content
stringlengths
0
129k
২০২০ সালে হয় বর্ধিত এনডিসি
বলা বাহুল্য, আমাদের এনডিসিও উচ্চাকাঙ্ক্ষী, অর্থাৎ বর্তমানের তুলনায় নির্গমন ১৫ শতাংশ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, যার মধ্যে নিঃশর্তভাবে কমাতে হবে ৫ শতাংশ আর বাকিটা শর্তসাপেক্ষ
যেহেতু অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসর দেশগুলোকে বিভিন্ন কারণে ও কূটকৌশলে ধরাশায়ী করতে সুবিধা, সেহেতু উন্নত দেশগুলো যেকোনো বিষয়ে তাদের ওপর দায় চাপাতে সিদ্ধহস্ত
জলবায়ু সংকটও এর ব্যতিক্রম নয়, বরং আরও বেশি পরিপক্ব
প্রতিবারই বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনের আগে ধরিত্রীর উষ্ণায়নে উন্নত দেশগুলোর দায় নিয়ে ব্যাপক আওয়াজ উচ্চারিত হয়, সম্মেলন শেষ হলে লাটিমের মতো আগের অবস্থায় পদার্পণ
যেমন ২০১৫ সালে সম্পাদিত প্যারিস জলবায়ু চুক্তি অনুসারে পরিবর্তিত পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে উন্নত দেশগুলো ২০২০ সাল থেকে উন্নয়নশীল বিশ্বকে ১০০ বিলিয়ন ডলার তহবিল ছাড়ের প্রতিশ্রুতি দিলেও আদতে এটা ভালোভাবেই ধাক্কা খেয়েছে
তাই আমাদের মতো দেশগুলো নির্গমন হ্রাসে খুব বেশি সহযোগিতা পায় না, কিন্তু দিনের শেষে সব দোষ আমাদের; যেন 'মিকি-মাউস'-এর খেলা!
যাক, পরিবর্তিত জলবায়ুতে বাংলাদেশের কোন খাত বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, সে বিষয়ে কমবেশি সবাই জানি
দেশের দুই-তৃতীয়াংশ সমুদ্রগর্ভে তলিয়ে যাবে, ৩০ মিলিয়ন মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে ইত্যাদি
জলবায়ুর রূপান্তরে যেসব প্রভাব আমরা জানি না বা কখনো অনুমানেও আসেনি, সেগুলোর বিস্তার কিন্তু এখন দৃশ্যমান
এমন অনেক বিষয় থাকলেও গুরুত্ববহ কিছু বিষয়ে নজর দেওয়া যাক
প্রথমেই আসি বড় শহরগুলোর উষ্ণায়ন নিয়ে
আমাদের ও যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীদের গবেষণায় এসেছে, নগরগুলো দিন দিন মাত্রাতিরিক্ত হারে উত্তপ্ত হচ্ছে
এ কারণে মানুষের বহু শ্রমঘণ্টা নষ্টের সঙ্গে দাবদাহে মৃত্যুর শঙ্কাও বাড়ছে
এ অবস্থার জন্য অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও ক্রমবর্ধমান শহুরে জনসংখ্যার দায় ৮০ ভাগ আর বাকিটা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের
কিন্তু জনস্রোত কেন শহরমুখী? মূলত, জলবায়ুর বিরূপ আচরণে বিভিন্ন এলাকায় জীবিকা নির্বাহের উপায়গুলো হ্রাস পাচ্ছে, ফলে মানুষ নগরমুখী
সুতরাং, নগরের উষ্ণায়নে জলবায়ু পরিবর্তনের পরোক্ষ ভূমিকা রয়েছে
অন্যদিকে, ডেঙ্গুর মতো প্রাণঘাতী রোগের বিস্তারেও উষ্ণায়নের প্রভাব পরিষ্কার
আবার শুষ্ক মৌসুমে আন্তসীমান্ত বায়ুদূষণের দরুন বাড়ছে শ্বাসতন্ত্রের রোগ
এ কারণে পরিবারসহ রাষ্ট্রের জনস্বাস্থ্য ব্যয় বাড়ার সঙ্গে ব্যক্তির কর্মক্ষমতা ও উৎপাদন কমছে
সমুদ্রও কিন্তু ভূমির মতো উত্তপ্ত হচ্ছে
আর ভূমি ও সমুদ্রের তাপমাত্রার তারতম্য কমে আসায় ধীরে ধীরে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু দুর্বল হয়ে পড়ছে
ফলস্বরূপ, বাড়ছে ভারী ও অনিয়মিত বৃষ্টিপাতের পরিমাণ, সৃষ্টি হচ্ছে নিত্যনতুন দুর্যোগের
