content
stringlengths
0
209k
পরের খবরনবমী নিশিতে জুটিতে কাঞ্চন-শ্রীময়ী
এই বিষয়ে আরও পড়ুন
শাহরুখ খান গৌরী খান আরিয়ান খান
পুলিশ যেমন একটি ডিসিপ্লিন সার্ভিস, ঠিক তেমনিভাবে আমরা সবাই নিয়ম কানুনের শেকলে বাঁধা
আমাদের সব কাজে যেন শৃঙ্খলা বজায় থাকে বলে মন্তব্য করেছেন, বাংলাদেশ পুলিশ ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান
আজ বৃহস্পিবার সকালে মিরপুর পিএম পুলিশ লাইন্স কাবাডি মাঠে বাংলাদেশ পুলিশ কবাডি ক্লাবের উদ্যোগে 'বাংলাদেশ পুলিশ কবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২১' এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিআইজি এসব কথা বলেন
তিনি বলেন, আমরা যেন কোনো অনিয়মের আশ্রয় না নেই
পুলিশ বাহিনীর সবার আচার-আচরণ হবে সুশৃংখল
ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি বলেন, কাবাডি আমাদের জাতীয় খেলা
গ্রামগঞ্জের যেখানেই যাই সেখানেই আমরা কাবাডি খেলা দেখতে পাই
পুলিশের ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ কাবাডি খেলায় এগিয়ে যাচ্ছে
বর্তমান কাবাডি কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর কাবাডি খেলায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে
আমাদের পুলিশ টিমের অধিনায়ক দেশের জাতীয় কাবাডি দলেরও অধিনায়ক
জাতীয়পুলিশ
রিদ্মিক নিউজ
→ → → →
. . .
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচন আজ সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে
সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত
এ উপলক্ষে রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) উপজেলার ৩৬টি ভোটকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে নির্বাচনী উপকরণ
রোববার দুপুরে নির্বাচনী কার্যালয় থেকে প্রিজাইডিং অফিসার ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের হাতে বুঝিয়ে দেওয়া হয় ভোটগ্রহণের উপকরণ
ভোটকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্স, অমোচনীয় কালি, সিল ও কলমসহ অন্যান্য উপকরণ
নির্বাচনী এলাকায় একজন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দুইজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবেন
পুলিশের পাশাপাশি ২ প্লাটুন বিজিবি, র‍্যাবের ৬ টি টিম মাঠে কাজ করবে
কোভিডের তৃতীয় ঢেউ এল বলে
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে রিপোর্ট দিয়ে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর (এনআইডিএম)-এর বিশেষজ্ঞ দল স্পষ্ট জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে অক্টোবর মাস, কোভিডের থার্ড ওয়েভ আছড়ে পড়ার মোক্ষম সময়
রিপোর্টে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, এই তৃতীয় ঢেউতে শিশুদের সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি
অর্থাৎ ফার্স্ট ও সেকেন্ড ওয়েভের তুলনায় থার্ড ওয়েভে শিশুরাই হাই-রিস্ক গ্রুপে রয়েছে
বাংলায় আবার এই সময়টা পুজোর মাস
কাজেই বাবা-মায়েদের উদ্বেগ বাড়ছে
কীভাবে সামলে রাখা যাবে ছোট্ট সোনাদের সেটাই এখন একমাত্র চিন্তা
বাচ্চাদের করোনা থেকে আগলে রাখতে কী কী করণীয়, বাবা-মায়েরা এই সময়টা কী নিয়ম মানবেন, সে ব্যাপারে বিস্তারিত বলেছেন রাজ্যের দুই বিশিষ্ট চিকিৎসক
কয়েকজন অভিভাবকও এই ব্যাপারে নিজেদের মতামত জানিয়েছেন
তাঁদের বাড়িতেও ছোট বাচ্চা আছে, তাঁরা এখন থেকেই কী কী সাবধানতা মেনে চলছেন তাও জানিয়েছেন সবিস্তারে
এনআইডিএম-এর রিপোর্ট যা বলছে, সত্যিই কি থার্ড ওয়েভে এত বেশি সংক্রমণ ছড়াবার সম্ভাবনা আছে?
