content
stringlengths 0
209k
|
|---|
স্বাস্থ্য
|
কর্পোরেট
|
আরও
|
সানবিডি জবস্
|
মত-দ্বিমত
|
বিচিত্র
|
ধর্ম
|
ভ্রমণ
|
ভিডিও
|
কৃষি বাণিজ্য
|
প্রাইস সেন্সিটিভ ইনফো
|
প্রচ্ছদ
|
বরিশালে দুঃস্থদের মাঝে ত্রাণ দিলো সেনাবাহিনী
|
বরিশালে দুঃস্থদের মাঝে ত্রাণ দিলো সেনাবাহিনী
|
জেলা প্রতিনিধি || প্রকাশ: ২০২১-১১-২৫ ১০:৩৮:৩৯ || আপডেট: ২০২১-১১-২৫ ১০:৩৮:৩৯
|
বরিশালের বাকেরগঞ্জ ও ভরপাশা ইউনিয়নে দুঃস্থদের মাঝে চাল, ডাল, তেল, চিনিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
|
বুধবার (২৪ নভেম্বর) স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ৭ পদাতিক ডিভিশন এরিয়া সদর দপ্তর বরিশাল-এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এসব ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়
|
শেখ হাসিনা সেনানিবাসের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের ব্যবস্থাপনায় ৬২ ইস্ট বেঙ্গল-এর আয়োজনে বাকেরগঞ্জ হেলিপ্যাড মাঠে ও ভরপাশা ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে ছয় শতাধিক দুঃস্থ মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়
|
দুঃস্থ নারী-পুরুষেরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৬ পদাতিক ব্রিগেড-এর ৪১ বীর-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইফতেখারুল আলম বেগ, পিএসসি ও ৬২ ইস্ট বেঙ্গল-এর অফিসার কমান্ডিং মেজর তানভীর রশিদ খানের হাত থেকে ত্রাণসামগ্রী গ্রহণ করেন
|
এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন লেফটেন্যান্ট তাজউদ্দীন আহমেদ রৌদ্র
|
এই উদ্যোগের জন্য ত্রাণপ্রাপ্ত নারী-পুরুষ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা শেখ হাসিনা সেনানিবাসের ৬২ ইস্ট বেঙ্গল ও ৭ পদাতিক ডিভিশনের সকল সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ধন্যবাদ জানান
|
কটুফল(কটফুল) এর বনৌষধি গুনাগুন ও উপকারিতা- '' ( )
|
কটুফল(কটফুল) এর বনৌষধি গুনাগুন ও উপকারিতা- '' ( )
|
রিপোর্টার 27, 2021
|
কটুফল(কটফুল) এর বনৌষধি গুনাগুন ও উপকারিতা
|
কটফলের গাছ আকারে ছোট হয়
|
এইগাছের পাতা ৩ - ৫ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়
|
এর ফুলগুলি খুব ছোট ছোট হয়,ফলগুলি গোলাকার ও লাল
|
কটফল কাঁচা ও পাকা অবস্থাতে ঔষধ ব্যবহৃত হয়
|
এর ফুলের থেকে যে তেল পাওয়া যায় তাও অনেক ঔষধে ব্যবহার করা হয়
|
শ্বাসকষ্ট,কাশ,কর্ণরোগ ও দাঁতের বেদনা অরোগ্য করতে এর প্রচুর ব্যবহার হয়
|
রোগে ব্যবহার: -
|
১.জ্বর এবং কাশিতে - কটফল ও দারুচিনি সমান পরিমানে নিয়ে বেটে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে জ্বর ও কাশি দূর হয়
|
২.দাঁতের বেদনা - দাঁতের যন্ত্রণা হলে,কটফল পেষন করে যন্ত্রণার স্থানে কিছুক্ষণ চেপে লাগিয়ে রাখলে উপকার হয়
|
৩.কর্ণ রোগে - যদি কান কটকট করে,বেশ অসহ্য যন্ত্রণা হয়,তাহলে কটফল গাছের ফলের রস কানে দিয়ে ভর্তি করে দিন ,সব যন্ত্রনা কমবে
|
'' ( )
|
. 3 - 5 . , . . . , , .
|
: -
|
1. - .
|
2. - , .
|
3. - , , , .
|
:
|
0
|
রাজ্যের সমস্ত গৃহস্থ মহিলারা বার্ষিক 6000-12000 টাকা পাবেন লক্ষীর ভান্ডার ( ) প্রকল্পের মাধ্যমে
|
কি এবং কবে থেকে আবেদন করতে পারবেন জানুন!!
