content stringlengths 0 129k |
|---|
এই বিভাগের সব খবর |
মোবাইল সার্ভিস |
সম্পাদক : জুয়েল মাজহার |
ফোন: +৮৮০ ২ ৮৪৩ ২১৮১, +৮৮০ ২ ৮৪৩ ২১৮২ আই.পি. ফোন: +৮৮০ ৯৬১ ২১২ ৩১৩১ নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০ ১৭২ ৯০৭ ৬৯৯৬, +৮৮০ ১৭২ ৯০৭ ৬৯৯৯ ফ্যাক্স: +৮৮০ ২ ৮৪৩ ২৩৪৬ |
- কবি নির্মলেন্দু গুণ তার একটি ছড়ায় এভাবেই প্রকাশ করেছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি অফুরন্ত ভালবাসা, শ্রদ্ধা আর ভক্তি |
কবির হাত ধরে উঠে আসে সত্য আর বাঙালির ধারাবাহিক ঐতিহ্য, সংস্কৃতি আর কীর্তি গাঁথার কাব্য |
বাঙালি জাতির রয়েছে হাজার বছরের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস আর সেই ইতিহাসের সোপান বেয়ে, সময়ের হাত ধরে মহানায়কদের আগমন ঘটেছে |
কালের বিচারে সেসব মহানায়কদের কেউ কেউ নিজ কর্মের জন্য আমাদের মধ্যে টিকে আছেন, আবার কেউ কেউ স্বীয় কর্মের জন্য ইতিহাসের পাতায় ধূসর হয়ে গেছেন |
২০২০ সাল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ |
এর আগে আরও একজন বাঙালি মনীষীর জন্মশতবর্ষ এসেছিল |
কিন্তু সেটা বাঙালি ঘটা করে পালন করতে পারেনি |
সালটি ছিল ১৯৬১ |
মনীষীর নাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর |
বাঙালির আত্মপরিচয়ের জন্য দেশে এবং বিদেশে এই দুটি নাম অপরিহার্য |
১৯৬১ সালে সময়টি ছিল বাঙালির জন্যে এক 'কালের' সময় |
তখন রবীন্দ্রনাথ নিষিদ্ধ |
তার গান-সাহিত্য নিষিদ্ধ |
এই নিষিদ্ধের কাল থেকে বাঙালি জাতিকে, বাঙালির কবি রবীন্দ্রনাথকেও যিনি মুক্ত করলেন তিনিই আমাদের বঙ্গবন্ধু |
এ উপলক্ষে আজ ১৯ জুলাই শুক্রবার পুরানলেনস্থ শ্রুতি প্রাঙ্গণে বিকাল ৪টায় শ্রুতি সিলেট আয়োজন করে বছরব্যাপী জাতির জনকের জন্মশতবর্ষের উদ্বোধনী পর্ব'র |
এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ভবতোষ বর্মণ রানা ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুনন্দা রায় |
অনুষ্ঠানের শুরুতে সদস্যসচিবের বক্তব্য নিয়ে আসেন শ্রুতি সদস্যসচিব সুকান্ত গুপ্ত |
অত্রি ভট্টাচার্য এবং তামান্না প্রত্যাশার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন- শ্রুতি সমন্বয়ক সুমন্ত গুপ্ত, ফারিহা মমতাজ, শ্রাবণ আচার্য্য, সন্দীপ রায়, সুস্মিতা ভট্টাচার্য |
আবৃত্তি, গান এবং পাঠে অংশ নেন রিয়া চক্রবর্তী, স্রোতস্বিনী স্নেহা, অর্চিতা ভট্টাচার্য, চপল কুন্ড, ফারিহা তাহসিন প্রিমা, শেখ নাজমিন আক্তার আইভি প্রমুখ |
বক্তারা বলেন, শত শত বছরের শোষণ-বঞ্চনার অধীনে থেকে বাঙালি যখন নিজস্ব পরিমণ্ডল থেকে ক্রমে পেছনে সরে যাচ্ছিল ঠিক সেইসময় পেছনের সব মহাপুরুষদের কীর্তিগাঁথাকে ম্লান করে দিয়ে পাদ-প্রদীপের আলোয় উদ্ভাসিত হলেন তিনি |
দীর্ঘদেহী মানুষ সিংহের মতো গর্জনে তিনি ঘুমিয়ে পড়া বাঙালিকে পুনরায় জাগিয়ে তুললেন |
বাঙালি জাতিকে একত্রিত করলেন, করলেন নবধারায় উজ্জীবিত |
শোষণ-বঞ্চনার ঘেরাটোপ থেকে বাঙালি জাতিকে তিনি নতুন করে স্বপ্ন দেখাতে শুরু করলেন |
তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান |
এই মহাপুরুষ অন্ধকার অমানিষা থেকে এক আলোর পথ দেখালেন বাংলার মানুষকে |
তার অঙুলি হেলনে সাড়ে সাত কোটি বাঙালি পাকিস্তানি শাসকের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়লেন যার যা আছে তা নিয়ে |
অনুষ্ঠান শেষে শতাধিক শিশু কিশোরদের হাতে জাতির জনকের প্রতিকৃতি তুলে দেয়া হয় |
এবং বছরব্যাপী কার্যক্রমের সময়সূচি জানানো হয় |
| মাসে ১০০ কোটি টাকার রেমিট্যান্স প্রেরনকারী মিশিগানবাসী কনসুলেট স্থাপনের দাবী রাখেন - |
সিলেট রবিবার , ২৮শে নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ হেমন্তকাল ভোর ৫:২৯ |
প্রথম পাতা |
আন্তর্জাতিক |
লাইফ স্টাইল |
আইটি বিশ্ব |
শিক্ষাঙ্গন |
ইসলাম ও জীবন |
সোশ্যাল মিডিয়া |
চিত্র বিচিত্র |
সম্পাদকীয় |
প্রথম পাতা |
আন্তর্জাতিক |
লাইফ স্টাইল |
আইটি বিশ্ব |
শিক্ষাঙ্গন |
ইসলাম ও জীবন |
সোশ্যাল মিডিয়া |
চিত্র বিচিত্র |
সম্পাদকীয় |
মাসে ১০০ কোটি টাকার রেমিট্যান্স প্রেরনকারী মিশিগানবাসী কনসুলেট স্থাপনের দাবী রাখেন |
২১ অক্টোবর ২০২১, ০১:৫৫ |
জুয়েল সাদাত , মিশিগান থেকে ফিরে |
আমেরিকার দ্বিতীয় বাংলাদেশী ঘনবসতিপুর্ন ষ্টেট মিশিগান |
নিউইয়র্কের পরই বাংলাদেশের মানুষ বেশী বসবাস করেন মিশিগান |
সেখানের ড্রট্রেয়েট হ্যামট্রামিক,ওয়ারেন,স্টাররিং হাইটস, ট্রয়, ডিযারবন,এন হারবার,শেলভি এই সব এলাকায় কমবেশী ৮০ থেকে ৯০ হাজার প্রবাসী বসবাস করেন ইমিগ্রান্ট হিসাবে যারা বাংলাদেশ থেকে যারা আসেন তারা প্রথমে কিছুদিন নিউইয়র্কে থাকেন তারপর সহজ জীবনযাত্রার্ শহর মিশিগানে বসতি স্থাপন করেন |
বর্তমানে মিশিগান ছাড়াও নিউইয়র্ক এর একটি শহর বাফোলোতে অনেকেই যাচ্ছেন |
তবে কাজের সহজলভ্যতা, জীবন যাত্রার স্বল্প ব্যায়, বাংলাদেশী ট্রাডিশনে থাকার নানা কারনে মিশিগান বর্তমানে সবার পছন্দ |
মিশিগানে দশ পনের মাইলের মধ্যে ৪৭ টি বাংলাদেশী গ্রোসারী রয়েছে |
মিশিগানে প্রতি মাইলে একটি মসজিদ রয়েছে |
মিশিগানে "বাংলাদেশ এভিনিউ" সহ বর্তমানে একটি স্থায়ী শহিদ মিনার তৈরীর পক্রিয়াধীন |
সেখানে যে সকল প্রবাসীরা রয়েছেন তাদের মধ্যে ৫০ হাজারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশী এখনও সবুজ পাসপোর্ট বহন করেন |
এবং প্রতিদিন দুই তিন শত প্রবাসী বাংলাদেশ ট্রাভেল করেন |
মিশিগানর কনান্ট স্ট্রীট সহ নানা জায়গায় মানি ট্রান্সফারের দোকান রয়েছে কম বেশী ৩৭ টি |
সেখান থেকে প্রবাসীরা যে পরিমান রেমিট্যান্স প্রেরন করেন তার একটি আনুমানিক পরিসংখ্যানে দেখা যায় শুধু মিশিগান থেকে বাংলাদেশী প্রবাসীরা ৬৫ কোটি টাকা প্রতি মাসে প্রেরন করেন |
তবে নানা উংসবে সেটা ৭০/৭৫ কোটিতে গিয়ে দাড়ায় |
মিশিগানের বেশ কয়েকজন রেমিট্যান্স স্পেশালিষ্ট ব্যাক্তিবর্গের সাথে আলাপ করে, জানা গেছে এই তথ্য |
মিশিগানে গ্রোসারীর সংখ্যা ৪৭ টি তার মধ্যে ৩৩ টি গ্রেসারীতে প্রতিদিন নুন্যতম ১ হাজার থেকে দশ হাজার ডলার ট্রানজেকশন হয়ে থাকে |
কনান্ট ট্রাভেল,টাকা মানি এক্সচেঞ্জ, কুইক সেন্ড,ওয়ালী এন্টারপ্রাইজ্ ও সোনালী একচেঞ্চ সহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্টান রেমিট্যান্স প্রেরনে প্রথম সারির । "সোনালী একচেঞ্চ" নামের সরকারী প্রতিষ্টানটি সরকারী প্রতিষ্টান হিসাবে দাবী রাখলেও বিকাল ৪ টায় সেটা বন্ধ হয়ে যায়, আবার বেশীর ভাগ সময় সেটা ৪ ঘন্টা খোলা থাকে |
আবার নানান কাগজপত্রের নানা জটিলতায় সেখান থেকে টাকা প্রেরনে অনেকের অনাগ্রহ |
মিশিগানে কনসুলেটের দাবীতে মিশিগান প্রবাসীরা সোচ্চার, তারা কি পরিমান রেমিট্যান্স প্রেরন করেন তার সঠিক পরিমান মাসে ১০০ কোটি |
৬৫ কোটি বা ৭০ কোটি প্রেরিত হচ্ছে লিগ্যাল চ্যানেলে বাকি ৩০ কোটি টাকা প্রবাসীরা নিজে বহন করে নিয়ে যান |
মিশিগানের ৯০ হাজার প্রবাসীদের মধ্যে ২০০ থেকে ৩০০ জন প্রবাসী প্রতিদিন বাংলাদেশে ভ্রমন করছেন |
মাসিক হিসাবে ৫/৬ হাজার প্রবাসী মিশিগান থেকে বাংলাদেশ ভ্রমনকালীন সময়ে নিজে বহন করেন নুন্যতম পাঁচ হাজার থেকে দশ হাজার |
নন ডিক্লারেশনে দশ হাজার বহন করা যায় |
দুই সপ্তাহ নানা মাধ্যমে তথ্য উপাত্ত পর্যালোচনা করে দেখা গেল প্রতিমাসে মিশিগান থেকে ১০০ কোটি টাকা বাংলাদেশে রেমিটেন্স হিসাবে যাচ্ছে |
অনেক প্রতিষ্টান নিরাপত্তা জনিত কারনে সঠিক তথ্য দিতে চান নি । তবে একটি প্রতিষ্টানের কর্নধার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান তিনি মাসে এক থেকে দেড় মিলিয়ন ডলার প্রেরন করে থাকেন। এই সকল রেমিট্যান্স প্রতিষ্টানে সকাল দশটা থেকে রাত দুটো পর্যন্ত মানি ট্রান্সফার হয়ে থাকে |
