content
stringlengths
0
209k
প্রার্থীর বয়স ২৫-০৩-২০২০ তারিখে ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে হতে হবে
তবে মুক্তিযোদ্ধা /শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়স ৩২বছর
আবেদনের নিয়ম
আগ্রহী প্রার্থীরা (://...) ওয়েবসাইট থেকে আবেদনপত্র পূরণ করে আগামী ১৩-১০-২০২১ তারিখে পর্যন্ত জমা দিতে পারবেন
--- বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
সরকারি অন্যান্য পোর্টাল দেখুন
বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
--- বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
সরকারি অন্যান্য পোর্টাল দেখুন
বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
রফিক একবার নিজের পকেটে হাত দিল
শুধু একটা ২০ টাকার নোট
কোনোদিনই রফিকের অবস্থা তেমন স্বচ্ছল ছিল না, যা পুঁজি ছিল তাও শেষ হয়ে গেছে নিজের দুই ছেলে মেয়ের খরচাদি আর রাইসা,মামাতো বোনের দাম্পত্য জীবনের নির্যাতনের মামলা টানতে গিয়ে তার
তবুও রফিক কখনও পিছ-পা হয় নি
তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে আগামী ১৪ বছর সোহেল নামের পশুটির স্থায়ী ঠিকানা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার
একটা রিকশাকে হাঁক দিয়ে বললো, মিরপুর
তিতুমিরের মোড়
আজ ঘরে ফিরতে বেশ দেরি হয়ে গেছে
রাইসা আর বাচ্চারা নিশ্চয় এতক্ষণে ঘুম
রফিক নিঃশব্দে দরজা খুলে ভেতরে ঢুকতেই নিজের ঘরে আলো দেখতে পেয়ে একটু খুশি হলো
গত মাস খানেক ধরেই মুমতাজের মন ঘরে নেই
রফিকের এক ছেলে বেলার বন্ধু, মেজর শাফকাতই এর জন্যে দায়ী
বিয়ের দিনই শাফকাতের সাথে মুমতাজের পরিচয় হয় কিন্তু ইদানীং তাদের ঘনিষ্টতা বেড়েছে একটু অপ্রীতিকর ভাবে
প্রায়ই রফিক বাড়িতে না থাকলে এ ও ছুতোই বন্ধুর সুন্দরী স্ত্রীকে নিয়ে বিবাহিত মেজর সাহেব বেড়াতে যান আর দিয়ে যান ফিরিয়ে অনেক রাতে
নরম প্রকৃতির মানুষ রফিক
ভীষণ রেগে থাকলেও তাঁর পক্ষে এ নিয়ে কোনো উচ্চ বাচ্য করা সম্ভব না
একদিন মুমতাজকে জিজ্ঞেস করাতে সে খট করে চটে গিয়ে উত্তর দেই, কই তুমি যে রোজ এত রাতে বাড়ি ফেরো আমি তো প্রশ্ন করি না
তুমি কী আমাকে সন্দেহ করছো?
সন্দেহ না
রফিক এখন নিশ্চিত তাঁর ঘর ভাঙার পথে কিন্তু তবু সে বিয়ের পরের সেই নিষ্পাপ পরিটির কথা ভুলতে পারে না
তাঁর বিশ্বাস মুমতাজ নিজের ভুল বুঝতে পেরে অনুতপ্ত হবে খুব শিগগিরিই
রফিক পা টিপে টিপে শোবার ঘরের দিকে এগিয়ে যেতে লাগলো
দরজাটাকে একটু খুলে ভেতরে ঢুকেই রফিক যা দেখতে পেল তার জন্যে সে প্রস্তুত ছিল না
একটা অপরিচিত পুরুষে আলিঙ্গনে দাড়িয়ে মুমতাজ
তার ঠোট মুমতাজের ঠোঁটে চেপে ধরা, তার একটা হাত মুমতাজের মাঝ পিঠে আর অপরটি মুমতাজের ভরাট বাম মাইটা কে ধরে আছে পাতলা নাইটির ওপর দিয়ে
ছেলেটির মাথার চুল দেখেই বোঝা যায় সে আর্মির মানুষ
রফিক হুংকার দিয়ে উঠলো, কী হচ্ছে এসব? হঠাৎ পেছন থেকে এক পরিচিত কণ্ঠ সর এলো, রাগিস না দোস্ত
মনে নেই ছোট বেলায় তোর মা বলতো, ভালো জিনিস বন্ধুদের সাথে ভাগ করে নিতে হয়? তোর এত সুন্দর সেক্সি একটা বউ থাকতে তুই ভাগ দিবি না?
সামনে হেটে এসে মেজর শাফকাত বললো, পরিচয় করিয়ে দি
সুন্দরী মুমতাজের বুকে হাত দিয়ে যে সুদর্শন ছেলেটি দাড়িয়ে আছে, ও মেজর তামজীদ
অনেকদিন ধরেই মুমতাজ ওকে একটু কাছ থেকে দেখতে চাচ্ছিল
তুই কেমন হাজব্যান্ড বউয়ের এই একটা ইচ্ছা পূরণ করবি না? শাফকাতের কণ্ঠে বিদ্রূপ
সে জানে রফিক নরম প্রকৃতির মানুষ
আর ছোট খাটো রফিকের পক্ষে দু'জন আর্মি অফিসারের মোকাবেলা করা সম্ভব না
রফিক এবার শান্ত গলায় বললো, মুমতাজকে ছেড়ে দিন
এবার মুমতাজ একটু হেসে বললো, রফিক সপ্তাহর বাকি দিন গুলো তো আমাকে পাচ্ছই
একটা দিন আমাকে একটু বাঁচতে দাও
রফিকের মনে হচ্ছিল তার দেহের প্রত্যেকটি লোমে আগুন জ্বলছে
এখনো তামজীদের হাত মুমতাজের শরীরের ওপর
সে আস্তে আস্তে তার হাত দিয়ে মুমতাজের ভরাট দেহটাকে অনুভব করছে
একবার হাত দিয়ে বুক টিপে দেখছে, তো আরেকবার সরু মাজাটাতে হাত বুলচ্ছে
রফিকের সারা দেহে কাটা দিয়ে উঠছে
সে না পেরে, নিজের শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে চিৎকার করে ঝাঁপিয়ে পড়লো তামজীদের ওপর কিন্তু একটা ঘুসি বসানোর আগেই শাফকাত পেছন থেকে রফিককে ধরে ফেললো শক্ত করে
এত চিল্লাচিল্লি শুনে রফিকের ৭ বছরের ছেলে তানভীর আর মামাতো বোন রাইসা ছুটে এসে সব দেখে স্তম্ভিত হয়ে দাড়িয়ে আছে দরজার পাশে
হঠাৎ রফিককে ছেড়ে দিয়ে মেজর শাফকাত রাইসাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বললো, নড়েছিস তো রাইসার খবর আছে
মেজর তামজীদ আস্তে আস্তে মুমতাজের নাইটিটা ওঠাতে শুরু করেছে
মুমতাজের মসৃণ লম্বা পা গুলো এখন প্রায় হাঁটু অবধি নগ্ন
মুমতাজের ৭ বছরের ছেলে তানভীর একবার নিজের বাবার দিকে আর একবার নিজের মাকে দেখছে
খুব ভয় হলেও সে বুঝতে পারছে না এই সবের অর্থ কী
তার দিকে তাকিয়ে, দাঁত খিচিয়ে মুমতাজ বলে উঠলো, কী দেখছিস? বেরিয়ে যা এখান থেকে
তোকে যদি পেটে থাকতেই মেরে ফেলতে পারতাম, আমার জীবনটা নষ্ট হতো না
রফিক খুব নিরুপায় হয়ে নিজের ছেলেকে ধরে ঘর থেকে বের করে দরজাটা আটকে দিল
তাঁর নিজেকে খুব ঘৃণা হচ্ছিল
দাড়িয়ে দাড়িয়ে দেখা ছাড়া তাঁর পক্ষে আর কিছুই করা সম্ভব না
তামজীদ এতক্ষণে কোমর পর্যন্ত মুমতাজের নাইটিটা তুলে ফেলেছে আর ওদিকে তামজীদের প্যান্টের বেলটটা মুমতাজও খুলে কোমর থেকে প্যান্টটা নামিয়ে দিয়েছে
মুমতাজের নাইটিটা এবার তামজীদ সম্পূর্ণ খুলে ফেলে দিয়েছে মাটিতে
তার সামনের অপ্সরাটিকে নীল একবার ভালো করে দেখে
বড় বড় মীনাক্ষী আর ভরাট ঠোঁটের সৌন্দর্যকে যেন চওড়া ফর্সা কাঁধটা হার মানায়
