content
stringlengths
0
129k
বিজ্ঞাপন
সরকারের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক অধ্যাপক বে-নজির আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, 'সাম্প্রতিক সময়ে টিকার ব্যাপারে প্রচার-প্রচারণা কম হয়েছে
অনেক মানুষ জানেনই না তাঁদের কখন টিকা নিতে হবে
তাই বিরাটসংখ্যক মানুষ দ্বিতীয় ডোজ নিতে আসেননি
দ্বিতীয়ত, করোনার প্রকোপ কমে আসার কারণে অনেকে হয়তো মনে করছেন, টিকার আর প্রয়োজন নেই
'
অপরদিকে প্রথম ডোজ টিকা নিয়ে দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় আছেন ১ কোটি ৪৭ লাখ ৪০ হাজার ১৭ জন
অন্যদিকে নিবন্ধন করে টিকার অপেক্ষায় আছে ১ কোটি ৬৩ লাখ ৭৬ হাজার ৭১৫ জন
১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের টিকাদান শুরু হওয়ার কথা ১ নভেম্বর
এতে প্রয়োজন হবে বাড়তি জনবল
এ অবস্থায় এর আগে নিবন্ধন করা ব্যক্তিদের টিকাদান আরও বিলম্বিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন
কয়েক সপ্তাহ ধরে নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ২ শতাংশের নিচে
দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও দুই অঙ্কের নিচে দেখা যাচ্ছে
বিজ্ঞাপন
দ্বিতীয় ডোজ নিয়ে জটিলতা
টিকাদানে গতি আনার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়মিত টিকাদান ছাড়াও বিশেষ দুটি ক্যাম্পেইনের আয়োজন করে
প্রথম ক্যাম্পেইন হয় ৭ আগস্ট
দ্বিতীয় ক্যাম্পেইন ছিল ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন ঘিরে
ক্যাম্পেইনের সময় স্বাস্থ্য বিভাগ ৮০ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল
২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর মোট ৭৮ লাখ ১১ হাজার ২১৬ জনকে তারা সিনোফার্মের প্রথম ডোজ টিকা দিয়েছিল
এর মধ্যে ২৮ সেপ্টেম্বর দিয়েছিল ৬৬ লাখ ২৫ হাজার ১২৩ জনকে
ক্যাম্পেইনের সময় নিয়মিত করোনা টিকাকেন্দ্রের বাইরে দেশের ৪ হাজার ৬০০ ইউনিয়ন, ১ হাজার ৫৪টি পৌরসভার ওয়ার্ড ও ১২টি সিটি করপোরেশনের ৪৩৩টি ওয়ার্ডে টিকার বুথ করা হয়
সিনোফার্মের টিকার কার্যকারিতা রক্ষার জন্য প্রথম ডোজ নেওয়ার চার সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ নিতে হবে
সেই হিসেবে ২৮ অক্টোবর দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার দিন নির্ধারিত ছিল
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ-ও বলেছিল যে ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর প্রথম ডোজ নেওয়া সবাই ২৮ অক্টোবর দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারবেন
কিন্তু সবাই টিকা নিতে আসেননি
অর্থাৎ নির্ধারিত দিনে টিকা নিতে সাড়ে ২৩ লাখের বেশি মানুষ অনুপস্থিত ছিলেন
এই অনুপস্থিতি ছিল সব জেলাতেই
যেমন ২৮ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর জেলায় প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছিলেন ৮৫ হাজার ৯০০ জন
২৮ অক্টোবর দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৮০ হাজার ৯০৩ জন
অর্থাৎ প্রায় ৬ শতাংশ মানুষ অনুপস্থিত ছিলেন
জাতীয়ভাবে তা ১৭ শতাংশের বেশি
খুলনা জেলার দক্ষিণের একটি উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বলেন, বৃহস্পতিবার কয়েকটি ইউনিয়নে নিয়মিত ইপিআই থাকায় সেসব ইউনিয়নে করোনার টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়নি
আজ শনিবার দেওয়া হবে
চট্টগ্রাম বিভাগের একজন সিভিল সার্জন বলেছেন, দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার জন্য মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠানোতে বিলম্ব হয়েছে বা মানুষ বিলম্বে পেয়েছেন
তাই মানুষ ঠিক সময়ে আসেননি
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনার টিকা ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যসচিব শামসুল হক প্রথম আলোকে বলেন, 'রুটিন ইপিআই থাকায় অনেক স্থানে করোনার টিকা দেওয়া সম্ভব হয়নি
আশা করি শনিবার সবাই দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিতে আসবেন
'
তবে টিকার জন্য মাঠপর্যায়ে কোনো প্রচার-প্রচারণা দেখা যায়নি
