content
stringlengths
0
209k
সে দেশদ্রোহী
তবে আমরা পাকিস্তানের নাগরিকদের সম্মানের সঙ্গে মাঠে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে
এ বিষয়ে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি কাজী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ঢাকায় খেলা চলার সময় আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম পাকিস্তানের জার্সি ও পতাকা নিয়ে কোনো বাংলাদেশি মাঠে প্রবেশ করতে পারবেন না
আরও পড়ুন
রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বিদেশে যেতে হবে খালেদাকে: হানিফ
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বের হয়ে যাওয়া ও বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ
সিলেট থেকে বিদেশে পণ্য রপ্তানির ব্যবস্থা করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
তিনি বলেন, ঘোষণা অনুযায়ী আজ খেলা শুরুর আগে থেকেই মাঠের প্রবেশপথে আমরা অবস্থান নিই
এক তরুণ পাকিস্তানি জার্সি পরে মাঠে প্রবেশের চেষ্টা করেন
প্রথমে আমরা তাকে বোঝাতে চেষ্টা করি
কিন্তু তিনি রাজি হননি
পরে তার শরীর থেকে পাকিস্তানি জার্সি খুলে নেন আমাদের কর্মীরা
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে স্টেডিয়ামে অনুশীলনের সময় পতাকা ওড়ানো এবং গ্যালারিতে বাংলাদেশিদের হাতে পাকিস্তানের পতাকা এখন আলোচিত ইস্যু
এর মধ্যেই এ ঘটনা ঘটল
24. নাজিম
পরবর্তী খবর
জ‌ঙ্গিবাদ ধর্মকে কেন্দ্র ক‌রে হয় না: ভারতীয় হাইক‌মিশনার
২৬ নভেম্বর, ২০২১ ১৭:০৬ ৩৯৯ প্রিন্ট করুন
অনলাইন ডেস্ক
অ-
অ+
ভারতীয় হাইক‌মিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী
ভারতীয় হাইক‌মিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী বলেছেন, সন্ত্রাসী হামলা, জ‌ঙ্গিবাদ ধর্মকে কেন্দ্র ক‌রে হয় না, মানুষ রাজ‌নৈতিক স্বা‌র্থে জ‌ঙ্গিবাদ ক‌রে
দ‌ক্ষিণ এ‌শিয়ার জ‌ঙ্গিবাদ রুখ‌তে স‌ম্মি‌লিত প্র‌চেষ্টা প্র‌য়োজন
ধর্ম সম্প‌র্কে প‌রিস্কার ধারণা রাখ‌তে হ‌বে এবং ধ‌র্মের না‌মে স‌হিংসতা রোধ কর‌তে হ‌বে
জ‌ঙ্গিবাদ, মৌলবাদের বিরু‌দ্ধে মান‌বিকতার স্বচ্ছতা ধারণ কর‌তে হ‌বে
বিস্তারিত আসছে...
