content
stringlengths 0
209k
|
|---|
© 2021 . .
|
☰
|
|
২৭ নভেম্বর ২০২১ ই-পেপার
|
|
প্রথম পাতা
|
কলকাতা
|
পশ্চিমবঙ্গ
|
উত্তরবঙ্গবর্ধমানপূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরহাওড়া ও হুগলিপুরুলিয়া বীরভূম বাঁকুড়াউত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনানদিয়া মুর্শিদাবাদ
|
দেশ
|
বিদেশ
|
সম্পাদকের পাতা
|
আমাদের মতনিবন্ধসম্পাদক সমীপেষুবইপত্র
|
খেলা
|
ফুটবলক্রিকেট
|
বিনোদন
|
জীবন+ধারা
|
সাজকথারান্নাবান্নাসম্পর্কবেড়ানোঅন্দরকথাস্বাস্থ্যই সম্পদ
|
জীবনরেখা
|
জ্যোতিষকথাশুভ দিনআজ জন্মদিন হলেআপনার প্রশ্ন জ্যোতিষীর উত্তর
|
ব্যবসা
|
আপনার টাকাসোনার দামরুপোর দামজ্বালানির দাম
|
অন্যান্য
|
রবিবাসরীয়পত্রিকাঅবসর
|
সাত পাকে বাঁধা
|
পাত্রপাত্রী
|
2020:
|
পুজোর আবেগ বাঁচিয়ে রাখছেন কাউসের-মতিনেরা
|
মেহবুব কাদের চৌধুরী
|
কলকাতা ১৯ অক্টোবর ২০২০ ০৪:১০
|
ভরসা: পুজে মণ্ডপের সামনে ওঁরা
|
নিজস্ব চিত্র
|
পাড়ায় সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমেরাই
|
হিন্দু পরিবারের সংখ্যা খুব বেশি হলে দশটি
|
তাই দুর্গাপুজোর মণ্ডপ তৈরি, পুজো পরিচালনা, সব কাজেই হিন্দুদের পাশে মুসলিম যুবকেরাই সংখ্যায় বেশি
|
মণ্ডপে প্রতিমা আনা থেকে শুরু করে বিসর্জন - যাবতীয় আয়োজনের মূল উদ্যোগ তাঁদেরই
|
বন্দর এলাকার মেটিয়াবুরুজের নাদিয়ালের সাতঘরা প্রগতি সঙ্ঘের পুজো এ বার ৫১ বছরে পা দিল
|
পুজো কমিটির সম্পাদক চণ্ডীচরণ ভক্তের কথায়, ''আমাদের এখানে গোটা কয়েক হিন্দু পরিবারের বসবাস
|
দুর্গা প্রতিমা তৈরির বেশির ভাগ খরচই পাড়ার মুসলিমদের অর্থ সাহায্যে হয়
|
এটাই বাঙালির দুর্গোৎসব
|
হিন্দু-মুসলিম বিভেদ এখানে কোনও কালেই নেই
|
বিপদের সময়ে প্রতিবেশী হাকিম মোল্লা, শাহিদ আলম, আব্দুর রহমান শেখরা সারা বছর পাশে দাঁড়ান
|
''
|
পুজো কমিটির সভাপতি স্বপন প্রামাণিক বলছিলেন, ''প্রতিমা তৈরির বায়না দেওয়া, শিল্পীর বাড়ি থেকে প্রতিমা মণ্ডপে নিয়ে আসার সময়ে পাশের পাড়ার কাউসের শেখ, মতিন মোল্লা, গিয়াসুদ্দিনেরা সব সময়ে আমাদের সঙ্গে থাকেন
|
'' পেশায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হাকিম মোল্লা বলেন, ''আমাদের পূর্বপুরুষেরা অত্যন্ত সক্রিয় ভাবে দুর্গাপুজোয়
|
অংশগ্রহণ করে আসছেন
|
আমরা পুজোর সময়ে একে অন্যের বাড়ি যাওয়া আসা করি
|
পারস্পরিক কোলাকুলিতে আমাদের বন্ধন যেন আরও দৃঢ় হয়
|
'' পেশায় ওস্তাগর শাহিদ আলম বলেন, ''পুজোর চার দিন কাজ বন্ধ করে মণ্ডপে চুটিয়ে আড্ডা মারি
|
বলতে পারেন, পুজোর কয়েকটা দিনের জন্য সারা বছর আমরাও অপেক্ষায় থাকি
|
''
|
সাতঘরার আর এক ব্যবসায়ী মতিন মোল্লার কথায়, ''বিসর্জনের সময়ে প্রতিমাকে গঙ্গায় নিয়ে যেতে আমরা কাঁধে তুলে নিই
|
আমাদের সারা দেশের সংস্কৃতি তো এটাই হওয়া উচিত
|
''
|
পুজো কমিটির সম্পাদক চণ্ডীচরণবাবু এলাকায় 'মাস্টারমশাই' নামে পরিচিত
|
তাঁর কথায়, ''পুজোর তিন মাস আগে থেকে এলাকার মুসলিম ভাইয়েরা নিজেরা উদ্যোগী হয়ে পুজোর প্রস্তুতির বৈঠক ডাকেন
|
এক কথায় পুজোর হোতা ওঁরাই
|
''
|
পুজোর আর মাত্র ক'দিন বাকি
|
এরই মধ্যে রোজ সকাল-সন্ধ্যায় মণ্ডপের সামনে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আলোচনা সারছেন সোলেমান, কাউসের, স্বপন, রমেনরা
|
মেটিয়াবুরুজের বিধায়ক আব্দুল খালেক মোল্লা বলেন, ''নাদিয়ালের সাতঘরার ওই পুজো সারা দেশের মডেল হওয়া উচিত
|
হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কের উন্নতি ঘটাতে এ রকম প্রয়াস আরও বেশি করে হোক
|
''
|
পঞ্চম অধ্যায় : সামাজিকীকরণ নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও : নুসরাত একটি ১৩ বছরের মেয়ে
|
সে তার মা-বাবার সঙ্গে বাস করে
|
তার মা-বাবাসহ পরিবারের সব সদস্য ধার্মিক
|
তাঁদের ধর্মীয় কাজ দেখে নুসরাত সব ভালো জিনিস শিখেছে
|
সে ধর্মীয় নিয়মগুলো মেনে চলে এবং কখনো খারাপ কাজ করে না
|
ক. কোন পদ্ধতিতে অনলাইনে পণ্য লেনদেন করা হয়? খ. সামাজিকীকরণের ক্ষেত্রে সংবাদপত্রের...
|
সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সাবেক চেয়ারম্যানে অধ্যাপক গোলাম রহমান সপরিবারে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন
|
তার স্ত্রী, ছেলে ও পুত্রবধূ আক্রান্ত হয়েছেন
|
এছাড়া তার গৃহকর্মীও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন
|
শুক্রবার বিকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের নিজের অ্যাকাউন্টে অধ্যাপক গোলাম রহমান এ তথ্য দিয়েছেন
|
বিজ্ঞাপন
|
অধ্যাপক গোলাম রহমান জানিয়েছেন, আজ তারা এক দফায় প্লাজমা নিয়েছেন
|
কাল আবার নেবেন
|
বিজ্ঞাপন
|
তিনি আরও জানান, গত ২৯ মে প্রথমে তার স্ত্রী নাইম আরা হোসাইনের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে
|
এরপর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নমুনা পরীক্ষা করালে অধ্যাপক গোলাম রহমানসহ আরও ৪ জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে
|
তিনিসহ করোনায় আক্রান্ত চারজন গুলশানের নিকেতনের বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন বলে জানান অধ্যাপক গোলাম রহমান
|
তবে তার স্ত্রী নাইম আরা হোসাইনের শারীরিক অবস্থা ভালো না হওয়ায়, তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে
|
সেখানে তাকে প্লাজমা থেরাপি দেয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক এই অধ্যাপক
|
টাইমস অব ইন্ডিয়া : গুজরাটে টেক্সটাইল পার্ক স্থাপন করতে চায় বাংলাদেশ
|
এজন্য প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় হিসাবে ২৮৭-৩৬০ কোটি টাকার বিনিয়োগ বরাদ্দও নির্ধারণ করা হয়েছে
|
গুজরাটের সবচেয়ে বড় শহর আহমেদাবাদের কাছে মেহসানা জেলার কাদি শহরে এ প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকারের কাছে একশ একর জমি চেয়েছে বাংলাদেশ
|
এ পার্কে এক লাখ সুতা কাটার যন্ত্রের ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন স্পিনিং ইউনিট বসানো হবে
|
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবর, গত মাসে এ ব্যাপারে বাংলাদেশের পক্ষে বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (বিসিসিআই), বাংলাদেশ কটন অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএ) ও বাংলাদেশ গার্মেন্ট মেনুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্সের (বিজিএমই) প্রতিনিধি দল গুজরাট সফর করেছেন
|
এরপরই রাজ্য সরকারের কাছে টেক্সটাইল পার্ক স্থাপনের প্রস্তাবটি দেওয়া হয়
|
গুজরাট সরকারের শিল্পপ্রতিষ্ঠান বিষয়ক কমিশনার মমতা ভার্মা বলেছেন, প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা সুতা উৎপাদনেই বিনিয়োগ করতে চায়
|
তবে পরে গার্মেন্ট পণ্য উৎপাদনেও বিনিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছে তারা
|
বাংলাদেশ গুজরাট থেকে সুতা আমদানি করে
|
কাজেই এই পার্ক স্থাপন করলে তাদের পণ্য উৎপাদন ব্যয় কমে আসবে
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.