content stringlengths 0 129k |
|---|
গত ৯ মাসে ঢাকা মহানগরীতে ট্রাফিক পুলিশ সীমিত আকারে আইনের প্রয়োগ করলেও সারা দেশে অনেকটা স্থবির অবস্থা রয়েছে |
এখনো হয়নি নতুন আইনের বিধিমালা |
হয়নি সংশোধনও |
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ৯ মাস গাড়ির কাগজপত্র যাচাই করে মামলা করা বন্ধ রেখেছে পুলিশ |
ঢাকায় শুধু উল্টো পথে চলাসহ শৃঙ্খলা ভঙ্গের মামলা করা হচ্ছে |
আন্দোলনের মুখে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত আইনটি প্রয়োগ না করে কাগজপত্র নবায়নের সময় দেওয়া হয়েছিল |
সেটি বাড়িয়ে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর করা হয়েছে |
ঢাকার কয়েকজন ট্রাফিক সার্জেন্ট বলেন, আইনে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান থাকলেও কিছু অপরাধে সর্বনিম্ন শাস্তির উল্লেখ নেই |
বিধিমালা না হওয়ায় সেসব স্থানে অস্পষ্টতা থেকেই গেছে |
প্রয়োজনীয় পস মেশিন, কাগজ স্লিপসহ সরঞ্জাম ও নির্দেশনা প্রদানেও কিছু ঘাটতি আছে |
তাই করোনার সময় আগের দেওয়া 'শিথিল থাকার নীতি' মেনেই চলছেন দায়িত্বরত ট্রাফিক সদস্যরা |
জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, 'আইনের প্রয়োগ একেবারে হচ্ছে না তা সঠিক নয়, আমরা অনেক মামলা করছি |
বিভিন্ন কারণে আইনের প্রয়োগের ব্যাপারে কিছু নির্দেশনা আছে |
ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ কাগজপত্র নবায়নের সময়টিও ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আছে |
তবে শৃঙ্খলা ভঙ্গের ট্রাফিক আইন অমান্য করলে নতুন আইনেই মামলা হচ্ছে |
' প্রশ্নের জবাবে আব্দুর রাজ্জাক আরো বলেন, 'বিধিমালা আমরা পাইনি |
তবে এরই মধ্যে ডিজিটাল ডিভাইস, জনবলসহ অনেক কিছুই হয়েছে |
ঢাকা মহানগরীতে ক্রাইম ডিভিশনের মতোই ট্রাফিক পুলিশের আটটি ডিভিশন হয়েছে |
করোনার কারণে রাস্তায় গাড়ি কম এবং এখন ঈদ-পূববর্তী শৃঙ্খলার কাজের কারণে মামলা কম হচ্ছে |
২০১৮ সালের ২৯ জুলাই শহীদ রমিজ উদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থীর বাসচাপায় নিহত হওয়ার ঘটনায় নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের মুখে ১৯ সেপ্টেম্বর সংসদে 'সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮' পাস হয় |
এতে সড়কে আইন ভঙ্গে জরিমানা বেড়েছে ১০ থেকে হাজার গুণ |
বেড়েছে কারাদণ্ডও |
আগের আইনে লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানোর জরিমানা ছিল ৫০০ টাকা |
নতুন আইনে সর্বোচ্চ জরিমানা ২৫ হাজার টাকা |
অন্যান্য অপরাধের ক্ষেত্রেও এভাবে জরিমানা বাড়ানো হয়েছে |
গাড়ির আকার পরিবর্তন, সড়কে কাউকে আহত, নিহত করার মামলা জামিন অযোগ্য করা হয়েছে |
এক বছরের বেশি সময় পর গত বছরের ১ নভেম্বর আইনটি কার্যকর করার ঘোষণা দেয় সরকার |
৪ নভেম্বর 'সচেতনতার' কথা বলে আইনের প্রয়োগ দুই সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়া হয় |
আইন কার্যকর ঘোষণার পরই গত বছরের ১৬ নভেম্বর থেকে পরিবহন শ্রমিকরা জেলায় জেলায় ধর্মঘট শুরু করেন |
সপ্তাহখানেক পরিবহন খাতে অচলাবস্থা চলার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে আইনের ১২৬টি ধারার তিনটির প্রয়োগ চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয় |
যানবাহনের ফিটনেস নবায়ন ও লাইসেন্স হালনাগাদ করার জন্য ৩০ জুন পর্যন্ত সময় দেওয়া হয় |
