content
stringlengths
0
129k
, 2014
ছোট আব্বু -শরিফ আহমাদ
, 2016
মহাবিশ্ব নাকি অসংজ্ঞায়িত বিশ্ব -তালহা ইবনে আলাউদ্দিন
, 2015
একটু দেখুন
কিশোরকণ্ঠ নিয়মাবলি
, 2021
জাতীয় কিশোরকণ্ঠ পাঠ প্রতিযোগিতা-২০১৭
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম -কিশোরকণ্ঠ পাঠ প্রতিযোগিতা ২০১৭
, 2017
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম -কিশোরকণ্ঠ জাতীয় পাঠ প্রতিযোগিতা-২০১৫
, 2015
কিশোরকণ্ঠের ইফতার মাহফিলে কবি আল মাহমুদ 'কিশোরকণ্ঠ' শুনতে বয়স কম মনে হলেও আসলে...
, 2012
কিশোরকন্ঠ, বাংলাদেশের সর্বাধিক প্রকাশিত শিশুকিশোর মাসিক
৫১, ৫১/এ, পুরানা পল্টন (৭তম তলা), ঢাকা-১০০০
ফোন: ৮৮০-২-৯৫৬৭২৩৬
'); _ = _[].(/\\(\'(?!\:)/, _() { ' (\'' + _ + '/' + .(/\(\'/, '').(/^\+|\+$/,''); }); _ += ""; } __ = ('#--'); (__.) { __.(_); } } }); } })();
লখনউঃ উত্তর প্রদেশে রাম নগরই অযোধ্যায় ভগবান রামের মন্দির বানানোর পাশাপাশি এলাকায় অনেক কিছু পরিবর্তনও হচ্ছে
আর সেই ক্রমেই এবার ফৈজাবাদ রেলওয়ে স্টেশনকে ( ) নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হল
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ফৈজাবাদ রেলওয়ে স্টেশনের নাম অযোধ্যা ক্যান্টনমেন্ট ( ) রাখা হচ্ছে
উত্তর প্রদেশের যোগী সরকার এই নতুন নামের মঞ্জুরি দিয়ে দিয়েছে, খুব শীঘ্রই এবার স্টেশনের নাম বদলে যাবে
উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগেই এই বিষয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল সেখানে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ( ) স্বীকৃতি দেন
রাম মন্দির মডেল অনুযায়ী অযোধ্য রেলওয়ে স্টেশনকেও নতুন রূপে সাজানো হচ্ছে
আর সেই কারণে অযোধ্যার পার্শ্ববর্তী জেলা বারাবাঙ্কিকেও সুন্দর করার কাজ শুরু হয়েছে
প্রসঙ্গত, এটাই প্রথম না যে উত্তর প্রদেশে কোন স্টেশন বা কোনও জায়গার নাম বদলানো হল
এর আগে উত্তর প্রদেশের মুঘলসরাই স্টেশনের নাম বদলে পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় স্টেশন করা হয়েছিল
এছাড়াও এলাহাবাদের নাম বদলে প্রয়াগরাজ
উত্তর প্রদেশে যোগী আদিত্যনাথ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নাম বদলানোর হিড়িক পড়ে যায়
একে একে উত্তর প্রদেশ থেকে মুঘলদের স্মৃতি মুছে দেওয়ার জন্য উদ্যোগী হন স্বয়ং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী
আর এবার সেই ক্রমেই ফৈজাবাদ স্টেশনের নাম বদলে মুঘলদের আরও একটি স্মৃতি মুছে ফেলা হচ্ছে
প্রমথটা একটা যাচ্ছেতাই! হ্যাঁ, মাঝে মাঝে আমি ধার করি বটে, কিন্তু বরাবরই পয়সা ফেরত দিই
কিন্তু সেসব নিয়ে তর্ক না তুলে ভিক্টরকে জিজ্ঞেস করলাম, "আচ্ছা ভিক্টর, স্যাম ওয়াকারের বাবা কবে মারা গিয়েছিলেন তুমি জান?"
ভিক্টর একটু অবাক হয়ে বলল, "হঠাৎ এ প্রশ্ন?"
"কারণটা এখন বলতে পারব না, কিন্তু উত্তরটা আমার দরকার
ভিক্টর কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল, কিন্তু তার আগেই প্রমথটা বলে উঠল, "তুই বেকার স্যামকে সন্দেহ করছিস
ও যদি খুনই করে থাকবে, তাহলে পরদিন বিকেলে কিরিট প্যাটেলকে ফোন করতে যাবে কেন?"
তাই তো! প্রমথর কথাটা ভুল নয়
কিন্তু এ-সব আলোচনা কি ভিক্টরের সামনে না করলেই নয়? কোনও কথা যদি পেটে ধরে রাখতে পারে!
ভিক্টর অবশ্য প্রমথর কথায় এতটুকু অবাক হল না
তার থেকে বুঝলাম যে, মিস্টার প্যাটেলের কেস-টা নিয়ে প্রমথ-র সঙ্গে ওর আগেও যথেষ্ট আলোচনা হয়েছে! ও শুধু বলল, "স্যাম ইস এ নাইস বয়
খুন-টুনের মধ্যে কখনও নিজেকে জড়াবে না
প্রমথ আমার সঙ্গেই বাড়ি ফিরল
আমি ওকে মিস্টার প্যাটেলের চিঠি সম্পর্কে আমার ইণ্টারপ্রেটশনটা বললাম
ও খুব একটা পাত্তা দিল না
বলল, "তুই তিলকে তাল করছিস!"
