content
stringlengths
0
129k
আমরা কোন ভিন গ্রহের এলিয়েন নই
ধন্যবাদ
১০০ বছর আগে কোন বিবাহিত পুরুষের বৌ বর্তমান থাকার পরও যদি তার বাবা মা তাকে বিয়ে দিতে চায় তাহলে সে যদি বিবেকবান হয় তবে বলবে " আমার বৌ আছে আমি বিয়ে করবো কেন, আমি আমার বৌয়ের প্রতি অবিচার করব কেন?" এ সে এ অমানবিক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করবে
বৌ থাকলেই সে লম্পট সেটা আমি বলিনি
আমি বলেছি বৌ বর্তমান থাকা অবস্থায় যে বিয়ে করে সে লম্পট
আমার কাছে সেক্সই লাম্পট্যের মানদন্ড নয়
যে কোন ব্যক্তি যদি বহুগামী হয় সে আমার কাছে লম্পট
কিছু মনে করবেননা , আপনার কাছে লাম্পট্যের মানদন্ড কী? বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক? ্তাও যদি হয়ে থাকে তবুও তো মোহাম্মদ লম্পট
কারণ দাসী ও যুদ্ধবন্দিনীদের সাথে তো বিবাহ ছাড়াই সংখ্যাবিহীনভাবে নিশ্চিন্তে যৌনক্রিয়া চালানো যায়
এবং তিনি নিজেও সে মহান কাজ করেছেন
সব মানুষই সুখে হাসে দুঃখে কাঁদে
কোরানের অমানবিকতা ও সর্বসাধারণে লাম্পট্যের লাইসেন্স প্রদানের হিরিক দেখেতো আমাদের হাসি আসেনা ,গভীর বিষাদ-বেদনায় অন্তর ভ'রে যায়
আমরা তো চাই সব মানুষ শান্তিতে মানবিক জীবন যাপন করুক,বানোয়াট গ্রন্থের নৃশংস বাণীগুলো ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে প্রাণ ভ'রে হাসুক
ব্রাইট স্মাইল্ আগস্ট 8, 2011 6:16 অপরাহ্ন -
@ফুয়াদ,
আপনার কথা সত্য, রাসুল সাঃ তার বিবাহ করা বউয়ের কাছে গেছেন
শুধু গিয়েছেন তাই নয়, স্ত্রীদের সাথে পালাক্রমে যৌন মিলনের বিষয়টি সম্পুর্ন প্রাসংগিকভাবেই আসবে এই কারনে যে একই হাদীসে এই প্রসংগে শারীরিক -এর কথা উল্লেখ আছে (যদিও অজানা (?) কারনে আপনি তা ঊল্লেখ করা থেকে বিরত থেকেছেন), কিন্তু আপনি আমার কথা সত্য বলে মেনে নিয়েছেন এই বলে যে
এতে কার কি সমস্যা থাকতে পারে
তা হলে ভবঘুরের এই কথায় আপনার আবার কি সমস্যা হচ্ছে বুঝা যাচ্ছেনা
দিন ও রাতে এগারো জন স্ত্রীর সাথে পালাক্রমে মিলিত হয়ে সহবত ( যৌন ক্রিড়া ) করা , যা আবার আমাদের নিজেদের বানান কথা না, খোদ সহি(পরীক্ষিত) হাদিসের কথা
ভবঘুরে আগস্ট 8, 2011 7:25 অপরাহ্ন -
@ব্রাইট স্মাইল্,
শুধু গিয়েছেন তাই নয়, স্ত্রীদের সাথে পালাক্রমে যৌন মিলনের বিষয়টি সম্পুর্ন প্রাসংগিকভাবেই আসবে
সবাই বিষয়টা বুঝতে পারে , পারে না শুধু বিশ্বাসীরা
কারন শ্রেষ্ট মানব মোহাম্মদ ১১ টা স্ত্রীর সাথে দিনে রাতে পালাক্রমে রতিক্রিয়ায় ব্যস্ত থাকবেন, এটা মহামানবের চরিত্রের সাথে মানায় না - সেখানেই আসলে সমস্যাটা
অথচ বাস্তবতা সেটাই
