content
stringlengths
0
129k
পেঁয়াজ ও ভারত বিতর্ক আর ইসরায়েলের সাথে আরবদের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন
ধাপে ধাপে পবিত্র ওমরাহ পালনের অনুমতি দেবে সৌদি
ছাদে ৪০ ধরনের ফল-সবজি
তিন তলা বাড়ির ছাদজুড়ে নানা প্রজাতির ফল
এখানে ৪০ ধরনের ফল ও সবজি
তিন বছর ধরে বাগানটি গড়ে তুলেছেন চাকরিজীবী মিজানুর রহমান
শখের বশে ছাদবাগান শুরু করলেও গত কয়েক বছর এখানে উৎপাদিত শাকসবজি ও ফল তাঁর পরিবারের চাহিদা অনেকাংশে মেটাচ্ছে
কিছু কিছু ফল তাঁরা স্বজন ও প্রতিবেশীদেরও দিচ্ছেন
পিরোজপুর শহরের শিক্ষা অফিস সড়কের তিন তলা বাড়ির মালিক মিজানুর রহমানের তিন ভাই
তবে বাড়িতে ছাদবাগান করার পরিকল্পনা মিজানুর রহমানের
পরিপাটি ছাদে তৈরি করা মাচায় ঝুলছে লাউ ও কুমড়ো
শিমের লতায় ধরেছে রঙিন ফুল
বাগানের লাউয়ের মাচার নিচে রয়েছে কয়েকটি চেয়ার আর একটি টেবিল
সাতসকালে সেখানে বসে গরম চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে পত্রিকা পড়েন মিজানুর
সকাল-বিকেল দুবার বাগানের পরিচর্যা করেন তিনি
ছাদবাগান করার কারণ জানতে চাইলে মিজানুর রহমান বলেন, এক আত্মীয়ের বাড়ির ছাদে বাগান দেখে তিনি ছাদবাগান শুরু করেন
২০১৭ সালের শুরুতে ছাদে নানা জাতের আমগাছ, পেয়ারা, মাল্টা ও শীতকালীন সবজি আবাদ করেন
এ বছর লাউ, কুমড়া, শিম, বরবটি, ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুন, শালগম, পেঁয়াজ, গাজর, টমেটো, স্কয়াশ, মরিচ, লালশাক, পালংশাকের চাষ করেছেন
এ ছাড়া তাঁর বাগানে রয়েছে বড়ই, সফেদা, শরীফা, জলপাই, জামরুল, লেবু, আমড়া, ব্ল্যাকবেরি, সাদা জাম, লাল জাম্বুরা, ভিয়েতনামি নারকেল, বারোমাসি কাঁঠাল
বর্ষাকালে ছাদে তিনি ঢ্যাঁড়স, পুঁইশাক, চালকুমড়া ও লাউ চাষ করেন
এ ছাড়া সারা বছর শিম ও লাউয়ের চাষ করেন
বাগানে রয়েছে বারোমাসি আমগাছ
পিরোজপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুর শহরে ১০ থেকে ১২ বছর ধরে ছাদকৃষি শুরু হয়
একসময় বাড়ির ছাদে ফল ও ফুলের বাগান করা হতো
কয়েক বছর ধরে ছাদবাগানে শাকসবজির চাষে আগ্রহ বাড়ছে
২০১৫ সালে পিরোজপুর শহরে ১২টি ছাদবাগানের তথ্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়ে রয়েছে
তবে বর্তমানে শহরের ১৫ থেকে ২০টি বাড়ির ছাদে বাগান হচ্ছে
কৃষককৃষিকৃষি ব্যবসায়ীকৃষিশ্রমিকচাষচাষাবাদচাষিছাদেছাদে বাগানছাদে সমৃদ্ধ কৃষিনিরাপদ সবজিফলফল গাছফল চাষফল চাষিফল বাগানফল সবজিফল-সবজিফলমূলবাজিমাত চাষিশসা চাষশাকসবজিসোনালী মাঠ
পরের সংবাদ
বগুড়ায় ধানের দাম বেড়েছে, কৃষকের মুখে হাসি
এই সংবাদটি না পড়লে মিস করবেন!
