমেরিকা নীতির অংশ হিসেবে তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম যে কটি নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন তার একটিতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বারোটি দেশের চুক্তি টিপিপি (ট্রান্স প্যাসিফিক পার্টনারশিপ) থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন |
উত্তর আমেরিকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নাফটাও তিনি সংশোধন করতে চলেছেন বলে জানিয়েছেন |
তাঁর তথ্যসচিব শন স্পাইসার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন যে আমেরিকা ফার্স্ট নীতির অর্থ হচ্ছে বহুপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তির বদলে দ্বিপক্ষীয় ভিত্তিতে বাণিজ্যিক লেনদেনকে প্রাধান্য দেওয়া |
বহুপক্ষীয় বাণিজ্যব্যবস্থায় একটি অভিন্ন মান নির্ধারণ করা হলে ছোট দেশগুলো বড় বাজার থেকে লাভবান হয়, সে তুলনায় বড় দেশগুলো ছোট বাজার থেকে ততটা লাভবান হয় না |
ফলে, বহুপক্ষীয় বাণিজ্য ব্যবস্থায় আমেরিকার ক্ষতি হয় |
সেই ব্যবস্থাটি আর চলবে না |
শন স্পাইসারের কথায় ইঙ্গিত মেলে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থাকেও যুক্তরাষ্ট্র এখন নাকচ করে দিতে চাইছে এবং যদি তাই হয় তবে কয়েক দশক ধরে যে বাণিজ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে, তা এক চরম সংকটের মুখে পড়তে পারে |
ট্রাম্পের আমলে চীনের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধের আশঙ্কা অর্থনীতিবিদদের সত্যিই ভাবিয়ে তুলেছে |
ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ার, মাদার জোন্স, ওইসিডি, স্পিগেল, স্ট্রেইটর ও দ্য আটলান্টিক-এর সহযোগিতায় গ্রাফিক নিউজ 'হোয়াট আমেরিকা ফার্স্ট কুড মিন' শিরোনামে একটি তথ্যসারণি সংকলন করেছে |
এতে বলা হচ্ছে, ১৯১৭ সালে প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন বিশ্বব্যাপী শান্তি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করায় আমেরিকার ভূমিকা রাখার যে অঙ্গীকার করেছিলেন, ট্রাম্প তার ইতি ঘটাতে পারেন |
ন্যাটোর যৌথ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সেকেলে বলে অভিহিত করার মানে দাঁড়াতে পারে যে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন আরও ক্ষমতাবান হয়ে উঠবেন |
ইউক্রেনে তাঁর হস্তক্ষেপে ইউরোপে যে অস্বস্তি দেখা দিয়েছিল, তা বাল্টিক অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়বে এবং সেখানে সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দেবে |
ফ্রান্স, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডসের চরম ডানপন্থী শক্তিগুলোর উত্থান ঘটতে পারে এবং চলতি বছর ওই সব দেশে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে তারা সফল হলে সেখানেও রাশিয়া বাড়তি সুবিধা পাবে |
টিপিপির মৃত্যুর ফলে সবচেয়ে লাভবান হবে চীন |
কেননা, তারা উত্তর আমেরিকার এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর সুবিধাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে সক্ষম হবে |
ওই বিশ্লেষণেই বলা হচ্ছে, এর ফলে চীনের নেতৃত্বাধীন জোট বিশ্ববাণিজ্যের প্রায় ৪০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হবে |
এদিকে তাইওয়ানকে কেন্দ্র করেও চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সংকট তৈরি হতে পারে |
ফলে এশিয়ায় চীন তার আধিপত্যের বলয় আরও বাড়ানো এবং সংহত করায় নজর দেবে |
সে ক্ষেত্রে ট্রাম্প এশিয়া থেকে আমেরিকার সামরিক ও রাজনৈতিক প্রভাব আদৌ আলগা করার সুযোগ পাবেন কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে |
আবার জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গত বছর যে বৈশ্বিক সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়েছে, তা থেকে ট্রাম্পের সরে আসার আশঙ্কাও প্রবল |
কেননা, তিনি মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি চীনাদের গুজব |
এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের বিপরীতে ভারসাম্য তৈরিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারতের একটা আলাদা গুরুত্ব তৈরি হয়েছে |
বিশ্লেষকেরা এ বিষয়ে একমত যে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যকার সামরিক ও রাজনৈতিক সহযোগিতা এখনকার চেয়ে ঘনিষ্ঠতর আর কখনোই ছিল না |
আবার ব্যবসায়িক স্বার্থের কারণে ট্রাম্পের সঙ্গে ভারতের যোগসূত্রটাও উপেক্ষণীয় নয় |
তবে সে ক্ষেত্রে বিষফোড়ার বিষয় হয়ে উঠছে ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি |
তাঁর 'আমেরিকান পণ্য কিনুন, আমেরিকানদের চাকরি দিন' (বাই আমেরিকান, হায়ার আমেরিকান) নীতি প্রযুক্তি খাতে ভারতীয়দের কাজের সুযোগ সংকুচিত করে দিতে পারে |
অভিষেকের পর প্রথম একজন বিদেশি রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান হিসেবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তিনি রোববার টেলিফোনে কথা বলেছেন |
ওই আলোচনায় ইসরায়েলের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মার্কিন নীতি পুনর্ব্যক্ত করাতেই নেতানিয়াহু উচ্ছ্বসিত |
সেদিনেই দখলকৃত ফিলিস্তিন এলাকায় নতুন করে বসতি নির্মাণের ঘোষণা এসেছে |
নির্বাচনের আগে ট্রাম্প জেরুজালেমে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস স্থানান্তরের যে ঘোষণা দিয়েছিলেন, তা নিয়ে ফিলিস্তিন এবং অন্যান্য আরব ও মুসলিম দেশগুলোতে একধরনের শঙ্কা ও উদ্বেগ বিরাজ করছে |
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে সত্যটি উপেক্ষা করছেন, তা হলো বর্তমানে বিশ্বে যে ইসলামপন্থী সন্ত্রাসবাদ সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিয়েছে, তার মূলে আছে ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি আগ্রাসন ও নিষ্ঠুর নিপীড়ন |
আবার ইসরায়েলের অগ্রাধিকারের তালিকায় আছে ইরানের পরমাণু গবেষণা একেবারে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করা |
কিন্তু ইরান পরমাণু বোমা বানাবে না, এই শর্তে যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর কারণে দেশটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে |
ইসরায়েলের চাপে ট্রাম্প ওই সমঝোতা থেকে সরে এলে তা ইরানকে আবারও পরমাণু বোমা বানানোর পথে ঠেলে দিতে পারে বলে অনেক বিশ্লেষকের আশঙ্কা |
এসব পটভূমিতে বাংলাদেশের জন্য বিপদ যেমন বাড়তে পারে, তেমনি তৈরি হতে পারে নতুন সম্ভাবনা |
বিপদ হচ্ছে, বাংলাদেশের পণ্যের ওপরও নতুন করে শুল্ক আরোপিত হতে পারে |
এটা হলে বাংলাদেশকে রপ্তানির, বিশেষ করে তৈরি পোশাকের নতুন বাজার খুঁজতে হবে |
আর ট্রাম্প-হাওয়ার ওপর ভর করে যদি জার্মানি, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসের মতো ইউরোপীয় দেশগুলোতে চরম ডানপন্থীরা ক্ষমতায় আসেন, তাহলে সেখানকার বাজারেও নতুন নতুন বাধার সৃষ্টি হতে পারে |
তবে বলে রাখা ভালো, জাত-ব্যবসায়ী ট্রাম্পের আরেকটি নাম আছে, তা হলো ডিলমেকার, অর্থাৎ লেনদেনে পারঙ্গম |
যেখানে তাঁর সুবিধা, সেখান থেকেই তিনি পণ্য কেনেন |
হয়তো সে কারণেই তাঁর অভিষেকে সমর্থকদের মাথার টুপিগুলো কেনা হয়েছে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম, এমনকি চীন থেকেও |
বাংলাদেশকে হয়তো দ্রুতই দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক বোঝাপড়ার পথে যেতে হবে |
এশিয়ায় চীনের বিপরীতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কটাও অটুট থাকার আশা ভারতীয় কূটনীতিক ও বিশ্লেষকদের |
বিশেষ করে, তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের ধরন পছন্দ করেন |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.