গ্রামগঞ্জ, শহর বা মহানগরে মাইকিং শোনা যায়নি বা ব্যানার-ফেস্টুন দেখা যায়নি
গণমাধ্যমগুলো নিজেদের উদ্যোগে সংবাদ প্রচার করেছে
করোনা টিকাদানের শুরুতে অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টিকাদানের কথা প্রচার করতেন
এখন সেটিও অনেক কমে এসেছে
অধ্যাপক বে-নজির আহমেদ বলেন, টিকা নেওয়ার জন্য জোর প্রচার-প্রচারণা চালানো উচিত
দ্বিতীয় ডোজের জন্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা দরকার
পূর্ণ দুই ডোজ না নিলে সুরক্ষা নিশ্চিত হবে না
এটি ভবিষ্যতের জন্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে
বিজ্ঞাপন
অপেক্ষার লাইন দীর্ঘতর হচ্ছে
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শিউলি আক্তার গতকাল শুক্রবার এই প্রতিবেদককে বলেন, টিকার জন্য তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ কেন্দ্রে নিবন্ধন করেছেন ২ আগস্ট
প্রায় তিন মাস হতে চলল, তিনি টিকা নেওয়ার জন্য কোনো বার্তা পাননি
এ রকম উদাহরণ আরও আছে
এরই মধ্যে সরকার ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের টিকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে
১ নভেম্বর তাদের টিকা দেওয়া শুরু হওয়ার কথা
তাদের দেওয়া হবে ফাইজারের টিকা
ফাইজারের টিকা অতিশীতল তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হয়
সব উপজেলা তো দূরের কথা, অধিকাংশ জেলায়ই ফাইজারের টিকা সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই
এই পরিস্থিতিতে শিশুদের টিকা দিতে বিশেষ ব্যবস্থা ও বাড়তি জনবলের প্রয়োজন হবে
তাতে ইতিমধ্যে নিবন্ধন করা ব্যক্তিদের টিকাদান আরও বিলম্বিত হওয়ার ঝুঁকি আছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন
ভাসানচরে রোহিঙ্গা স্থানান্তরের একমাস পুর্ণ হল
কর্মসংস্থান, শিক্ষা কার্যক্রমসহ সরকারী উদ্যোগগুলো এখনও পুরোদমে চালু হয়নি
তবে রোহিঙ্গাদের কেউ কেউ নিজেদের উদ্যোগে কাজে নেমেছেন
ভাসানচরে রোহিঙ্গা স্থানান্তরের একমাস পুর্ণ হল
কর্মসংস্থান, শিক্ষা কার্যক্রমসহ সরকারী উদ্যোগগুলো এখনও পুরোদমে চালু হয়নি
তবে রোহিঙ্গাদের কেউ কেউ নিজেদের উদ্যোগে কাজে নেমেছেন
আশ্রয়ণের পুকুরগুলোতে শুরু হয়েছে হাঁস ও মাছের দৌড়ছাপ
পরম মমতায় বেড়ে উঠছে মুরগী
বড় পরিসরে মাছ ধরার প্রস্তুতি নিতে চান রোহিঙ্গা জেলেরা
সেলাই মেশিনের শব্দে মুখর ভাসানচর আশ্রয়ণ
রপ্তানীযোগ্য গার্মেন্টসে কাজ করার স্বপ্ন দেখেন রোহিঙ্গা মেয়েরা
আবসাবপত্র বানাতে ব্যস্ত কাঠমেস্ত্রীরা
সরকার কিংবা দাতা সংস্থার সহযোগিতায় দোকান খুলতে চান অনেকেই
কর্মসংস্থান ও শিক্ষাসহ নানামুখী কার্যক্রম শুরু করতে প্রক্রিয়া চালাচ্ছে সরকার
ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিচালক কমোডোর আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী জানান, দ্রুত শুরু হবে এসব প্রকল্প
হাতের কাজ জানা থাকলে যেকোন পরিস্থিতিতে; এমন কী শরণার্থী জীবনেও চলা সহজ হয় বলে বিশ্বাস কাঠমেস্ত্রি আবুল হোসেনের
আবুল হোসেনের মতো অনেকেই ভাসানচরে এসে কর্মব্যস্ত হয়ে উঠেছেন মাত্র একমাসের মাথায়
এরকম নিজেদের কর্মদক্ষতাকে কাজে লাগাতে শুরু করেছেন রোহিঙ্গাদের কেউ কেউ
মোয়াজ্জেম হোসাইন সাকিল, ভয়েস অফ আমেরিকা, ভাসানচর, চট্টগ্রাম
মেডিকেল কাঁচামাল কাঁচামাল ভেটেরিনারি কাঁচামাল ভিটামিন কাঁচামাল অ্যান্টিবায়োটিক কার্ডিওভাসকুলার ওষুধ অ্যান্টিভাইরাল অ্যামিনো অ্যাসিড খাদ্য সংযোজনকারী সক্রিয় ফার্মাসিউটিক্যাল উপাদান খাদ্য সংযোজন উপাদান প্রসাধনী গ্রেড নির্যাস স্টেরয়েড হরমোন ফার্মাসিউটিক্যাল ফাইন কেমিক্যাল
আমাদের সম্পর্কে
কারখানা ভ্রমণ
মান নিয়ন্ত্রণ
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন
উদ্ধৃতির জন্য আবেদন
বাড়ি পণ্যমেডিকেল কাঁচামালক্যাস 8049-47-6 প্যানক্রিটিন এপিআই বাল্ক পাউডার এনজাইম এবং শূকর পোরসিন প্যানক্রিয়াস থেকে কোএনজাইম
ক্যাস 8049-47-6 প্যানক্রিটিন এপিআই বাল্ক পাউডার এনজাইম এবং শূকর পোরসিন প্যানক্রিয়াস থেকে কোএনজাইম
চ্যাট
বিস্তারিত তথ্য
পণ্যের বর্ণনা
সি এ এস নং:
8049-47-6
ইসি নং:
232-468-9
নাম:
প্যানক্রিয়াটিন
দ্রাব্যতা:
<> .</> <>পানিতে দ্রবণীয়
</> <> .</> <>অ্যালকোহল
ঝুঁকি কোড: