content
stringlengths
0
129k
২. দেয়াল অথবা কার্পেটের ওপর ধুলোবালি থাকলে সেখানে হাত মেরে তায়াম্মুম করা বৈধ হবে
৩. তায়াম্মুমকারী তায়াম্মুম ভঙ্গ না হওয়া পর্যন্ত যত ইচ্ছা ফরজ ও নফল নামাজ আদায় করতে পারে
৪. অজুকারী তায়াম্মুমকারীর পেছনে নামাজে ইক্তেদা করতে পারে; কেননা আমর ইবনে আস রাযি.যখন প্রচন্ড ঠান্ডার কারণে তায়াম্মুম করে তাঁর সাথীদের ইমামতি করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা নাকচ করে দেননি
(বর্ণনায় আবু দাউদ)
৪. যে ব্যক্তি তায়াম্মুম করে নামাজ পড়ল অতঃপর সময় চলে যাওয়ার পূর্বেই পানি পেল, সে নামাজ পুনরায় পড়বে না
আবু সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'দুই ব্যক্তি সফরে বের হলো
পথিমধ্যে নামাজের ওয়াক্ত হলো তবে তাদের সাথে কোনো পানি ছিল না
অতঃপর তারা পবিত্র মাটি দিয়ে তায়াম্মুম করল
নামাজ পড়ল
এরপর নামাজের সময় শেষ হওয়ার পূর্বেই পানি পেয়ে গেল
দু'জনের একজন অজু করে পুনরায় নামাজ আদায় করল
পক্ষান্তরে অন্যজন করল না
এরপর উভয়েই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এল
ঘটনার বর্ণনা দিল
যে ব্যক্তি নামাজ পুনরায় পড়েনি, তাকে তিনি বললেন,'তুমি সুন্নত অনুযায়ী আমল করেছ এবং তোমার নামাজ শুদ্ধ হয়েছে
আর যে অজু করে পুনরায় নামাজ পড়েছে তাকে তিনি বললেন, 'তোমার ছাওয়াব দ্বিগুণ হয়েছে
'(বর্ণনায় আবু দাউদ)
৪. যে ব্যক্তি নামাজের পূর্বে বা মাঝখানে পানি পেল তার উচিত হবে পানি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করা
কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,'পবিত্র মাটি মুসলমানের পবিত্রতা অর্জনের বস্তু
যদিও সে দশ বছর পর্যন্ত পানি না পায়
আর যদি পানি পায় তবে সে যেন তা তার চামড়ায় স্পর্শ করায়
কেননা এটা তার জন্য উত্তম
৫. মুসলমানকে কোনো কিছুই নামাজ থেকে ফিরিয়ে রাখে না, মুসলমান নামাজকে সুনির্দিষ্ট সময় থেকে পিছিয়েও দেয় না
সে হিসেবে যদি কেউ পানি ব্যবহার করতে অপারগ হয়, অথবা পানি না পায়, তাহলে সে তায়াম্মুম করে নেবে
আর যদি তায়াম্মুম করতেও অপারগ হয় তবে পবিত্রতা ব্যতীতই নামাজ পড়ে নেবে
৬. যে পানি ও মাটি কোনোটাই পাবে না সে পবিত্রতা ব্যতীতই সময়মতো নামাজ আদায় করে নেবে
এবং তা আর পুনরায় আদায় করতে হবে না
আল্লাহ তাআলা বলেন,
(فَٱتَّقُواْ ٱللَّهَ مَا ٱسۡتَطَعۡتُمۡ ) {অতএব তোমরা যথাসাধ্য আল্লাহকে ভয় কর
} [আত-তাগাবুন:১৬]
তায়াম্মুম শেষ সময় পর্যন্ত পিছিয়ে দেয়া জায়েয আছে যদি পানি পাওয়ার আশা থাকে
আর যদি পানি পাওয়ার আদৌ কোনো আশা না থাকে তাহলে নামাজের সময় আসার পরপরই নামাজ আদায় করা উত্তম হবে
কেননা উত্তম হলো সময়মতো নামাজ পড়ে নেয়া
৭. যদি কেউ নামাজের সময় চলে যাওয়ার আশঙ্কা করে, অতঃপর পানি থাকা সত্ত্বেও তায়াম্মুম করে নামাজ পড়ে নেয় তবে তা জায়েয হবে না
বরং এ অবস্থায় আবশ্যিক হবে অজু করা যদিও নামাজের ওয়াক্ত চলে যায়
ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ যখন তার বন্ধুকে নিয়ে হোয়াইটহাউজে ফোন লাগালেন, সেটা আপনার আমার মতো আমজনতা যেভাবে ফোন দেয় সেভাবে করেননি
সরাসরি প্রেসিডেন্টের কাছেই কল করেছিলেন সবরকম প্রটোকল ফাঁকি দিয়ে
জানতে নিশ্চয়ই ইচ্ছে করছে, প্রটোকল ফাঁকি দেয়ার এতো হাঙ্গামা করে কি এমন বলতে চেয়েছিলেন তাঁরা প্রেসিডেন্টের সাথে? ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চের বন্ধু প্রেসিডেন্ট নিক্সনকে বলেছিলেন লস এঞ্জেলসে টয়লেট পেপারের ব্যাপক ঘাটতির কথা!
ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চকে নিয়ে উপরের ঘটনা কম্পিউটার বিজ্ঞানের জগতে, আরেকটু নির্দিষ্ট করে বললে চাইলে হ্যাকিং-ফ্রীকিং এর জগতে লিজেন্ড হয়ে আছে
এরকম আরো হরেক পদের লিজেন্ড তাঁকে নিয়ে চালু আছে বাজারে
ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ নাকি একবার একটা পাবলিক টেলিফোন বুথ থেকে কল করলেন, তারপর সে কল জাপান-রাশিয়া-ইংল্যান্ড সহ ১০-১২টা দেশ ঘুরিয়ে শেষে এসে ঠিক পাশের ফোনটায় কল করলেন, এপাশের ফোন থেকে কথা বলে পাশের ফোনের রিসিভার কানে দিলেন, কিছুক্ষণ পর শুনতে পারলেন দুনিয়া ঘুরে ক্লান্ত(!) হয়ে যাওয়া প্রায় স্তিমিত নিজের কন্ঠ!
এটুকুই কি শেষ? নাহ! কম্পিউটার নিরাপত্তার উপর বারেবার প্রশ্ন যারা তুলেছেন, বিভিন্ন পদের গালভরা নামে আমরা যাদের ডাকি -- হ্যাকার, ক্র্যাকার, ফ্রীকার ইত্যাদি ইত্যাদি, তাদের সবার পূর্বসূরী ছিলেন ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ নামের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এ ভদ্রলোক(!) - জন ড্র্যাপার
সেই ১৯৭১ এ প্রথম মিডিয়ার আলোতে আসে তাঁর ব্লুবক্স ফোন ফ্রীকিং( না, ) এর গল্প
এস্কোয়ার ম্যাগাজিনের পাতাতে প্রথম আলোচনায় আসেন তিনি
কিভাবে তাঁর শুরু? কেনই বা তাঁর নাম ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ? দুটো প্রশ্নেরই একটা উত্তর
ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চের গল্প শুরুর একটু আগে আমরা জয়বাবলসের গল্প অল্প করে শুনে নিই
বিশ্বাস করুন, ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চের শুরুতে এই মানুষটার বিশাল অবদান
জন্মান্ধ এ মানুষটার আসল নাম জোসেফ কার্ল এনগ্রেসিয়া জুনিয়র
মাত্র চার বছর বয়সে টেলিফোন নিয়ে উৎসাহী হয়ে উঠেন তিনি
পাঁচ বছর বয়সে নিজে থেকে আবিষ্কার করেন ফোন ট্যাপিং
সাত বছর বয়সে আবিষ্কার করেন টেলিফোনে পারফেক্ট পিচ ব্যবহার করে ফ্রি কল করার ক্ষমতা
কোনো যন্ত্রের সাহায্য ছাড়াই শুধু হুইসেল দিয়ে তিনি বাজাতে পারতেন মিউজিক নোট
এ ক্ষমতাকে ইংরেজিতে এবসলিউট পিচ বা পারফেক্ট পিচ বলা হয়
টেলিফোনের মধ্যে দিয়ে এ হুইসেল বাজিয়ে তিনি টেলিফোন তরঙ্গে অনুপ্রবেশ করতে পারতেন, ফ্রি করতে পারতেন লং ডিসট্যান্স ফোন কল
ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময় এই কাজ করে বন্ধুদের কাছ থেকে ভালই কামাতেন, কল প্রতি এক ডলার
বন্ধুরা তার নাম দিয়েছিল হুইসলার
পরবর্তীতে তিনি ধরাও পড়েন