আমি নিজে সরেজমিনে গভীর রাতে মানি ট্রানজেকশন করতে দেখেছি লাইন ধরে। অনেকেই ফ্যাক্টরীতে জব করেন, সেখান থেকে সোজা টাকা পাঠাতে কনাট ষ্ট্রিটে চলে আসেন |
প্লাসিড,স্মল ওয়ার্ল্ড,রিয়া,সোনালী একচেঞ্চ,সহ নানান কোম্পানীর মাধ্যমে রেমিট্যান্স যাচ্ছে বাংলাদেশে |
আবার সরকারের দুই শতাংশ প্রনোদনা অনেককে লিগ্যাল চ্যানেলে টাকা প্রেরনে উ্যসাহ দেয় |
অনেকেই মোবাইল এ্যাপস দিয়েও টাকা পাঠিয়ে থাকেন |
বাংলাদেশে সারা আমেরিকার প্রবাসীরা কি পরিমান রেমিট্যান্স প্রেরন করেন সেই হিসাব করলে দেখা যায় তা মাসে কয়েক হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে |
মিশিগানের প্রবাসী বাংলাদেশিরা যে পরিমান রেমিট্যান্স করেন সেই হিসাব করলে অনেক আগেই সেখানে বাংলাদেশ কনসুলেটের একটি অফিস স্থাপিত হতে পারত |
কোন এক অদৃশ্য শক্তির কারনে কম রেমিট্যান্স প্রেরনকারী ফ্লোরিডার মায়ামী কনসুলেট পেয়ে গেল |
মিশিগান বাসী দাবী করেন,রেমিট্যান্সের অগ্রাধীকারী হিসাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বশীলরা অচিরেই মিশিগানে কনসুলেট এর অফিস স্থাপন এর ঘোষনা দিবেন |
মিশিগানের কয়েকজন প্রবীন কমিউনিটি নেতা জানান, মিশিগান প্রবাসীরা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিরাট ভুমিকা পালন করছেন, অথচ আমাদের একটি নায্য দাবী পুরন হচ্ছে না |
পররাষ্ট্রমন্ত্রী কমিটেড ছিলেন, অথচ তিনি সেই দায় এড়িয়ে চলছেন |
মিশিগানের কনসুলেট অনেক রাজস্ব আদায় করতে সক্ষম হবে নিঃসন্দেহে |
আরিয়ান খান মামলায় নয়া মোড়! আগামী ২৬ অক্টোবর বোম্বে হাইকোর্টে আরিয়ানের জামিনের আবেদনের শুনানি হবে |
তার আগেই এই মাদক মামলার এক সাক্ষী ঘুরে গেছেন নিজের বয়ান থেকে |
১০ পাতার সাদা কাগজে স্বাক্ষর করিয়েছে এনসিবি, এমনটাই দাবি করলেন এই মাদক মামলার সাক্ষী প্রভাকর সেইল |
এখানেই শেষ নয় টাকার লেনদেনের কথাও যে তিনি শুনেছে বলে এক হলফনামায় দাবি করেছে সে |
প্রভাকর সেইলের দাবি, ২ অক্টোবরের রাতে আরিয়ানকে এনসিবির দফতরে নিয়ে আসার পর কেপি গোসাভি এবং স্যাম ডিসুজার মধ্যেকার কথোপকথন শুনেছিল তিনি, সেখানে আরিয়ানের মুক্তিপণ হিসেবে ২৫ কোটি রুপি দাবি করার কথা বলা হয়েছিল এবং ১৮ কোটিতে সম্পূর্ণ মামলা রফা করার কথা পাকা হয়েছিল, যার মধ্যে ৮ কোটি রুপি এনসিবির জোনাল ডিরেক্টর সামীর ওয়া... |
ম্যাট্রিক্স রেভ্যুলেশন্স ২০০৩ সালে একটি কল্পবিজ্ঞান অ্যাকশন চলচ্চিত্র যা ওয়াচৌস্কি দ্বারা রচিত এবং পরিচালিত |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.