content stringlengths 0 129k |
|---|
শেয়ার করুন |
শেয়ার করুন |
মহেন্দ্র সিং ধোনি এবং য়ুবরাজ সিং-এর মধ্যে ভাল বন্ধুত্বের কথা তো সকলেই জানেন |
ভারতীয় দলের জয়-বীরুও অনেক সময়েই তাঁদের বলা হত |
প্রায় একই সময়ে ভারতীয় দলে তাঁরা সুযোগ পেয়েছিলেন |
জাতীয় দলের ক্যারিয়ারটা প্রায় একই সময়ে শুরু হয়েছিল |
কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না, ধোনি এবং যুবরাজ একে অপরকে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার আগে থেকেই চেনেন |
জোনাল ক্রিকেট খেলার সয় থেকেই তাঁরা পরস্পরকে চেনেন |
(@) |
শেয়ার করুন |
শেয়ার করুন |
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এবং রাহুল দ্রাবিড়ের ভারতীয় দল থেকে ছিটকে যাওয়ার পিছনে বড় হাত ছিল মহেন্দ্র সিং ধোনির |
একদিনের ক্রিকেটের দলে এই দুই ক্রিকেটারকে চাননি ধোনি |
কারণ সৌরভ এবং রাহুলের ফিটনেস নিয়ে একেবারেই সন্তুষ্ট ছিলেন না তিনি |
তাই তাঁদের বাদ দিয়ে তরুণদের নিয়ে দল গড়তে চেয়েছিলেন ধোনি |
যদিও এই বিষয়টি ধোনি কখনও স্বীকার করেননি |
তবে ভারতীয় দলের খবরানুযায়ী ধোনির জন্যই দল থেকে বাদ পড়েছিলেন রাহুল এবং সৌরভ |
শেয়ার করুন |
ধোনির ফুটবল প্রীতি কারও অজানা নয় |
কিন্তু অনেকেই জানেন না, তাঁকে জোর করে ২২ গজে টেনে আনা হয়েছিল |
ক্রিকেট খেলতে একেবারেই আগ্রহী ছিলেন না ধোনি |
স্কুলে পড়ার সময়ে তিনি ফুটবল দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন |
গোলকিপার পজিশনে খেলতেন |
আর সেই টেকনিক কাজে লাগিয়েই কিন্তু তিনি উইকেটকিপার হন |
তবে শুরুতে যখন তাঁকে স্কুলের ক্রীড়া শিক্ষক ক্রিকেট খেলার কথা বলেছিলেন, তখন তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, 'ওই ছোট বলে কে খেলবে?' |
শেয়ার করুন |
ধোনির একটা অদ্ভূত বিষয় ছিল, তাঁকে যাঁরা চিনতে পারতেন না তাঁদের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছেন তিনি |
তাঁর প্রথম গার্লফ্রেন্ড প্রিয়াঙ্কা, যিনি গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন, তিনিও প্রথম ধোনিকে চিনতে পারেননি |
যদিও ধোনি তখনও সে ভাবে জনপ্রিয়তা পাননি |
এবং পরে সাক্ষীর সঙ্গে তাঁর কলকাতার একটি বিলাসবহুল হোটেলে দেখা হয়েছিল |
সেই হোটেলের রিসেপশনে কাজ করছিলেন সাক্ষী |
তিনিও ধোনিকে চিনতে পারেননি |
যদিও ধোনি তখন অধিনায়ক |
পরে অবশ্য সেই সাক্ষীকেই বিয়ে করেন ধোনি |
করেচিকা আনামি ছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের জেনারেল |
জাদরেল লোক |
উগ্র জাতীয়তাবাদের তীব্র বিষে আক্রান্ত ছিলেন |
হিরোশিমায় বোমা নিক্ষেপের পরও আনামি বলেছিলেন, আমি নিশ্চিত, আমেরিকার কাছে শুধু একটি বোমই আছে |
হিরোশিমায় আঘাতের পর হার মানলে হয়তো নাগাসাকি ধ্বংস হতো না |
১৯৪৫ সালের ১৪ আগস্ট |
জেনারেল করেচিকা আনামি আত্মহত্যা করলেন |