বড়-মাঝারি শহরগুলোতে জলাবদ্ধতা এখন নিয়মিত ঘটনা, আশু সমাধান নেই, তবে বাগাড়ম্বরতার কমতি নেই
একসময় দেশে বড় বা নিয়মিত বন্যার সময় জানা ছিল
জলবায়ুর রূপান্তরে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বন্যার অনিয়মিতকরণে জীবনজীবিকা, কৃষিসহ নদীভাঙনে বিরূপ প্রভাব দিবালোকের মতো পরিষ্কার
যেমন গত সপ্তাহে তিস্তায় হঠাৎ বন্যা আমাদের জন্য অবশ্যই অশনিসংকেত
ভূমির উচ্চতা কম হওয়ায় ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ায় উপকূলে লবণাক্ততার বিস্তারে জনজীবন দুর্বিষহ
একদিকে সুপেয় পানির অভাব, অন্যদিকে বিভিন্ন রোগবালাইয়ের প্রকোপ
লবণাক্ততা বাড়লে কৃষিক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি যে প্রভাব পড়বে, তা মোকাবিলার উপায় কী? অনেকেই লবণসহিষ্ণু ভ্যারাইটির কথা বলবেন, কিন্তু মাটি একবার লবণাক্ত হয়ে গেলে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা পাহাড়সম কাজ
উপরিউক্ত ইস্যুগুলোয় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাব অনস্বীকার্য
এর মধ্যে কিছু বিষয়ে নিজস্ব সক্ষমতা দিয়ে মোকাবিলা সম্ভব, আর কিছু ক্ষেত্রে দরকার আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা
যেমন: নগরের উষ্ণায়ন, জলাবদ্ধতা বা জনস্বাস্থ্যের বিষয়গুলো দেশের জলবায়ু ও জননীতিতে কি বিধৃত আছে? না থাকলে তা দ্রুত জননীতির আওতায় আনা উচিত
তবে তা হতে হবে বিজ্ঞানভিত্তিক
জলবায়ু রূপান্তর মোকাবিলায় স্থানীয় উদ্ভাবনের সঙ্গে সুচারু পারিসরিক পরিকল্পনা অত্যাবশ্যক
অন্যথায় যেকোনো কর্মপরিকল্পনাই ব্যর্থ হতে পারে
আবার গত সপ্তাহের তিস্তার মতো হঠাৎ বন্যা ব্যবস্থাপনায় আঞ্চলিক সহযোগিতা অপরিহার্য
অন্যদিকে, জলবায়ুজনিত নেতিবাচক অনেক প্রভাব মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতা ব্যতীত উত্তরণ সম্ভব নয়
এ ক্ষেত্রে বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য প্রয়োজন
বায়বীয় প্রমাণের ভিত্তিতে চিৎকার-চেঁচামেচিতে খুব লাভ আগেও হয়নি, ভবিষ্যতেও হবে না
মনে রাখতে হবে, উন্নত বিশ্বের প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানভিত্তিক উপাত্ত হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে ঘায়েল করার প্রধান অস্ত্র
আর আমাদের দেশে বিশ্বাসযোগ্য উপাত্তের ঘাটতি বহুকাল ধরেই সর্বজনবিদিত
সুনির্দিষ্ট তথ্য ও অকাট্য প্রমাণ থাকলে তাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখানো যায়
নিজেদের অধিকার আদায়েও উন্নত দেশগুলোকে চাপ প্রয়োগ সম্ভব
এখন কথা হচ্ছে, গ্লাসগোতে কি নতুন এই বিপদগুলো উচ্চারিত হবে? নাকি চর্বিত চর্বণই চলবে? বাংলাদেশকে যাঁরা প্রতিনিধিত্ব করবেন, তাঁদের দায়িত্ব নতুন বিপদগুলো সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে অবহিত করা
উন্নত অর্থনীতির জনগোষ্ঠীর বিলাসী জীবনযাপনের বলি আমাদের গরিব মানুষ - এ কথা কি বিশ্বনেতৃত্বের কানে দিতে পারবেন আমাদের প্রতিনিধিরা? নাকি প্রতিবারের মতো ঘুমপাড়ানি মাসি-পিসির গল্প নিয়েই ফিরে আসবেন?