এই বাস্তবতাকে এড়ানোর জন্য এখন বলা হচ্ছে হাদিস মানব রচিত
কিতাব আকারে যখন লিখিত তখন তো তা মানব রচিতই হবে, কিন্তু কোন মানব রচিত ? সেই সব মানব রচিত যাদেরকে আমরা একনিষ্ট নিবেদিত প্রান মুসলমান হিসাবেই এতদিন জেনে এসেছি
কোরান কি মানব রচিত নয় ? জিব্রাইল কি কোরানের ফটোকপি সেই লাওহে মাহফুজ থেকে বয়ে এনে মোহাম্মদকে দিয়ে গেছিল নাকি ? তা দিয়ে গেলে তো এত সমস্যা হতো না
সৈকত চৌধুরী আগস্ট 8, 2011 4:17 পূর্বাহ্ন -
@ফুয়াদ,
দেখেন তো শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক হাদিসটির কি অনুবাদ করিয়াছেন-
নবি (সাঃ) একই রাত্রে বা দিনে পরপর (মধ্যবর্তি গোসল ব্যতিরেকে) ১১ বিবির সহিত সঙ্গম করিতেন
(৯ জন বিবাহ সুত্রে ও ২ জন শররিয়তী স্বত্বাধিকার সুত্রের)
[দ্র: বোখারী, ১ম খণ্ড, আজিজুল হক, হাদিছ নং-১৯০, হামিদিয়া লাইব্রেরী]
এই হাদিসটি পাবেন বুখারি শরিফের বাংলা অনুবাদের এই অংশ থেকে- (পৃষ্টা ১৯৪, হাদিস নম্বর ১৯০)
://..//---1--167-219.
আর সম্পূর্ণ বুখারির অনুবাদ ডাউনলোড করতে হলে
://../.
ফুয়াদ আগস্ট 8, 2011 4:49 পূর্বাহ্ন -
@সৈকত চৌধুরী,
লেখকের দেওয়া অনুবাদের উপর-ই আমি যুক্তি দিয়েছি, উনি আমার যুক্তিটা পাশ কেটে আমি উনার অনুবাদের যে দুর্বলতা তুলে ধরেছি সেটাকে হাইলাইট করেছেন
আমি পরিষ্কার বলেছিঃ
আপনি কোন বাক্যের কোন অর্থ ধরবেন সেটা আপনার বিষয়, কিন্তু সাধারন মানুষ কেন ধরে নিবে যে অর্থ আপনি ধরে নিয়েছেন ? তারপরও আপনি যে অর্থ নিয়েছেন সেই অর্থ নিয়েই আমি কাজ করব-ফুয়াদ
আমি অনুবাদটি কেন দুর্বল তা সুস্পষ্ট ভাষায় বলে দিয়েছি, আমার মনে হয় না আপনার দ্বিমত করার কিছু আছে, তবুও বলে রাখা ভাল, শায়খুল হাদিস আজিজুল হক সাহেব জ্ঞানী মানুষ, উনি উনার জ্ঞানের অনুষারে ঐ অর্থ নিয়েছেন, ব্রেকেটে-ও কিছু লেখেছেন, যা গনীতের নিয়মের বিরুদ্ধে
আজিজুল হক সাহেব খুব সম্ভবত, এই ঘটনাকে মিরাকেল মনে করছেন
আপনাদের ঐ একই ঘটনাকে মিরাকেল বলে মেনে নেওয়াতে ঠিক দুইটি সমস্যা আছে
সমস্যা ১ঃ যদি ঐ ঘটনাকে আপনি মিরাকেল হিসাবে মেনে নেন, তাহলে আপনি রাসুল সাঃ মিরাকেল করতে পারেন মেনে নিলেন
অর্থ্যাৎ, আপনি উনাকে রাসূল হিসাবে স্বীকার করে নিলেন
সমস্যা ২ঃ যদি ঐ অর্থ না নেন, তাহলে অভিযোগ সেখানেই খতম, অভিযোগ তোলাই সম্ভব হবে না
উপরন্তু আপনারা যে অর্থ নিতে চাইছেন, তার উপর আমার করা কমেন্ট ভবঘুরে সাহেবের অভিযোগ সমাধান করতে সক্ষম
তাই আশা করব, কাউকে অন্ধ সমর্থন না দিয়ে, তার ভুল গুলো তাকে ধরিয়ে দিবেন
এতে করে, তার এবং আপনার, এমনকি সকল পাঠক বৃন্দের উপকার হতে পারে
এবং এটাই কি করা উচিত নয় ?
