content stringlengths 0 129k |
|---|
এই শিল্পের অগ্রগতির পথে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করার আহ্বান জানিয়ে বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দ বলেন, আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী চায়না ও ভিয়েতনামের সক্ষমতার সাথে তুলনা করলে আমরা অনেক পিছিয়ে রয়েছি |
টানা ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতি |
সূচকের উত্থান হলেও লেনদেন নেমেছে ৭০০ কোটির ঘরে |
৪৩ আ'লীগ-যুবলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা |
নায়ক শাকিব খানের ব্যাংক হিসাব তলব |
তাইওয়ানের আকাশে চীনের ২৭ যুদ্ধবিমান |
ক্ষমতার অপব্যবহার করে দণ্ড মওকুফ সুশাসনের পরিপন্থী : সুজন |
১ ভোটে বিজয়ী মেম্বরের হামলায় পরাজিত প্রার্থীসহ আহত ১০ ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের দেয়া হবে বুস্টার ডোজ নবীনগরে যে কারণে নৌকার ভরাডুবি অবৈধ সম্পদ অর্জন : পাপিয়া দম্পতির বিচার শুরু পদত্যাগের পর আবার ফিরলেন সুইডেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসঙ্ঘ বাংলাদেশকে অব্যাহত সমর্থন দিবে বসুন্ধরার এমডি সায়েম সোবহ... |
আব্বাসকে ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা (১৩৫৮৭)নোয়াখালীতে নৌকার ভরাডুবি (৮৬৫৬)ভাতিজার আনারসের ভারেই ডুবলো চাচার নৌকা! (৬৭৭৭)প্রচারাভিযান ছাড়াই মেয়র হলেন বিএনপি নেতা (৬৫৩৬)পশ্চিমাদের টিকা বৈষম্যের ফল ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট (৬১৩২)নিজ কেন্দ্রেও ফেল করলেন নৌকা প্রার্থী (৫৩৪২)ঘরে ঘরে জাহাঙ্গীর (৫২০৮)বগুড়ায় আওয়ামী লীগের ভরাড... |
গ্রাহকের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া আর সহজে লেনদেনের সম্ভাবনা নিয়ে ২০১৪ সালে দেশে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু হয় |
এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন, জমা দেওয়া, রেমিট্যান্সসহ বিভিন্ন পরিষেবার বিল জমা দেওয়া, অন্য হিসাবে অর্থ স্থানান্তর, চেক বই গ্রহণ, এটিএম কার্ড সংগ্রহসহ সব ধরনের ব্যাংকিং কার্যক্রম করা যায় |
নির্দিষ্ট কমিশনের মাধ্যমে ব্যাংকের পক্ষে সেবাটি দেন এজেন্টরা |
লক্ষ করবার মতো বিষয় হলো, দেশের প্রত্যন্ত জনপদ পর্যন্ত এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের সেবা দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করেছে |
বিগত সাত বছরের মধ্যেই দেশে এই সেবা দেওয়া ব্যাংকের সংখ্যা বেড়ে এখন ২৮টিতে পৌঁছেছে |
এর মধ্য দিয়ে কর্মসংস্থানেও ভূমিকা রাখছে খাতটি |
কিন্তু এজেন্ট ব্যাংকিং দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও এ খাতে ঋণ বিতরণ খুবই কম হওয়ার কারণে কেবল আমানত ও রেমিট্যান্স সংগ্রহের ওপর সামান্য কমিশন নিয়ে এই সেবা প্রদানে হিমশিম খাচ্ছেন এ খাতের ছোট ছোট উদ্যোক্তারা |
এই সংকটের জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যথাযথ নীতিমালার অভাবকেই দায়ী করছেন উদ্যোক্তারা |
বুধবার দেশ রূপান্তরে 'নগণ্য কমিশনে আগ্রহ হারাচ্ছেন এজেন্টরা' শিরোনামের প্রতিবেদনে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ঋণ বিতরণের স্বল্পতা ও অপর্যাপ্ত কমিশনের সংকটের কথা তুলে ধরা হয় |