শৈশবে এক নান দ্বারা যৌন নির্যাতিত এ মানুষটা তাঁর পুরো অতীতকে পেছনে ফেলে নিজের নাম পাল্টে জয়বাবলস রাখেন
ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চও অবশ্য ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চের আসল নাম নয়, তাঁর পিতৃপ্রদত্ত নাম ছিল জন ড্র্যাপার
আর জন ড্র্যাপারেরই বন্ধু ছিলেন জয়বাবলস
তো যাই হোক, জয়বাবলস একবার আবিষ্কার করলেন যে ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ সিরিয়ালের প্যাকেটে করে ফ্রি দেয়া একটা হুইসেল দিয়ে ২৬০০০ হার্জের তরংগ তৈরি করা যায়, কাকতালীয়ভাবে ঠিক একই তরংগ এটিএনটি নামে এক ফোন কোম্পানি ব্যবহার করতো এটা বুঝাতে যে একটা নতুন কল রাউট করার জন্য ট্রাঙ্ক লাইন প্রস্তুত আছে
জয়বাবলস এ আবিষ্কারের কথা জানালেন ড্র্যাপারকে, বন্ধুর এ আবিষ্কারের পরে ড্র্যাপার গবেষণা শুরু করলেন হুইসেল আর তার ফ্রিকোয়েন্সি নিয়ে
তৈরি করলেন ব্লু-বক্স, যা দিয়ে ফোন কোম্পানি ব্যবহার করে এমন বিভিন্ন টোন তৈরি করা যায়! শুরু হলো তাঁর ফ্রীকিং... ছদ্মনাম হিসেবে তিনি বেছে নেন সিরিয়ালের প্যাকেটের সেই ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ
মধ্য সত্তরের দশকে, টেলিফোন হ্যাক করছেন ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ
ভুলে না গেলে নিশ্চয়ই মনে আছে, এস্কোয়ার ম্যাগাজিনের পাতায় ফ্রীকিং আর জন ড্র্যাপারকে নিয়ে লেখা আর্টিকেলের কথা
ঐ খবরের ফলশ্রুতিতে টেলিফোন-ফ্রডের চার্জ মাথায় নিয়ে জেলে ঢুকতে হয় তাঁকে ১৯৭২এ
পত্রিকার ঐ আর্টিকেল আরো একজনের নজর কেড়েছিল, তাঁর নাম স্টিভ ওজনিয়াক
পরবর্তীতে ড্র্যাপার এই ফোন ফ্রীকিং শেখান স্টিভ ওজনিয়াক আর তাঁর এক সহচরকে
সে সহচরের নাম শুনে চমকে উঠবেন না যেন...স্টিভ জবস! হ্যা, স্টিভ জবস আর স্টিব ওজনিয়াক- যারা পরবর্তীতে এপল কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন
ড্র্যাপার এক অর্থে এপলের জন্যও কাজ করেছিল
এপল পার্সোনাল কম্পিউটারের জন্য তৈরি করেছিলেন এক টেলিফোন ইন্টারফেস বোর্ড, যা এপল কখনোই বাজারজাত করেনি
পরবর্তীতে ওজনিয়াক এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, এপলের মধ্যে হয়তো ওজনিয়াকই একমাত্র ড্র্যাপারের পক্ষে ছিলেন, আর কেউ ছিল না
তাই ড্র্যাপারের এ পরিশ্রম বৃথাই গিয়েছে
এর পেছনে আরো একটা কারণ হতে পারে ১৯৭৭ এ ড্র্যাপারের ওয়ার চার্জে( ) দোষী সাব্যস্ত হওয়া
এপল হয়তো দাগী আসামীর সাথে সংযুক্ত হয়ে সুনাম নষ্ট করতে চায়নি!