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ (সিনিয়র পাবলিক হেলথ স্পেশালিস্ট) ডাক্তার সুবর্ণ গোস্বামী বলছেন, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের বিশেষজ্ঞ টিম যা রিপোর্ট দিয়েছে তাতে অক্টোবরে থার্ড ওয়েভ এলে দৈনিক ৬ লক্ষের বেশি সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা করা হয়েছে
তবে দেশ ও রাজ্যের এখন যা কোভিড গ্রাফ এবং টিকাকরণ যেভাবে চলছে তাতে এত বেশিজনের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা খুব একটা দেখা যাচ্ছে না
ডাক্তারবাবু বলছেন, প্রথম ও দ্বিতীয় ঢেউতে বাচ্চাদের সংক্রমণের হার ছিল ৮-৮.৫%
তৃতীয় ঢেউতে এর বেশি আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা নেই
তবে যেহেতু এই শতাংশের হিসেবটাও খুব একটা কম নয়, তাই সবদিক থেকেই সাবধান থাকতে হবে বাবা-মায়েদের
কোভিড বিধি মেনে না চললেই কিন্তু বিপদ
বাবা-মায়েদের জন্য টিপস, কী কী করবেন
ডাক্তার সুবর্ণ গোস্বামী বলছেন, বাচ্চাদের কোভিড হলেও মারাত্মক কিছু উপসর্গ দেখা যাচ্ছে না
জ্বর (), সর্দি-কাশি, পেট খারাপ, গায়ে ব্যথা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা গেলেই সতর্ক হতে হবে
দশ বছরের নীচে বাচ্চা হলে, জ্বর, সর্দি-কাশিকে মামুলি ধরে ফেলে রাখা যাবে না
কোভিড টেস্ট করিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে
অনেক সময় বাচ্চাদের শারীরিক অস্বস্তি হলে তারা ভয়ে বলতে চায় না
সেক্ষেত্রে বাবা-মাকে দায়িত্ব নিয়ে খেয়াল রাখতে হবে
পাঁচ বছরের ছোট্ট বাচ্চা হলে? বাচ্চার বয়স যদি পাঁচ বছরের কম হয় বা খুব ছোট বাচ্চা হয়, তাহলে জ্বর, সর্দি হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে
কারণ, যদি কোভিড সংক্রমণ ধরে যায় তাহলে ছোট বাচ্চাদের অনেক সময় হাল্কা শ্বাসকষ্ট বা খিঁচুনি দেখা দিতে পারে
সেক্ষেত্রে সাবধান হতে হবে
বাড়িতে ট্রিটমেন্ট করলেই সেরে যাবে বাচ্চা, কী কী ওষুধ খাওয়াতে হবে তা ডাক্তারের থেকে জেনে নেওয়া ভাল
এখন টেলি মেডিসিন পরিষেবা আছে, কাজেই কোনও সমস্যা হবে না
খুব গুরুতর অবস্থা না হলে বাচ্চাকে এখন বাইরে বের না করাই ভাল
'ওয়ার্নিং সাইন' খেয়াল রাখুন
শ্বাসপ্রশ্বাসের হার খেয়াল রাখুন
ব্রিদিং রেট বা মিনিটে কতবার শ্বাসপ্রশ্বাস নিচ্ছে তা নজরে রাখতে হবে বাবা-মায়েদেরই
কোভিড হলে ব্রিদিং রেট বদলে যাবে, তখন সেই লক্ষণ চিনে চটজলদি ব্যবস্থা নিতে হবে
জন্মের পর থেকে ২ মাসের মধ্যে বয়স হয় এবং শ্বাসের হার মিনিটে ৬০ বা তার বেশি হতে শুরু করে তাহলে শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে
২ মাস থেকে এক বছরের মধ্যে বয়স হলে এবং শ্বাসের হার মিনিটে ৫০ বা তার বেশি হলে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে
বাচ্চার বয়স এক বছর থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে হলে এবং শ্বাসপ্রশ্বাসের হার মিনিটে ৪০ বা তার বেশি হলে, হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে
পাঁচ বছরের বেশি বয়সী বাচ্চাদের মিনিটে শ্বাসপ্রশ্বাসের হার ৩০ বা তার বেশি হলে তখন সতর্ক হতে হবে
আরও একটা ব্যাপার খেয়াল রাখতে হবে বাবা-মায়েদের
বাচ্চা শ্বাস নেওয়ার সময় গোঙানির মতো আওয়াজ হচ্ছে কিনা সেটা দেখতে হবে