প্রতিবেদনটি থেকে জানা যায়, গত আগস্ট শেষে দেশের ব্যাংকগুলোর নিয়োগ দেওয়া এজেন্টের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৩ হাজার ১৬০ জনে |
আউটলেট ১৭ হাজার ৪৬৪টি |
এর মধ্যে ১৫ হাজার ২১১টি আউটলেটই গ্রামেগঞ্জে |
বাকি ২ হাজার ২৫৩টি আউটলেট শহর এলাকায় |
এসব আউটলেটের মাধ্যমে সংগৃহীত আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৫৬৪ কোটি টাকা |
লক্ষ করা দরকার, ব্যাংকগুলো এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা ইউনিয়ন পর্যায়ে নিয়ে গেছে |
আমানত রাখা, ঋণ বিতরণ ও প্রবাসী আয় আনার পাশাপাশি স্কুল ব্যাংকিং চালু করেছে এবং গ্রামগঞ্জে সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির ভাতাও বিতরণ করছেন এজেন্টরা |
সব মিলিয়ে এজেন্ট ব্যাংকিং চালু হওয়ার ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হচ্ছে |
প্রবাসী আয় গ্রহণ ও টাকা জমা রাখার জন্যও এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে অনেকে নতুন হিসাব খুলছেন |
এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করা যেতে পারে করোনা মহামারীর বিগত এক দেড় বছরে এই সেবার বিস্তৃতির বিষয়টি |
বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকেই দেখা যাচ্ছে, বিগত এক বছরের ব্যবধানেই এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে আমানত বেড়েছে প্রায় ৮০ শতাংশ |
কিন্তু এই খাতে ঋণ বিতরণের পরিমাণ খুবই কম |
গত আগস্ট মাসে ঋণ বিতরণ হয়েছে ৩৮৭ কোটি টাকা |
আর রেমিট্যান্স বিতরণ হয়েছে ১ হাজার ৭৬৬ কোটি টাকা |
এই পরিস্থিতিতে বিকাশের বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের অন্যতম প্রধান সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে এজেন্টদের অপর্যাপ্ত কমিশন |
তাছাড়া অনেক আউটলেটে আমানত ও রেমিট্যান্সের লেনদেনের পরিমাণও খুবই কম |
ফলে কমিশনের তুলনায় আউটলেট পরিচালনার খরচ পড়ছে কয়েকগুণ বেশি |
এতে আগ্রহ হারাচ্ছেন এজেন্টরা, অনেক এজেন্ট ইতিমধ্যে এই সেবা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন |
ঢাকা, টাঙ্গাইল, সিলেট, চাঁদপুর ও শরিয়তপুরের বেশ কয়েকজন এজেন্টই দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন, এজেন্ট আউটলেট খোলার প্রাথমিক বিনিয়োগ, আউটলেটগুলোর ভাড়া, কর্মীদের পারিশ্রমিক, বিদ্যুৎ বিলসহ মাসে যে পরিমাণ টাকা তাদের খরচ করতে হয় তার বিপরীতে কমিশন থেকে প্রাপ্ত অর্থে তাদের খরচ চলছে না |
এছাড়া বিদ্যুৎ বিল সংগ্রহের ওপর এই সেবার এজেন্টরা কোনো কমিশন পান না |
একই কথা রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রেও |
১ লাখ টাকা পর্যন্ত রেমিট্যান্স বিতরণে মাত্র ৫০ টাকা করে কমিশন পান এজেন্টরা |
এভাবে সামান্য কমিশনে এই সেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছেন এজেন্টরা |
সর্বোপরি এজেন্টরা যে সেবার বিপরীতে কমিশন পাচ্ছেন তার ওপরও নানা ধরনের ট্যাক্স-ভ্যাট আরোপ করছে ব্যাংক |
ফলে এজেন্টদের প্রকৃত আয় আরও কমে যাচ্ছে |
এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জারি করা এজেন্ট ব্যাংকিং নীতিমালাতেও এজেন্টদের কমিশনের হার কোন সেবার ক্ষেত্রে কত হবে সে বিষয়ে কিছু বলা নেই |
ফলে ব্যাংকগুলো নিজেদের মতো করে কমিশন নির্ধারণ করছে |
আর এ কারণেই সামান্য কমিশনে এজেন্ট আউটলেট পরিচালনার খরচ বহন করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন এ খাতের এজেন্টরা |
এছাড়া এজেন্ট ব্যাংকিং খাতে ঋণ বিতরণ বৃদ্ধি না পাওয়ায় এজেন্টদের কমিশন বাড়ছে না |
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট একজন ডেপুটি গভর্নর দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন, এজেন্টদের কমিশন বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন তহবিল থেকে ঋণ বিতরণে এজেন্ট ব্যাংকিংকে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে |
এতে এজেন্টরাও বাঁচবেন, ব্যাংকও কম খরচে ঋণ বিতরণ করতে পারবে |
কেননা, শাখার মাধ্যমে এই ঋণ বিতরণ করতে গেলে ব্যাংকের খরচ বেড়ে যাবে |
এমতাবস্থায় মানুষের দোরগোড়ায় ব্যাংকিং সেবার প্রসারে সম্ভাবনাময় এই সেবা খাতের বিকাশে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া জরুরি |
শেয়ার করুন |
এই পাতার আরো খবর |
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হত্যাকান্ডের ঘটনা কেন ঘটে |
কুষ্টিয়ার খুররমের একাত্তর |
তবে তারা পিৎজা-পাস্তা খাক |
আন্তর্জাতিক |
তথ্য প্রযুক্তি |
পাঠকের কথা |
সাক্ষাৎকার |
প্রবাসের চিঠি |
রিয়েল এস্টেট |
খাবার দাবার |
সম্পাদক : অমিত হাবিব প্রকাশক : রূপায়ণ মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশনস লিমিটেড-এর পক্ষে মাহির আলী খাঁন রাতুল কর্তৃক মিডিয়া প্রিন্টার্স ৪৪৬/এইচ, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে মুদ্রিত এবং রূপায়ণ ট্রেড সেন্টার, ১১৪ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, বাংলা মোটর, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত |
বিটিআরসির নিরীক্ষা দাবির সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ১০০০ কোটি টাকা সোমবারের মধ্যে পরিশোধ করার জন্যে নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ |
এ বিষয়ে ওইদিন পরবর্তী আদেশ দেয়া হবে |
গ্রামীণফোনর করা রিভিউ আবেদনের শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারকের আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ আদেশ দেয় |
আদালতে বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মাহবুবে আলম ও খন্দকার রেজা-ই-রাকিব |
গ্রামীণফোনের পক্ষে শুনানি করেন এ এম আমিন উদ্দিন ও মোহাম্মদ মেহেদী হাসান চৌধুরী |
আপিল বিভাগ গত ২৪ নভেম্বর গ্রামীণফোনকে দুই হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করতে নির্দেশ দিয়েছিল |
সেজন্য তাদের দেয়া হয়েছিল তিন মাস সময়, যা ২৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হচ্ছে |
ওই সময় শেষ হওয়ার আগে বিটিআরসিকে ১০০ কোটি টাকা দিয়ে আলোচনা চালু রাখার প্রস্তাব দিয়েছিল গ্রামীণফোন |
কিন্তু নিয়ন্ত্রক সংস্থা তাতে রাজি হয়নি বলে বুধবার জানান গ্রামীণফোনের হেড অব রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স হোসেন সাদাত |
সে বিষয়টি তুলে ধরে বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগে রিভিউ শুনানিতে ছয় মাসের কিস্তিতে ওই দুই হাজার কোটি টাকা পরিশোধের অনুমতি চাওয়া হয় |
কিন্তু শুনানি শেষে আদালত সোমবারের মধ্যে এক হাজার টাকা পরিশোধের নির্দেশ দিয়ে বিষয়টি সেদিনই পরবর্তী আদেশের জন্য রাখে |
বিটিআরসি বলে আসছে, গ্রামীণফোনের কাছে নিরীক্ষা আপত্তির ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকার পাশাপাশি রবির কাছে ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে তাদের |
কয়েক দফা চেষ্টায় সেই টাকা আদায় করতে না পেরে বিটিআরসি লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দিয়ে দুই অপারেটরকে নোটিস পাঠায় |
বিটিআরসি সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তিতে রাজি না হওয়ায় দুই অপারেটর আদালতের দ্বারস্থ হয় |
পরে অর্থমন্ত্রীর উদ্যোগে গ্রামীণফোন ও বিটিআরসির কর্মকর্তাদের মধ্যে দুই দফা বৈঠক হলেও তাতে সফলতা আসেনি |
গ্রামীণফোনের আবেদনে গত ১৭ অক্টোবর বিটিআরসির নিরীক্ষা আপত্তি দাবির নোটিসের ওপর দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা দেয় হাইকোর্ট |
বিটিআরসি লিভ টু আপিল করলে আপিল বিভাগ ২৪ নভেম্বর গ্রামীণফোনকে দুই হাজার কোটি টাকা দিতে নির্দেশ দেন |
ওই আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য ২৬ জানুয়ারি সুপ্রিমকোর্টে আবেদন (রিভিউ) করে গ্রামীণফোন, যার ওপর শুনানি শেষে আদালত বৃহস্পতিবার এক হাজার কোটি টাকা পরিশোধের জন্য সোমবার পর্যন্ত সময় দিল |
অভিজিৎ রায় (45) আদম-হাওয়া (50) ইসলাম ধর্ম (51) ইসলামী ইতরামি (742) ইসলামের নবী (982) ওয়াশিকুর বাবু (128) কবিতা রায় (38) কার্টুন (2467) কার্ল সেগান (30) কাসুন্দি (86) কুফরী কিতাব (101) কোরানের বাণী (510) কৌতুক (215) ক্রিস্টোফার হিচেন্স (54) খ্রিষ্টধর্মের ধৃষ্টতার দৃষ্টান্ত (92) গরুপূজারি (283) গান (152) ছড়া (186) ছ... |
দিন দিন আমার ব্রেস্ট ঝুলে যাচ্ছে, দেখতে খুবই বাজে লাগে! এখন আমি কী করব? প্রশ্নটি আমরা প্রায়ই শুনে থাকি |
এতে আতঙ্কিত বা মন খারাপ করার কিছু নেই |
অনেক কারণেই আমাদের ব্রেস্টের আকারে পরিবর্তন আসতে পারে |
তার মধ্যে কিছু মেইন কারণ হলো আমাদের বয়স, ওজনের পরিবর্তন, ধূমপান করা, পর্যাপ্ত সাপোর্ট ছাড়াই ভারী কাজ করা ইত্যাদি |
অনেক সময় আবার জেনেটিক কারণেও এমন হতে পারে |
তবে এমন অবস্থায় প্যানিক না করে কিছু নিয়ম মেনে চললে সহজে মিলবে এর সমাধান |
অনেকের আবার বয়সের আগেই এমন সমস্যা দেখা দেয়! তাই আজকে আমরা জেনে নিব, ব্রেস্ট ঝুলে পড়ার কারণ ও সমাধান সম্পর্কে |
কেন ব্রেস্ট ঝুলে পড়ে? |
১) বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্বাভাবিকভাবেই ব্রেস্ট ঝুলে যায় |
বয়স যত বাড়তে থাকে আমাদের ত্বকের যে আবরণ বা চামড়াও ধীরে ধীরে কুঁচকে যায় |
আমাদের মুখের চামড়ার মত আমাদের ব্রেস্টের চামড়ার টান টান ভাবও দিন দিন মলিন হতে থাকে |
এটি খুবই স্বাভাবিক ব্যপার |
& - |
10% ৳ 690 |
- - |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.