আরও পড়ুন:
রিজওয়ানের বাংলা বলায় হাসলেন লিটন (ভিডিও)
24. তৌহিদ
পরবর্তী খবর
নটরডেম শিক্ষার্থীর মৃত্যু: ঘাতক গাড়ির মূল চালক গ্রেপ্তার
২৬ নভেম্বর, ২০২১ ১৬:৩০ ৩৫৭ প্রিন্ট করুন
অনলাইন ডেস্ক
অ-
অ+
হারুন মিয়া
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ময়লার গাড়ি চাপায় নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী নাঈম হাসান নিহতের ঘটনায় অভিযুক্ত গাড়ির মূল চালক হারুন মিয়া ওরফে কাইল্লা হারুনকে (৩৭) গ্রেপ্তার করা হয়েছে
শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)
র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
আরও পড়ুন
রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বিদেশে যেতে হবে খালেদাকে: হানিফ
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বের হয়ে যাওয়া ও বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ
সিলেট থেকে বিদেশে পণ্য রপ্তানির ব্যবস্থা করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
তিনি বলেন, ডিএসসিসির ময়লার গাড়ির চাপায় নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী নাঈম হাসান নিহতের ঘটনায় ছায়া তদন্ত শুরু করে র‌্যাবের গোয়েন্দা দল
তদন্তকালে র‌্যাবের অভিযানে অভিযুক্ত গাড়ির চালক হারুন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়
সৌমিন খেলন : কর্ম ক্ষেত্রে সফলতার সাক্ষর রেখে নেত্রকোণার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ফখরুজ্জামান জুয়েল নবম বারের মতো জেলা পুলিশের শ্রেষ্ঠ সার্কেল এসপি নির্বাচিত হয়েছেন
বৃহস্পতিবার (২৪ জানুয়ারি) জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝি কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ জুয়েলকে ক্রেষ্ট, সম্মাননা সনদ ও আর্থিকভাবে পুরষ্কৃত করেন
এ সময় জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) জয়দেব চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) দায়িত্বে থাকা পুলিশ সুপার (এসপি) এস. এম আশরাফুল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শাহ্জাহান মিয়া, মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বোরহান উদ্দিন খান, বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বদরুল আলম খান প্রমূখ
মুক্তিযোদ্ধা সন্তান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি, জেলা পুলিশের সদর সার্কেল অফিসার হিসেবে যোগ দেন
এরপর থেকে তিনি মাদক, জুয়া, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড তথা অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন
আজকে ২য় পয়েন্টটা লেখার কথা
কিন্তু হঠাৎ করেই ১ম পয়েন্টের আর একটা উদাহরণ মনে পড়লো- হিল্লা বিয়ের আইনটা
আমার ছোট বেলায় নাটক সিনেমার একটা কমন দৃশ্য ছিলো যে স্বামী এসে ভাত চেয়েছে, বউ বলেছে ভাত হয় নাই, স্বামী রেগে গিয়ে যাহ তোরে আমি তালাক্ব দিলাম বলে তিন তালাক্ব দিয়ে দিলো