এই সময় পর্যন্ত লাইসেন্স ও ফিটনেসের বিষয়ে নতুন সড়ক পরিবহন আইনে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না বলে সিদ্ধান্ত হয় |
আইনের কিছু ধারা সংশোধনের আশ্বাসে ২৩ নভেম্বর ধর্মঘট প্রত্যাহার করেন শ্রমিকরা |
ঢাকার ট্রাফিক পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, পুলিশ এখন সচেতনতা তৈরির কার্যক্রম এবং সড়কে শৃঙ্খলার কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকছে |
করোনার কারণে লাইসেন্সসহ কাগজপত্র হালনাগাদের সময় ৩০ জুন থেকে বাড়িয়ে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর করা হয়েছে |
আইনের কঠোর প্রয়োগ হলে ফের গাড়ি বন্ধ করে অচলাবস্থা তৈরি করতে পারেন পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা |
এ শঙ্কাতেই ছাড় দেওয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন কেউ কেউ |
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন সার্জেন্ট বলেন, কিছু কিছু স্থানে এখনো হাতে মামলা দেওয়ার স্লিপ বা বই নেই |
পস মেশিনও নেই |
আইনে সর্বোচ্চ সাজার কথা থাকলেও সর্বনিম্ন উল্লেখ নেই |
বিধিমালা না হওয়ায় অস্পষ্ট |
আবার নির্দেশনা আছে উল্টোপথে আসা, মোটরসাইকেলের চালক বা যাত্রীর হেলমেট না থাকা, সিগন্যাল অমান্য করা ছাড়া কাগজপত্র যাচাই করে মামলা না করার |
এসব কারণে শিথিলতা চলছে |
ঢাকা মহানগর পুলিশের তথ্য যাচাই করে আইন ভঙ্গের কারণে সামান্য কিছু মামলার তথ্য পাওয়া গেছে |
মহানগর পুলিশের মুখপত্র, ডিএমপি নিউজ পোর্টালে সর্বশেষ ৩১ অক্টোবরে ট্রাফিক আইন অমান্যের মামলা ও জরিমানার তথ্য রয়েছে |
এরপর গত ৫ মার্চ মহাখালীতে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে শৃঙ্খলা ভঙের ১৫টি মামলায় ১২ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা আদায়ের তথ্য রয়েছে |
নতুন সড়ক আইন পুরোপুরি কার্যকর না হওয়ায় মামলার পরিমাণ ও জরিমানা আদায় কম হওয়ায় এসব তথ্য আর ডিএমপি নিউজে দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশের একটি সূত্র |
তবে গত ৯ মাসে নতুন আইনটির ব্যাপারে সচেতনতা বাড়াতে পুলিশের অনেক কার্যক্রমের তথ্য আছে নিউজে |
সূত্র: কালের কণ্ঠ |
ইসলামের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ নাম হজরত আলী বিন আবু তালিব (রা.) |
মাত্র ৯ বছর বয়সে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং মহানবী (সা.)-এর জামানায় তিনিই প্রথম পুরুষ যিনি কলেমা উচ্চারণ করে মুসলমান হিসেবে প্রকাশ্যে ঘোষণা দেওয়ার ঝুঁকি গ্রহণ করেন |
পবিত্র কোরআন নাজিলের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সঙ্গী ছিলেন হজরত আলী (রা.) |
প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ সৈয়দ আলী আজগর রাজী তার বিখ্যাত বই 'এ রিস্টেটমেন্ট অব দ্য হিস্ট্রি অব ইসলাম অ্যান্ড মুসলিম' গ্রন্থের ৫২ নং পৃষ্ঠায় লিখেছেন, হজরত আলী (রা.) এবং পবিত্র কোরআন হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও খাদিজাতুল কুবরা (রা.)-এর ঘরে যমজ সন্তানের মতো বেড়ে ওঠে |
তাঁর পিতা আবু তালিব সম্পর্কে মহানবী (সা.)-এর চাচা ছিলেন |
অন্যদিকে মহানবী (সা.)-এর প্রিয় কন্যা ফাতেমা (রা.)-এর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে তিনি মহানবী (সা.)-এর জামাতায় পরিণত হন |
হজরত আলী (রা.) ও মা ফাতেমা (রা.)-এর সংসারে তিন পুত্র ও দুই কন্যার জন্ম হয় |
যাদের মধ্যে ইমাম হাসান (রা.) এবং ইমাম হোসেন (রা.) অন্যতম |
ইমাম হোসেন (রা.)-এর শিশুপুত্র অর্থাৎ হজরত আলী (রা.)-এর নাতি আলী আল আজগর ইসলামের ইতিহাসে এক করুণ ঘটনার চরিত্র |
ক্ষমতা ও ঐশ্বর্য লাভের সব সুযোগ থাকলে ইসলামের স্বার্থে এবং মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসার টানে সব কিছু ত্যাগ করেন হজরত আলী (রা.) |
তবে তার পরিবারে একের পর পর এক ঘটতে থাকে মর্মস্পর্শী ঘটনা, যার শেষ অধ্যায় রচিত হয় মহররম মাসে কারবালা প্রান্তরে |
বিষ মাখানো তরবারির আঘাতে হজরত আলী (রা.)-এর মৃত্যু |
হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি আস্থা এবং মহান আল্লাহর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে মহানবী (সা.)-এর নবুয়ত প্রাপ্তির পর পরই পুরুষদের মধ্যে প্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন হজরত আলী (রা.) |
কাবা চত্বরে মহানবী (সা.)-এর চাচা আবু তালিব ও চাচি ফাতেমা বিনতে আসাদের ঘরে হজরত আলী (রা.) ৬০১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন |
মাত্র ৯ বছর বয়সে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং মহানবী (সা.) জীবদ্দশায় সর্বদা তার সঙ্গী, বন্ধু, দেহরক্ষী, পরামর্শদাতা, সেনাপতিসহ নানা ভূমিকায় অনন্য ভূমিকা রাখেন |
আত্মীয়তার দিক থেকে হজরত আলী (রা.) ছিলেন মহানবী (সা.)-এর চাচাত ভাই |
মহানবী (সা.)-এর প্রাণপ্রিয় কন্যা এবং ইসলামের ইতিহাসে অনুকরণীয় নারী মা ফাতেমা (রা.) এর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার কারণে তিনি মহানবী (সা.)-এর জামাতায় পরিণত হন |
মহানবী (সা.)-এর সঙ্গে তাকে ইসলামের জন্য জীবনের সব কিছু ব্যয় এবং জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে ইমান ও আমলের এক অনন্য নজির স্থাপন করেন হজরত আলী (রা.) |
তাই তিনি ছিলেন মহানবী (সা.)-এর সাহাবি ও প্রিয়জনদের মধ্যে সর্বাধিক খেতাবপ্রাপ্ত |
মহানবী (সা.) ৬৩২ সালে এ জগৎ সংসার থেকে বিদায় নেন |
তার উত্তরসূরি হিসেবে হজরত আলী (রা.)-এর সব ধরনের প্রতিভা, প্রজ্ঞা, শারীরিক ও মানসিক শক্তি, সামরিক জ্ঞান, প্রশাসনিক দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও তার বদলে ইসলামের প্রথম খলিফা নির্বাচিত হন হজরত আবু বকর (রা.) |
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় খলিফা নির্বাচিত হন যথাক্রমে হজরত ওমর (রা.) ও হজরত ওসমান (রা.) |
হজরত আলী (রা.) এসব সিদ্ধান্ত শ্রদ্ধাভরে গ্রহণ করেন |
তবে দুঃখজনকভাবে অপমৃত্যুর শিকার হন হজরত ওমর (রা.) এবং হজরত ওসমান (রা.) |
এসব অপমৃত্যুসহ নানা কারণে মুসলমান, আরব বিশ্ব ও তৎকালীন ক্ষমতার বলয় বিভিন্ন গোত্র, দল ও উপদলে বিভক্ত হয়ে পড়ে |
ইসলামের তৃতীয় খলিফা হজরত ওসমান (রা.)-কে ৮২ বছর বয়সে ১৭ জুন ৬৫৬ সাল শুক্রবার বিকালে আসর নামাজের পর পবিত্র কোরআন পাঠরত অবস্থায় একদল বিপথগামী মিসরীয় আরব নির্মমভাবে হত্যা করে |
এরপর মদিনার মসজিদে নববীতে অনুষ্ঠিত মুসলমানদের এক সমাবেশে হজরত আলী (রা.)-কে চতুর্থ খলিফা ও মুসলিম বিশ্বের নেতা নির্বাচন করা হয় |
কিন্তু বিপথগামী আরবরা তা মানতে না পেরে হজরত আলী (রা.)-কে হত্যার পরিকল্পনা করে |
এর মধ্যে ক্ষমতা গ্রহণের ১ বছরের মাথায় সিরিয়া সীমান্তে অবস্থিত ইউফ্রেতিস নদীর তীরে হজরত আলী (রা.) এবং তার বিরোধিতাকারী মুয়াবিয়া-১ এর বাহিনীর মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয় |