জেলে বসেই ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ তথা জন ড্র্যাপার তৈরি করেন এপল-২ এর জন্য প্রথম ওয়ার্ড-প্রসেসর -ইজিরাইটার
এ ওয়ার্ড-প্রসেসরের কোড করা নিয়ে আছে নানা গল্প
ওয়াল স্ট্রীট জার্নালের মতে, আলমেইদা কাউন্টি জেলে বসে রাতের পর রাত হাতে কোড লিখেই তিনি তৈরি করেন এ ওয়ার্ড-প্রসেসর, অন্য এক সূত্র যদিও বলে ক্যালিফোর্নিয়ার ফেডারেল সংশোধন কেন্দ্রে হাজতবাসের চার মাস ধরে তিনি এ কোড করেন
কোনোরকম কম্পিউটার ছাড়াই খালি হাতে কোডিং এর ঘটনা খানিকটা অবাস্তব মনে হতে পারে, তবে "যা রটে তার কিছুটা হলেও ঘটে"- সূত্রমতে এ রটনায় তাঁর মেধার কথা পরিষ্কার হয়ে যায়
জন ড্র্যাপারের ব্যাক্তিগত ওয়েবসাইট ইজিরাইটারের কোডিং নিয়ে বলছে একটু ভিন্ন কথা, খানিকটা বাস্তববাদী
ক্যালিফোর্নিয়ার জেলে থাকার সময় তিনি একটা ছোট ব্যান্ড প্রাকটিস স্টুডিওতে কাজ পান
যুক্তরাষ্ট্রে ওয়ার্ক ফারলো নামে এক প্রোগ্রাম ছিল, যার বদৌলতে কয়েদীরা দিনের বেলা জীবিকার জন্য বিভিন্ন সাধারণ কাজ করার সুযোগ পায়, রাতে যদিও সেই হাজতবাসই! যাই হোক, ঐ ছোট্ট ব্যান্ড স্টুডিওতে তিনি কম্পিউটার ব্যবহারের সুযোগ পান, আর প্রতিদিন করা কোড প্রিন্ট করে নিয়ে যেতেন রাতে কাজ করার জন্য
এমনি করে তৈরি করে ফেলেন তিনি ইজিরাইটার
কম্পুজ্ঞানীরা কেউ কেউ হয়তো ভাবছেন, এ আর এমন কিই বা বানিয়েছে...আমি কতো কিছু বানালাম!
ইজিরাইটারের মহিমা হলো এই যে, পরবর্তীতে আইবিএম পিসির জন্য এই ইজিরাইটার দিয়েই ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ এক বিশাল বিড জিতে নেন, হারিয়ে দেন বিল গেটসকে...নামটা চেনা চেনা লাগছে তো? গেটসের নাম শুনেই মুগ্ধ হয়ে গেলেন? অর্থমূল্যটা শুনবেন না ইজিরাইটারের? পরবর্তী ছয়বছর ধরে রয়ালিটি হিসেবে ১ মিলিয়ন ডলার করে আয় করেছেন ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্...
সাথে যুক্ত হয়েছে বাড়তি কামাই, যখন তার সফটওয়ারের ডিস্ট্রিবিউটার বিল বেকার অবৈধভাবে এ সফটওয়ার বাজারজাত করে ধরা পড়ে...ক্ষতিপূরণ হিসেবে বিল বেকারকে গুনতে হয় বড় অঙ্কের হিসাব
ড্র্যাপারের বাবা ছিলেন ইউ.এস এয়ারফোর্সের ইঞ্জিনিয়ার, ড্র্যাপার নিজেও ১৯৬৪ সালে ঢুকেছিলেন এয়ারফোর্সে
এয়ারফোর্সে কর্মরত অবস্থায় যখন আলাস্কাতে ছিলেন, সহকর্মীদের বিনামূল্যে ফোন ধরিয়ে দিতেন স্থানীয় টেলিফোন সুইচবোর্ড হ্যাক করে
পরবর্তীতে ১৯৬৮ সালে তাকে চাকরি থেকে সম্মানমূলক অব্যাহতি দেয়া হয়
২০০১ সালে ডিসকোভারি চ্যানেল জন ড্র্যাপার, স্টিভ ওজনিয়াক আর কম্পিউটার জগতের আরেক শীর্ষ হ্যাকার কেভিন মিটনিককে নিয়ে তৈরি করে ডকুমেন্টারি
তাঁকে নিয়ে তৈরি হচ্ছে চলচ্চিত্র, চিত্রনাট্য আর মিউজিক স্কোরের কাজ হচ্ছে
তাঁর অসংখ্য কাজের উদাহরণ আছে তাঁর ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটে , যা এ সংক্রান্ত বিষয়ে অজ্ঞতাহেতু এড়িয়ে গেলাম
এখন জন ড্র্যাপার কাজ করছেন বিভিন্ন কম্পিউটার সিকিউরিটি সফটওয়ার নিয়ে, 2 নামের এক মিডিয়া সরবরাহের কোম্পানি চালাচ্ছেন সিটিও হিসেবে, আর হোস্ট করছেন ইন্টারনেট টিভি শো-ক্রান্চ টিভি
এ সবই পোষাকি পেশা হতে পারে... হয়তো এখনো পৃথিবীর প্রথম হ্যাকার ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চের মাথায় চলছে দুর্বোধ্য কোনো দুষ্টুমি, কে জানে!
তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া
ছবিসূত্রঃ ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট ও মাইস্পেস
শেয়ার করুনঃ
পছন্দ করুন
পোস্টটি ১২ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন
ভাঙ্গা পেন্সিল এর ব্লগ | ৩৬ টি মন্তব্য | ১৬৪০ বার পঠিত | ট্যাগঃ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি