content
stringlengths
0
129k
নতুন ব্লগ লিখুন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
নারীই বন্ধ প্রকাশনায়
মিসিং লিংক কি সত্যিই মিসিং? প্রকাশনায় অনিন্দ্য পাল
অশ্লীল ভিডিওটি দেখলে কেন? প্রকাশনায় বিধান
নারীই বন্ধ প্রকাশনায় বিধান
বিষণ্ণতায় আমি, এবং কারণ খুঁজে দেখার চেষ্টা প্রকাশনায়
বিষয় অনুযায়ী লেখা
বিষয় অনুযায়ী লেখা একটি বিভাগ পছন্দ করুন অতিমারী (4) অনন্ত বিজয় (24) অনুবাদ (94) অভিজিৎ বিজ্ঞান (12) অভিজিৎ বিতর্ক (10) অভিজিৎ সাহিত্য (4) ই-বই (150) আমার চোখে একাত্তর (22) দ্য গ্রান্ড ডিজাইন (9) ভালবাসা কারে কয়? (67) ইতিহাস (356) উদযাপন (143) ডারউইন দিবস (78) ওয়াশিকুর বাবু (7) কবিতা (481) আবৃত্তি (79) ছড়া (25) খে...
(আগের পর্বের পর...) ... ৭.০ : চার্বাক-ষষ্ঠি ... বিভিন্ন প্রাচীন গ্রন্থে চার্বাকের নামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রচলিত লোকগাথা বা লোকগাথার আদলে সংগৃহিত শ্লোক সংকলন হচেছ 'চার্বাক-ষষ্ঠি'
পণ্ডিতদের মতে চার্বাকষষ্ঠি হলো বার্হস্পত্য-সূত্রের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
প্রাচীন দর্শন গ্রন্থের রচয়িতারা চার্বাক মত উপস্থাপন করতে গিয়ে এই শ্লোকগুলিরও আশ্রয় নিয়েছেন ব্যাপকভাবে
ষষ্ঠি অর্থ ষাট
চার্বাকষষ্ঠিতে চার্বাকের নামে প্রচলিত প্রামাণিক [...]
রণদীপম বসু|2012-07-2721:52:58+06:00জুলাই 19, 2012|: দর্শন, ধর্ম, বিতর্ক, ব্লগাড্ডা, মুক্তমনা, সমাজ|: চার্বাক, ষষ্ঠি|1
অনুসন্ধান করুন
:
লগ ইন
নতুন ব্লগ লিখুন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
নারীই বন্ধ প্রকাশনায়
মিসিং লিংক কি সত্যিই মিসিং? প্রকাশনায় অনিন্দ্য পাল
অশ্লীল ভিডিওটি দেখলে কেন? প্রকাশনায় বিধান
নারীই বন্ধ প্রকাশনায় বিধান
বিষণ্ণতায় আমি, এবং কারণ খুঁজে দেখার চেষ্টা প্রকাশনায়
বিষয় অনুযায়ী লেখা
বিষয় অনুযায়ী লেখা একটি বিভাগ পছন্দ করুন অতিমারী (4) অনন্ত বিজয় (24) অনুবাদ (94) অভিজিৎ বিজ্ঞান (12) অভিজিৎ বিতর্ক (10) অভিজিৎ সাহিত্য (4) ই-বই (150) আমার চোখে একাত্তর (22) দ্য গ্রান্ড ডিজাইন (9) ভালবাসা কারে কয়? (67) ইতিহাস (356) উদযাপন (143) ডারউইন দিবস (78) ওয়াশিকুর বাবু (7) কবিতা (481) আবৃত্তি (79) ছড়া (25) খে...
'://..//.?=বিষয়শ্রেণী:যোগাযোগ_মাধ্যম_বিশ্লেষণ&=4732906' থেকে আনীত
বিষয়শ্রেণীসমূহ:
বিশ্লেষণ
যোগাযোগ মাধ্যম বিদ্যা
এ পৃষ্ঠায় শেষ পরিবর্তন হয়েছিল ০৭:৩৪টার সময়, ৬ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে
লেখাগুলো ক্রিয়েটিভ কমন্স অ্যাট্রিবিউশন/শেয়ার-আলাইক লাইসেন্সের আওতাভুক্ত; এর সাথে বাড়তি শর্ত প্রযোজ্য হতে পারে
এই সাইট ব্যবহার করার মাধ্যমে, আপনি এটি ব্যবহারের শর্তাবলী ও এর গোপনীয়তা নীতির সাথে সম্মত হচ্ছেন
উইকিপিডিয়া®, অলাভজনক সংস্থা উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের একটি নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক
বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ার সারিয়াকান্দি'র কৃতি সন্তান ড, একেএম আজহারুল ইসলাম বিশ্ব বিজ্ঞানী এবং বিশ্ববিদ্যালয় র্যাংকিং এ পদার্থ বিজ্ঞানে বাংলাদেশে ৪র্থ (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ম) স্থান অর্জন করেছেন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন মেয়াদের সাবেক ভিসির বৈজ্ঞানিক ভিত্তি হলাে এইচ ইনডেক্স, আই-টেনইনডেক্স, টোটাল সাইটেশন এবং অন্যান্য
বিজ্ঞানের সকল ধারার বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনী, গবেষণা, অর্জন ইত্যাদি বৈজ্ঞানিক কর্মকান্ডের মূল্যায়নে সারা পৃথিবীতে কর্মরত প্রায় ৮৮ লাখ বিজ্ঞানীর মধ্যে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ভিত্তিতে ৭ লক্ষাধিক বৈজ্ঞানিকের র্যাংকিং করা হয়
এতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৯ জনসহ বাংলাদেশের ১৭৯৪ জন বিজ্ঞানী ব্ল্যাংকপ্রাপ্ত হন
এতে এশিয়া মহাদেশের ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৭৩ জন এবং বিশ্বের ৭ লাখ ৯ হাজার ৩৮৯ জন বিজ্ঞানীর র্যাংকিং করা হয়
নির্বাচিত বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রাপ্ত স্কোরের ভিত্তিতে ভিসি ড. একেএম আজহারুল ইসলাম বাংলাদেশে ৪র্থ, এশিয়া মহাদেশে ১ হাজার ৫৫১তম এবং বিশ্বে পদার্থ বিজ্ঞানীগণের মধ্যে ৮ হাজার ৭৭৩তম র্যাংকিং লাভ করেন
তিনি ১৯৬৮ সালের জানুয়ারিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থ বিজ্ঞানে শিক্ষকতা শুরু করেন
পরবর্তীতে তিনি ২০০২ সালে চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন
গবেষণা জার্নালে তার ২৬৭টি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে
এসবের প্রায় সবগুলাে প্রবন্ধই প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক জার্নালে
তিনি দেশের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ছাড়াও দেশ-বিদেশ থেকে গােল্ড মেডেলসহ এ পর্যন্ত মােট ১৬টি পুরস্কার লাভ করেছেন
এরমধ্যে পদার্থ বিজ্ঞানে গবেষণার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বাংলাদেশ থেকে প্রথম ২০০১ সালে আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেন
এ যাবৎ তিনি ১৭টি গ্রন্থ রচনা করেছেন
এরমধ্যে নয়া দিল্লি থেকে একটি, নিউইয়র্ক থেকে একটি এবং বৈরুত থেকে একটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়
এছাড়াও দেশ ও বিদেশে পদার্থ বিজ্ঞানসহ অন্যান্য জনপ্রিয় বিষয়ে তার ১৪৯টি আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে
তিনি এখনও সক্রিয়ভাবে গবেষণা ও গ্রন্থ রচনা করে যাচ্ছেন
ড. ইসলাম ১৯৪৬ সালে বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার হাটশেরপুর ইউনিয়নের খােলাইল গ্রামে এক সম্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন
দেশের একমাত্র শিক্ষা বাের্ড ঢাকা থেকে তিনি ম্যাট্রিক পরীক্ষায় ৮ম স্থান অধিকার করেন
তিনি পরবর্তী সকল পাবলিক পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করেন
মাস্টার্স পরীক্ষায় কৃতিত্বের
শামীম হোসেন মিজি: সর্বজন স্বীকৃত বানী " শিক্ষায় জাতির মেরুদণ্ড "
কিন্তু সেই শিক্ষা শুধু একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে আবদ্ধ থাকুক তা আমাদের কাম্য নয়
দেশে যে শিক্ষা ব্যবস্থা বিদ্যামান আছে তারমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ দুটি মাধ্যম হল বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা
কিন্তু অবাক হওয়ায় বিষয় এই যে, চুয়াডাঙ্গা থেকে এই দুটি ক্ষেত্রে উচ্চ শিক্ষার্থীর সংখ্যা খুবই কম
বর্তমান যুগ ডিজিটালের যুগ , যেখানে বিশ্বের উন্নত দেশগুলো বিজ্ঞান শিক্ষায় গুরুত্ব দিয়ে উন্নতির আরও চরম শিখরে আরোহণ করছে, সেখানে আমাদের দেশের অবস্থান কোথায় !
এশিয়ার জাপান, চীন বিজ্ঞান শিক্ষায় গুরুত্ব দিয়ে উন্নতির পথে লাগামহীন ঘোড়ার মত ছুটে চলেছে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় চুয়াডাঙ্গা থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে মাত্র দুই জনের চান্স পাওয়ার খবর পেয়েছি, বিজ্ঞান বিভাগে প্রতিবারই প্রায় একই অবস্থা
শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষায় নুন্যতম পাশ মার্ক তুলতে পারছে না
বিজ্ঞান ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় এত কম সংখ্যক শিক্ষার্থী-এর পিছনে যে কারনগুলো আছে বলে মনে করি, সেগুলো হলো- আর্থিক সংকট, দক্ষ শিক্ষকের অভাব, পর্যাপ্ত ক্লাস না হওয়া, উপযুক্ত বিজ্ঞানাগার না থাকা, পরীক্ষার ফলাফল, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রভাব, সিলেবাসের মাত্রাতিরিক্ত চাপ, অত্যাধিক ব্যয়ভার, কোচিং নির্ভরতাা আর কর্মসংস্থানের অনিশ...
তাছাড়া স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে কিছু গাইড বই ছাড়া মাতৃভাষায় বিজ্ঞানের মৌলিক কোনো বই নেই বললেই চলে
মফস্বলে বিজ্ঞান ও গণিত পড়ানোর মতো শিক্ষক কম
আর বয়স্ক যারা আছেন তারা যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারছেন না
সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু নানা কারণে মাল্টিডাইমেনশনাল শিক্ষককে আকৃষ্ট করা যাচ্ছে না
মাল্টিমিডিয়া ক্লাস পরিচালনার জন্য চাই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ শিক্ষক
কিন্তু শিক্ষকের দক্ষতার অভাবে সরকারের এ প্রচেষ্টার সুফল পাচ্ছে না অধিকাংশ শিক্ষার্থী
দেশে কয়েক রকমের শিক্ষার কয়েকটি ক্ষেত্র দেখা যায় - মানবিক, ব্যবসায়ী শিক্ষা, বিজ্ঞান, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা
চুয়াডাঙ্গায় শিক্ষায় মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী বেশী তা আমার এই লেখায় এক লাইন আগে মানবিককে সবার সামনে স্থান দেওয়া দেখেই বুঝতে পারেন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সবচেয়ে বেশী চান্স পায় এই মানবিক বিভাগ থেকেই
শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন, দেশের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলতেও একই চিত্র
এবছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানবিক থেকে চান্স পেয়েছে প্রায় ৪০ জন
সেখানে বিজ্ঞান ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় যৌথভাবে ১০ জনও হবে না
চুয়াডাঙ্গা জেলা নিরক্ষরমুক্ত ১০টি জেলার একটি হলেও বিজ্ঞানযুক্ত জেলা হতে পারেনি
আর্থিক সঙ্কটের জন্য গ্রামগুলোতে গরীব অভিভাবকদের দেখা যায় ছেলেমেয়েদের মাদ্রাসা শিক্ষায় ভর্তি করতে
কেউ আবার স্কুল কলেজে দিলেও মানবিক বিভাগে ভর্তি করে
কারন
বিজ্ঞান ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় অনেক কোচিং করতে হয়, অনেক বই কিনতে হয়
এই ভীতিটা তৈরির জন্য আমি অভিযোগ করবো শিক্ষক ও প্রশাসনের দুর্বল মনিটরিং ব্যবস্থার উপর
সরকারের কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নির্দেশ শিক্ষক ও প্রশাসন কেউ আমলে নিচ্ছে না
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হলো ভাল মানের শিক্ষক সংকট
মফস্বলে বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষায় মানসম্মত দক্ষ শিক্ষকের এই সংকট আরও প্রকট
কারন ভাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা কেউ মফস্বলের স্কুল কলেজে যোগ দিতে চাই না
যদি সরকার এ ক্ষেত্রে শিক্ষকদের বেতন কাঠামো অন্য পেশার সাথে মিল রেখে ঠিক করে তাহলে এই সংকটের একটি সমাধান হতে পারে
যখন দেখি আমাদের শিক্ষকেরা তাঁদের বেতন কাঠামোর বিভিন্ন বৈষম্যের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আমরণ অনশন করে তখন খুব কষ্ট লাগে
তাহলে যেনে শুনে এ পেশায় আশার স্বপ্ন কে দেখবে ভাবুন
সরকারকে বিজ্ঞানের বিষয় ভিত্তিক মর্যাদা সম্পন্ন চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে
তাহলে এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে
শিক্ষকদের কাজ হবে, ছাত্রদের স্বপ্ন দেখতে শেখানো
একজন ছাত্রকে জ্ঞান দানের পাশাপাশি তার মধ্যে স্বপ্ন জাগিয়ে তোলাও একজন আদর্শ শিক্ষকের কর্তব্য
যদি একজন ছাত্রের মধ্যে স্বপ্নের একটি বীজ বপন করা যায়, তাহলে তার মধ্যে এমনিতেই জ্ঞানের পিপাষা তৈরী হবে
তাই এখনই যদি বিজ্ঞান শিক্ষার প্রতি নজর দেয়া না হয়, তাহলে অচিরেই বাংলাদেশের বিজ্ঞান মনস্ক জ্ঞান নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়বে
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যত রকম প্রচেষ্টাই নেয়া হোক না কেন, বিজ্ঞান শিক্ষা ও গবেষণার প্রতি পর্যাপ্ত গুরুত্ব না দিলে তা কখনই ঈপ্সিত লক্ষ্যে পৌছাতে পারবে না