content stringlengths 0 129k |
|---|
বিটিসি চলতি মৌসুমে প্রায় ৩ লাখ চারা বিনামূল্যে বিতরণ করে |
কয়েকটি বেসরকারি সংস্থা দেশের বিভিন্ন স্থানে ৭ হাজার চারা রােপণ করে |
কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, ভেড়ামারা, দিনাজপুরসহ কয়েকটি জেলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগেও বনায়ন শুরু হয়েছে |
বেশকিছু উদ্যোগী লােক বিভিন্ন রাস্তা, সেচ প্রকল্পের খাল ও বিভিন্ন জায়গা লিজ নিয়ে বৃক্ষরােপণ শুরু করেছেন |
এরা অন্যান্য সুফলসহ আর্থিক দিক দিয়েও লাভবান হচ্ছেন |
দেশের ব্যস্ত মহানগরগুলােসহ বিভিন্ন |
শহরের রাস্তাঘাট, ট্রেন লাইনসহ বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরােপণ করা যায় |
লায়ন্স, রােটারি ও লিও ক্লাবগুলােসহ অন্যান্য সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বৃক্ষরােপণ অভিযানে সহায়তা দিচ্ছে |
সেই থেকে প্রতিবছর সরকারি ও বেরসকারি উদ্যোগে বৃক্ষরােপণ অভিযান চলে |
বৃক্ষরােপণ অভিযানের গুরুত্ব : বাংলাদেশের মতাে বিশ্বের অন্যতম জনবহুল ও উন্নয়নশীল দেশে বৃক্ষরােপণ অভিযানের গুরুত্ব অপরিসীম |
বর্ধিত জনসংখ্যার জন্য অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, স্কুল, কলেজ, হাট-বাজার প্রভৃতির যােগান দিতে গিয়ে চাপ পড়ছে বনজ সম্পদ ও বনভূমির ওপর |
প্রতি বছরই বনজ সম্পদ ও বনভূমি কমছে |
এ পরিস্থিতিতে গ্রামে-গঞ্জে বা বনভূমিতে প্রকৃতির ইচ্ছা অনুযায়ী গাছপালা জন্মানাে ও বেড়ে ওঠা সম্ভব নয় |
বনজ সম্পদ বাড়ানাের একমাত্র উপায় হলাে বৃক্ষরােপণ করা |
সুস্থ জীবনযাপনের জন্য যেখানে শতকরা ২৫ ভাগ বনজ সম্পদ ও বনভূমি থাকা দরকার, সেখানে আমাদের দেশে বন রয়েছে শতকরা |
১৬.৪৬ ভাগ |
বনাচ্ছাদিত বনভূমির পরিমাণ শতকরা ১০ ভাগ |
বৃক্ষরােপণ অভিযানের উদ্দেশ্য : বৃক্ষরােপণ অভিযানের মাধ্যমে বৃক্ষের উপকারিতা ও সংরক্ষণের প্রয়ােজনীয়তা সম্পর্কে জনগণের মধ্যে গণসচেতনতা বাড়ানাে যায় |
সরকারি বনভূমিই বনজ সম্পদ সৃষ্টির একমাত্র উৎস নয়, এক্ষেত্রে জনগণকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসতে হবে |
বাড়ির আশেপাশের আঙ্গিনায় ছােটো-বড়াে যেকোনাে গাছের চারা লাগানাের জন্য জনগণকে উৎসাহিত করতে হবে |
মসজিদ, মন্দিরের খালি জায়গা, খেলার মাঠ, স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে গাছ লাগানাের মাধ্যমে বনজ সম্পদ বাড়ানাে যায় |
বৃক্ষরােপণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্যবিমােচন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা যায় |
