content
stringlengths
0
129k
ফলে ২-০ ব্যবধানে হারে অতিথিরা
উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত ২৫ ম্যাচে ৫৩ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে আছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
অন্যদিকে, ৫০ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে চেলসি
2020| বাবা সত্যজিৎ রায়কে যেভাবে দেখেছেন পুত্র সন্দীপ ! আজও বাবার স্মৃতিতেই আটকে তিনি | - 18
हिन्दी मराठीગુજરાતીঅসমীয়া ಕನ್ನಡ தமிழ் മലയാളം తెలుగు ਪੰਜਾਬੀ اردو ଓଡ଼ିଆ
:##2020#
লাইফস্টাইল
জ্যোতিষকাহন
লাইফস্টাইল
জ্যোতিষকাহন
দক্ষিণবঙ্গ
ব্যবসা-বাণিজ্য
চাকরি ও শিক্ষা
পাঁচমিশালি
#
দক্ষিণবঙ্গ
ব্যবসা-বাণিজ্য
চাকরি ও শিক্ষা
পাঁচমিশালি
#
আপনার জেলা চয়ন করুন
মুর্শিদাবাদ
উত্তর ২৪ পরগণা
জলপাইগুড়ি
পশ্চিম বর্ধমান
পশ্চিম মেদিনীপুর
পূর্ব বর্ধমান
পূর্ব মেদিনীপুর
2020| বাবা সত্যজিৎ রায়কে যেভাবে দেখেছেন পুত্র সন্দীপ ! আজও বাবার স্মৃতিতেই আটকে তিনি !
2020| বাবা সত্যজিৎ রায়কে যেভাবে দেখেছেন পুত্র সন্দীপ ! আজও বাবার স্মৃতিতেই আটকে তিনি !
বাবা পাঠার মাংস খেতে খুব ভালবাসতেন
18
: 21, 2020, 00:33
:
#কলকাতা: সত্যজিৎ রায় মাত্র আড়াই বছর বয়সে হারিয়ে ছিলেন বাবা সুকুমার রায়কে
সত্যজিৎ বাবাকে চিনেছিলেন তাঁর চিঠির মধ্যে দিয়ে
সে অর্থে বলতে গেলে বাবা ভাগ্য বেশ খারাপই ছিল সত্যজিতের
কিন্তু সত্যজিৎ পুত্র সন্দীপ রায় সে অর্থে ভাগ্যবান
বাবার সান্নিধ্যেই বেড়ে উঠেছিলেন সন্দীপ
এমনকি কাছ থেকে সুযোগ পেয়েছিলেন বাবার কাজ দেখার
বাবার দেখানো পথে হেঁটেই পরবর্তীকালে চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন পরিচালক সন্দীপ রায়
সন্দীপ রায়ের কাছে তাঁর বাবাই ছিলেন আসল নায়ক
১৯৯২ সালের ২৩ এপ্রিল মারা যান সত্যজিৎ রায়
তারপর কেটে গেছে অনেকগুলো বছর
এখনও বাবার স্মৃতিকে আকড়ে ধরেই বেঁচে আছেন সন্দীপ রায়
২ মে সত্যজিতের জন্মদিন
এই দিনটা তাঁর বাড়িতে আজও পালন হয়
অনেক মানুষের সমাগম হয় ওই দিন
বাবার স্মৃতিচারণায় চেনা -অচেনা মানুষের সঙ্গে মেতে ওঠেন পুত্র সন্দীপ
তিনি এই দিনটার জন্য অপেক্ষা করে থাকেন
সন্দীপ রায় বলেন, " বাবা নেই এতগুলো বছর হয়ে গেল
কিন্তু এই দিনটা এলে মনে হয়, বাবা আছেন
কত মানুষ বাবাকে ভালবেসে আসেন
তাঁদের সঙ্গে বাবাকে নিয়ে কথা বলতে বলতে আমি হারিয়ে যাই বাবার স্মৃতিতে
