content
stringlengths
0
129k
উদ্ধৃতি শৈলীতে ফিনিশ ভাষার উৎস ()
উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা
উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা
উদ্ধৃতি শৈলীতে ইংরেজি ভাষার উৎস ()
ওয়েব আর্কাইভ টেমপ্লেটে ওয়েব্যাক সংযোগ
অকার্যকর বহিঃসংযোগ সহ সমস্ত নিবন্ধ
স্থায়ীভাবে অকার্যকর বহিঃসংযোগসহ নিবন্ধ
উদ্ধৃতি শৈলীতে সুইডিশ ভাষার উৎস ()
উইকিউপাত্তে স্থানাঙ্ক আছে
বাংলা-নয় ভাষার লেখা থাকা নিবন্ধ
উৎসবিহীন তথ্যসহ সকল নিবন্ধ
আরবি ভাষার লেখা থাকা নিবন্ধ
রুশ ভাষার লেখা থাকা নিবন্ধ
লাতিন ভাষার লেখা থাকা নিবন্ধ
এইচঅডিওর মাইক্রোবিন্যাসের সাথে নিবন্ধসমূহ
নিবন্ধ যার তথ্য যাচাই প্রয়োজন
অকার্যকর ফাইল সংযোগসহ নিবন্ধসমূহ
লাল সংযোগযুক্ত প্রবেশদ্বারসহ প্রবেশদ্বার টেমপ্লেট
এ পৃষ্ঠায় শেষ পরিবর্তন হয়েছিল ১৪:৪৩টার সময়, ৩ নভেম্বর ২০২১ তারিখে
লেখাগুলো ক্রিয়েটিভ কমন্স অ্যাট্রিবিউশন/শেয়ার-আলাইক লাইসেন্সের আওতাভুক্ত; এর সাথে বাড়তি শর্ত প্রযোজ্য হতে পারে
এই সাইট ব্যবহার করার মাধ্যমে, আপনি এটি ব্যবহারের শর্তাবলী ও এর গোপনীয়তা নীতির সাথে সম্মত হচ্ছেন
উইকিপিডিয়া®, অলাভজনক সংস্থা উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের একটি নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক
? 16479, 09612444888 9 8 ( ).
বিডিজবস-এ প্রকাশিত যেকোনো চাকরি সংক্রান্ত তথ্য নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক দেওয়া হয়ে থাকে
প্রকাশিত যেকোনো ধরণের চাকরি তথ্য বা নিয়োগ-প্রক্রিয়ার দায়-দায়িত্ব স্ব-স্ব নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের
এ সংক্রান্ত কোনো অসত্য বা অসম্পূর্ন তথ্য অথবা আর্থিক লেনদেনের দায় বিডিজবস-এর নয়
চাকরিপ্রার্থীদের এই ব্যাপারে সতর্ক হবার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে
স্বাধীনতাত্তর ভারতে সংখ্যালঘু মুসলিমরা পরিকল্পিত বঞ্চনার শিকার
রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক, শিক্ষা-স্বাস্থ্য-চাকরি প্রভৃতিতে ব্রাহ্মণ্যবাদের অধিপত্যতার কারণে, দেশ সহ বাংলার মুসলিমদের কোনঠাসা অবস্থা
এরপরেও সংখ্যালঘু সমাজ নিজেদের অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে লড়াকু মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে চলেছে
প্রাক স্বাধীনতা পর্বে, বাংলা তথা অখন্ড ভারতের ইংরেজ বিরোধী আন্দোলনে অন্যতম ভূমিকা স্থাপন করেছিল জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ
ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ নামক সংগঠন ও উত্তরপ্রদেশের দারুল উলুম দেওবন্দের ওলামাদের অবদান সর্বজন স্বীকৃত
কিন্তু স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে এই সত্তর বছরের অধিককাল সময়েও, বাংলার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সার্বিক আর্থসামাজিক মানোন্নয়নের প্রশ্নে যে ভূমিকা ও পরিকল্পনা গ্রহণ করা উচিত ছিল, তা এই সময়কালের সংগঠনগুলি পর্যাপ্ত চাহিদা পূরণ করতে সামর্থ হয় নি
যদি পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘু আন্দোলনের প্রেক্ষাপটের উপর ভিত্তি করে আলোচনা করতে গেলে মূলত জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ স্বাধীনতার প্রাক মূহুর্তে ও স্বাধীনতার পরে, বাংলায় যথেষ্ট ভূমিকা স্থাপন করতে না পারার কারণে, জমিয়তে উলামায়ে বাংলা সহ বেশকিছু আঞ্চলিক সংগঠন এর সৃষ্টি হয়
এ ক্ষেত্রে এই সমস্ত সংগঠনগুলিও ধারাবাহিকভাবে সুদীর্ঘ সময় পাওয়ার পরও একটা সময় নিষ্প্রভ হয়ে যায়
বিংশ শতাব্দীর শেষ একবিংশ শতাব্দীর সূচনা লগ্নে, সংখ্যালঘু মুসলিমদের জন্য সংগঠিত হওয়ার ক্ষেত্রে, উল্লেখযোগ্য মুখ বা সংগঠন হিসাবে মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন, বাংলার সংখ্যালঘুদের আস্থা অর্জন করতে পারে
তৎসহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, দলিত, আদিবাসীদেরকে নিয়ে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেদেরকে সৃজন করা, সরকারের জনবিরোধী নীতির দূর্বার সমালোচনা ও আন্দোলন করা, রাষ্ট্রের স্বৈরাচারী মনোভাবের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো, সংখ্যালঘু- দলিত- আদিবাসীদের বিভিন্ন ইস্যুতে সোচ্চার হওয়া ও বিভিন্ন ইস্যু ভিত্তিক আন্দোলনে সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশ...
পশ্চিমবঙ্গ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মধ্যে বৃহত্তম অংশ মুসলিম হলেও, বৌদ্ধ- জৈন- খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারীরা সংখ্যালঘু সমাজের অন্তর্গত
বেঙ্গল বুদ্ধিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, বঙ্গীয় খ্রিস্টীয় পরিষেবা, পিস কাউন্সিল সহ অন্যান্য সংখ্যালঘু, দলিত, আদিবাসীদের সংগঠন গুলির সঙ্গে ও সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন একাত্ম ভাবে আন্দোলনমুখী হয়েছে
আর ঠিক এমন সমূহ কারনে, বর্তমান একবিংশ শতাব্দীতে বাংলার সংখ্যালঘুদের কাছে এক বিশ্বাসযোগ্য স্থান অর্জন করেছে মোঃ কামরুজ্জামান এর নেতৃত্বাধীন সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন
বাংলায় ধারাবাহিক আন্দোলনে দীর্ঘ ১৭ বছরের অধিক সময় এক বিশেষ অবদান রেখে চলেছে এই সংগঠনটি
৩৪ বছরের বাম অপশাসন থেকে মুক্ত হতে, সংখ্যালঘুদের মধ্যে পরিবর্তনের বার্তা পৌঁছাতে ও সেই বিশ্বাসযোগ্যতা স্থাপনে সংখ্যালঘুদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা তৈরি করেছে সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন
বর্তমান সরকারেরও বিভিন্ন নীতি ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে, এই সরকারের প্রথম থেকেই রাজ্যে একমাত্র সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন সোচ্চার হয়েছে
বিগত দিনে সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন তার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায় করতে সক্ষম হয়েছে
উল্লেখযোগ্যভাবে পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যালঘুদের অধিকাংশই যে ওবিসি কোটার অন্তর্ভুক্ত এবং পশ্চিমবঙ্গের ওবিসি সার্টিফিকেট প্রাপ্ত কর্মপ্রার্থীদের কেন্দ্রীয় অনগ্রসর কমিশনের তালিকা ভুক্ত করা, তা একমাত্র সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের আন্দোলনের ফল
এছাড়াও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় বা সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে ওবিসি কোটাকে অগ্রাহ্য করা, ইচ্ছাকৃত ওবিসি কোটায় অন্যদের অন্তর্ভুক্ত করার বিরুদ্ধে, জোরদার প্রতিবাদের মাধ্যমে সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন সোচ্চার হয়ে, উপযুক্ত দাবি আদায় করতে সক্ষম হয়েছে
আরো উল্লেখ থাকে যে পরিবর্তনের সরকার আসার পর রাজ্যের ১০ শতাংশ সংখ্যালঘুদেরকে ওবিসি কোটায় সংরক্ষণ দেওয়ার পরও, মেডিকেল বোর্ড সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় সেট কে অগ্রাহ্য করেছে বারবার
কিন্তু প্রতিটা ক্ষেত্রেই স্বাস্থ্য ভবন থেকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি বা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে, কিছুটা হলেও সেই ১০ শতাংশ সংরক্ষন বাস্তবায়ন করার প্রয়াস নিয়েছে সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন
বলাবাহুল্য ইনোসেন্স অব মুসলিমস', জুলফিকার সিনেমা বাতিলের আন্দোলন, রোহিঙ্গা গণহত্যা বিরোধী আন্দোলন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের দাবি-দাওয়া ভিত্তিক আন্দোলন, আলিয়া মাদ্রাসা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর অথবা মাদ্রাসার বিভিন্ন দাবি নিয়ে আন্দোলন, বর্তমানে মব লিঞ্চিং এর নামে দলিত, আদিবাসী বা সংখ্যালঘুদেরকে পিটিয়ে মারার বিরুদ্ধে ...