সারা সকালের চিন্তাটা এ-ভাবে মাঠে মারা যেতে, বেশ ক্ষুণ্ণ হলাম
বাড়ি ফিরে ঘরে ঢুকতে না ঢুকতেই ফোন
ফোন করেছেন শৈলেন সাঁপুই
জিজ্ঞেস করলেন, একেনবাবু পলা জোগাড় করতে পেরেছেন কিনা
আমি বললাম, "যদ্দুর জানি না
শৈলেন সাঁপুই জানালেন যে, ওঁর হাতে কিছু পলা এসেছে
উনি তার থেকে একটা একেনবাবুকে দিতে পারেন
আমি বললাম, "সে তো খুব ভাল কথা
কিন্তু দামটা কী রকম পড়বে সেটা যদি বলেন, তা হলে একেনবাবুকে জানিয়ে রাখব
শৈলেন সাঁপুই ওদিক থেকে হাঁ হাঁ করে উঠলেন
"খেপেছেন নাকি! ভারি একটা পলা আপনার বন্ধুকে দেব, দামের কোনও প্রশ্নই নেই
শুধু দান করা নয়, তার ওপর বললেন যে, আমরা বাড়ি থাকলে পলাটা আজ রাত্রেই আমাদের বাড়িতে দিয়ে যেতে পারেন
আসলে শৈলেন সাঁপুই কোনও কাজে বিকেলে এদিকে আসছিলেন
সেই জন্যই অফারটা করলেন
আমি ওঁকে ডিনার খেয়ে যেতে বললাম
উনি প্রথমে একটু কিন্তু-কিন্তু করছিলেন
আমার পীড়াপীড়িতে শেষ পর্যন্ত রাজি হয়ে গেলেন
খানিক বাদে একেনবাবু উদয় হতেই আমি ওঁকে শৈলেন সাঁপুইয়ের খবরটা দিলাম
"কী আশ্চর্য স্যার!" একেনবাবু বললেন
"কেন বলুন তো?"
"আজ সকালে হঠাৎ খেয়াল হল, ওঁর পেনটা আমি সেদিন ভুলে নিয়ে এসেছি
আসলে দেশে চিঠি লিখতে বসেছিলাম
পকেট থেকে পেন বার করতে গিয়ে দেখি একটা ক্রস পেন
তখনই মনে পড়ল, পেনটা ওঁর কাছ থেকে নিয়েছিলাম গয়নার দোকানের ঠিকানা লেখার জন্য
ফেরত আর দেওয়া হয় নি
"তা হলে সেই খোঁজেই আসছেন," প্রমথ চায়ের জল চাপাতে-চাপাতে বলল
"আপনি দামি একটা ক্রস পেন এত সহজে হজম করে ফেলবেন ভেবেছেন!"
"আরে ছি ছি স্যার, কী যে বলেন!" একেনবাবু লজ্জা পেলেন
তারপর বললেন, "তবে যাই বলুন স্যার, আমাদের দেশের তিন টাকার ডট পেন কিন্তু এর চেয়ে কিছুমাত্র খারাপ নয়
চিঠি লিখব কি - অর্ধেক লেখাই পড়ছে না!"
"মিস্টার সাঁপুই তো দিব্বি লিখলেন সেদিন, " আমি বললাম
"তা লিখেছিলেন, কিন্তু পুরো যায়গায় কালি পড়ে নি
সংখ্যাটা শুধু পড়া যাচ্ছিল
"সেটা পেনের দোষ নয়, ইঙ্ক ড্রাই হয়ে গেছে
" আমি বললাম
"ওসব স্যার আমেরিকাকে সাপোর্ট করার জন্য আপনাদের অজুহাত
" কথাটা বলেই একেনাবু, "খোল খোল দ্বার ..." সুর ভাঁজতে-ভাঁজতে কিচেন ক্যাবিনেট খুলে বিস্কুটের খোঁজ শুরু করলেন
"আপনার মনটা খুব প্রফুল্ল দেখছি আজ," প্রমথ কমেণ্ট করল
"এটা স্যার ঠিক বলেছেন
কাল মিস্টার দোশির সঙ্গে ব্রুস স্প্রিংস্টিনের রক কনসার্ট শুনতে গিয়েছিলাম
দুর্দান্ত মিউজিক স্যার
আর সেখানে বসে-বসেই অনেক কিছু ক্লিয়ার হয়ে গেল
"মিউজিক শুনতে-শুনতে?" আমি ঠাট্টা করলাম
"মিউজিককে আণ্ডার-এস্টিমেট করবেন না স্যার
তানসেন মিউজিক দিয়ে আগুন ধরাতে পারতেন, আমি তো শুধু খুনি ধরছি
"সে কী মশাই, আপনি ধরে ফেলেছেন কে খুনি?" প্রমথ জিজ্ঞেস করল
"পুরোপুরি নয় স্যার
একটু একটু করে এগোচ্ছি
রাত্রে গান শোনার সময় একটু এগোলাম
সকালে চিঠি লেখার সময় আরেকটু এগোলাম
এখন আপনাদের সঙ্গে গল্প করতে করতে হয়ত আরেকটু এগিয়ে যাব
"আপনার ওই হেঁয়ালিগুলো রাখুন," প্রমথ এবার বিরক্ত হয়ে বলল
"কাকে সন্দেহ করছেন?"