content stringlengths 0 129k |
|---|
একই দিন কয়েকজন সাক্ষীর তথ্যের ভিত্তিতে নগরের পাঁচলাইশ থানায় নতুন মামলা করেন মিতুর বাবা |
ওই মামলায় প্রধান আসামি করা হয় বাবুল আক্তারকে |
এদিকে পিবিআইয়ের দাখিল করা চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর গত ১৪ অক্টোবর বাদী হিসেবে নারাজির আবেদন করেন বাবুল আক্তার |
ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ২৭ অক্টোবর শুনানির তারিখ ধার্য করেন |
নির্ধারিত দিনে অর্থাৎ আজ (বুধবার) আদালতে বাবুল আক্তারের উপস্থিতিতে শুনানি হয় |
নারাজির আবেদনের যৌক্তিকতা নিয়ে এ সময় মামলার বাদী হিসেবে আদালতে বক্তব্য রাখেন বাবুল আক্তার |
আইনজীবী ও একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে আদালতে দেওয়া বাবুল আক্তারের বক্তব্যের বিষয়ে জানা গেছে, এ মামলার বাদী তিনি |
মামলাটি প্রথমে নগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তিনজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তদন্ত করেছেন |
পরে পিবিআই একজন পরিদর্শক মর্যাদার কর্মকর্তা দিয়ে মামলাটি তদন্ত করায় |
তদন্তে ৫৩ জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেন |
এদের মধ্যে ৫১ জন সাক্ষী হত্যাকাণ্ডে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততার বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি |
মাত্র দুজনকে দিয়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় সাক্ষী নেওয়ার মাধ্যমে বাবুল আক্তারকে দ্বিতীয় মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি |
বাবুল আক্তার আরও বলেন, আইনানুযায়ী প্রথম মামলার তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দাখিলের আগে মামলার বাদীকে জানাতে হয় |
কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় বিষয়টি বাদীকে অবহিত করেননি |
উল্টো রিপোর্টে স্বাক্ষর করার জন্য আসতে বলে তাকে আটক করে রাখেন |
দুদিন তাকে পিবিআই কার্যালয়ে আটকে রেখে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন |
এরপর পিবিআইয়ের গাড়িতে করে মিতুর বাবাকে চট্টগ্রামে এনে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন |
তিনি দাবি করেন, আগের মামলায় তার বাবা-মা, মিতুর বাবা-মা ও খালাতো ভাইসহ নিকটাত্মীয় অনেকের সাক্ষী নেওয়া হয়েছে, যাদের মধ্যে অন্তত সাতজনের সাক্ষ্যগ্রহণের তথ্য কেস ডকেট থেকে গায়েব করা হয়েছে |
অথচ তাদের সাক্ষ্যগ্রহণের পর পুলিশ নিজেই গণমাধ্যমে বক্তব্য রেখেছে এবং দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ায় বিষয়টি প্রচারিত হয় |
এগুলোর কোনো তথ্যই এখন কেস ডকেটে নেই |
এজন্য মামলার নথি পুলিশ থেকে জুডিশিয়াল হেফাজতে নিতে আদালতের কাছে আবেদন করা হয়েছে |
আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন |
কিন্তু এর আগেই নথি সরানো হয় |
আদালতে বাবুল আক্তার মিতু হত্যার প্রথম মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি গ্রহণ করে বিচার বিভাগীয় তদন্তের জন্য দাবি জানান |
এর আগে আজ (বুধবার) নারাজির আবেদনের শুনানির শুরুতে আদালতে কথা বলেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী |
জাগো নিউজকে তিনি বলেন, মামলার কেস ডকেটে বেশ কয়েকজন সাক্ষীর কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না |
অথচ তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করার বিষয়টি আমরা গণমাধ্যমের বরাতে জানতে পেরেছি |
কিন্তু আদৌ তাদের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে কিনা এবং তারা কি বলেছেন, তার কিছুই কেস ডকেটে নেই |
আমরা ওই নথি তলবের জন্য আদালতে আবেদন করেছি |
আদালত সেটি খারিজ করে দিয়েছেন |
তবে সার্বিক বিবেচনায় নারাজি আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য আমরা আদালতের কাছে আবেদন করেছি |
আদালত আগামী ৩ নভেম্বর আদেশ প্রদানের তারিখ ধার্য করেছেন |
তবে মামলার কেস ডকেট থেকে নথি গায়েবের বিষয়ে জানতে চাইলে পাঁচলাইশ থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) শাহীন ভূঁইয়া জাগো নিউজকে বলেন, এটি আমার জানা নেই |
পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, মিতু হত্যায় দায়ের হওয়া প্রথম মামলার তদন্তে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা পান তারা |
এজন্য আগের মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে নতুন করে আরেকটি মামলা দায়ের করা হয় |
দ্বিতীয় মামলায় আসামি ভোলা ও কয়েকজন সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি প্রদান করেছেন |
প্রথম মামলায়ও কয়েকজন আসামি আদালতে জবানবন্দি প্রদান করেছেন |
এতে উঠে আসে, বাবুল আক্তারের পরিকল্পনায় খুন হন তার স্ত্রী |
বাবুলের এ কিলিং মিশনে নেতৃত্ব দেন তার সোর্স হিসেবে পরিচিত কামরুল ইসলাম সিকদার ওরফে মুসা |
অস্ত্র সরবরাহ করেন এহতেশামুল হক ওরফে ভোলা |
হত্যাকাণ্ড শেষে বাস্তবায়নকারীদের বাবুল আক্তার তিন লাখ টাকা প্রদান করেন |
মিতুকে হত্যা করতে মুসাসহ অন্যান্যদের অনেকটা বাধ্য করেন বাবুল |
তবে এসব বিষয় জানা গেলেও সবকিছুর সমীকরণ মেলাতে 'জটিলতায়' পড়েছে পিবিআই |
কারণ সাড়ে ৫ বছরেও মিতু হত্যাকাণ্ডের প্রধান প্রত্যক্ষদর্শী তাদের সন্তান আখতার মাহমুদ মাহিরের জবানবন্দি কিংবা সাক্ষ্য নিতে পারেনি তারা |
তার অবস্থানও এখনো শনাক্ত করা যায়নি |
আবার যে সুইডিশ নারী গায়ত্রী অমর সিংয়ের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে বাবুল আক্তার স্ত্রী মিতুকে হত্যার উদ্যোগ নিয়েছিলেন বলে পিবিআই দাবি করে আসছে, সে গায়ত্রীর খোঁজ মেলেনি আজও |
পাশাপাশি কিলিং মিশনে নেতৃত্ব দেওয়া কামরুল ইসলাম সিকদার ওরফে মুসাকে গ্রেফতার করতে পারেনি পিবিআই |
তিনি জীবিত আছেন নাকি মারা গেছেন সেই তথ্যও তাদের কাছে নেই |
এছাড়া এই মামলার একাধিক আসামি এখনো পলাতক |
শুধু তাই নয়, দুটি বইয়ের একাধিক পৃষ্ঠায় গায়ত্রী ও বাবুল আক্তারের 'প্রেমালাপ' লিখা হয়েছিল বলে মিতুর বাবার দায়ের করা মামলার এজাহারে উল্লেখ রয়েছে |
এই হাতেরলেখা গায়ত্রী কিংবা বাবুল আক্তারের কি-না সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেনি পিবিআই |
পিবিআই কর্মকর্তারা জানান, গায়ত্রী অমর সিং যেহেতু জাতিসংঘের শরনার্থী বিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) কক্সবাজার কার্যালয়ে চাকরি করতেন, সেহেতু এ সংস্থায় তার লেখা সম্বলিত নথি চেয়ে চিঠি দেন তারা |
কিন্তু পিবিআইয়ের দেওয়া সেই চিঠির এখনো সদুত্তর দেয়নি ইউএনএইচসিআর |
গায়ত্রী-বাবুলের আগের লেখা পাওয়ার পর সেগুলো মেলানোর জন্য সিআইডির ল্যাবে পাঠানো হবে |
এছাড়াও প্রথম মামলা আদালতে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হওয়াটাও ভাবাচ্ছে পিবিআইকে |
সবমিলিয়ে মিতু হত্যাকাণ্ডে দায়ের হওয়া মামলা নিয়ে পিবিআইয়ের 'ছুটোছুটি' শেষমেশ কোথায় গিয়ে ঠেকবে তা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন |
ক্লুলেস ও চ্যালেঞ্জিং বিভিন্ন মামলার জট খুলে প্রশংসিত হওয়া পিবিআইয়ের এখন অন্যতম চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে মিতু হত্যা মামলা |
কারণ স্বয়ং একজন পুলিশের এসপি পিবিআইয়ের চোখে এই ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত |
মামলার বাদী হয়ে যিনি নিজেই তার স্ত্রী হত্যার বিচার চান |
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরের নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু |
ওই সময় এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয় |
ঘটনার সময় মিতুর স্বামী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায় |
ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে তৎকালীন এসপি ও মিতুর স্বামী বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন |
ওই মামলার প্রায় পাঁচ বছর শেষে গত ১২ মে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ |
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা এ প্রতিবেদন দাখিল করেন |
একই দিন বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানায় মামলা দায়ের মিতুর বাবা সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মোশাররফ হোসেন |
