content
stringlengths
0
129k
৩৭তম সপ্তাহের গর্ভাবস্থায় সাধারণ শরীরের পরিবর্তনগুলিতে অন্তর্ভুক্ত:
ব্রাক্সটোন হিক্স সংকোচন- এই অনুশীলন সংকোচনের এই ৩৭তম সপ্তাহে ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধি পায়
অ্যামনিওটিক তরল- অ্যামনিওটিক তরল হ্রাস পায়, কারণ শিশুর আকার বেশিরভাগ তরলের জায়গা দখল করে নেয়
৩৭ সপ্তাহে গর্ভাবস্থার লক্ষণ
এই সময়ে মহিলাদের অভিজ্ঞতা হয় এমন কিছু লক্ষণ এখানে রয়েছে:
1. বুক জ্বালা বা অম্বল
যেহেতু গর্ভাশয়টি শিশুর সাথে সামঞ্জস্য করার জন্য প্রসারিত হয়েছে, এটি শরীরের অভ্যন্তরে অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলির বিরুদ্ধে চাপ দেয়
এটি পাচকতন্ত্রে চাপ সৃষ্টি করতে পারে, যার ফলে বুক জ্বালা বা অম্বলের সমস্যা হতে পারে
2. হালকা রক্তের দাগ
গর্ভাবস্থার ৩৭তম সপ্তাহে সার্ভিক্সের সংবেদনশীলতার বৃদ্ধির কারণে স্পটিং বা হালকা রক্তপাত হয়
এই অঞ্চলের কিছু জ্বালা বা এমনকি যৌন সঙ্গমের কারণে রক্তপাত ঘটতে পারে
3. অনিদ্রা
অনিদ্রা এমন কিছু যা গর্ভাবস্থায় কোন না কোন সময়ে সব গর্ভবতী মহিলাকে প্রভাবিত করতে বাধ্য
এর কারণগুলির মধ্যে ঘন ঘন প্রস্রাব, অস্বস্তিকর ঘুমের অবস্থান এবং উদ্বেগ অন্তর্ভুক্ত
গর্ভাবস্থায় প্রসবের সংকেত কি কি?
প্রসবের সূচনাটি ৩৭তম সপ্তাহে ঘটতে পারে এবং শিশুটি একটি টার্ম বেবি হিসাবে গণ্য করা হয়
কখন সময় হয়েছে তা বুঝতে আপনার জন্য কিছু সংকেত যা করতে সহায়তা করতে পারে তা রয়েছে:
নিয়মিত সংকোচন
নিয়মিত সংকোচনগুলি প্রসবের পূর্বে শুরু হয় তবে এগুলিকে প্রায়ই ব্র্যাক্টন হিকস সংকোচনের নামে পরিচিত মিথ্যা সংকোচনের সাথে বিভ্রান্ত করা হতে পারে
যদিও এইগুলি তীব্রতায় একি রকম হতে পারে, তবে প্রসবের সংকোচনের জন্য সেরা নির্দেশক হল সময়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ সংকোচন
যদি তারা অনিয়মিত থাকে বা আপনি বিশ্রাম না করেন তবে সম্ভবত তারা ব্র্যাক্টন হিকসের সংকোচন হবে
এটি সুরক্ষাদায়ী অ্যামনিওটিক স্যাকের ভাঙা / ফেটে যাওয়া যা এই দীর্ঘ সময় ধরে আপনার শিশুকে যত্নে রেখেছে
প্রতিটি মহিলা যখন তাঁর জল ভেঙে যায়, তখন আলাদা আলাদা অভিজ্ঞতা পান
এর উপর ভিত্তি করে, সার্ভিক্স এবং যোনি থেকে বেরিয়ে আসা অ্যামনিয়োটিক তরলের পরিমাণ একটি পাতলা ধারায় বা ফিনকি দিয়ে হতে পারে
মিউকাস বা শ্লেষ্মা প্লাগ
ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে শিশুকে রক্ষা করার জন্য অ্যান্টিমাইকোবালিয়াল বৈশিষ্ট্যগুলির সাথে সম্পর্কযুক্ত এক ধরণের সার্ভিক্যাল মিউকাস
শিশুর নেমে আসার সঙ্গে সঙ্গে এটি বেরিয়ে আসার পর, পরবর্তী ১২ ঘন্টা পর বেশিরভাগ মহিলারা প্রসবে যান
গর্ভাবস্থায় ৩৭ সপ্তাহে প্রসবের প্রবর্তন
যদি আপনি প্রসবকে প্ররোচিত করতে চান, আপনি এটি করতে নিচের কৌশল চেষ্টা করতে পারেন
নিচের পদ্ধতিগুলি চেষ্টা করার আগে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন কারণ তারা আপনার অবস্থার উপর ভিত্তি করে সবচেয়ে উপযুক্ত কৌশলটি সুপারিশ করতে পারেন