বর্তমান সরকারের মেকি মুসলিম প্রীতির কঠোর সমালোচনা থেকে উপযুক্ত জবাব দেওয়া এবং সরকারকে মনে করিয়ে দেওয়া যে রাজ্যের প্রায় ৩০ শতাংশ জনগোষ্ঠী মুসলিম সম্প্রদায় আজও অবহেলিত, তা মোঃ কামরুজ্জামান ও তার সহযোগীদের নিয়ে সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন দাবী আদায়ের রূপরেখা ও গঠন মূলক কর্ম প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে
সংখ্যালঘু উন্নয়নে সরকারের গঠনমূলক ও ইতিবাচক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে, যুব ফেডারেশন সরকারের সর্বস্তরে সমন্বয় রেখে পূর্ণ সহযোগিতার মধ্য দিয়ে সরকারকে সঠিক পরামর্শ প্রদান করে
এছাড়াও সরকারের ইতিবাচক পদক্ষেপের সাধুবাদ জানাতে যুব ফেডারেশন কার্পণ্যতা করে না
মোঃ কামরুজ্জামান কোন একক ব্যক্তি নয়
বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিদগ্ধ ব্যক্তিত্বের সমাহার
কখনও সালাউদ্দিন আহমেদ, শেখ গোলাম মইনুদ্দীন, ইফতিকার হোসেন, আব্দুল মোমেন, হাফেজ আজিজুদ্দিন আবার বর্তমানে অধ্যাপক নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ নাজমুল আরেফীন, আইনজীবী আব্দুল হান্নান, বাবর হোসেন, শিক্ষক আলি আকবর, ফজলুর রহমান, আব্দুর রহিম, নূর হোসেন, খলিল মল্লিক, মাওলানা আনোয়ার হোসেন কাসেমী, একেএম গোলাম মোর্তজা, আশরাফ আলী প্রভৃত...
বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম সংখ্যালঘু সংগঠন হল সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন
এর মধ্য দিয়েই মোঃ কামরুজ্জামান রাজ্যের সংখ্যালঘু জনমানষে অধিকারকে বুঝিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ন্যায় এবং ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য, অন্যায়ের বিরোধীতার জন্য, সরকারের সংখ্যালঘু স্বার্থ বিরোধী নীতির সমালোচনা ও ন্যায্য অধিকার আদায় করার জন্য, আন্তর্জাতিক স্তরে বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলন করে, তার মতো বহু কামরুজ্জামান তিনি আজ তৈরি ...
অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে স্মরণ করি, দেগঙ্গা ব্লকের মহিদুল ইসলাম বৈদ্য করোনা কালীন সময়ে মৃত্যুবরণ করায়, সংগঠন তার অভাব বোধ করে
দেগঙ্গার মহিদুল ভাই ও আব্দুল হামিদ ভাইয়ের মৃত্যু সংগঠনের এক অপূরনীয় ক্ষতি
আল্লাহর কাছে তাদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে, আগামী দিনে আরও শক্তিশালী সংগ্রামের প্রত্যাশা নিয়ে মোঃ কামরুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের সংগ্রামী ভাবনা বৃদ্ধি কামনা করি
যুব ফেডারেশনকে শক্তিশালী করতে বাংলার ছাত্র যুবদের এই সংগঠনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাই
বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ে প্রয়োজন ধারাবাহিক লড়াই আন্দোলন
'হিন্দুদের দেশ ভারত, বন্ধ হওয়া উচিত দেশের সব মাদ্রাসা', অসমের মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে তোলপাড় দেশ
আরও পড়ুন
কোলকতা পুরভোটে ১৪৪ আসনেই প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের: তালিকায় ফিরহাদ সহ ৬ বিধায়ক ও এক সাংসদ
জনাব নয় শ্রী বলুন- বক্তব্য দিতে উঠে সঞ্চালককে বললেন ফিরহাদ হাকিম
সংখ্যালঘু উন্নয়নে বরাদ্দ ৮০০ কোটির মধ্যে অর্ধেকের বেশি টাকা খরচ করেনি রাজ্য
এক সপ্তাহের মধ্যে সংখ্যালঘু দপ্তরের মন্ত্রী ছাত্রদের সমস্যার কথা না শুনলে মহাকরণ অভিযানের ডাক আলিয়ার ছাত্রদের
করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কা থেকে ইতালিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে
গতকাল রোববার ইতালি এ নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ায় বলে বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে
করোনার ভারতীয় ধরনের ব্যাপারে চলমান পূর্বসতর্কতার অংশ হিসেবে ইতালি এ নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়াল
করোনার ভারতীয় ধরন মোকাবিলায় গত এপ্রিলের শেষে এসে বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার নাগরিকদের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ইতালি
এটি কার্যকর ছিল গতকাল রোববার পর্যন্ত
এরপর এদিনই আবার এই নিষেধাজ্ঞা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল দেশটি
এই দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে তা এখন ২১ জুন পর্যন্ত করা হয়েছে
এক বিবৃতিতে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন ইতালির স্বাস্থ্যমন্ত্রী রবার্তো স্পারাঞ্জার মুখপাত্র
মনের দুঃখ কষ্ট দূর করে দেয় এই ক্লাব - |. | | |
ব্রেকিং বাংলা
পশ্চিমবঙ্গ
_স্বাস্হ্য ও জীবন যাপন
_সংস্কৃতি ও পার্বন
, 18 2021
মনের দুঃখ কষ্ট দূর করে দেয় এই ক্লাব
মনের দুঃখ কষ্ট দূর করে দেয় এই ক্লাব
18, 2021 , ,
আজকের ব্যস্ত জীবনে, আমাদের অবাধে হাসতে বা কাঁদতেও পর্যাপ্ত সময় নেই
জীবনে যতটা হাসতে হবে, কান্নাও ততটাই গুরুত্বপূর্ণ
ঠিক যেমন সুখ এবং দুঃখ আমাদের দুটি দিক
ক্রাইং ক্লাব লঞ্চ
আসলে, কান্না আমাদের অনুভূতি প্রকাশ করার একটি উপায়
এই প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে গুজরাটের সুরাতে একটি 'ক্রাইং ক্লাব' শুরু হয়েছে
এখন পর্যন্ত আপনি যোগ ক্লাব, হাসির ক্লাব বা স্বাস্থ্য ক্লাবের কথা শুনে থাকবেন
কিন্তু দেশে এই ধরনের প্রথম ক্লাব যেখানে মানুষ কাঁদতে আসে এবং হাসতে যায়
ক্লাব বিশ্বাস করে যে কান্না মানুষকে মানসিক চাপ থেকে মুক্তি দেয়
যারা এখানে আসেন তারা বলেন কিভাবে এই থেরাপি তাদের জীবনকেও পরিবর্তন করছে
ক্লাবের মালিক বিশ্বাস করেন যে আমরা শক্তিশালী দেখতে কাঁদি না, যা আমাদের দুর্বল করে তোলে, তাই আমাদের কান্না করা উচিৎ
যখন শিশুটি জন্ম নেয়, তখন সে কাঁদে এবং ডাক্তাররাও তাকে সঠিক বলে
মাসের শেষ রবিবার ক্লাস হয়