বন্য প্রাণীর আবাসস্থল তৈরি ও বন্য প্রাণী সংরক্ষণ করা যায় |
এসব উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশে প্রথম বৃক্ষরােপণ অভিযানের যাত্রা শুরু হয় |
বাংলাদেশ বন বিভাগ এ অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছে |
বৃক্ষরােপণ অভিযানকে সফল করার লক্ষ্যে বর্তমানে জাতীয় পর্যায়ে বৃক্ষরােপণ অভিযান পালন, এ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ক্রোড়পত্র প্রকাশ, রেডিও, টিভিতে এ অভিযান সম্পর্কে ব্যাপক প্রচারণা চালানাে, বিভিন্ন ডকুমেন্টারি ফিল্ম তৈরি করে তা প্রচার করা ও বৃক্ষরােপণ অভিযান উপলক্ষ্যে প্রতি বছর র্যালি আয়ােজন করা হয় |
এছাড়া সারা দেশব্যাপী বৃক্ষমেলার আয়ােজন, বৃক্ষ সম্পর্কিত লিফলেট, পােস্টার ও বিনামূল্যে পুস্তিকা বিতরণ করা হচ্ছে |
বৃক্ষমেলা : বৃক্ষরােপণে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি ও বৃক্ষের উপকারিতা সম্পর্কে ধারণা প্রদানের জন্য সারা দেশব্যাপী জেলা ও থানা সদরে ১৯৯৪ সাল থেকে বৃক্ষমেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে |
সারা দেশে অনুষ্ঠিত বৃক্ষমেলায় জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে |
বৃক্ষমেলায় গাছের চারা, আসবাবপত্র, পরিবেশ সম্পর্কিত ও বন গবেষণাসহ বিনােদনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় |
বৃক্ষরােপণ কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য ও সকলকে অনুপ্রাণিত করার জন্য সরকার ১৯৯২ সাল থেকে বৃক্ষরােপণ পুরস্কার প্রবর্তন করেন |
এতে প্রতি বছর ৯টি করে ২৭টি পুরস্কার প্রদান করা হয় |
বন বিভাগের নার্সারি : ১৯৯৪ সালে বন বিভাগের বিভিন্ন নার্সারি কেন্দ্র থেকে ১ কোটি ৮ লাখ চারা বিতরণ করা হয় |
সরকারি নার্সারি কেন্দ্র হতে এসব চারা বিক্রি হয় |
বৃক্ষরােপণ অভিযানের ফলে প্রতি বছর বৃক্ষরােপণে জনগণের অংশগ্রহণ ও সম্পৃক্ততা বাড়ছে |
বাংলাদেশে সরকারি নার্সারির পাশাপাশি ৫ হাজার ৫শটি বেসরকারি নার্সারি গড়ে উঠেছে |
বৃক্ষরােপণ অভিযানকে সার্থক করার জন্য বেশ কয়েকটি এনজিওসহ সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসেছে |
উপসংহার : বক্ষ মানুষের পরম বন্ধু |
একজন মানুষের কমপক্ষে তিনটি গাছ লাগানাে উচিত |
একটি ফুলের, একটি ফলের ও একটি ঔষধি |
তাহলেই বক্ষরােপণ অভিযান সফল হবে |
গাছ বাড়লে মানুষের জীবন বাচবে |
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বৃক্ষ সম্পর্কে বলেছেন - |