আর মেয়েটা আল্লাগো বলে একটা চিল্লান দিলো
তারপর তাদের হিল্লা বিয়ে হল ইত্যাদি নানা কিছু
আসলে কি তালাক্বের ব্যাপারটা এমন? তে কোর্সে যখন বিয়ে এবং তালাক্বের নিয়ম বিস্তারিত পড়েছিলাম, আমার পুরা মুখ হা হয়ে গিয়েছিলো
নিয়মটা কী, আর আমরা জানিটা কী!
যাই হোক, এবার ২য় পয়েন্টে আসি
দ্বিতীয়ত,বেশ কিছু ব্যাপারে ইসলামী আইনের প্রজ্ঞা এখন প্রশ্নবিদ্ধ
কেন ইসলামী আইন কোনো একটা কিছুর বিধান দিয়েছে সেটা প্রচলিত আইনের সাথে তুলনা করে ইসলামী আইনের তুলে ধরা যায়
যেমন ধরুন মৃত্যু দণ্ড প্রথাটা বর্বর মনে করে অনেক দেশই এখন এটাকে নিষিদ্ধ করেছে
কিন্তু কার্যকারিতার দিক থেকে চিন্তা করলে এবং অর্থনৈতিকভাবে দীর্ঘমেয়াদে চিন্তা করলে মৃত্যু দণ্ড বেশী কার্যকরী পন্থা
আমার ইউনিভার্সিটির ইকোনোমেট্রিক্স এর প্রফেসরের রিসার্চ পেপার আছে ২টা এটার উপর
মজার ব্যাপার হচ্ছে এটা নিয়ে পেপার নাই বললেই চলে
মুসলিমদের তো প্রশ্নই উঠে না, নন-মুসলিমদের মাঝেও নাই
এটা জাস্ট একটা ছোট্ট উদাহরণ যা আমার মত - এর মাথায় এসেছে
তৃতীয়ত, 'ল' ফিল্ডটার নিয়ে কাজ করতে পারেন কেউ
দেখাতে পারেন যে আজকে যত মানব রচিত আইন আছে সেটার উৎস কোনো না কোনোভাবে কোনো ধর্মীয় গ্রন্থের ( যেমন বাইবেলের 10 ) সাথে সম্পর্কিত
তাই আজকে ধর্মের প্রয়োজনীয়তা যতই অস্বীকার করা হোক না কেন, মানুষের পক্ষে একদম থেকে শুরু করা আসলে সম্ভব না
আরো দেখানো যেতে পারে যে 'আইন' করে সমাজের সব প্রতিরোধ করা যায় না, নৈতিকতার প্রসার অপরিহার্য আর সেটা ধর্মীয় প্রভাব ছাড়া সম্ভব না
চতুর্থত, যে ল ফিল্ডটা নিয়ে পড়েছে তার বুঝা উচিৎ আগে কোনো এক সময়ে কোনো কোর্টে দেয়া রায় পরবর্তীতে বিচার করার সময় আইনের একটা উৎস হতে পারে, কিন্তু সেটার সাথে তুলনা করে আজকে রায় দেয়ার সময় অবশ্যই সময়, পরিস্থিতির পরিবর্তন, সাথে আগের কেসের সাথে এই কেসের পার্থক্য বিবেচনা করতে হয়
যে এটা বোঝে, সে মনে হয় ফতওয়া এবং শরীয়াহর মাঝে পার্থক্যটা বুঝতে পারবে সবচেয়ে সহজে!
আল্লাহ ভালো জানেন কিন্তু আমার কাছে মনে হয় যে আজকের প্র্যাক্টিসিং মুসলিমদের মাঝে একটা সমস্যা মহামারীর মত ছড়িয়ে গেছে, সেটা হচ্ছে ফতওয়া এবং শরীয়াহর মাঝে পার্থক্য বুঝতে না পারা
ফতওয়া একটা পরিস্থিতিতে, একটা সময়ে, একটা জায়গায় একটা মানুষের জন্য দেয়া একজন স্কলারের . সেই ফতওয়া আরেকজন মানুষ যার পরিস্থিতি, সময়, দেশ আলাদা তার জন্য প্রযোজ্য হবে নাকি সেটা চিন্তা না করেই আমরা একটা ফতোয়ার ওয়েবসাইট থেকে ফতওয়া কোট করে দিয়ে দেই
আমি নিজে থেকে প্রচুর ফতওয়া কোট করি, কিন্তু সেটাকে ঐশী বাণীর মর্যাদা দেই না, মানে সেটা মন দিয়ে পড়ি এবং আমি যে পরিস্থিতিতে আছি আর প্রশ্নকর্তার পরিস্থিতির মাঝে বিশাল কোনো পার্থক্য আছে নাকি সেটা বোঝার চেষ্টা করি
ফতওয়া শপিং করছি নাকি সেটাও খেয়াল রাখার চেষ্টা করি
