content
stringlengths
0
129k
তার আশা, ভবিষ্যতে বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে ওই সংস্থা এমন কিছু করবে না যার ফলে প্রত্যক্ষ কিংবা অপ্রত্যক্ষ ভাবে হিন্দুদের ভাবাবেগে আঘাত লাগে
বিজেপি নেতা
মন্তব্য করুন
'); // // (!='') $().('
'); // // }); = .; $('._ ').((){ $().('',':100%;'); }); });
প্রতিনিধি: শিক্ষা ও চাকরিতে বিশেষ অবদানের জন্য খুলনা মহানগর ও জেলায় শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত হয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব সৈয়দা নাহিদা হাবিবা
'জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ' শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে তার হাতে সম্মাননা তুলে দেন খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন
এসময় খুলনা মহানগর ও জেলা পর্যায়ের আরো ছয় শ্রেষ্ঠ জয়িতাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়
অনুষ্ঠানের আয়োজক খুলনা জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর
২০১৮-১৯ অর্থবছরে খুলনা জেলা পর্যায়ে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচন করা হয়
সৈয়দা নাহিদা হাবিবা ছাড়াও অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী ক্যাটাগরিতে জাহানারা বেগম, সফল জননী রোকেয়া বেগম, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরুতে স্মৃতি বিশ্বাস এবং সমাজ উন্নয়নে সন্ধ্যা রাণী বিশ্বাসকে এই সম্মাননা জানানো হয়
এছাড়া সিটি করপোরেশন এলাকায় শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত হয়েছেন- অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী সাবেরা মারজানা এবং সমাজ উন্নয়নে সন্ধ্যা রাণী বিশ্বাস
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন বলেন, জয়িতাদের অবদান সমাজে ছড়িয়ে দিতে পারলে নারীরা আরও উৎসাহিত হবেন
সরকার নারীদের সকল ক্ষেত্রে অধিকার দিয়েছে
তৃণমূল থেকে উঠে আসা খুলনার পাঁচ হাজার নারীকে বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ দিয়ে স্বাবলম্বী করা হবে
অনুষ্ঠানে খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আছাদুজ্জামান এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ইশরাত জাহান
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নার্গিস ফাতেমা জামিন
শ্রেষ্ঠ জয়িতা হওয়া অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে গিয়ে সৈয়দা নাহিদা হাবিবা বলেন, আমি প্রজাতন্ত্রের একজন সেবক
সব সময় চেষ্টা করি নিজের সেরাটা দিয়ে কাজ করার জন্য
যখন সম্মাননা বা কাজের স্বীকৃতি পাই তখন কাজ করার অনুপ্রেরণা বেড়ে যায়
বেড়ে যায় দায়িত্ববোধ
এর আগে ২০১৬ সালে সৈয়দা নাহিদা হাবিবাকে প্রাথমিক শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন
সে সময় শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে প্রধামন্ত্রীর কাছ থেকে সম্মাননা গ্রহণ করেন
← নোয়াখালীতে অগ্নিকান্ডে বসত ঘরসহ ৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই
বেগমগঞ্জে তাফসিরুল কোরআন মাহফিল →
নোয়াখালীতে এসএমই পন্য মেলার উদ্বোধন
মার্চ ৫, ২০১৯
সুজুকি সুইফ্ট গাড়ী বাজারজাত শুরু করল উত্তরা মোটর্স
মার্চ ১৭, ২০১৯
সোনাইমুড়ীতে ইউএনও অফিসের পিয়নের হাতে স্কুল ছাত্রী ধর্ষিত, থানায় মামলা, ধর্ষক পালাতক
অক্টোবর ২, ২০১৯
. *
ফেসবুকে দৈনিক জাতীয় নিশান
প্রিন্ট ভার্সন
জেলা-উপজেলা রাজনীতি
অন্যকে ফাঁসাতে নিজের শরীর ব্লেড দিয়ে কাটলো যুবক!
ডিসেম্বর ২১, ২০১৯
নিশান রিপোর্টার: নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের কাজিরহাট এলাকায় অন্যকে ফাঁসাতে নিজের শরীরের মাথাসহ বিভিন্ন অঙ্গ ধারালো ব্লেড দিয়ে কাটলো
জেলা-উপজেলা রাজনীতি শীর্ষ নিউজ
নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনকে সামনে রেখে মতবিনিময়
নভেম্বর ১১, ২০১৯
জেলা-উপজেলা রাজনীতি
দেশে আবারও সু-শাসন কায়েম করবে বিএনপি: বরকত উল্যা বুলু
সেপ্টেম্বর ৩, ২০১৯
জেলা-উপজেলা রাজনীতি
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদের মৃত্যুতে নোয়াখালীতে দোয়া মাহফিল ও শোক সভা
জুলাই ২৯, ২০১৯
শবে বরাত প্রসঙ্গ কথা
এপ্রিল ২১, ২০১৯
আবুল খায়ের নাঈমুদ্দীন: শবে-বরাত, নাম শুনলেই কেমন কেমন আনন্দে মনটা নেচে ওঠে
মনের ভেতরে এক রকম আমেজ তৈরী হয় যা
আমাদের বাংলা নববর্ষ
এপ্রিল ১৭, ২০১৯
নতুন বছরে জনগণের প্রত্যাশা এবং নতুন সমীকরণ
জানুয়ারী ৬, ২০১৯
আন্তর্জাতিক খেলাধুলা জাতীয় জেলা-উপজেলা তথ্য প্রযুক্তি নির্বাচন প্রবাস বিনোদন মুক্তমত রাজনীতি শিক্ষা শীর্ষ নিউজ সম্পাদকীয়
নিশাচর বলে তাদের যারা রাত জেগে চলাফেরা করে, অর্থাৎ আহার খোঁজে
নিশাচর জন্তুদের মধ্যে একটির নাম তোমরা সকলেই বলতে পারবে, সেটি হচ্ছে 'প্যাঁচা'
নিশাচরেরা রাত্রে আহার করে কেন? তার নানা কারণ আছে
প্রথমত যারা শত্রুর ভয়ে দিনের আলোতে বেরুতে সাহস পায় না, রাত্রে অন্ধকারে তাদের গা ঢাকা দিয়ে চলবার সুবিধা হয়
যেমন আফ্রিকার 'কাকাপো' অথবা 'প্যাঁচাটিয়া'
এদের ডানা ছোট বলে ভাল করে উড়তে পারে না; দিনের বেলায় বেরোলেই অন্য পাখিরা ঠুক্‌রিয়ে অস্থির করে তোলে
ইঁদুর জাতীয় নানারকম নিরীহ জন্তু আছে, তারাও এরকম শত্রুর ভয়ে সারাদিন লুকিয়ে থাকে, রাত্রে শিকারের খোঁজে বেরোয়
কোন কোন জন্তু আছে তাদের শরীরের গঠন এমন যে তারা দিনের আলো, রোদ বা গরম সইতে পারে না
প্যাঁচার চোখ এমন অদ্ভুত যে সে আলোর দিকে ভাল করে তাকাতেই পারে না, সহজেই চোখ ঝলসে যায়
সাপ ব্যাঙ প্রভৃতি যেসব জন্তুর রক্ত ঠাণ্ডা, তারা রোদে বেরোলে শরীরের রস শুকিয়ে যায়
তাই তারা সারাদিন ঝোপে জঙ্গলে ছায়ার মধ্যে থাকতে চায়
আর একদল নিশাচর আছে, যারা রাত্রে বেরোয় ভালরকম শিকার জোটে বলে
বাঘ সিংহ প্রভৃতি বড় বড় মাংসখোর জন্তুরা এই কারণেই অনেক সময় নিশাচর হয়
সন্ধ্যার পর নানারকম পোকামাকড় বেরোয় তাই পোকা - খোর জন্তুরাও ঐ সময়ই খাবার আশায় ঘুরে বেড়ায়
সন্ধ্যার সময় যে চামচিকারা বা 'নাকাটি' পাখিরা ব্যস্ত হয়ে আকাশময় ছুটাছুটি করে, সেটাও তাদের ভোজের আনন্দ
ভাল করে দেখলেই বোঝা যায় যে তারা উড়তে উড়তে পোকা ফড়িং খেয়ে বেড়াচ্ছে
'লেমার' বা ক্ষুদে বানরদেরও অনেকেই এই দলের মধ্যে পড়ে
তারাও রাত হলেই পোকামাকড় খুঁজে বেড়ায়
রাত্রে আলোক্র কাছে টিকটিকির পোকা শিকারের উৎসাহ তোমরা নিশ্চয়ই দেখেছ
রাত্রে আলো দেখে যত পোকা এসে জড় হয় দিনের বেলায় একসঙ্গে তত পোকা পাওয়া শক্ত
টিকটিকির ভোজটাও তাই সন্ধ্যার পরে জমে ভাল
নিশাচর জন্তুদের প্রায় সকলের মধ্যেই একটি অভ্যাস দেখা যায় - সেটি হচ্ছে নিঃশব্দে চলা
প্যাঁচার শরীরটি ত নেহাৎ ছোট নয়, সে উড়তেও পারে বেশ; অথচ উড়বার সময় তার ডানা ঝাপ্‌টার শব্দ শুনতে পাওয়া যায় না
রাত্রে অন্ধকারে দেখতে হয় বলে তাদের চোখ দুটোও তেমনি করে তৈরি
প্রায়ই দেখা যায় নিশাচর জন্তুদের চোখ প্যাঁচার মতো বড় আর গোল গোল হয়
সেইজন্যে অনেক সময় তাদের দেখতেও অদ্ভুত দেখায়
যেসব ক্ষুদে বানরদের কথা আগে বলেছি, তাদের চোখ মুখ আর চলাফেরা এমন অদ্ভুত গোছের হয় যে দেখলে অনেক সময় ভয় হয়
আরেকরকম বানর আছে, তার নাম 'টার্সীয়ের'
যে-দেশে এর বাড়ি সেখানকার লোকেরা একে 'ভূত বানর' বলে
এর সমস্ত কপালজোড়া বড় বড় চোখ, আর রোগা রোগা কাঠির মতো হাত পা
গাছের আড়াল থেকে হঠাৎ উঁকি মেরেই রবারের মতো নিঃশব্দে লাফ দিয়ে আবার দশ হাত দূর মারে - এই হচ্ছে এর চালচলনের ধরন
কারও কোন অনিষ্ট করে না, কেবল পোকামাকড় খেয়ে থাকে অথচ লোকে মিছামিছি তাকে ভূতের মতো ভয় করে
তার কারণ সে নিশাচর
আমাদের পুরাণে রাক্ষসদের নামও নিশাচর
তারাও নাকি দিনের আলোর চাইতে রাত্রের অন্ধকারটাই বেশি পছন্দ করে
আর চোর ডাকাত যারা পরের বাড়িতে সিঁদ কেটে ঘুমন্ত মানুষের সর্বনাশ করে, তাদের 'শিকার' করবার সুবিধা হয় রাত্রে
আজকালকার সভ্য মানুষ রাতকে দিন করে রাখে
রাত্রেও হাজার আলো জ্বালিয়ে দিয়ে তার কলকারখানা, রেল, স্টিমার চালাতে হয়
সুতরাং মাঝে মাঝে ভদ্র মানুষকেও কাজকর্মের জন্য নিশাচর হতে হয়
ভোরবেলা যে খবরের কাগজটি পড় তার জন্য যে কত লোকের রাত জেগে খাটতে হয় তা কখন ভেবে দেখছ কি? আর রেলে স্টিমারে ড্রাইভার গার্ড প্রভৃতি কতজনকে যে দিনের পর দিন রাতমজুরি খাটতে হয়, তারাও একরকম নিশাচর বৈকি!
আল্লামা পীর সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ্ (মা. জি. আ.) আগামী ৪ নভেম্বর বৃহষ্পতিবার, সকাল ১১টায় ঢাকায় যাবেন
আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট'র ব্যবস্থাপনায় হুজুর কেবলা আওলাদে রাসূল, রাহনুমায়ে শরীয়ত ও তরীক্বত, মুর্শিদে বরহক্ব, হাদীয়ে দ্বীন ও মিল্লাত, হযরতুল আল্লামা পীর সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ্ (মা. জি. আ.) চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক পবিত্র জশনে জুলুসে ঈদ-এ-মিলাদুন্নব'র অনুষ্ঠানসহ বিভিন্নস্থানে অনুষ্ঠিত ...