|
পদ্মাটাইমস ডেস্ক : সর্বশেষ ক্ষীরসাপাতি আমের পর এবার রসালো, আঁশবিহীন, আকারে বিশাল ফজলি আম এবং কালো ডোরা কাটা বাগদা চিংড়ি খুব শীঘ্রই জিওগ্রাফিক্যাল ইনডিকেটর বা জি-আই সনদ পেতে যাচ্ছে
|
বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি বাংলা
|
সরকারের পেটেন্টস, ডিজাইন এবং ট্রেডমার্ক বিভাগের কর্মকর্তা মোঃ আবদুস সাত্তার জানিয়েছেন, ফজলি আম ও বাগদা চিংড়ির জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিতে গেজেট প্রকাশ করা হয়ে গেছে; পরবর্তী দিন পনেরোর মধ্যে সনদ দেবার কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে তিনি জানান
|
তিনি জানিয়েছেন, নিয়ম অনুযায়ী স্বীকৃতির জন্য আবেদন আসার পরে এই দুই কৃষি পণ্যের ভৌগলিক নির্দেশক যাচাই করা হয়েছে, দুটি জার্নাল প্রকাশ করা হয়েছে
|
এই পণ্যের নির্দেশক নিয়ে এখনো কেউ আপত্তি করেনি
|
জার্নাল প্রকাশের দুই মাসের মধ্যে এটি নিজেদের বলে কেউ আপত্তি না করলে সনদ দেয়া হবে বলে তিনি জানান
|
ফজলি আমের জিআই সনদের আবেদন করেছিল ফল উন্নয়ন গবেষণা কেন্দ্র
|
আর বাগদা চিংড়ির জন্য আবেদন করে মৎস্য অধিদপ্তর
|
যে কারণে এই দুটি পণ্যে বাংলাদেশের স্বীকৃতি
|
ফজলি মূলত বাজারে আসে প্রতিবছর আমের মৌসুমের শেষের দিকে
|
পাশের দেশ ভারতের এই আম উৎপন্ন হয়
|
অন্যদিকে, লবণাক্ত পানির চিংড়ি বাগদা পাওয়া যায় বাংলাদেশসহ এশিয়ার বেশ কিছু দেশে
|
এই কৃষি পণ্য দুটি কেন বাংলাদেশের জিআই সনদ কেন পাবে সেটি ব্যাখ্যা করে মোঃ আবদুস সাত্তার বলছেন, 'যে পণ্য একটি অঞ্চলের ঐতিহ্যের অংশ সেটির ক্ষেত্রে এই সনদ দেয়া হয়
|
আবহাওয়া, মাটি, পানি ও ভৌগলিক গঠনের ওপর যেকোনো কৃষি পণ্যের বৈশিষ্ট্য, ঘ্রাণ ও স্বাদ নির্ভর করে এবং নির্দিষ্ট অঞ্চলেই সেটা পাওয়া যায়
|
'
|
'যেমন এশিয়ার বেশ কিছু দেশে 'ব্ল্যাক টাইগার শ্রিম্প' বা বাগদা চিংড়ি পাওয়া যায়
|
কিন্তু আমাদের এখানে যেটা হয় সেটার বৈশিষ্ট্য অন্য কোনটির সঙ্গে মিলবে না
|
অন্য কোথাও এই বাগদার চাষ হলেও সেটার স্বাদ ও ঘ্রাণ বাংলাদেশে উৎপাদিত বাগদার সঙ্গে মিলবে না
|
"
|
জি-আই সনদ পেলে যে লাভ
|
বাংলাদেশের মোট নয়টি পণ্য এপর্যন্ত জিআই সনদ পেয়েছে
|
এসব পণ্য হলো- ইলিশ মাছ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরসাপাতি আম, দিনাজপুরের কাটারিভোগ ও বাংলাদেশি কালিজিরা চাল, জামদানি, ঢাকাই মসলিন, রাজশাহীর সিল্ক, রংপুরের শতরঞ্জি এবং নেত্রকোনার বিজয়পুরের সাদা মাটি
|
বাগদা চিংড়ি একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী প্রাণী
|
বাংলাদেশে ৮০'র দশক থেকে এটির বাণিজ্যিক চাষ হচ্ছে, রফতানি করা হচ্ছে বিদেশে
|
তবে সম্প্রতি এটির রফতানি কিছুটা পড়ে গেছে
|
আবদুস সাত্তার বলছেন, 'আমরা দেখেছি যে জিআই সনদ পাওয়ার পর বিদেশের বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ে
|
জিআই ট্যাগ ব্র্যান্ডিং হিসেবে কাজ করে
|
বাংলাদেশ থেকে অনেকে বাগদা চিংড়ি রপ্তানি করছে
|
কোনো পণ্যের জিআই সনদ না থাকলে তার মূল্য কম হয়
|
ক্রেতারা সেটিকে ব্র্যান্ডেড বলে মনে করে না
|
"
|
তিনি বলেন, 'বিসিকের তথ্য অনুযায়ী জামদানি জিআই সনদ পাওয়ার পর রপ্তানি এবং এর মূল্য দুটোই বেড়েছে
|
'
|
আব্দুস সাত্তার আরও জানান, জিআই সনদ পেলে বাংলাদেশ পণ্যটি উৎপাদন করার অধিকার এবং আইনি সুরক্ষা পাবে
|
অন্য কোন দেশ আর সেগুলোকে নিজেদের বলে দাবি করতে পারবে না
|
পদ্মাটাইমস ডেস্ক : তিস্তাসহ অভিন্ন সকল নদীর পানির সমবন্টন ও টেকসই সমাধানে যেকোনো সময় আলোচনায় বসতে ভারত সরকার প্রস্তুত বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী
|
মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলরদের সাথে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন
|
ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, অবৈধ কর্মকাণ্ডের কারণেই 'বর্ডার কিলিং' এর মতো ঘটনা ঘটছে
|
তাই বর্ডার এলাকায় উভয় দেশের নাগরিককেই অবৈধ কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহবান জানান তিনি
|
এ বিষয়ে উভয় দেশের সরকারের আলোচনার কথাও জানান ভারতীয় হাইকমিশনার
|
তিনি বলেন, আমদানি রফতানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশের সাথে যৌথভাবে কাজ করছে ভারত সরকার
|
আলোচনা শেষে তিনি ভারত সরকারের পক্ষ থেকে নগরবাসীর সেবার জন্য একটি অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্স উপহার দেন রংপুর সিটি করপোরেশনকে
|
অ্যাম্বুলেন্সটি চাবিসহ তিনি সিটি মেয়র মো. মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা'র হাতে হস্তান্তর করেন
|
পরে তিনি রংপুর চেম্বার মিলনায়তনে ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.