এই ফ্রি মিক্সিং নিয়ে এর ফতওয়ার কথাই চিন্তা করুন (আমি এটা খুব মন দিয়ে পড়েছি) - এখানে কিন্তু ছেলে এবং মেয়ের উভয়ের জন্যই কো এডুকেশনে পড়া হারাম বলা হয়েছে, তারপর বেশ কিছু ব্যতিক্রমও দেয়া হয়েছে
( ://.//45883) আমরা এই ব্যতিক্রম গুলার কথা বলিনা, আমরা এই বিধান শুধু মেয়েদের উপর চাপিয়ে দেই এটা বলে যে ছেলেদের জন্য আয় করা ফরয
অথচ এই এর কথা কিন্তু ফতয়াতে বলা নাই
আমরা যদি এই ফতওয়াটার শরীয়াহ চিন্তা করি তাহলে দেখবো যে এখানেও কিন্তু কে নিষেধ করে দেয়া হচ্ছে
আমি বারবার বলছি যারা কো এডুকেশনে পড়ে করতে পারবে, এই পোস্ট তাদের জন্য
এ প্রসঙ্গে আর একটা কথা বলা দরকার মনে হচ্ছে- এর বিপক্ষে তুলে ধরা মূল হচ্ছে সেই বিখ্যাত হাদীস যে মেয়েরা ছেলেদের জন্য সবচেয়ে বড় ফিতনা
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোনো হাদীসের ব্যাপারে আমার মনে কোনো ধরণের দ্বিধা, ক্ষোভ নাই আলহামদুলিল্লাহ, কিন্তু আমার প্রায়ই মনে হয় যে এটা একটা হাদীস
মেয়েরা ঠিক কী করলে ফিতনা হয় এটার একটা সীমা আমরা নিজেদের ইচ্ছামত ঠিক করে নিয়েছি
ইচ্ছামত বলছি কারণ কিছু ভাইকে আমি দেখি যে বোরখার ডিজাইন নিয়ে আলোচনা করতে করতে শহীদ হয়ে যাচ্ছেন
আজকে যেখানে ইন্টারনেটে একটা ক্লিক করলে নারীদেহের - দেখা ও বিশ্লেষণ করা সম্ভব সেখানে তাদের জন্য আপাদমস্তক ঢাকা মেয়েরাও ফিতনা বোরখার রঙ এর জন্য বা বোরখার ডিজাইনের জন্য
কটা বোরখা পরা মেয়ের দিকে অনুবীক্ষণ যন্ত্র নিয়ে না তাকালে এগুলো বোঝার কথা কী না আল্লাহই ভালো জানেন
( যখন আমি ইসলামের ধারে কাছে ছিলাম না তখন হাম তুম একটা হিন্দি সিনেমায় নায়িকার একটা ডায়লগ ছিলো যা সে নায়ককে বলছিল- কথাটা কেন যেন আজো আমার ব্রেনে গেঁথে গেছে
ডায়লগটা ছিলো এমন- তুমহারা আঁখোমে এক্সরে হ্যাঁ কেয়া, কাপড়া কা আন্দার দেখ সাকতিহো! মানে তোমার চোখে কি এক্সরে আছে যে কাপড়ের মাঝ দিয়ে দেখতে পাও? খুব দুঃখ জনক হলেও কথাটা আমার কিছু কিছু প্র্যাক্টিসিং ভাইদের কথা শুনলে তাদের বলতে ইচ্ছা করে)
কিছু ভাইদের জন্য মেয়েরা ফিতনা হয়ে যান তাদের কণ্ঠ শুনলে
আমি অবশ্যই অথবা সংবাদ পাঠিকাদের কথা বলছি না কারণ আকর্ষণীয় কণ্ঠে নন-মাহরামদের সাথে কথা না বলার নির্দেশ সরাসরি কুরআনে এসেছে
আমি বলছি স্বাভাবিক স্বরে প্রয়োজনীয় কথাতে কী সমস্যা আল্লাহই জানেন
আমি নিজে তে পড়াই, নিয়মিত সেটার লাইভ সেশন নেই, আমার ছেলে ও মেয়ে উভয় ই আছে, আমার চেহারা দেখানো হয় না, আমি পারত পক্ষে চেষ্টা করি কণ্ঠের পর্দা বজায় রাখার জন্য, আল্লাহ জানেন পুরাপুরি পারি নাকি, কিন্তু চেষ্টায় ঘাটতি রাখি না......এখন এতেও যদি কারও সমস্যা হয়, আমার করার কিছু নাই
আসলেই নাই
কারণ আমি কোনো নাট্য কলা বা বিনোদনের কিছু পড়াই না, আমি আজকের অর্থনীতিতে সুদ কোনটা আর কোনটা না, এগুলা নিয়ে পড়াই, কারো যদি মেয়েদের কণ্ঠ শুনলে তাকে ফিতনা মনে হয় তাহলে তাদের জন্য চারটা অপশন আছে- ১