অন্ধ ভূমিগর্ভ হতে শুনেছিলে সূর্যের আহ্বান |
প্রাণের প্রথম জাগরণে, তুমি বৃক্ষ, আদিপ্রাণ.... |
ইংরেজী অংশ সমাধানঃ |
৫. : |
() মধু খেতে মিষ্টি=উত্তরঃ ( ) |
() ট্রেনটি সকাল নয়টায় ছাড়ে=উত্তরঃ 9 . |
() মশি মামা পুকুরে মাছ ধরছিলেন=উত্তরঃ . |
৬. : |
() উত্তরঃ (চিরতরে) - . |
() উত্তরঃ (একটানা) - 2 . |
() উত্তরঃ (সংক্ষেপে) - . |
৭. " - " |
. - . . -, . . - , . . . . . , , , , , . - . |
কৃষি বিষয়ভিত্তিক অংশ সমাধানঃ |
৮. ফলের মিষ্টি গন্ধের জন্য দায়ী কি? উত্তরঃ এস্টার |
৯. তুত কোন শিল্পে ব্যবহৃত হয়? উত্তরঃ বস্ত্র শিল্পে |
১০. কোন সার ব্যবহারে অম্লতা () বৃদ্ধি পায়? উত্তরঃ টিএসপি (ট্রিপল সুপার ফসফেট) |
১১. পিঁয়াজের কান্ড কোন ধরনের? উত্তরঃ রূপান্তরিত কাণ্ড |
১২. হলটেয়ার () থাকে কোন পোকায়? উত্তরঃ মাছি |
১৩. ডুমুর কোন জাতীয় ফল? উত্তরঃ যৌগিক ফল (যখন একটি পুষ্পমঞ্জরির সব ফুল মিলে একটি ফলে পরিণত হয় তখন সে ফলকে যৌগিক ফল বলে |
যৌগিক ফলের ভেতরে অসংখ্য বীজ থাকে |
যেমন- আনারস, কাঁঠাল, ডুমুর ইত্যাদি |
১৪. প্লাংকটন () কি? উত্তরঃ প্লাংকটন হলো পানিতে মুক্তভাবে ভাসমান আণুবীক্ষণিক জীব |
এক কথায় বলতে গেলে মাছের প্রাকৃতিক খাবারকে প্লাংকটন বলে |
১৫. বোর্দো মিক্সার ( ) এর কার্যকারী অনুপাত কত? উত্তরঃ তুঁত, চুন এবং পানির অনুপাত হবে ১:১:১০০ |
১৬. বীজ তুলা থেকে বীজ ছাড়ানোকে কি বলে? উত্তরঃ জিনিং |
১৭. হার্ডেনিং () কখন করতে হয়? উত্তরঃ হার্ডেনিং করা হয় চারা বীজতলা থেকে মূল জমিতে স্থানান্তরের সময় |
১৮. বাংলাদেশ মহিষ প্রজনন খামার কোথায় অবস্থিত? উত্তরঃ বাগেরহাট |
১৯. সিম, সরষা, লাউ, শশা, মিষ্টি কুমড়ায় কোন ধরনের অঙ্কুরোদগম হয়? উত্তরঃ মৃৎভেদী অঙ্কুরোদগম ( যে অঙ্কুরোদগম প্রক্রিয়ায় বীজপত্রসহ ভ্রূণমুকুল মাটি ভেদ করে উপরে উঠে আসে তাকে মৃৎভেদী অঙ্কুরোদগম বলে |
যেমন-তেঁতুল, কুমড়া,পিঁয়াজ, শিম ইত্যাদি |
২০. কোন উদ্ভিদে নডিউল হয়? উত্তরঃ শিমজাতীয় উদ্ভিদের মূলে নডিউল হয় ( গোত্রের উদ্ভিদের মূলে নডিউল দেখা যায়) |
২১. এপিকালচার কি? উত্তরঃ মৌমাছি পালন |
২২. কম্পোস্ট কোন প্রকারের সার? উত্তরঃ কম্পোস্ট হলো প্রাণী ও উদ্ভিদ জাত দ্রব্য থেকে তৈরিকৃত জৈব সার |
২৩. টুমরো রোগের কারণ কি? উত্তরঃ রাইস টুংরো ভাইরাস ( ) নামক এক ধরনের অতি সূক্ষ্ম জীবাণু দ্বারা এ রোগ হয়ে থাকে |
২৪. মাটির স্পর্শ ছাড়া কৃষিকে কি বলে? উত্তরঃ হাইড্রোফনিক বা পানিতে চাষাবাদ |
২৫. ট্রাইকোডার্মা () কি? উত্তরঃ ট্রাইকোডার্মা হচ্ছে মাটিতে মুক্তভাবে বসবাসকারি উপকারি ছত্রাক- যা উদ্ভিদের শিকড়স্থ মাটি, পঁচা আবর্জনা ও কম্পোস্ট ইত্যাদিতে অধিক পরিমাণে পাওয়া যায় |
২৬. নাইট্রিফিকেশন () বলতে কি বুঝায়? উত্তরঃ অ্যামোনিয়াকে নাইট্রাইটে পরিনত করাকে নাইট্রিফিকেশন বলে |
অর্থাৎ যে পদ্ধতিতে জীবাণুর ক্রিয়ার ফলে মৃত্তিকাস্থ অ্যামোনিয়া প্রথমে নাইট্রাইট এবং পরে নাইট্রেট যৌগে পরিণত হয়, তাকে নাইট্রিফিকেশন বলে |
২৭. ধান গাছের বৃদ্ধির পর্যায়গুলো লিখুন |
উত্তরঃ ধান গাছের বৃদ্ধির পর্যায়গুলো প্রধানতঃ ১. দৈহিক বৃদ্ধি পর্যায় ২. জনন পর্যায় ৩. পরিপক্ক পর্যায় |
২৮. গ্রীন হাউস ইফেক্ট বলতে কী বোঝায়? উত্তরঃ উচ্চ অক্ষাংশে শীতপ্রধান উন্নত দেশসমূহে শাক-সবজি উৎপাদনের জন্য তৈরী বিশেষ একধরনের কাঁচের ঘরকে সবুজ ঘর বা গ্রীন হাউস ( ) বলা হয়ে থাকে |
২৯. মাটির উর্বরতা ( ) ও উৎপাদনশীলতা () বলতে কী বোঝায়? মাটির উর্বরতা কিভাবে বৃদ্ধি করা যায়? |
মাটির উর্বরতা ( ): গাছের বৃদ্ধি ও পুষ্টির জন্য যথেষ্ট পরিমাণ খাদ্য উপাদান একটি নির্দিষ্ট অনুপাতে সরবরাহ করা মাটির সহজাত অভ্যাস |
একেই মাটির উর্বরতা বলা হয় |
মাটির উৎপাদনশীলতাঃ গাছের বৃদ্ধি ও পুষ্টির জন্য মাটির যে সক্ষমতা তাকেই মাটির উৎপাদনশীলতা বলে |
নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অবলম্বন করলে কোনরূপ রাসায়নিক সার ব্যবহার না করেই মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করা যায় |
১. প্রথমেই খেয়াল রাখতে হবে যাতে মাটির উপরি স্তর কখনো খালি না থাকে |
মানে সবসময় কোনো না কোনো গাছ/ ঘাস দ্বারা আবৃত থাকতে হবে |
২. এক বছরের অন্তত ৩-৪ মাস মাটির ওপর ডাল জাতীয় গাছ থাকতে হবে |
এই জাতীয় গাছ নাইট্রোজেনকে মাটিতে সংবদ্ধকরনে খুব সহায়ক |
৩. বছরের বাকি সময় যদি অন্য ফসলের সাথেও ডাল জাতীয় ফসলের অন্তর্বর্তী চাষ করা করা যায় তাহলে আরো ভালো |
৪. দুটি ফসল অন্তর্বর্তীয় চাষে একসাথে লাগাতে হলে আলাদা আলাদা শেকড়ের দৈর্ঘকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত |
৫. অধিকভোজী ফসল যেমন আঁখ, কার্পাস এগুলো বছরের পর বছর লাগাতে নেই, ঘনঘন ফসলের পরিবর্তন করা দরকার |
৬. মাটিতে ভালো মানের কপোস্ট, গোবর, খইল ইত্যাদি জৈব পদার্থ মেশানো দরকার |
এগুলো মাটিতে জৈব কার্বনের পরিমান বৃদ্ধি করে |
এছাড়াও মাটিতে উপকারী জীবাণুর পরিমান বাড়ানোর জন্য এগুলো অত্যন্ত জরুরি |
--- বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.