যদি শ্বাসপ্রশ্বাসের সময় গোঙানির মতো শব্দ হয় তাহলে দেরি করা চলবে না
এই সময় বাচ্চার জামা খুলিয়ে বুকের পাঁজরের জায়গাটা খেয়াল করতে হবে
যদি দেখা যায় শ্বাস নেওয়া সময় বুকের দুটি পাঁজরের মধ্যেকার অংশ ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে ও শ্বাস ছাড়লে জুড়ে যাচ্ছে, তাহলে সেটা বিপজ্জনক
একে ডাক্তারি ভাষায় চেস্ট ইনজয়েনিং বলা হয়
বাচ্চার জ্বরের সঙ্গে খিঁচুনি হলে বিপজ্জনক
এগুলো ওয়ার্নিং সাইন, বাবা-মায়েকে সতর্ক থাকতে হবে
আরও কয়েকটা লক্ষণ আছে, যদি দেখা যায় সুস্থ বাচ্চা হঠাৎ করেই দুর্বল হয়ে পড়ছে, ঝিমিয়ে যাচ্ছে তাহলে সেটা উপসর্গ হতে পারে
ডাক্তারবাবু বলছেন, বড়দের যেমন অক্সিজেনের মাত্রা ৯০ শতাংশের নীচে নামলেই হাসপাতালে ভর্তি করতে হচ্ছিল, বাচ্চাদের অক্সিজেন লেভেল ৯৪ শতাংশের নীচে নেমে গেলেই সতর্ক হতে হবে
আরও পড়ুন: করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে অযথা আতঙ্কের কারণ নেই, ভরসা দিলেন রাজ্যের নামী চিকিৎসকরা
ফ্লু ভ্যাকসিন নিয়ে রাখুক বাচ্চারা
বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার শান্তনু রায় বললেন, বাচ্চাদের হাই-রিস্ক গ্রুপে ফেলার কারণ হল তাদের টিকাকরণ এখনও শুরুই হয়নি
এমন পরিস্থিতিতে কয়েকটি বিষয়ে মাথায় রাখতে হবে, যেমন -
প্রথমত, বাবা-মায়েদের ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ অবশ্যই নিয়ে রাখতে হবে
আসলে অভিভাবকরাই হলেন 'ক্যারিয়ার'
বাইরে থেকে তাঁরাই জীবাণু বয়ে আনবেন বাড়িতে, সে জন্য সতর্ক তাঁদেরই বেশি থাকতে হবে
বাচ্চাদের জন্য কোভিড টিকা চালু হতে দেরি আছে
তার আগে ফ্লু ভ্যাকসিন নিয়ে রাখতে হবে
এতে কিছুটা হলেও সুরক্ষা মিলবে
ফ্লু বা ভাইরাল জ্বর ও করোনা একসঙ্গে হলে তা বিপজ্জনক
তাই অক্টোবরের আগেই মনে করে বাচ্চাদের ফ্লু ভ্যাকসিনের ডোজ দিয়ে দিন
হাঁপানি, শ্বাসের সমস্যা আছে যে বাচ্চাদের, অথবা শারীরিকভাবে অক্ষম বাচ্চাদের বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে
দরকার হলে বাড়িতেও মাস্ক পরা উচিত
বাচ্চাদের এখন থেকেই মাস্ক পরার অভ্যাস করাতে হবে
হোটেল, রেস্তোরাঁর মতো বদ্ধ জায়গায় একেবারেই নিয়ে যাবেন না
দোকান-বাজার বা জনবহুল জায়গা এড়িয়ে চলুন বাবা-মায়েরা
যতটা কম সম্ভব বাড়ির বাইরে বেরনো যায় ততই ভাল
কোমর্বিডিটি থাকলে তার নিয়মিত চেকআপ জরুরি
বেশি করে জল খাওয়াতে হবে, বাইরের খাবার, জাঙ্ক ফুড এখন একদমই নয়
জ্বর হলে প্যারাসিটামল চলতে পারে, কিন্তু কোনওরকম অ্যান্টিবায়োটিক বা স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ খাওয়াবেন না
পেট খারাপ হলে ওআরএস চলতে পারে, বমিভাবে থাকলে তার ওষুধ আছে, এর বাইরে আর ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনও ওষুধ খাওয়াবেন না
ছোট্ট সোনাদের এখন থেকেই আগলে রাখছি
কোভিডের থার্ড ওয়েভ কেমন হতে চলেছে তা এখনও জানা নেই
তবে প্রথম দুই ধাক্কা থেকে শিক্ষা নিয়েছেন অনেক বাবা-মাই
তাই এখন তাঁরা অনেক বেশি সতর্ক
তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী পারিজাত বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, তিনি ও তাঁর স্বামী দুজনকেই বেরিয়ে যেতে হয়
বাচ্চাকে ভালভাবেই কোভিডের পাঠ দিয়েছেন তাঁরা