content
stringlengths
0
129k
ভিটামিন সি বলিরেখার সম্ভাবনা অনেকটা কমিয়ে আনে
ভিটামিন সি-তে আছে কোলাজেন যা ত্বকের সুরক্ষায় কাজ করে
* হজম শক্তি বাড়ায়:
লেবু পানিতে যে এসিড রয়েছে তা খাবার হজম করতে সাহায্য করে
এতে আছে সাইট্রাস ফ্লাভোনইডস যা পাকস্থলীতে খাবারকে ভেঙে সহজেই হজম করে
বয়সের সাথে সাথে হজম ক্ষমতা কমে যায়
* লিভারের কার্যক্রম সচল রাখে:
লিভার আপনার শরীরে ফিল্টার হিসেবে কাজ করে
লেবুর সাইট্রাস ফ্লাভোনইডস‌ লিভার থেকে বর্জ্য ফেলে দিতে ও লিভারের ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে
তাই লিভারকে সুস্থ রাখার জন্য লেবু পানি খুব উপকারী
* কিডনির পাথর প্রতিরোধ করে:
কিডনিতে পাথর হওয়ার সমস্যাটি এখন অহরহ দেখা যায়
অপারেশন করে, ওষুধ খেয়ে বা লেজার চিকিৎসার মাধ্যমে এ রোগটি নিরাময় করা যায়
কিন্তু এ রোগটিই যেন না হয় হয় তাই আগে থেকে সাবধানতা অবলম্বন করা ভালো
ডিহাইড্রেশন বা পানির স্বল্পতার কারণে কিডনিতে পাথর জমে
তাই লেবু পানি পান করলে আপনার শরীরে পানির অভাব হবে না এবং কিডনিতে পাথর জমারও আশঙ্কা থাকবে না
এছাড়া লেবু কিডনি ও পাকস্থলীর পাথর গলাতেও সাহায্য করে
* ডায়াবেটিকদের জন্য উপকারী:
লেবুতে যে ফাইবার আছে তা আপনার শরীর ভাঙতে পারে না বলেই ব্লাড সুগার লেভেলে এর জন্য কোনো প্রভাব পড়ে না
* পটাশিয়ামের মাত্রা বাড়ায়:
সাধারণত পটাশিয়ামের কথা বললেই প্রথমে কলা এবং বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি ও ফলমূলের কথা মাথায় চলে আসে
কিন্তু লেবু থেকেও যথেষ্ট পরিমাণ পটাশিয়াম পাওয়া সম্ভব
পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, মাংসপেশীর কর্মক্ষমতা বাড়ায় ও হার্টবিট নিয়ন্ত্রণ করে
তাই আপনার শরীরে পটাশিয়ামের চাহিদা পূরণ হওয়া দরকার
যেহেতু লেবুতে পটাশিয়াম রয়েছে তাই দিনের শুরুতে লেবু পানি পান করে নিলে আপনার শরীরে পটাশিয়ামের চাহিদার কিছুটা পূরণ করতে পারবেন
* কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে:
কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সমাধানেও দারুণ কাজ করে লেবু পানি
সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে হালকা কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে পান করে নিন
শুধু লেবুর রস গরম পানি দিয়ে পান করতে খারাপ লাগলে এর সাথে মিশিয়ে নিতে পারেন মধু ও সামান্য লবণ
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার এ ফর্মুলাটি অভাবনীয়ভাবে কাজ করে
তাই সকালে উঠে লেবু পানি গলাধঃকরণ করলে আপনার পেট পরিষ্কার হওয়ার ব্যাপারটা একেবারেই নিশ্চিত
* ক্লান্তি দূর করে:
গরমের দিনে আমাদের শরীর প্রচণ্ড ঘেমে যায়
ফলে শরীরে ব্লাড সুগার লেভেল কমে যায় এবং আমরা ক্লান্ত হয়ে যাই
লেবু পানিতে চিনি মিশিয়ে পান করে নিলে ব্লাড সুগার লেভেল বেড়ে যায় এবং ক্লান্তিটা আর থাকে না
* মুখের দুর্গন্ধ হতে দেয় না:
লেবুতে যে সাইট্রাস আছে তা সহজেই মুখের ভেতর ব্যাকটেরিয়া হওয়ার আশঙ্কা রোধ করে
আর তাই মুখে দুর্গন্ধ হয় না
তবে লেবুর এসিড দাঁতে অতিরিক্ত পরিমাণ পড়লে দাঁতের এনামেল নষ্ট হয়ে যেতে পারে
তাই মাঝে মাঝে স্ট্র দিয়ে লেবু পানি পান করতে পারেন
* বিপাকে সাহায্য করে:
ঠান্ডা পানি বিপাকে তুলনামূলক বেশি উপকারী
আর লেবুর খোসা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে যা বিপাক প্রক্রিয়ায় সহায়ক
তাই ঠান্ডা লেবুর পানিতে কিছুটা লেবুর খোসা কুচি করে মিশিয়ে খেয়ে নিন
এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনের জন্য নতুন 'মহাজোট' গঠন করা হয়েছে
প্রায় ৩০টি সংগঠনের সমন্বয়ে এই জোট গঠন করা হয়
শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই জোট গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়
অনুষ্ঠানে এই মহাজোটের আহ্বায়ক হিসেবে অধ্যক্ষ মো. মাঈন উদ্দিন, সদস্য সচিব হিসেবে অধ্যক্ষ জসিম উদ্দিন এবং সমন্বয়ক হিসেবে মো. রফিকুল ইসলামের নাম ঘোষণা করা হয়
আহ্বায়ক কমিটি আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করবেন
অনুষ্ঠানে পাঠ করা লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ১৯৮০ সালে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকারের কাছ থেকে প্রথমে জাতীয় বেতন স্কেলের আওতায় ৫০ শতাংশ প্রারম্ভিক বেতন প্রাপ্তির সুযোগ পান
শুরু থেকে এ পর্যন্ত শিক্ষক কর্মচারীরা বিভিন্ন সরকারের আমলে আন্দোলন-সংগ্রামের ফলে শতভাগ বেতনসহ বার্ষিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, ২০ শতাংশ বৈশাখী ভাতা, এক হাজার টাকা বাড়িভাড়া, ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা, কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ বোনাস এবং শিক্ষকরা ২৫ শতাংশ বোনাস ও নির্ধারিত হারে অবসর ও কল্যাণ ভাতা পাচ্ছেন
তবে চাকরি থেকে অবসরের ৩-৪ বছরের আগে শিক্ষক-কর্মচারীরা অবসর-কল্যাণ ভাতা পান না এবং এ সময়ের মধ্যে অনেকের মৃত্যু হয়
শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলি নেই, প্রমোশন নেই, নেই অন্যান্য সরকারি সুযোগ-সুবিধাদি
এতে বলা হয়, উল্টো শিক্ষক-কর্মচারীদের ওপর ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির অযাচিত অত্যাচার আছে
ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে নিয়োগে অস্বচ্ছতা ও ক্ষেত্র বিশেষে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায়
কমিটি প্রথা বাতিল করে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ন্যায় এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা উচিত বলেও তিনি দাবি জানানো হয়
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের চাকরি জাতীয়করণ ও উৎসব ভাতা শতভাগে উন্নীত করতে লাগবে ৭০০ থেকে ৮০০ কোটি টাকা
আর বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা স্কেল ভিত্তিক প্রদানসহ স্থায়ী অবসর ও কল্যাণ তহবিল গঠন করে সরকার যদি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যাবতীয় আয় সরকারি কোষাগারে জমা করে এবং শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন কিছুটা সংস্কার করে আমাদের প্রস্তাব অনুযায়ী নির্ধারণ করে তাহলে অনায়াসেই এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা যায়
ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, অর্থসচিব ও শিক্ষা সচিব বরাবর জাতীয়করণের আবেদন করা হয়েছে জানিয়ে বলা হয়, বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তই এমপিওভুক্ত শিক্ষাকে জাতীয়করণ করতে পারে
অনুষ্ঠানে নেতারা বলেন, আজ আমরা এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মহাজোট গঠন করে আমাদের জাতীয়করণের দাবিটি আবারও সরকারের কাছে পৌঁছাতে চাই
জাতীয়করণ করলে ২০-৫০ টাকা বেতনে শিক্ষার্থীরা সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করবে, ১৬ কোটি মানুষ তাদের সন্তানদেরকে একই মানের সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াতে সক্ষম হবেন
সর্বোপরি মেধাবীরা শিক্ষকতায় আকৃষ্ট হবে এবং বন্ধ হবে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ
আজকের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী জাতীয়করণ প্রত্যাশী মহাজোটের সরকারের কাছে প্রত্যাশা 'মুজিব শতবর্ষে ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে' যেন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা হয়, তবেই বঙ্গবন্ধুর বক্তব্য 'দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটাবো'-এ বক্তব্যের বাস্তবায়ন হবে
বিশেষ করে এ সরকারের হাত ধরে যদি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ হয়, তাহলে এদেশের জনগণ, শিক্ষার্থী সমাজ ও শিক্ষক সমাজ এ সরকারকে আজীবন স্মরণ করবে
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবি যদি পূরণ করা না হয় তাহলে পরবর্তীতে আমরা কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো
অনুষ্ঠানে মহাজোটের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মো. মাঈন উদ্দিন, সদস্য সচিব অধ্যক্ষ জসিম উদ্দিন এবং সমন্বয়ক মো. রফিকুল ইসলাম ছাড়াও উপাধ্যক্ষ আব্দুর রহমান, শাহিদুল ইসলাম, আফজালুর রশিদ, বেনী মাদব, তালুকদার আব্দুল মান্নাফি, অরুফ সাহা, দিদার হোসেন, রতন কুমার দেবনাথ, মাওলানা আহাদুল ইসলাম, অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, আব্দুল্লা আল মামুন প্রম...
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শিক্ষক নেতা মতিউর রহমান দুলাল
এমআরআর/এএসএম
সংবাদ-সম্মেলন
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন
আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়
আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে
আজই পাঠিয়ে দিন - [ ]
'পরবর্তী মহামারি হতে পারে আরও ভয়াবহ'||তথ্য প্রতিমন্ত্রীকে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ||হঠাৎ দুই ভাগ হয়ে গেল চলন্ত ট্রেন||ডা. মুরাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি||করোনা সংক্রমণ ঠেকাবে চুইং গাম!||কীভাবে অবসর কাটাবেন মার্কেল?||একদিনে ৫৬ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে||নতুন চুক্তি করছে কাতার-তুরস্ক||ইরান আতঙ্কে যুক্ত...
শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গন
স্টাডি সেন্টারের আড়ালে ক্যাম্পাস চালাচ্ছে ইউনিভার্সাল কলেজ
প্রিন্ট করুন
স্টাডি সেন্টারের আড়ালে ক্যাম্পাস চালাচ্ছে ইউনিভার্সাল কলেজ
শিক্ষা ডেস্ক
২৪ নভেম্বর ২০২১, ২০:৩৩
ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ছবি : সংগৃহীত)
ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবি) স্টাডি সেন্টারের আড়ালে মোনাশ কলেজের নামে শাখা ক্যাম্পাস চালাচ্ছে
শুধু টিউশন ফি বাবদ তিন বছরের জন্য এক শিক্ষার্থীর কাছ থেকেই নেওয়া হচ্ছে ৪০ লাখ টাকা! সাথে দেখানো হচ্ছে এক বছর পর ক্রেডিট ট্রান্সফারের প্রলোভন
বলা হচ্ছে, মোনাশ ইউনিভার্সিটি অস্ট্রেলিয়া বা মালয়েশিয়ায় সরাসরি দ্বিতীয় বর্ষে লেখাপড়ার সুযোগ করে দেওয়া হবে, যার অনুমোদন নেই এই প্রতিষ্ঠানের
শুধু তাই নয়, প্রথম বছরের পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী যদি উত্তীর্ণ না হয় তবে মোনাশে ভর্তি না করিয়ে তাকে বিশ্বের 'অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে' ভর্তির অফারও দিয়েছে তারা
ইউসিবি বলছে, স্টাডি সেন্টারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম ও পরীক্ষার জন্য সহায়তা করা হয়
স্টাডি সেন্টার কোনো পাঠ্যক্রমও নির্ধারণ করে না
অথচ আবার তারাই বলেছে এক বছর পর ক্রেডিট ট্রান্সফার করে অস্ট্রেলিয়া বা মালয়েশিয়ায় মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি দ্বিতীয় বর্ষে ভর্তি হতে পারবেন শিক্ষার্থীরা
তাদের এমন স্ববিরোধী বক্তব্যে পরিষ্কার হয় যে, মোনাশ স্টাডি সেন্টারের নামে ইউসিবি মূলত বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনহীন শাখা ক্যাম্পাস পরিচালনা করছে
এরইমধ্যে ৪২ জন শিক্ষার্থীও ভর্তি করিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি
মোনাশ স্টাডি সেন্টারে ভর্তি হওয়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানান, এক বছর দেশে মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিষয় পড়ানো হবে তাদের
তিন বছরের জন্য ৪০ লাখ টাকা শুধু টিউশন ফি নিচ্ছে
ডিপ্লোমাসহ তিন বছরের জন্য বিভিন্ন বিষয়ে ভর্তি করানো হয়েছে
দেশে এক বছর পড়ার পর সরাসরি অস্ট্রেলিয়া বা মালেশিয়ায় গিয়ে মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দ্বিতীয় বর্ষে লেখাপড়া করা যাবে বলেও জানিয়েছে ইউসিবি
ইউসিবির মিডিয়া রিলেশনস থেকে লিখিতভাবে জানানো হয়, শিক্ষার্থীরা এক বছর পর মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে না পারলেও, তাদের অন্য কোনো আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় বা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ করে দেওয়া হবে
তবে এক বছরের পড়ালেখা করার পর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন প্রক্রিয়ায় তারা ভর্তির সুযোগ করে দেবে, তা নিয়ে বিস্তারিত জানায়নি ইউসিবি
এতে করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া বিপুল পরিমাণ টিউশন ফি কিংবা তাদের শিক্ষাজীবন ঝুঁকিতে পড়লো কিনা এমন প্রশ্নের কোনো উত্তর দেয়নি ইউসিবি
স্টাডি সেন্টারে কী পড়ানো হচ্ছে, বাংলাদেশে যা পড়ানো হচ্ছে তা বিদেশে পাড়ানো হবে কিনা - এসব জানতে চাইলে ইউসিবি জানায়, ইউসিবির ক্লাসে যোগদানের পর, কোনো শিক্ষার্থী একবার যখন মোনাশ প্রথম বর্ষের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়, তখন সে মোনাশ ইউনিভার্সিটি অস্ট্রেলিয়া বা মোনাশ ইউনিভার্সিটি মালেশিয়ায় (শিক্ষার্থীর পছন্দ অনুযায়ী) সর...
ইউসিবি একবার বলেছে এক বছর পড়ার পর সরাসরি মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্ট্রেলিয়া বা মালেশিয়ায় দ্বিতীয় বর্ষে ভর্তি হওয়া যাবে, আরেকবার বলেছে ক্রেডিট ট্রান্সফার করা হয় না
আবার বলেছে, কেউ এক বছরের লেখাপড়ায় উত্তীর্ণ না হলে বিদেশের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ করে দেওয়া হবে