আশরাফ দেওয়ান অস্ট্রেলিয়ার কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব আর্থ অ্যান্ড প্ল্যানেটারি সায়েন্সেসের গবেষক
আপনার মতামত লিখুন:
পাঠক মতামত সর্বশেষ
বাংলাদেশের নতুন বিপদগুলো কি গ্লাসগো শুনবে
এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়
বাংলাদেশের নতুন বিপদগুলো কি গ্লাসগো শুনবে
ডেইলি বাংলাদেশ বাংলাদেশের খবর, মতামত এবং বিনোদনের জন্য একটি মাল্টিমিডিয়া প্ল্যাটফর্ম
আমরা লেখালেখি, প্রকাশনী এবং প্রদর্শনের মাধ্যমে সাংবাদিকতায় একটি ভবিষ্যতমূলক দৃষ্টিভঙ্গি আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
ডেইলি বাংলাদেশ রাজনীতি, ব্যবসা, বিনোদন, খেলাধুলা, উদ্ভাবন, প্রযুক্তি, জীবনযাপন এবং অন্যান্য জুড়ে সর্বশেষ ব্রেকিং নিউজ এবং শীর্ষ খবর সরবরাহ করে
, . , . , , , , , , , .
মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার হওয়া গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে
মূলত অর্থ আত্মসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহারসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগে তাকে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়
তার জায়গায় মেয়রের দায়িত্ব পেয়েছেন প্যানেল মেয়র আসাদুর রহমান কিরণ
বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রেস ব্রিফিংয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম তার বহিষ্কার হওয়ার তথ্য জানান
পরে জাহাঙ্গীর আলমকে বরখাস্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্থানীয় সরকার বিভাগ
এতে বলা হয়, 'গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ভুয়া টেন্ডার, আরএফকিউ, বিভিন্ন পদে অযৌক্তিক লোকবল নিয়োগ, বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে ও একই কাজ বিভিন্ন প্রকল্পে দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ এবং প্রতি বছর হাট-বাজার ইজারার অর্থ যথাযথভাবে নির্ধারিত খাতে জমা না রাখাসহ নানাবিধ অভিযোগ উত্থা...
