content
stringlengths
0
129k
সরকারের উচিত অবিলম্বে জরুরী অবস্থা ঘোষণা দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃস্টিকারীদের বিরুদ্ধে ক্র্যাকডাউন শুরু করা
মার্চ 10, 2013 12:26 অপরাহ্ন -
@মনজুর মুরশেদ,
ভদ্র মহিলা শেখ হাসিনাতো একাই দেশ চালান
উনি সবকিছু একা করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন
উনার বোঝা উচিত , একা একা সবকিছু সামলানো সম্ভব নয়
উনি উনার আশেপাশে চামচা না রেখে আওয়ামীলীগের যেসব বড় নেতারা আছে , তাদেরকে নিয়ে বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলা করা উচিত
উনার বোঝা উচিত যে উনার একার বুদ্ধি কখনোই পর্যাপ্ত নয়
আর অযোগ্য চাটুকারদেরকে মন্ত্রী বানালেই হয়না
দেশ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য দক্ষ নেতা বা মন্ত্রী দরকার.
বিপ্লব রহমান মার্চ 4, 2013 6:14 অপরাহ্ন -
[]://---../--4/0.0.403.403/403403/484992_4558161596681_1867665797_.[/]
ফেবুতে এই নোটটি লিখেছেন জনৈক রাহুল ব্যানার্জি
@ গীতা দি, আর কিছুই বলার নেই
গীতা দাস মার্চ 5, 2013 10:19 পূর্বাহ্ন -
@বিপ্লব রহমান,
আর কিছুই বলার নেই
ভক্ত মার্চ 4, 2013 4:18 অপরাহ্ন -
() () () () () () () ()
গীতা দাস মার্চ 5, 2013 10:18 পূর্বাহ্ন -
আপনার ইমেজের সাথে আমার লেখার থিম মিলাতে পারছি না
ভক্ত মার্চ 25, 2013 6:17 অপরাহ্ন -
@গীতা দাস,
সাহসীভাবে মত প্রকাশ করার জন্য অভিনন্দন
পাপিয়া চৌধুরী মার্চ 4, 2013 4:08 অপরাহ্ন -
একদম মনের কথাগুলোই বললেন
বিগত কয়েকদিনের সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনাগুলো পড়ে আর শুনে প্রতি মুহূর্তে এই ভাবনাটাই মনে আসছে
ভাবছি বাংলাদেশের মত অন্ধ গোঁড়ামির দেশে সংখ্যালঘুর প্রতিনিধিত্ব করা মানেই দুর্ভাগ্য, ঘৃণায় বিষিয়ে উঠছে মন
আবার পর মুহূর্তেই নিজেকে সংকীর্ণ ও সাম্প্রদায়িক ভেবে সঙ্কুচিত হচ্ছি লজ্জায়
পারিবারিক পরিচয়কে তো আর মুছে ফেলা যায় না এতো সহজে
আমি যত সহজে আমার জন্মসূত্রীয় ধর্মকে না বলে দূরে ঠেলে দিতে পারছি, আমার পরিবারের বাকিদের পক্ষে তা ততটা সহজ নয়
প্রতিদিন তাই আতঙ্কে কাটাচ্ছি
সেদিন চট্টগ্রামে এক হিন্দু নারী তাঁর দেবরের সাথে সিটি বাসে বাড়ি ফিরছিলেন
পথের মাঝে ছাত্র-শিবিরের হামলা
স্বামীর মাঙ্গলিক চিন্তার সংস্কারে যে শাঁখা তিনি হাতে পরে ছিলেন, তাই কাল হল
পরিচয় বুঝে নিয়ে, হামলাকারীরা ধরল তাঁর দেবরকে
গাড়ি থেকে টেনে নামিয়ে বেদম পেটাল
তাও রাস্তা ভর্তি লোকজনের সামনে
আমি ঘটনাটা শুনেছি আমারই আত্মীয় এক প্রত্যক্ষদর্শীর কাছে
শোনার পর থেকে ভাবছিলাম, ওই নারীটির কথা
তাঁর এখন কি অবস্থা
এতদিনের ধর্মীয় সংস্কারের উপাদান শাঁখা, যেটা এখন তাঁর পরিচয় আর স্বত্ত্বার অংশ হয়ে উঠেছে সে কি খুব সহজে সেটা খুলে ফেলতে পারবে? গ্রাম্য, স্বল্প-শিক্ষিত একজন নারীর পক্ষে হাজার বছরের বয়ে আনা সংস্কার এক দিনে ঝেড়ে ফেলা অসম্ভব
কারণ এই একদিনে ঝেড়ে ফেলাটা ভয় বা প্রতিবন্ধকতা থেকে আসে, জ্ঞান থেকে নয়
কাজেই এ থেকে শুরু হয় সাম্প্রদায়িক ঘৃণা যা জন থেকে দলে, দল থেকে সম্প্রদায়ে ছড়িয়ে পড়ে
দাবানলের মত এ ঘৃণা আমাদের যে মানবতাবাদী, ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশের স্বপ্ন তাকে জ্বালিয়ে, পুড়িয়ে শেষ করে দেবে
এখনও ৯১ এর দাঙ্গা দুঃস্বপ্ন হয়ে ঘুমে আসে
ছোট বয়েসে বেশী কিছু মনে নেই, শুধু কানে বাজে সমস্বরে চিৎকার-" ডান্ডি হগলরে মার", ...আর চোখে ভাসে আমার সাথে রাতের গভীরে স্কুলের ছাদে লুকিয়ে থাকা ৪০-৪৫ জন মানুষের নিঃশব্দ কাঁপাকাঁপি
এসবের মাঝে তবুও স্বপ্ন দেখি গণজাগরণ জিতবে, একদিন শেষ হবে সাম্প্রদায়িক মারামারি
তার আগে হয়তো আরো লোক মরবে, আরো বসতভিটা পুড়বে, ভয়ে দেশ ছাড়বে অনেক জন
এর মধ্য দিয়ে আমরা শুদ্ধ হব
সেই সময়ের প্রতীক্ষায়
গীতা দাস মার্চ 5, 2013 10:16 পূর্বাহ্ন -
@পাপিয়া চৌধুরী,
সহমর্মীর ছোঁয়া পেলাম আপনার মন্তব্যে
অর্ফিউস মার্চ 5, 2013 11:16 অপরাহ্ন -
@পাপিয়া চৌধুরী,
এখনও ৯১ এর দাঙ্গা দুঃস্বপ্ন হয়ে ঘুমে আসে
৯১ তে অনেক ছোট ছিলাম
তেমন কিছুই মনে নেই
তবে মনে আছে ২০০১ এর পর যখন জামাতের হাত ধরে বিএনপি ক্ষমতায় আসলো
হিন্দুদের উপর ওই নির্যাতন,আর দেখতে চাইনা, আর সেই সাথে সেই নির্যাতনকে সরকারী ভাবে অস্বীকার করে, সেটাকে এইদেশে তথাকথিত ইন্ডিয়ার দালাল আর "র" এর এজেন্টদের কাজ বলে চালিয়ে দেয়ার হীনমানসিকতাও আর কোনদিন দেখতে চাই না
আফরোজা আলম মার্চ 4, 2013 3:12 অপরাহ্ন -
কেউ কথা রাখে না
বেশ কয়েক দিন যাবত মন অস্থির
অস্থির একা আমার নয়
সবার সব দেশবাসীর
একটা চাওয়াই ছিল ৭১ এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
এবং ন্যায্য বিচার
এ বিচার এ দেশের আপামর জনগনের
যারা দল করেন না তাদের আরো বেশী
কেননা তাদের তো
কোনো কিছুর প্রত্যাশা নেই
নেই কোনো মন্ত্রী মিনিস্টার হবার আকাঙ্ক্ষা
তারই পরিপ্রেক্ষিতে ইন্টারনেট জগতে লেখা লেখি
তো সেই লেখা লেখি তো আজ নয়
অনেকদিন অনেক দিনের আশা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হোক
যেই ধর্মের দোহাই দিয়ে
পাকিরা আমাদের ধংস করতে চেয়েছিল
চেয়েছিল বাংলাদেশ নামের যে দেশের স্বপ্ন সবাই দেখছে তা নস্যাত করতে
দীর্ঘ যুদ্ধের পরে জন্ম নিল
"বাংলাদেশ" নামের আমাদের আজকের গর্বের
এতো বুদ্ধিজীবী নিধন, এতো নারী ধর্ষণ, এতে যারা পাকিদের সাহায্য করেছিল, যারা নিরীহ ছাত্র, অধ্যাপক, ডাক্তার কাকে বাকী রেখেছিল
হত্যা করতে? যাতে এ দেশের মেরুদন্ড ভেঙ্গে যায়
কিন্তু যায় নাই
এতো হত্যাযজ্ঞের পরেও জন্ম নিল বাংলাদেশের
আস্তে আস্তে বাংলাদেশের বয়স বাড়তে শুরু করল
এতো দীর্ঘ দিন পরেও বিচার হল না
যে দলই ক্ষমতায় আসতে চান
সবাই আশ্বাস দেন-
-হবে হবে আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করব, আমাদের ভোট দিয়ে আগে ক্ষমতায় আনুন-
ক্ষমতা এমন জিনিস ঐ মোহে পড়লে কেউ কাউকে চেনে না
এমন করেই দিনের পরে দিন একে একে সব সরকারই ক্ষমতায় এলে ভুলে যান তারা কী বলেছিলেন
তারা জনগনকে কোন অঙ্গীকার করেছিলেন
এইবারকার ভোটে বিপুল সংখ্যক তরুন প্রজন্ম নতুন ভোটার হয়
এবং বিপুল ভোটে জয়ী হন বর্তমান সরকার
এই কারনেই তার জয় (আমার মতে) তার সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলেন যে যুদ্ধাপরাধীদের ন্যায্য বিচার হবে
কিন্তু হায়, বিগত ৪২ বছর ধরে একের পর এক
সরকার এলো গেলো
কিন্তু, গদীতে বসলে কারো প্রতিশ্রুতির কথা মনে থাকেনা
থাকবে কী করে