আবুল কাশেম আগস্ট 9, 2011 5:13 পূর্বাহ্ন -
@ফুয়াদ,
মাওলানা আজিজুল হকের অনুদিত সহিহ বোখারী থেকেঃ
১.১৯১ আয়েশা (রাঃ) বর্ণনা করিয়াছেন, (হজ্জের সফরে) রসুলুল্লাহ ছাল্লালাহু অসাল্লামকে সুগন্ধি লাগাইয়া দিয়াছি
তিনি স্ত্রীগণের সহবাসে গোসল করিয়া এহরাম বাঁধিয়াছেন - ওই সময় শরীর হইতে সুগন্ধি নির্গত হইতেছিল
(ইংরাজি হাদিস 1.5.267, 270)
আমার ব্যক্তিগত মত বাদ দিলাম
এই হাদিস ব্যাপারে আপনার কি ্মন্তব্য?
ভবঘুরে আগস্ট 7, 2011 7:04 অপরাহ্ন -
@ফুয়াদ,
স্ত্রীলোকটি আমার দিকে অগ্রসর হয়ে একটা শয়তানের রূপ ধারন করল
আপনার মতে উপরোক্ত বক্তব্যের প্রকৃত অর্থ কি ? নাকি এটা একটা রূপক যা ইদানিং আপনারা ব্যপকভাবে আবিষ্কার করে চলেছেন ?
টেকি সাফি আগস্ট 7, 2011 8:17 অপরাহ্ন -
@ভবঘুরে,
একটা হতে পারে স্ত্রীলোকদের শয়তান বলা হয়েছে অথবা শয়তান এসেছিলো স্ত্রীলোকের রুপ ধরে, কিন্তু আমি হাসতে হাসতে মরছি নবি স্পষ্ট করেই ঘোষনা করছে স্ত্রীলোকটি আমার দিকে অগ্রসর হয়ে একটা শয়তানের রূপ ধারন করল অর্থাৎ উনি বুঝলেই এইটা আসলে শয়তান...তারপরও উনি উত্তেজিত হয়ে গেলেন... ব্যাপক হাসি পাইতেছে :: ::
গোলাপ আগস্ট 8, 2011 5:24 পূর্বাহ্ন -
@ফুয়াদ,
আপনাকে একটা সোজা প্রশ্ন করেছিলাম, "ইসলামী বিধানে 'মুহাম্মাদের' কোন কাজের সমালোচনাকারী শাস্তি কি?"
তার উত্তরে আপনি আগডুম-বাগডুম অনেক কিছু লিখেছেনঃ যেমন,
ইসলাম অনুষারে এক মাত্র আল্লাহ পাক বাদে কেউ ভুল ত্রুটির উর্ধ্বে নয়
পৃথিবীর সব মানুষের ভুল হয়
কেউ ভুল ত্রুটির উর্ধ্বে নয় এটা পৃথিবীর তাবৎ মানুষ, 'যার একটা মাথা' আছে, সবাই জানে
"ইসলাম অনুষারী" হওয়ার প্রয়োজন নাই
আমাদের আহলে সুন্নাতুয়াল জামাতের মতে যেহেতু উনার উপর ওহী নাজিল হত, তাই তিনি ভুল করার সাথে সাথেই আল্লাহ পাক তা ঠিক করে দিতে্ন, যদিও তিনি ভুল ত্রুটির উর্ধ্বে নন
"ভুল করার সাথে সাথেই আল্লাহ পাক তা ঠিক করে দিতে্ন" তা আপনি কিভাবে জানলেন? আপানার মন্তব্য সত্যি হলে 'মুহাম্মাদের যাবতীয়' কাজ-কর্ম-আদেশ-নিষেধ" সবই আল্লাহর দ্বারা "এডিট" হয়ে পাবলিকের কাছে আসছে
সুতরাং মুহাম্মাদ (মানুষ হিসাবে) যদি ভুল করেও থাকে "সাথে সাথেই আল্লাহ পাক তা ঠিক করে দিতে্ন"
আল্লাহ (বিশ্ব-স্রষ্ঠা) ভুল করেন (আবিশাস্য প্রস্তাবনা) এটাতো ভাবা ই যায় না
সুতরাং মুহাম্মাদের (আল্লাহর) কাজের কোনই ভুল নেই
তাই তদের কাজের কোন বিতর্ক অসম্ভব! মুহাম্মাদ ও তার আল্লাহর অবিশ্বাসী হলে পরিনাম কি হবে তা আগের কিছু মন্তব্যে লিখেছিলাম
দেখুন এখানে, এখানে
ও মা তার পরেই দেখি,
রাসুল সাঃ এর বিভিন্ন কাজের উপর বিতর্ক আপনি করতে পারবেন, তবে তা অবশ্যই সত্য বুঝার জন্য করতে হবে
সাহাবীগন আমাদের নিকট অতী সম্মানী
কিন্তু তারাও ভুলের বাহিরে নন
কিন্তু তাদের ভুল নিয়ে তাদের প্রতি অসম্মান দেখানো আমাদের পক্ষে অন্যায়
বিশ্বাসীদের কাছে আল্লাহ /রসুলের ( ) কাজের কোনই ভুল নেই
তারা তো এটা সত্য বলে ধরেই নিয়েছে
"অবশ্যই সত্য বুঝার জন্য" বিশ্বাসীরা আরো প্রশ্ন করতে যাবে কেন? সত্যের উপর সত্য, তার উপরে সত্য জানার জন্যে? এটা তাদের জন্যে বেশ রিস্কি (!?) কারন, অবিশ্বাসীদের শাস্তি কি তা তো আল্লাহ(মুহাম্মাদ) কুরানের পাতায় পাতায় বর্ননা করেছেন- তা হবে দুনিয়াতে (মুস্লীমরা ক্ষমতাধর হলে -মদীনার আয়াত), আর আখেরাতে (ক্ষমতাধর না হলে - মক্ক...
আপনি নিশ্চই মিথ্যা অপবাদ কি জিনিস তাহা বুঝেন
আপনি সমালচনার নামে মিথ্যা অপবাদ দিবেন সেটা কিসের ভিত্তিতে ন্যায্য হল ? তা কি বুঝাতে পারবেন
তুচ্ছ তামাশা একটা জিনিস, মিথ্যা অপবাদ আরেকটা জিনিস, সত্যের বিকৃতি করা আরেকটা জিনিস, সমালোচনা করে একটা জিনিস, ভাল মন্দ বিচার করা ভিন্ন জিনিস
মিথ্যা অপবাদ বলতে আপনি কি বুঝাতে চাচ্ছেন তা 'মোটেও" স্পষ্ঠ নয়
লেখক এখানে 'রেফারেন্সের' সহ লিখেছেন
তার নিজের বাখ্যাও দিয়েছেন
আপনার কাছে তার ব্যখ্যা আরেক রকম মনে হলে আপনিও পাল্টা রেফারেন্স দিয়ে লেখক /পাঠকদের সাহায্য করুন