চিরকুটে লিখে গেলেন, আমার আত্মহননের মধ্য দিয়ে এই সাম্রাজ্যের কাছে ক্ষমা চেয়ে গেলাম |
তার মৃতদেহের পাশে পড়ে ছিল অসংখ্য জাপানির মৃতদেহ |
ধ্বংস হয়ে যাওয়া দুটি শহর-হিরোশিমা ও নাগাসাকি |
মানবসভ্যতার ইতিহাসে জাপান ছাড়া কোন দেশ এত স্বল্প সময়ে, এত ক্ষতির |
শিকার হয়নি |
জাপান ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করল |
শত্রু-শত্রু খেলা বন্ধ করল |
শত্রুর কাছ থেকেও শেখার জন্য এতটুকু কুণ্ঠাবোধ করল না |
বিশ্বযুদ্ধের পর গবেষণায় আরও বেশি মনোযোগ দিল জাপান |
যে দেশটি তাদের দুটি শহর ধ্বংস করেছিল, সে দেশটি থেকে আরও বেশি জ্ঞান-বিজ্ঞান নিতে শুরু করল |
এত বড় একটা যুদ্ধের পরও জাপান থেকে প্রচুর মেধাবী ছেলে-মেয়ে আমেরিকায় আসতে লাগল |
জাপানের ছেলেমেয়েরা উচ্চশিক্ষায় বিলেত গমন বলতে আমেরিকাকেই বোঝে |
এর ফলাফলটা কী হয়েছে? গত চার দশকে ওরা বিজ্ঞানে নোবেল নিয়েছে প্রায় কুড়িটি |
তবে বিষয়টা শুধু নোবেল দিস সীমাবদ্ধ নয় |
মৌলিক আবিষ্কার-উদ্ভাবনে একটা ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী |
কত দূর চলে যেতে পারে, সেটার অদ্বিতীয় উদাহরণ জাপান |
গবেষণার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ফলাফলের কারণে সে দেশের |
মানুষের গড় আয়ু এখন সবচেয়ে বেশি |
৮০-৯০ বছর বয়সের মানুষ ওদের রাস্তায় হরহামেশা ঘুরে বেড়ান |
তাঁরা ভালো খান, ভালোভাবে বাঁচেন |
বেঁচে থাকে জীবনানন্দ নিয়ে! শিক্ষা ও গবেষণা দিয়ে তারা অসম্ভব স্বাবলম্বী জাতি আজ |
গড় আয় ও আয়ু বেশি |
বেকারত্ব কমিয়েছে |
দুর্নীতি কম |
জাপানের বহু কারাগার বন্ধ হয়ে গেছে |
জাপান হলো কতশত দ্বীপ-উপদ্বীপের একটি দেশ |
সুনামি ভূমিকম্পপ্রবণ একটি দেশ |
প্রকৃতিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে একটা ক্ষুদ্র জাতি কী করে এত উন্নত হয়, তার একমাত্র উদাহরণ জাপান |
যারা হাত ও মাথা ব্যবহার করতে জানে, তাদের শুধু আকাশের দিকে হাত তুলে রাখতে হয় না |
প্রিয় বাংলাদেশ, জাপান থেকে শেখো |
(পুনশ্চ : আমাদের একজন সাবেক উপাচার্য একদিন ঘোষণা দিলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে তাঁর প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ |
জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিক্ষার আদান-প্রদানের হাজার বছরের সংস্কৃতিতে এত সংকীর্ণচেতা একটি ঘোষণা কোনো দেশের প্রধানতম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দিতে পারে, আমি বিশ্বাস করতে পারিনি |
তিনি বলতে পারতেন, তাঁর প্রতিষ্ঠানের আঙিনায় পাকিস্তানের কোনো রাজনৈতিক বা সামরিক নেতৃত্বের উপস্থিতি নিষিদ্ধ |
সেটা হতো অনেক যুক্তিযুক্ত |
যদি যুদ্ধের শত্রুতায় শিক্ষা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের আদান-প্রদান বন্ধ থাকত, তাহলে চীন-জাপান সেটা করত বহু আগে |
জাপান-আমেরিকা সেটা করত |
ব্রিটিশদের সঙ্গে ভারত করত |
ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সব শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকত! দুনিয়ায় অস্ত্র যেখানে শত্রুতা তৈরি করেছে, জ্ঞান সেখানে |
বন্ধুত্বের জানালা খুলে দিয়েছে |
আমাদের চোখ থাকলে দেখতে অসুবিধা হতো না |
(১) অনন্তের তুলনায় নশ্বর নামরূপের স্থায়িত্ব এত অল্প যে, তাহা বলিবার নয় |
(২) দুইটি প্রলয়ের অন্তর্গত কাল অনন্তের তুলনায় ঐরূপ |
(৩) যেমন শুক্তিতে রজতজ্ঞান বা রজ্জুতে সর্পজ্ঞান ভ্রমাবস্থায় সত্য, আর ঐ জ্ঞান মনের অবস্থাবিশেষের উপর নির্ভর করে, সেইরপ বর্তমানে এই জগতেরও একটা আপাতপ্রতীয়মান সত্যতা আছে, উহারও সত্যতা-জ্ঞান মনের অবস্থাবিশেষের উপর নির্ভর করে, কিন্তু পরমার্থতঃ (চরমে বা পরিণামে) মিথ্যা |
(৪) বন্ধ্যাপুত্র বা শশশৃঙ্গ যেমন মিথ্যা, জগৎও তেমনি একটা মিথ্যা ছায়ামাত্র |
এই কয়েকটি ভাবের মধ্যে অদ্বৈত বেদান্তদর্শনে 'জগৎ মিথ্যা' এই মতটি কোন্ ভাবে গৃহীত হইয়াছে? |
উত্তর॥ অদ্বৈতবাদীদের ভিতর অনেক শ্রেণী আছে - প্রত্যেকেই কিন্তু ঐগুলির মধ্যে কোন-না-কোন একটি ভাবে অদ্বৈতবাদ বুঝিয়াছেন |
শঙ্কর তৃতীয় ভাবানুযায়ী শিক্ষা দিয়াছেন |
তাঁহার উপদেশ - এই জগৎ আমাদের নিকট যেভাবে প্রতিভাত হইতেছে, তাহা সবই বর্তমান জ্ঞানের পক্ষে ব্যবহারিক ভাবে সত্য; কিন্তু যখনই মানবের জ্ঞান উচ্চ আকার ধারণ করে, তখনই উহা একেবারে অন্তর্হিত হয়; সম্মুখে একটা স্থাণু দেখিয়া আপনার ভূত বলিয়া ভ্রম হইতেছে |
সেই সময়ের জন্য সেই ভূতের জ্ঞানটি সত্য; কারণ, যথার্থ ভূত হইলে উহা আপনার মনে যেরূপ কাজ করিত, যে-ফল উৎপন্ন করিত, ইহাতেও ঠিক সেই ফল হইতেছে |
যখনই আপনি বুঝিবেন - উহা স্থাণুমাত্র, তখনই আপনার ভূত-জ্ঞান চলিয়া যাইবে |
স্থানু ও ভূত - উভয় জ্ঞান একত্র থাকিতে পারে না |
একটি যখন বর্তমান, অপরটি তখন থাকে না |
প্র॥ শঙ্করের কতকগুলি গ্রন্থে চতুর্থ ভাবটিও কি গৃহীত হয় নাই? |
কোন কোন ব্যক্তি শঙ্করের 'জগৎ মিথ্যা' - এই উপদেশটির মর্ম ঠিক ঠিক ধরিতে না পারিয়া উহাকে লইয়া বাড়াবাড়ি করিয়াছেন, তাঁহারাই তাঁহাদের গ্রন্থে চতুর্থ ভাবটি গ্রহণ করিয়াছেন |
প্রথম ও দ্বিতীয় ভাব দুটি, কয়েক শ্রেণীর অদ্বৈতবাদী গ্রন্থের বিশেষত্ব বটে, কিন্তু শঙ্কর ঐগুলি কখনও অনুমোদন করেন নাই |
প্র॥ এই আপাতপ্রতীয়মান সভ্যতার কারণ কি? |
উ॥ স্থাণুতে ভূত-ভ্রান্তির কারণ কি? জগৎ প্রকৃতপক্ষে সর্বদাই একরূপ রহিয়াছে, আপনার মনই ইহাতে নানা অবস্থা-বৈচিত্র্য সৃষ্টি করিতেছে |
প্র॥ 'বেদ অনাদি অনন্ত' - এ-কথার বাস্তবিক তাৎপর্য কি? উহা কি বৈদিক মন্ত্ররাজির সম্বন্ধে বুঝিতে হইবে? যদি বেদমন্ত্রে নিহিত সত্যকে লক্ষ্য করিয়াই 'বেদ অনাদি অনন্ত' বলা হইয়া থাকে, তবে ন্যায় জ্যামিতি রসায়ন প্রভৃতি শাস্ত্রও অনাদি অনন্ত; কারণ তাহাদের মধ্যেও তো সনাতন সত্য রহিয়াছে? |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.