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর সিদ্ধান্ত হয় যে, আলোচনা ও সালিশের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা হবে |
ওই যুদ্ধে অংশ নেওয়া একদল আরব এমন সিদ্ধান্ত মানতে না পেরে যুদ্ধক্ষেত্র ত্যাগ করে পরবর্তীতে তাদের 'ত্যাগকারী' বা খারাজি হিসেবে আখ্যায়িত করা হয় |
হজরত আলী (রা.)-এর রাজত্ব পালনকালে খারাজিরা কট্টর পন্থা অবলম্বন করে এবং তাদের মতের সঙ্গে অমত পোষণকারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় |
এক পর্যায়ে তারা সীমা অতিক্রম করে ভিন্ন মতাবলম্বীদের নাজেহাল করতে থাকে এবং সন্ত্রাসের পথ বেছে নেয় |
হজরত আলী (রা.) তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন এবং ৬৫৮ সনের জুলাই মাসে সংঘটিত 'নাহরাওয়ান' যুদ্ধে তাদের নেতা ইবনে ওহাবসহ অসংখ্য খারাজিকে হত্যা করেন |
তবে অবশিষ্ট খারাজি ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের শক্তি বৃদ্ধি করতে থাকেন এবং হজরত আলী (রা.)-সহ আরও দুজন আরব নেতাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন |
এ জন্য তিন খারাজিকে পৃথকভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয় |
তাদেরই একজন আবদুর রহমান ইবনে মুলযান বর্তমানে ইরাকের কুফা নগরে হিজরি ৪০ সনের ১৯ রমজান (২৬ জানুয়ারি ৬৬১ সাল) বিষ মাখানো তরবারি দিয়ে হজরত আলীকে সকালে ফজর নামাজ আদায়রত অবস্থায় আঘাত করে |
তীব্র যন্ত্রণা ভোগের পর মূলত বিষক্রিয়ায় দুদিন পর শাহাদাতবরণ করেন হজরত আলী (রা.) |
একদল গবেষকের মতে, হজরত আলী (রা.) আশঙ্কা করেন যে, তার মৃত্যুর পর শত্রুরা তার মৃতদেহ ও কবরকে অপমান করতে পারে |
তাই নিকটাত্মীয় ও আপনজনদের প্রতি তার নির্দেশ ছিল মৃত্যুর পর যেন গোপনে তার সৎকার হয়, যা অনুসরণ করা হয় |
ফলে দীর্ঘদিন তার কবরের সঠিক অবস্থান অজানা ছিল, পরবর্তীতে ইরাকের নাজাফ শহরে তার কবর রয়েছে বলে দাবি করা হয় |
বর্তমানে সেখানে তার মাজার আছে বলে বিশ্বাস অধিকাংশের, যা ঘিরে নির্মিত হয়েছে সোনালি গম্বুজ বিশিষ্ট হজরত আলী মসজিদ |
অপরদিকে বর্তমান আফগানিস্তানের উত্তরে বালাখ রাজ্যের মাজার-ই শরিফ নামক স্থানে আকর্ষণীয় নীল মসজিদের পাশে হজরত আলী (রা.)-কে গোপনে দাফন করা হয়েছে দাবি করে সেখানে গড়ে তোলা হয়েছে আরও একটি মাজার |
পিতার অবধারিত শাস্তির সংবাদ |
হজরত আলী (রহ.)-এর পিতা আবু তালিব সম্পর্কের দিক থেকে প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর চাচা ছিলেন |
পিতা-মাতাকে হারিয়ে শিশু মুহাম্মদ (সা.) ঠাঁই নেন চাচা আবু তালিবের ঘরে |
কুরাইশ নেতা এবং উচ্চবংশীয় হিসেবে আবু তালিব তার পূর্ব পুরুষের সনাতন ধর্ম ত্যাগ করতে অপারগ ছিলেন |
তবে নিজ ভ্রাতুষ্পুত্র মুহাম্মদ (সা.)-এর নিরাপত্তা ও ভরণ পোষণের জন্য তিনি যথেষ্ট সচেষ্ট ছিলেন |
মহানবী (সা.) আপ্রাণ চেষ্টা করেন চাচা আবু তালিবকে কলেমা পড়াতে এবং জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাতে |
কিন্তু নিজ বংশ এবং পূর্ব পুরুষের অহমিকার বেড়াজাল ছিন্ন করে আবু তালিবের পক্ষে কলেমা উচ্চারণ করা সম্ভব হয়নি |
ইতিহাসবিদ ফ্রিড ম্যাকাগ্রো ডোনার ১৯৮৭ সালে তার লেখা 'দি ডেথ অব আবু তালিব' গ্রন্থে লিখেছেন মৃত্যুশয্যায়ও প্রিয়নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) আপ্রাণ চেষ্টা করেন অন্তত একবারের জন্য তাকে কলেমা পড়াতে |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.