বাবুল আক্তার ছাড়াও ওই মামলার বাকি সাত আসামি হলেন- কামরুল ইসলাম সিকদার ওরফে মুসা (৪০), এহতেশামুল হক ওরফে ভোলা (৪১), মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম (২৭), আনোয়ার হোসেন (২৮), খায়রুল ইসলম ওরফে কালু (২৮), সাইদুল ইসলাম সিকদার (৪৫) ও শাহজাহান মিয়া (২৮) |
মিজানুর রহমান/কেএসআর/এএসএম |
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন |
আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময় |
আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে |
আজই পাঠিয়ে দিন - [ ] |
কলকাতাদেশবাংলাদেশবিদেশরাজ্যআলিপুরদুয়ারউঃ ২৪ পরগনাউঃ দিনাজপুরকালিম্পংকোচবিহারজলপাইগুড়িঝাড়গ্রামদঃ ২৪ পরগনাদঃ দিনাজপুরদার্জিলিংনদিয়াপশ্চিম বর্ধমানপশ্চিম মেদিনীপুরপুরুলিয়াপূর্ব বর্ধমানপূর্ব মেদিনীপুরবাঁকুড়াবীরভূমমালদামুর্শিদাবাদশিলিগুড়িহাওড়াহুগলিশিল্প-বাণিজ্য |
ইউপিএ-তে যোগ দেবে শিবসেনা? রাহুল-সঞ্জয় সাক্ষাতের পর নয়া জল্পনা |
বাড়ল টেস্ট, এক ধাক্কায় করোনা সংক্রমণের হার দেড় শতাংশের নীচে |
ধান ক্ষেতে ঘাপটি মেরে বসে আছে বাঘ, খাঁচায় ছাগল পুরে ধরার... |
প্রায় সব দাবি মেনে নিচ্ছে কেন্দ্র, বিক্ষোভ শেষ করতে চলেছেন কৃষকরা? |
শরীরস্বাস্থ্য |
শিক্ষা ও কেরিয়ার |
খবর বাংলাদেশ সকল সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ পৌঁছোবে স্বপ্নের ঠিকানায়: তথ্যমন্ত্রী |
সকল সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ পৌঁছোবে স্বপ্নের ঠিকানায়: তথ্যমন্ত্রী |
খবর অনলাইন |
13, 2021 |
বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ |
ঋদি হক: ঢাকা |
শেখ হাসিনার সরকার বিশ্বাস করে 'ধর্ম যার যার, উৎসব সবার' |
বাংলাদেশ আজ সারা বিশ্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য নজির সৃষ্টি করেছে |
ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে সনাতন সমাজ কল্যাণ সংঘ আয়োজিত দুর্গাপূজার মহাসপ্তমীতে শুভেচ্ছা জানাতে এসে বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সকল সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ পৌঁছোবে স্বপ্নের ঠিকানায় |
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি ও বাংলাদেশ কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ, সনাতন সংঘের সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার মজুমদার-সহ পূরোহিত, পূজারি, অভ্যাগত অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন |
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আয়োজিত এক সভায় তথ্যমন্ত্রী তথা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. মাহমুদ বলেন, কেউ কেউ এই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বেদিমূলে আঘাত করতে চায় |
দেশ ও মানুষের কল্যাণে সম্মিলিত ভাবে তাদের প্রতিহত করতে হবে |
এ সময় তথ্যমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন যে পাকিস্তানি 'রাষ্ট্রব্যবস্থায় ধর্মকে মুখ্য' করা হয়েছিল |
কিন্তু মানুষের বড়ো পরিচয় হল জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সে মানুষ |
আর এই আবহমান বাংলার সংস্কৃতি |
সে কারণে পাকিস্তান সৃষ্টির পর পরই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অনুধাবন করেছিলেন, ধর্মের ভিত্তিতে রচিত পাকিস্তানি রাষ্ট্রব্যবস্থায় আমাদের মুক্তিলাভ সম্ভব নয় |
জাতির পিতা অসাম্প্রদায়িক চেতনায় স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছেন |
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গন্ধুর নেতৃত্বে সকল ধর্মের মানুষের মিলিত রক্তস্রোতে অর্জিত লাল-সবুজ পতাকার স্বাধীন বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির কোনো স্থান নেই |
অসাম্প্রদায়িকতার বেদিমূলে যারা আঘাত হানতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে |
বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার বিশ্বাস করে 'ধর্ম যার যার, উৎসব সবার' |
বাংলাদেশ আজ সারা বিশ্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য নজির গড়েছে |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.