content stringlengths 0 129k |
|---|
৩১ জানুয়ারি - বৃহস্পতিবার |
ভারতের চম্পানের-পাওয়াগড় প্রত্নতাত্ত্বিক উদ্যানে অবস্থিত জামে মসজিদের একটি চিত্র |
ছবিটি তুলেছেন , যা উইকিমিডিয়া কমন্সে সিসি বাই-এসএ ৪.০ লাইসেন্সের আওতায় প্রকাশিত |
(দেখুন • সম্পাদনা করুন) |
'://..//.?=উইকিপিডিয়া:আজকের_নির্বাচিত_ছবি/জানুয়ারি_২০১৯&=5424080' থেকে আনীত |
বিষয়শ্রেণী: |
আজকের নির্বাচিত ছবি জানুয়ারি ২০১৯ |
এ পৃষ্ঠায় শেষ পরিবর্তন হয়েছিল ২২:০৯টার সময়, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে |
লেখাগুলো ক্রিয়েটিভ কমন্স অ্যাট্রিবিউশন/শেয়ার-আলাইক লাইসেন্সের আওতাভুক্ত; এর সাথে বাড়তি শর্ত প্রযোজ্য হতে পারে |
এই সাইট ব্যবহার করার মাধ্যমে, আপনি এটি ব্যবহারের শর্তাবলী ও এর গোপনীয়তা নীতির সাথে সম্মত হচ্ছেন |
উইকিপিডিয়া®, অলাভজনক সংস্থা উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের একটি নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক |
খালের নাম বড়বুচি নালা |
খালটি ৩০/৩৫ বছর যাবৎ সংস্কারের অভাবে মৃতপ্রায় হতে হতে নালায় পরিনত হয়েছে |
দীর্ঘ অতীতে খনন, পূণঃখনন, লোপকাটিং কিংবা পানি নিষ্কাশন রেগুলেটর কোন কিছুই এতে করা হয়নি |
ফলে বছরের পর বছর পাহাড়ী ঢলের পানি নিষ্কাশনের অভাবে ফসল হারিয়ে লাদিয়া, বরাবদা, একডালা এবং মহাদিরকোণা এই ৫টি মৌজার ৭২৩টি বসতবাড়ীর প্রায় ৩০০০ গ্রামবাসী ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মধ্যে জীবন অতিবাহিত করছেন |
বড়বুচি নালাটির উৎপত্তি চুনারুঘাট উপজেলা থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে মিরাশি ইউনিয়নে এক বিস্তীর্ণ আমন ধানের মাঠ "চালবন্দ" থেকে |
হাত ধোঁয়ার বেসিনের মত চালবন্দের মাঠটি রেমা, মুছাকান্দি পাহাড় থেকে নেমে আসা ভীষণ পাহাড়ী ঢলে বৈশাখ-জৈষ্ঠ মাসে একবার আর ভাদ্র-আশ্বিন মাসে আরেকবার নোয়াগাঁও, কবলাশপুর, বাশুল্লা বাজার হয়ে এলাকাবাসীর বিস্তীর্ণ রোপা আমন আর আউশ ক্ষেত তলিয়ে নেয় |
আকাবাঁকা ৩ কিলোমিটার লম্বা মাঠের বুকচিরে বয়ে চলা একমাত্র বড়বুচি নালাটি সংষ্কারের অভাবে ভরাট হয়ে যাওয়ায়; ঢলের পানি নিষ্কাশন হতে পারেনা |
৩-৭দিন পর্যন্ত পানি ধানক্ষেতে জমে থাকে |
এলাকায় বৃষ্টিপাতের কারনে পাহাড় থেকে নেমে আসা প্রবল বর্ষণে কৃষকদের রোপিত আউশ-আমন ফসল প্রতি বছরই ব্যাপকভাবে নষ্ট হয় |
রোপিত ফসলের মাঠের উপরাংশে ২-৩ ফুট এবং নি¤œাংশে ৩-৫ ফুট পর্যন্ত পানি জমে থাকে |
এ কারনে প্রায় ৫০% রোপা আমন এবং ৬০% আউশ ধানের ফলন নষ্ট হয় |
শীত মৌসুমে ১০% বোরো জমি পতিত থাকে |
আউশ মৌসুমে ৩০% জমি সেচের পানির অভাবে রোপন করা যায় না |
আর্থিক মূল্যে গরীব কৃষকদের এ ক্ষতি কোটি কোটি টাকার |
উল্লেখ্য এলজিইডি'র ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের কাছে মিরাশি ইউনিয়নের প্রস্তাবিত প্রকল্পটির মোট এলাকা প্রায় ১১৭৩ একর |
এর মধ্যে ৮৬০ একর জমি বিভিন্নভাবে চাষ হয়ে থাকে আর ৩১৩ একর জমি মৌসুম ভিত্তিক পতিত থাকে |
প্রবল পাহাড়ী ঢলে পশ্চিমাংশের বরাব্দা গ্রামের মানুষকে এ সময় বাড়ীঘর থেকে আত্মীয়স্বজনের বাড়ীতে আশ্রয় নিতে হয় |
পাহাড়ী সাপ ঘরের মধ্যে এসে বাসা বাঁধে |
হাঁস মুরগীকে দংশন করে |
পানিতে দন্ডায়মান গরু ছাগলকে কাঁটে |
এ সময় গরীব মানুষজন তাদের সহায় সম্বল গরুবাছুর নিয়ে কোথায় যাবে কিভাবে যাবে দিশেহারা হয়ে পড়ে |
বছর বছর ফিরে আসা তাদের জীবনের এ এক নিদারুন ট্রাজেডি |
নিজ গৃহ থেকেও পরবাসী হতে হয় তাদের |
তাই ঐ এলাকার দারিদ্র বিমোচন ও কর্মসংস্থানের একমাত্র পথ হলো বড়বুচি নালাটি সংস্কার করে এর খোয়াই নদীর অংশে একটি ওয়াটার রেগুরেটর নির্মান করা |
কারন এ খালটি ছাড়া জমির পানি নিষ্কাশন কিংবা শুষ্ক মৌসুমে সেচের কোন বিকল্প ব্যবস্থা নেই |
এলজিইডি'র ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের মনোনীত বিশেষজ্ঞদের সাথে ২০১৯ সনের ১৩-১৪ ডিসেম্বর মাসে সরেজমিন সমীক্ষায় দেখা যায়, খালটি সংস্কার বিহীন ভাবে মধ্যখানে ৩০-৫০ ফুট, নীচে ১০-১৫ ফুট এবং উপরের দিকে জরাজীর্ণ হয়ে ১০-২০ ফুট আকার ধারণ করে এর নাব্যতা হারিয়েছে |
বড়বুচি নালার পাড়ের কৃষকদের মধ্যে ৪১% ক্ষুদ্র কৃষক, ২৩% প্রান্তিক কৃষক, ২০% মধ্যম কৃষক আর ১১% ভূমিহীন মানুষ |
এদের আয় রোজগারের একমাত্র অবলম্বন কৃষি আর গায় গতরে খেটে শ্রম বিক্রি করা |
মৌসুমী পাহাড়ী ঢলে জমে থাকা পানি যাওয়ার কোন বিকল্প রাস্তা না থাকায় তাদের ৫০% রোপা আমন এবং ৬০% আউশ ধানের ফলন প্রতি বছরই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে |
নভেম্বর মাসের শেষে খালটি পুরো শুকিয়ে যায় |
সেচের জন্য মোটেও পানি থাকে না |
সবজি ভান্ডার বলে খ্যাত চুনারুঘাটের চালবন্দ মাঠে তারা সবজি ফলাতে পারছেন না |
এতে তাদের আয়ের অন্যতম উৎস আটকে আছে |
বোরো ধানের ফলনও লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে হচ্ছে না |
উচ্চ ফলনশীল ও হাইব্রীড জাতের ফলন কমে যাচ্ছে |
উচ্চ মূল্যের সবজি টমেটু, ফুলকপি, বাঁধাকপি, আলু, ঝিংগা, চিচিংগা, চালকুমড়া ইত্যাদি ফলাতে পারছেন না |
ফলে তারা দিন দিন দরিদ্র থেকে দরিদ্রতর হচ্ছেন |
এমন কি জীবনমান উন্নয়নের জন্য তারা হাঁসের খামার, উচ্চ মূল্যের সবজি চাষ, বসতবাড়ীর ভিটায় সবজি ও ফলজ বৃক্ষ রোপন না করতে পারায় মহিলারাও স্বাবলম্বী হতে পারছেন না |
তাই প্রস্তাবিত প্রকল্পটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত বাস্তবায়ন করে শত শত গরীব গ্রামবাসীর ভাগ্য পরিবর্তনে এলজিইডি'র ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত এগিয়ে আসবেন, চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশি ইউনিয়ন বাসীর এটাই প্রত্যাশা |
শেয়ার করুন |
হবিগঞ্জে ৬৬১টি মন্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি |
৩৫ পূজামন্ডপে ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দিয়েছে হবিগঞ্জ পৌরসভা |
সম্পর্কিত পোস্ট |
আজমিরীগঞ্জ ভ্রাম্যমান আদালতে ৫ মাদকসেবীর কারাদন্ড |
5, 2020 4, 2020 |
মাধবপুরে ২ মাদক ব্যবসায়ীকে কারাদন্ড |
1, 2020 |
বাহুবলে বিপন্ন পাখিগুলো মুক্ত আকাশে ॥ শিকারী কারাগারে |
18, 2020 |
. * |
, , . |
সার্চ করুন |
: |
রিসেন্ট পোস্ট |
বিটিআরসি এর কমিশনার হলেন আবু সৈয়দ দিলজার হোসেন |
প্রসঙ্গঃ নবজাতকের চিকিৎসা সংকট |
অসহায় মটাই মিয়ার পাশে হেল্পিং হ্যান্ড হবিগঞ্জ |
বাহুবলে মহাসড়কের পাশে নবজাতকের লাশ |
শায়েস্তাগঞ্জে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহীদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত আজ |
. নবীগঞ্জে তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু |
মাধবপুরে যেভাবে ধরা পড়লেন ধর্ষণে অভিযুক্ত অর্জুন লস্কর |
. যুক্তরাষ্ট্র হবিগঞ্জ জেলা সমিতির কার্যকরী ও উপদেষ্টা মন্ডলীর যৌথ সভা অনুষ্ঠিত |
লাখাইয়ে বাস খাদে পড়ে ৩০ যাত্রী আহত |
ফুলবানুরা কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবায় উপকৃত |
পুরোনো খবর |
পুরোনো খবর 2020 (15) 2020 (1) 2020 (117) 2020 (249) 2020 (154) 2020 (1) |
দর্পণ ডেস্ক: আম্পান দুর্গত আশাশুনির প্রতাপনগর ও শ্রীউলার অর্ধেক মানুষ গত ৩ মাস ঘর ছাড়া |
কেউ আশ্রয় কেন্দ্রে, কেউ বেড়িবাঁধে, আবার কেউ জোয়ার সময় উচু স্থানে থেকে ভাটিতে পুরাতন ভিটেতেই বসবাস করছিল |
কিন্তু সেটাও আর রইলো না |
আমাবশ্যায় খোলপেটুয়া ও কপোতাক্ষ নদের পানি বেড়ে সব এলাকাই ভেসে গেছে |
আশাশুনি সদর ইউনিয়নের দয়ারঘাট ও জেলেখালীতে বেড়িবাঁধ রক্ষার প্রাণন্তকর প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে |
শ্যামনগরে গাবুরার লেবুবুনিয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে বেশ কয়েকটি গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে |
হুহু করে পানি প্রবেশ করেছে |
কমপক্ষে ৬টি পয়েন্ট ভেঙে পানি ঢুকছে |
সাতক্ষীরার পৌরএলাকার কমপক্ষে ৬টি ওয়ার্ডের নিম্নাঞ্চল গত কয়েক মাস ধরে জলাবদ্ধ ছিল |
গত কয়েকদিনের বর্ষায় বহু মানুষের ঘর ছাড়ার উপক্রম হয়েছে |
আশাশুনি সদর, প্রতাপনগর ও শ্রীউলা ইউনিয়নে ভাঙ্গন কবলিত এলাকার প্রতিরক্ষা রিং বাঁধ ভেঙ্গে নতুন করে এলাকা প্লাবিত হচ্ছে |
আম্পান ঝড়ের দিনে প্লাবিত হওয়ার ৩ মাস পরে পুুরনো প্লাবিত এলাকা ছাড়িয়ে নতুন এলাকায় পানি ঢুকে শত শত নতুন ঘরবাড়ি ও মৎস্য ঘের পানিতে ডুবে প্লাবিত হচ্ছে |
উপজেলার আশাশুনি, শ্রীউলা ও প্রতাপনগর ইউনিয়নের হাজার হাজার ঘরবাড়ি গত ২০ মে আম্পানের তান্ডবে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হয় |
সেই থেকে এলাকার মানুষ পানিতে নাকানি চুপানি খেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করে আসছে |
এলাকাবাসী অনেক এলাকা রিং বাঁধ দিয়ে রক্ষা করা হয়েছিল |
ভেঙ্গে যাওয়া মূল বাঁধেও ইতোমধ্যে কাজ করা হয়েছে |
ফলে ৩ ইউনিয়নের কিছু অংশের মানুষ প্রাথমিক ভাবে রক্ষা পেয়েছিল |
কিন্তু গত কয়েক দিনে নদীর পানি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়া এবং একাধারে বৃষ্টিপাতের ফলে প্রতাপনগর ইউনিয়নের শ্রীপুর, কুড়িকাহনিয়া, হরিশখালি, চাকলা এলাকায় প্রচুর পানি ঢুকে রিং বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় নতুন করে জোয়ারের পানি প্রবেশ করছে |
যার ফলে প্রতাপনগর ইউনাইটেড স্কুলের পেছনের কার্লভাটটির পাশের কার্পেটিং সড়ক ভেঙ্গে এলাকায় দুর্বার গতিতে পানি প্রবেশ করছে |
হলদেপোতা টু প্রতাপনগর মেইন সড়কের প্রতাপনগর অংশের উপর দিয়ে পানি অপর পাশে প্রবেশ করায় সড়কগুলি দিয়ে যোগাযোগ হুমকিতে পড়েছে |
এতে নতুন করে বিভিন্ন গ্রামে পানি প্রবেশ করে মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় বসবাস করছে |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.