এছাড়া ভূমি দখল ও ক্ষতিপূরণ ছাড়া রাস্তা প্রশস্তকরণ সংক্রান্ত প্রাপ্ত অভিযোগটির বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের মতামত জানতে চাওয়া হলে অদ্যাবধি কোনো মতামত প্রদান করা হয়নি
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, 'এই অভিযোগসমূহ- ক্ষমতার অপব্যবহার, বিধিনিষেধ পরিপন্থি কার্যকলাপ, দুর্নীতি ও ইচ্ছাকৃত অপশাসনের শামিল যা কর্পোরেশন আইনের ধারা ১৩ (১) (ঘ) অনুযায়ী অপসারণযোগ্য অপরাধ
এসব অভিযোগের তদন্ত কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে ২০০৯ সালের সিটি কর্পোরেশন আইনের ১৩ ধারা মতে অপসারণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে
তাই সিটি কর্পোরেশন আইনের ধারা ১২ (১) অনুযায়ী, সুষ্ঠু তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে জাহাঙ্গীর আলমকে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো
স্থানীয় সরকার বিভাগের অপর এক আদেশে তিন সদস্যের মেয়র প্যানেল গঠন করা হয়
'স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯' এর ধারা ২০ (২)-এর বিধান অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশনের তিন কাউন্সিলরের সমন্বয়ে এই প্যানেল গঠন করা হয়
মেয়র প্যানেলে মনোনীত হন- ৪৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আসাদুর রহমান কিরণ, ৫২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আব্দুল আলীম মোল্লা ও ১০ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোসা. আয়েশা আক্তার
পরে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে আসাদুর রহমান কিরণকে ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব দেওয়া হয়
ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসেবে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের পাঠানো চিঠিতে স্বাক্ষরও করেছেন
প্যানেল মেয়র কিরণ নিজে ডেইলি বাংলাদেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
আসাদুর রহমান কিরণ বলেন, 'গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসেবে আমি মন্ত্রণালয়ের পাঠানো পত্রে স্বাক্ষর করেছি
আমাকে এ দায়িত্ব দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম, মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই
' তিনি দায়িত্বপালনে সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন
এর আগেও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র অধ্যাপক এম এ মান্নান ২০১৫ সালের ১৯ আগস্ট সাময়িক বরখাস্ত হওয়ার পর কাউন্সিলর আসাদুর রহমান কিরণ ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসেবে দুই বছরের বেশি দায়িত্বপালন করেছিলেন
দ্বিতীয়বারের মতো এবার প্যানেল মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন তিনি
এর আগে দুপুরে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, 'গাজীপুরের মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে বেশকিছু অভিযোগ মন্ত্রণালয়ে দাখিল হয়েছিল
সেগুলোকে পর্যালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে
যেহেতু আইন অনুযায়ী কোনো নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি বিশেষ করে মেয়রের বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ আসে এবং তা যদি তদন্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য আমলে নেওয়া হয় তাহলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে
সে কারণে মেয়র জাহাঙ্গীরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে
'স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯' এর ১২ (১) ধারা অনুযায়ী, জাহাঙ্গীর আলমকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী
গত সেপ্টেম্বরে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে 'কটূক্তি'র একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়
এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়
ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ১১ মিনিট ২৩ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ ছাড়াও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লাহ খান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, হেফাজতের প্রয়াত নেতা জুনায়েদ বাবুনগরীর সঙ্গে তার সখ্য ও রাষ্ট্রীয় দুটি সংস্থা নিয়ে নানা আপত্তিকর মন্তব্য করেন মেয়র জাহাঙ্গীর
এরপর গাজীপুরে দলের নেতাকর্মীরা তার বিরুদ্ধে রাস্তায় নামেন
তার বহিষ্কার দাবি করে সড়ক অবরোধ করে মিছিল-সমাবেশও করেন নেতাকর্মীরা
দলের নেতাকর্মীরা এই ধরনের কাজকে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ হিসেবে দেখেন
এরপর গত ৩ অক্টোবর 'দলের স্বার্থপরিপন্থী কর্মকাণ্ড ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে' তাকে শোকজ চিঠি পাঠায় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ
এরপর গত ১৯ নভেম্বর বিকেল ৪টায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে তাকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়
পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়
এরপর থেকে দল ও দলের বাইরে কোণঠাসা হয়ে পড়েন তিনি
গাজীপুরসহ বিভিন্ন জেলায় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হয়
আপনার মতামত লিখুন:
রাজনীতি সর্বশেষ
মেয়র জাহাঙ্গীর সাময়িক বরখাস্ত, ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্বে কিরণ
বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে মশাল মিছিল করলো যুবদল
খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী
২০ নভেম্বর বিএনপির মানববন্ধন
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: এক-চতুর্থাংশ হেরেছে নৌকার প্রার্থীরা