নওগাঁয় ধানের বদলে আম চাষে ঝুঁকছেন অনেক কৃষক
আপনার জন্য নির্বাচিত সংবাদ
শতবর্ষী তেজপাতা গাছ চাষের সহজতম উপায়
অর্কিডের যত্ন নিবেন যেভাবে
মাশরুম চাষ করে বাঁকুড়া জেলায় প্রত্যন্ত গ্রামের ছেলে প্রণব পাত্র আজ পেয়েছেন অসামান্য সাফল্য
অ্যারোপোনিক্স উপায়ে সব্জি চাষে দারুন লাভ
বাঁশ চাষে আপনিও হতে পারেন কোটিপতি, জেনে নিন সম্পূর্ণ পদ্ধতি
জবা ফুল চাষের পদ্ধতি শিখে হয়ে উঠুন লাভবান কৃষক
কমলা চাষে পঞ্চগড়ের শেফালির সাফল্য
মাল্টা চাষে সফল হতে চান মোস্তফা
ছাদে সহজে জামরুল চাষের উপায়
যে কারণে রংপুরে বাড়ছে দেশি মাল্টার চাষ
মন্তব্য করুন
অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন
.
ওষধি উদ্ভিদ কালমেঘ চাষে ব্যাপক আয়
নিজস্ব প্রতিনিধি
ওষধি উদ্ভিদ কালমেঘ নিয়ে মোটামুটি সবাই বর্তমানে ওয়াকিবহাল
বীরুৎ-জাতীয় এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণ প্রচুর পরিমানে থাকায় বর্তমানে আমাদের রাজ্যে কালমেঘ চাষ প্রচুর পরিমানে হচ্ছে
শারীরিক সমস্যা দূর করতে কালমেঘের ভূমিকা অনস্বীকার্য
কালমেঘ পাতার রস রক্ত আমাশা দূর করা ছাড়াও, কৃমির সমস্যা রোধ করতেও ভীষণ কার্যকরী
মূলত বীজ থেকে এই কালমেঘের চাষ হয়
জন্ডিস, কৃমি, ম্যালেরিয়া, ব্রঙ্কাইটিস, যকৃতের সমস্যার জন্য কালমেঘ খুবই উপকারী
সর্দি-কাশি ও চামড়ার রোগ দূর করতেও কালমেঘের যথেষ্ট অবদান রয়েছে
জুন-জুলাই মাসে মূলত এই ফসলের চাষ হয় এবং মার্চ-ফেব্রুয়ারি মাস নাগাদ এর বীজ সংগ্রহ করা হয়
মাটি ও জলবায়ু: ( )
যে কোনও ধরণের জলবায়ুতেই এই গাছের চাষ সম্ভব যেমন, তেমনই বিভিন্ন মাটিতেও এটি বেড়ে উঠতে পারে
তবে বেলে-দোআঁশ মাটি এই চাষের জন্য আদর্শ। কালমেঘ চাষের আগে জমি ভালো করে কর্ষণ করে নিতে হবে
১৫ সেন্টিমিটার দূরত্ব রেখে কালমেঘের বীজ বপন করা উচিত
ঠান্ডা আবহাওয়ায় মূলত কালমেঘের চাষ ভালো হয়
সার প্রয়োগ ও সেচ ( )
প্রথমে মাটি, বালি, জৈব সার মিশিয়ে বীজের জন্য মাটি প্রস্তুত করে নেওয়া উচিত
বীজ থেকে চারা বেরোলে তা চাষের জমিতে পোঁতা হয়
কালমেঘের ভালো ফসলের জন্য জমিতে গোবর সার ব্যবহার করেন অনেকে
মূলত বর্ষাকালে এটি চাষ করা হয় তাই সেচ কার্যের তেমন প্রয়োজনীয়তা পড়ে না। তবে প্রথম প্রথম তিন-চার দিন পর পর প্রয়োজনাসুরে জল দিতে হয়
এরপর আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি অনুযায়ী সপ্তাহে সপ্তাহে জলসেচ দেওয়া যেতে পারে।
পরিচর্যা ()
অন্যান্য চাষের মতন কালমেঘেরও পরিচর্যা করা উচিত
আগাছা থাকলে তা যত্নের সঙ্গে কেটে দেওয়া উচিত
মনে রাখতে হবে জমিতে যাতে জল না জমে
চারা রোপনের তিন মাসের মাথায় ফসল সংগ্রহ করে নেওয়া উচিত
বাজারে কালমেঘের প্রচুর পরিমানে চাহিদা থাকায়, এই চাষ করে কৃষকরা অধিক উপার্জন সহজেই করতে পারবেন
পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, অসম, তামিলনাড়ু, মধ্যপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশে কালমেঘের চাষ প্রচুর পরিমানে হয়
কৃষকরা এই ওষধি উদ্ভিদ চাষ করে ভালোই উপার্জন করছেন, তা এই রাজ্যগুলিতে কালমেঘের ব্যাপক চাষই প্রমাণ করে
সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
নির্দিষ্ট পুঁজিতে মিশ্র চাষে কৃষকদের ব্যাপক আয়ের সুযোগ
নিজস্ব প্রতিনিধি
বর্তমান যুগে খাদ্যসামগ্রীর চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে | অন্যদিকে, চাষযোগ্য জমি এবং জলাশয়ের পরিমান কমছে | তাই এহেন অবস্থায়, মিশ্র চাষ ( ) একমাত্র উপায়| বর্তমান যুগে দাঁড়িয়ে এই মিশ্র চাষ বেশ লাভজনক | মিশ্র চাষ বলতে বোঝায় বিভিন্ন প্রকার প্রাণী ও উদ্ভিদের চাষের মধ্যে সমন্বয়সাধন, যার ফলে একটি প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট অপ্রয়োজনী...
