content
stringlengths
0
129k
চতুর্থ সংসদ নির্বাচন
১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ এই নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আওয়ামী লীগ, বিএনপি সহ বেশ কয়েকটি দল এই নির্বাচন বর্জন করেছিল। জাতীয় পার্টি আসন পেয়েছিল ২৫১টি। সংরক্ষিত মহিলা আসন সংক্রান্ত আইনের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় এই সংসদে মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩০০টি।
বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনের ইতিহাস
পঞ্চম সংসদ নির্বাচন
তৎকালীন প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদকে প্রধান উপদেষ্টা করে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি ১৪০টি, আওয়ামী লীগ ৮৮টি আর জাতীয় পার্টি ৩৫টিতে জয়লাভ করে। এছাড়া নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে ৩০ জন মহিলাকে সাংসদ নির্বাচিত করা হয়। অবশ্য তখন তত্ত্ব...
বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনের ইতিহাস
ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচন
অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি। আওয়ামী লীগ সহ অধিকাংশ বিরোধী রাজনৈতিক দল নির্বাচনটি বর্জন করেছিল। ফলে মোট ভোট গৃহীত হয়েছিল মাত্র ২১ শতাংশ। ৩০০টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২৭৮টিতে জয়লাভ করেছিল। মাত্র চার কার্যদিবসে সংসদ বসার পর তা বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এই সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল পাস হয়।
বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনের ইতিহাস
সপ্তম সংসদ নির্বাচন
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন অনুষ্ঠিত প্রথম নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৪৬, বিএনপি ১১৬ ও জাতীয় পার্টি ৩২টি আসনে জয়লাভ করে। পরে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ।
বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনের ইতিহাস
অষ্টম সংসদ নির্বাচন
ভোটগ্রহণ হয় ২০০১ সালের ১ অক্টোবর। অষ্টম সংসদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ৩০০টি। কারণ সংরক্ষিত মহিলা আসন সংক্রান্ত আইনের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় শুরুতে কোনো মহিলা আসন ছিল না। পরে আইন করে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৪৫ এ উন্নীত করা হয়। নির্বাচনে বিএনপি ১৯৩ আর আওয়ামী লীগ ৬২টি আসনে জয়ী হয়েছিল।
বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনের ইতিহাস
নবম সংসদ নির্বাচন
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার অধীনে অনুষ্ঠিত সবশেষ নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয় ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোট সরকার পেয়েছিল ২৬৩টি আসন। আর বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট পায় ৩৩টি আসন।
বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনের ইতিহাস
দশম সংসদ নির্বাচন
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচন বর্জন করেছিল বিএনপি। ফলে ১৫৩ জন সাংসদ কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই সাংসদ নির্বাচিত হন।
লেখক: জাহিদুল হক
দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিরোধী দল নির্বাচন বর্জন করলো। শুধু বর্জন নয়, তাদের ডাকা হরতাল, অবরোধের সময় প্রাণহানি ঘটলো প্রচুর, সম্পদের ক্ষতিও হয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকার, অর্থনীতি মুখ খুবড়ে পড়েছে। তাতে অবশ্য ক্ষমতাসীনরা তাদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি। বরং এমন এক একতরফা নির্বাচন তারা ...
আরাফাতুল ইসলাম, ডয়চে ভেলে
নৈতিকভাবে দুর্বল সেই নির্বাচন জয় করার পর অবশ্য ক্ষমতাসীনরা মোটামুটি নিজের অবস্থান পোক্ত করে নিয়েছে। ক্রসফায়ার আর মামলা, মোকাদ্দমায় জড়িয়ে বিরোধী দলকে কোনঠাসা করে দিয়েছে। অবস্থা এমন যে, বাংলাদেশে বর্তমানে কার্যত কোনো বিরোধী দল নেই। অথচ সদিচ্ছা থাকলে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের আয়োজন করা যেত,...
সাসটেনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল বা এসডিজির মূল কথা হচ্ছে টেকসই উন্নয়ন। যে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে, তা অর্জন অসম্ভবও নয়। তবে সেটা তখনই সম্ভব হবে, যখন বাংলাদেশের রাজনৈতিকক্ষেত্রে একটি টেকসই ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যাবে। প্রশ্ন হচ্ছে, সেটা কি আদৌ সম্ভব?
বন্ধু, আপনি কি লেখকের সঙ্গে একমত? জানান নীচের ঘরে।
এসডিজির ১৭ লক্ষ্য: পরামর্শক দলে ইউনূস, মেসি
এমডিজি থেকে এসডিজি
২০০০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত চলা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা এমডিজিতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল আটটি। এমডিজি বাস্তবায়নে কয়েকটি ক্ষেত্রে ভালো সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। এবার টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এসডিজির ১৭ লক্ষ্য: পরামর্শক দলে ইউনূস, মেসি
কোনো দারিদ্র্য নয়
এসডিজির প্রথম লক্ষ্য বিশ্ব থেকে একেবারে চরম দারিদ্র্য দূর করা। ২০৩০ সালের মধ্যে সেটি করতে চায় জাতিসংঘ। বৈশ্বিক এই সংস্থার হিসাবে যাদের আয় দিনে সোয়া এক ডলার, অর্থাৎ প্রায় ১০০ টাকা তারাই চরম দরিদ্র।
এসডিজির ১৭ লক্ষ্য: পরামর্শক দলে ইউনূস, মেসি
ক্ষুধা দূর
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্ষুধা দূর করতে হবে এবং গরিব ও নবজাতক শিশু সহ যেসব মানুষ সংকটের মধ্যে আছে তাদের জন্য নিরাপদ, পুষ্টিকর ও পর্যাপ্ত খাবারের সংস্থান নিশ্চিত করতে হবে।
এসডিজির ১৭ লক্ষ্য: পরামর্শক দলে ইউনূস, মেসি
মা ও নবজাতকের মৃত্যু সংখ্যা
এক লক্ষ শিশু জন্মের বিপরীতে মাতৃমৃত্যুর সংখ্যা ৭০ এর নীচে নামিয়ে আনতে হবে। আর এক হাজার শিশুর জন্মের বিপরীতে নবজাতকের মৃত্যুর সংখ্যা ১২-র নীচে নামাতে হবে। আর পাঁচ বছরের শিশু মৃত্যুর সংখ্যা প্রতি এক হাজারে ২৫ জনে নামিয়ে আনতে হবে।
এসডিজির ১৭ লক্ষ্য: পরামর্শক দলে ইউনূস, মেসি
২০৩০ সালের মধ্যে ছেলে ও মেয়ে উভয়ের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
এসডিজির ১৭ লক্ষ্য: পরামর্শক দলে ইউনূস, মেসি
লিঙ্গবৈষম্য দূর করা
নারী ও মেয়েদের ক্ষেত্রে সব ধরণের লিঙ্গবৈষম্য দূর করতে হবে। ব্যক্তিগত ও জনজীবনে নারী ও মেয়েদের বিরুদ্ধে সব রকমের (যেমন মানব পাচার, যৌন নির্যাতন) নির্যাতন বন্ধ করতে হবে।
এসডিজির ১৭ লক্ষ্য: পরামর্শক দলে ইউনূস, মেসি
বিশুদ্ধ পানি
বিশ্বের সবাই যেন নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে। খোলা জায়গায় মলমূত্র ত্যাগ বন্ধ করতে হবে। নারী ও মেয়েদের জন্য মলমূত্র ত্যাগের স্থান ঠিক করার বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে।
এসডিজির ১৭ লক্ষ্য: পরামর্শক দলে ইউনূস, মেসি
অন্য যেসব ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে
এর মধ্যে আছে সাশ্রয়ী ও টেকসই জ্বালানি, আর্থিক প্রবৃদ্ধি, অবকাঠামো, রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে অসমতা, নিরাপদ শহর, সম্পদ ভোগ, জলবায়ু পরিবর্তন, সামুদ্রিক সম্পদ, ইকোসিস্টেম, সুবিচার ও টেকসই উন্নয়ন। এ সব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে উপরের '+' চিহ্নে ক্লিক করুন।
এসডিজির ১৭ লক্ষ্য: পরামর্শক দলে ইউনূস, মেসি
পরামর্শক গ্রুপে ইউনূস, মেসি, শাকিরা
এসডিজি কর্মসূচির পরামর্শক গ্রুপে আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, লিওনেল মেসি, শাকিরা সহ আরও ১২ জন। এই গ্রুপের দায়িত্ব হলো এসডিজি কর্মসূচির উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন করা।
নির্বাচিত প্রতিবেদন
এমডিজি থেকে এসডিজি: প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ
'মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল' বা এমডিজি অর্জনের সময় শেষ হয়েছে গত বছর। আর এ বছর থেকে শুরু হয়েছে ১৫ বছর মেয়াদি 'সাসটেনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল' বা এসডিজি। তবে এমডিজির আটটির বিপরীতে এসডিজিতে পূরণ করতে হবে মোট ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা। (14.03.2016)
বাংলাদেশ কি পারবে তার সাফল্য ধরে রাখতে?
শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও দারিদ্র্য দূর করার সরলতর সূচকে বাংলাদেশের সাফল্য নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। একসময় যে দেশকে তলাবিহীন সাহায্যের ঝুড়ি বলে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা হতো, সে দেশের নীরব উত্থান ঘটে গেছে বিশ্ব-সভায়। কিন্তু এরপর? (16.03.2016)
এমডিজি থেকে এসডিজি: সমস্যা নীতিতে
এমডিজির প্রধান লক্ষ্য ছিল সামগ্রিক উন্নয়ন। এর কিছু বিষয় সুনির্দিষ্ট থাকলেও, অনেকগুলো ক্ষেত্র ছিল বায়বীয়। ফলে যখন এমডিজির লক্ষ্য পূরণের ইতিবাচক হিসাব সামনে আনা হয়, তখন অনেক প্রশ্নেরই উত্তর মেলে না। তৈরি হয় নতুন প্রশ্নও। (16.03.2016)
দক্ষিণ এশিয়ায় সবার ওপরে বাংলাদেশ
তারিখ 17.03.2016
লেখক আরাফাতুল ইসলাম
কি-ওয়ার্ডস বিশ্ব, আলাপ, বাংলাদেশ, উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা, সহস্রাব্দের লক্ষ্যমাত্রা, এসডিজি, এমডিজি, আরাফাতুল ইসলাম, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উন্নয়ন,
মন্তব্য আলোচনায় অংশ নিন
মতামত: আমাদের লিখুন
প্রিন্ট পাতাটি প্রিন্ট করুন
পার্মালিংক ://..//1
আরো প্রতিবেদন...
শিক্ষার্থীদের সাথে এখন নেতারা নেই 03.12.2021
বাংলাদেশে গত একযুগে শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে যে কয়টি বড় আন্দোলন হয়েছে তার সাথে দেশের বড় কোনো রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন এবং নেতারা যুক্ত ছিলেন না। বরং সাধারণ ছাত্রদের দমাতেই সক্রিয় ছিল কোনো কোনো ছাত্র সংগঠন।
'অর্থ কামাইয়ের জন্য এখনকার ছাত্র নেতারা দলীয় লেজুরবৃত্তি করছে' 03.12.2021
ছাত্র রাজনীতির ধরণ কি বদলে গেছে? ছাত্র রাজনীতির সেকাল-একাল নিয়ে ডয়চে ভেলের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন এক সময়ের ছাত্রনেতা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য রুহিন হোসেন প্রিন্স।
ভারতে ছাত্র রাজনীতি ছিল, আছে, থাকবে 03.12.2021
ছাত্র রাজনীতিকে অপ্রাসঙ্গিক করার চেষ্টা যত বাড়ছে, ভারতে ছাত্র রাজনীতি তত দম পাচ্ছে। অতীতেও তেমনই ঘটেছিল।
দেখার জন্য জাভাস্ক্রিপ্ট সক্রিয় করুন। মন্তব্যটি দেখা যাচ্ছে ডিসকাস -এর সৌজন্যে।
তারিখ 17.03.2016
লেখক আরাফাতুল ইসলাম
কি-ওয়ার্ডস বিশ্ব, আলাপ, বাংলাদেশ, উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা, সহস্রাব্দের লক্ষ্যমাত্রা, এসডিজি, এমডিজি, আরাফাতুল ইসলাম, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উন্নয়ন,
'নিজস্ব সংস্কৃতির শেকড়ের সন্ধানে' এই প্রতিপাদ্য নিয়ে মাসিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মোহনার ১৩৩তম সংগীতা আসর ও 'নাট্যজন জহুরুল ইসলাম স্বপন সম্মাননা' স্মারক প্রদান উপলক্ষে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে শুক্রবার রাতে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়
সাংবাদিক অমিতাভ দাশ হিমুনের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় 'নাট্যজন জহুরুল ইসলাম স্বপন সম্মাননা' স্মারক ২০২০ প্রদান করা হয় গাইবান্ধার তিন গুণীজনকে সংগঠক, নাটক ও সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য
সম্মাননা প্রাপ্তরা হলেন- সংগঠক হিসেবে গাইবান্ধার বিশিষ্ট সাহিত্যিক, সাংবাদিক, গীতিকার, নাট্যকার ও ছড়াকার আবু জাফর সাবু, নাট্যকলায় মোহাম্মদ আমিন এবং সংগীতে নিলুফার জেসমিন বিথি
মোহনা পরিবারের পরিচালক শাহ মশিউর রহমান, স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য প্রমতোষ সাহা ও খাজা সুজন গুণীজনদের স্মারক সম্মাননা ক্রেস্ট, উত্তরীয় প্রদান করেন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা জানান
পরে স্মারক সম্মাননা প্রাপ্ত গুণীজনরা তাদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে বক্তব্য রাখেন
এরপর মাসিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মোহনার ২৭ বছরের পথ চলার ১৩৩তম সংগীতা আসরে সংগীত পরিবেশন করেন রেডিও টেলিভিশনের রংপুরের জনপ্রিয় শিল্পী এলাহী ফারুক ও গাইবান্ধার তরুণ শিল্পী জ্যোতির্ময়ী সরকার উর্মি
এই শিল্পীদের মোহনার পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের নির্বাহী প্রধান আবদুস সালাম ও কবি সরোজ দেব
এছাড়া ক্রেস্ট ও উত্তরীয় প্রদান করেন মোহনার সদস্য পিটু কর্মকার ও দেবদাস রায়
শিল্পী দু'জনার পরিবেশিত বিভিন্ন মাত্রার ছয়টি করে গান মোহনার ১৩৩তম সংগীতের আসরটিকে দর্শক শ্রোতাদের কাছে উপভোগ্য করে তোলে
উলেখ্য, নাট্যজন জহুরুল ইসলাম স্বপন স্মরণে মোহনা প্রতিবছর সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য গুণীজনদের এই সম্মাননা প্রদান করে আসছে
দুপুরে হালকা রোদ উঠলেও কোন উত্তাপ ছিলনা
গাইবান্ধায় শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি ও ঘন কুয়াশায় জনজীবন বিপর্যস্ত
গাইবান্ধা প্রতিনিধি
বৃষ্টির পর গাইবান্ধা জেলার সর্বত্র তৃতীয় দফায় আবারও হিমেল হাওয়াসহ ঘন ঘন কুয়াশা পড়তে শুরু করে
শনিবার দুপুরে হালকা রোদ উঠলেও কোন উত্তাপ ছিল না
আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ও ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকে গোটা গাইবান্ধা জেলা
সেইসাথে হিমেল হাওয়া বইতে থাকে
হঠাৎ করে শীত শুরু হওয়ায় এবং রাতে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মত কুয়াশা পড়ায় এ জেলার মানুষরা চরম বিপাকে পড়ে
হঠাৎ শুরু হওয়া এই শীতে জেলার সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার ছিন্নমুলসহ চরাঞ্চলের মানুষরা বেশী দুর্ভোগের কবলে পড়ে
শীতে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে শিশু এবং বয়স্করা এতে কষ্ট পাচ্ছে বেশি
শহরের গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে এখন মানুষের উপচে পড়া ভীড়
এই সুযোগে গাউন মার্কেট ও গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে ব্যবসায়িরা কাপড়ের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়িয়েছে