তার একটু নিচেই একটা সাদা পুরনো ব্রা কোনো রকমে মুমতাজের ভরাট দুধ গুলোকে ধরে রেখেছে
দুটো বাচ্চার মা হলোও মুমতাজের কোমরটা চ্যাপটা
মুমতাজের কালো ঢেউ ঢেউ চুল তার কোমর পর্যন্ত আসে
মেজর তামজীদ পা ভাজ করে সেখানেই নিজের মুখ বসালো, ঠিক নাভির নিচে
তারপর চুমু খেতে খেতে সে নিচের দিকে নামতে শুরু করলো
প্যানটির ওপর দিয়ে সে মুমতাজের যোনিতে চুমু দিতে দিতে, ২-৩ টে আঙুল দিয়ে সাদা প্যান্টিটা নিচে নামাতে শুরু করলো
মুমতাজের বাল ছোট করে কাটা আর তার কামাঙ্গ একেবারে গাঢ় গোলাপি
তাকে দেখে ঠিক বাঙালী বলে মনে হয় না
প্যান্টিটা পা বেয়ে নামিয়ে দিতেই মুমতাজ দেয়ালে হেলান দিয়ে এক পা বিছানার ওপরে তুলে তামজীদের জীবের প্রবেশদ্বার খুলে দিল
তামজীদ মুমতাজের বাতাবি লেবুর মত নিতম্বে দু'হাত রেখে, নিজের ঠোট আর জীব দিয়ে মুমতাজের গুদ চাটতে লাগলো
নিজের স্বামী আর ননদের সামনে এক জন পরপুরুষের হাত নিজের নগ্ন দেহে অনুভব করে মুমতাজের দেহে এক অন্য রকমের উত্তেজনা সৃষ্টি হচ্ছে
তার গুদ এত অল্প ছোঁয়াতেই ভিজে গেছে নারী রসে
সেই ঘ্রাণে পাগল হয়ে মেজর তামজীদ এবার তার দুটো আঙুল দিয়ে মুমতাজের গুদ চুদতে লাগলো
মুমতাজ সেই আনন্দে চিৎকার করতে করতে আর না পেরে বিছানায় আস্তে আস্তে শুয়ে পড়লো নিজের দু'পা মেজরের কাঁধের ওপর রেখে
তামজীদের হাত আর জীবের ছোঁয়ায় মুমতাজ কেঁপে উঠলো একটু পরেই আর তার গুদ ভরে উঠলো আরো রসে
রাইসা চোখে একটু একটু ভয়ের পানি নিয়ে তাকিয়ে দেখছে তার ভাবিকে
তামজীদ এবার দাড়িয়ে একটু উঁবু হয়ে মুমতাজের ওপর শুয়ে পড়লো
তার ঠোট পড়লো মুমতাজের ঠোটে
সে নিজের দুই হাত দিয়ে সমানে মুমতাজের ভরাট দুধ দুটো টিপছে ব্রার ওপর দিয়ে
এক সময় মুমতাজ একটু উঁচু হয়ে ব্রার হুকগুলো খুলে দিতেই তার মাইয়ের ধাক্কায় ব্রাটা নেমে গেল
মুমতাজের ভরাট দুখ গুলো তার মাঝারি কাঠামোর শরীরটাকে যেন এক স্বর্গীয় রূপ দিচ্ছে
দুটো বাচ্চা হওয়ার পর মুমতাজের দুখ গুলো এখন আরো বড়
তামজীদ ব্রাটা হাতে নিয়ে একটু শুঁকলো
খুব সুন্দর হয় সুন্দরী মেয়েদের শরীরের গন্ধটাও
মেজর তামজীদের বাড়াটা তার বক্সারের ভেতরে নেচে উঠলো
সে ব্রাটা ফেলার আগে লেবেল টা দেখে একটু দুষ্টু ভাবে হেসে বললো, ৩৪ ডি তে তোমার হবে না, আরেকটু বড় দরকার
বলে সে মুমতাজের গোলাপি মোটা বোঁটায় নিজের মুখ বসিয়ে কামড়াতে শুরু করলো
মুমতাজ নিজের এক হাত দিয়ে নিজের গুদের মুখ ডলতে লাগলো আর গোঙাতে লাগলো সজোরে