--="--3140114751019908′′ ="" ="://2..///.">
ধরে নেওয়া যাক, কোনো এক কৃষকের জমি এবং পুকুর আছে | সেখানে মাছ চাষ হচ্ছে যেমন তেমনি আছে হাঁসের দল | আবার, পাড়ে চড়ছে দেশি মুরগি | হাঁস-মুরগির মল পুকুরে মাছের খাদ্যের জোগান দিচ্ছে
আবার ছাগল ও গরু চাষও হচ্ছে সেখানেই এক কোণে
যার বর্জ্য ব্যবহার হচ্ছে পুকুর পাড়ের সব্জি চাষে সার হিসাবে
একসঙ্গে একই জায়গায়, এভাবে চাষ করে অনেকটাই খরচ কমানো সম্ভব || সাথে, গ্রামীণ অর্থনীতির ব্যাপক পরিবর্তন ঘটছে |
--="--3140114751019908′′ ="" ="://2..///.">
মিশ্র চাষের উদ্দেশ্য ( ):
এই মিশ্র চাষের প্রধান উদ্দেশ্যই হলো প্রাকৃতিক পরিবেশে সৃষ্ট কোনো বর্জ্য পদার্থ না, একের বর্জ্য অন্যের প্রয়োজনে ব্যবহার হবে | কোনো কিছুই এখানে বাদ দেওয়া যায়না | এই যে আবর্তন, এটাই হলো এই চাষের মূল উদ্দেশ্য | এই তত্ত্বকেই কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদ ও প্রাণির চাষের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা হচ্ছে | এই প্রক্রিয়ার ...
বহুমুখী উৎপাদন হয় বলে এই পদ্ধতিতে চাষ করে লাভের পরিমান বেশ ভালোভাবেই বাড়ানো যায় |
--="--3140114751019908′′ ="" ="://2..///.">
বিভিন্ন প্রকার মিশ্র চাষের উদাহরণ ( ):
সাধারণত, বিভিন্ন ধরণের সংহত চাষ বা ইন্টিগ্রেটেড ফার্মিং করা যায় | যেমন, গবাদি পশুর সঙ্গে মাছ-সব্জির চাষ করা যেতে পারে, আবার হাঁস-মুরগির সঙ্গে মাছ-সব্জির চাষ করা যেতে পারে, ধান সংলগ্ন জমিতে মাছ-হাঁস চাষ করেন অনেকে, আবার বিভিন্ন প্রাণির (গরু-ছাগল-শুয়োর-হাঁস-মুরগি) সংহত চাষও করা যায় | যেমন,
মাছ চাষ ও শুয়োর এবং ছাগল পালন:
একসাথে ছাগল, শুয়োর এবং মাছ চাষ করা যায় | ছাগল ও শুয়োরের মল থেকে উচ্চ মানের সার তৈরি হয়
মাছের খাবার হিসাবে এটি যেমন কাজে লাগে তেমনই পুকুরে ফেললে উর্বর পাঁক তৈরি হয়
যা পরে শাক-সব্জির সার হিসাবে ব্যবহার করা যায়
সরাসরি মলকেও সার হিসাবে দেওয়া যায় সব্জি চাষে
৩৫-৪০টি দেশীয় ঘুঙরু জাতের শুয়োর বা ছাগল এক হেক্টর জলাশয়ের জন্য যথেষ্ট
এক্ষেত্রে সবুজ ঘাস বা কন্দ জাতীয় ফসল পুকুর পাড়ে চাষ করলে ছাগল ও শুয়োরের খাবার বাইরে থেকে কিনতে হয় না