বাবা বেঁচে থাকতে কখনই এত বড় করে জন্মদিন পালন হত না
ঘরোয়া অনুষ্ঠান হত
বাবার স্মৃতি পাহাড়ে আটকে রয়েছেন সন্দীপ
বাবার পুরোনো জিনিস-পত্র ঘাঁটতে গিয়ে পেয়েছেন নতুন কিছু চিঠিও
আগলে রেখেছেন সে সব
সন্দীপ জানান, "বাবা পাঠার মাংস খেতে খুব ভালবাসতেন
পাতে দই না থাকলে বাবার মন ভরতো না
বাবা মানুষ খুব ভালবাসতেন
বাবা শুধু তো সিনেমা পরিচালক ছিলেন না, তিনি একজন সাহিত্যিকও
বাবা সব সময় চাইতেন এই বাড়িতে লোকজন আসুক
বাবা নিজের কাজ সম্পর্কে সকলের মত শুনতেন মন দিয়ে
ভাবের আদান প্রদান করতে খুব ভালবাসতেন
মানুষটা আজ নেই
কিন্তু সারা দেশের মানুষের মনে তিনি রয়েই গিয়েছেন
" বাবার কথা বলতে গেলেই সন্দীপ রায়ের চোখে মুখে সব সময় একটা উজ্জ্বল আভা ঝরে পড়ে
তিনি যেন এক অন্য জগতে চলে যান সে সময়
১৯৬১ সালে পারিবারিক পত্রিকা সন্দেশ-এর সম্পাদক হয়েছিলেন সত্যজিৎ রায়
তারপর কিছুদিন সন্দীপ রায়ও এই পত্রিকার দায়িত্বে ছিলেন
সন্দেশ প্রসঙ্গে সন্দীপ রায় জানিয়েছিলেন, "সন্দেশ দাদু সুকুমার রায়ের নিজে হাতে তৈরি করা খ্যাতনামা পত্রিকা
সেই পত্রিকাটা আবার নতুন করে হঠাৎই বাবা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন
কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় তাঁর খুব কাছের বন্ধু ছিলেন
তাঁর সঙ্গে একদিন আড্ডার ছলে কথা বলতে বলতেই ফের খোলার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন তিনি
" এই সন্দেশে সত্যজিৎ রায় 'বঙ্কুবাবুর বন্ধু' গল্পটি প্রথম লেখেন
এর পর আসতে আসতে শঙ্কু জন্ম নিল
ফেলুদা নিয়ে লেখা শুরু করলেন
সন্দীপ রায় জানিয়েছেন, এই সময় তিনি এক অন্য বাবাকে পেয়েছিলেন
বলেছিলেন, "গল্প লেখক বাবাকে পেলাম
"পথের পাঁচালি' বানানোর পিঁছনেও রয়েছে এক ইতিহাস
সত্যজিৎ রায় সিগনেট প্রেসের তরফ থেকে ছোটদের 'পথের পাঁচালি'র ইলাস্ট্রেশন করেছিলেন
সেই সময় তিনি নতুন করে আবার ডুবে ছিলেন এই গল্পে
এর পর বিলেত চলে যান তিনি
জাহাজে যেতে যেতে পথের পাঁচালির ছোট ছোট খসরা ও চিত্র তৈরি করেন
এরপর লন্ডনে গিয়ে উনি দেখলেন 'বাই সাইকেল থিপ'
বদলে গেল ছবি তৈরির পুরো কনসেপ্ট
ঠিক করলেন এভাবেই মাটির গন্ধ নিয়ে আসতে হবে ছবির মধ্যে
তৈরি হল পথের পাঁচালি
সন্দীপ রায় এ প্রসঙ্গে বলেন, "দেশে কিন্তু পথের পাঁচালি মুক্তি পাওয়ার পর একদম চলেনি
তেমনই 'অপরাজিত' দেশে একেবারেই চলেনি
বিদেশে চলেছিল
তখন বাবা ভাবেন যদি অন্য রকম কিছুব ছবি করা যায়