স্তনবৃন্তকে উত্তেজিত করা
এটি প্রসবের জন্য একটি সময় পরীক্ষিত উপায় যা স্তনবৃন্তকে উত্তেজিত করে অক্সিটোকিন প্রকাশ করে যা প্রসবকে প্ররোচিত করতে সহায়তা করে
সংকোচনের জন্য এটি একটি শক্তিশালী পদ্ধতি, কারণ এটি সাধারণত অন্য পদ্ধতির থেকে শক্তিশালী এবং প্রকৃতগতভাবে দীর্ঘতর হয়
যৌন ঘনিষ্ঠতা পুরুষের থেকে নির্গমন হওয়া পদার্থে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিনস রয়েছে যা কাজে লাগাতে পারে, কারণ এটি প্রসবকে প্ররোচিত করতে সহায়তা করতে পারে , পেটের আকারের কারণে কিছু মহিলাদের জন্য এটি করা কঠিন হতে পারে
স্পুনিং, রেয়ার এন্ট্রি বা মহিলার উপরে থাকার মতো সঙ্গম অবস্থানগুলি ব্যবহার করা যেতে পারে
গর্ভাবস্থায় ৩৭ সপ্তাহে পেটের অবস্থা
এই সময়ে, আপনি কিছু অভিজ্ঞতা করবেন যাকে ড্রপিং বলা হয় , শিশুটি প্রসবের প্রস্তুতির জন্য পেলেভিসের অঞ্চলে নেমে যাওয়ার এটি ঘটনা তাছাড়া, এই 'ড্রপ' কারো দ্বারা দেখা বা লক্ষ্য করা যাবে না
৩৭ সপ্তাহে আল্ট্রাসাউন্ড
গর্ভাবস্থার ৩৭তম সপ্তাহে, একটি আল্ট্রাসাউন্ডে প্রধানত দেখা যায় যে শিশুর মাথা নিচে অবস্থান করে এবং অন্যান্য বিকাশ যেমন হৃদস্পন্দনের হার এবং গর্ভাশয়ের অবস্থাও এই সময় ট্র্যাক করা যেতে পারে
এই সময়ে শিশুটির লিঙ্গ নির্ণয় করা কঠিন, কারণ শিশুর প্রায় এই অবস্থা থেকে সরে যায় না
গর্ভাবস্থায় কি খেতে হবে
আপনি আপনার ৩৭তম সপ্তাহের গর্ভাবস্থায় প্রবেশ করার সময় আপনার খাবারকে তিনটি কারণের ভিত্তিতে শ্রেণীবদ্ধ করা আবশ্যক প্রথমত, যেহেতু গর্ভাবস্থাকে পূর্ণ মেয়াদ হিসাবে বিবেচনা করা হয়, একজন প্রসবকে প্ররোচিত করতে পারে এমন খাদ্যদ্রব্যকে খেতে শুরু করতে পারে, যেমন ক্যাস্টর তেল, অল্প পরিমাণে মসলাযুক্ত খাবার, রাস্পবেরীর পাতা এবং প্...
দ্বিতীয়ত, যেহেতু দেহটি এখনও বদহজমের সম্মুখীন হয়, অ্যালকোহল, ফ্যাটযুক্ত খাবার এবং তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হয়
অবশেষে, শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশের ক্ষেত্রে দ্রুত গতিশীলতা তৈরি করছে
এর জন্য প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন মাছ, ডিম এবং দুধ খাওয়া উচিত
গর্ভাবস্থায় টিপস এবং যত্ন
নীচে ৩৭ সপ্তাহের গর্ভবতী অবস্থায় আপনার বিবেচনা করা আবশ্যক এমন কিছু বিষয় রয়েছে:
আপনি যে হাসপাতালে যেতে পারেন তার রুটের তালিকা করুন যা কম ট্রাফিকযুক্ত
কী করা উচিত না
নেস্টিং ফেজ এমন একটি সময়, যখন গর্ভবতী মা তার নবজাতককে খুব শীঘ্রি প্রত্যাশা করে এবং একটি পরিষ্কার উন্মাদনার দিকে যেতে থাকেন যদিও এই উত্তেজনাকে দমন করার প্রয়োজন নেই, চারপাশে চলা কঠিন হতে পারে, তাই বিশ্রাম নিতে হবে
বিকল্প হিসাবে, অন্য কেউ আপনার জন্য কাজ করতে পারেন!
ক্যাফিন খাওয়া সীমিত করতে হবে, কারণ এটি শুধুমাত্র আপনার অনিদ্রা বৃদ্ধি করবে
গর্ভাবস্থায় আপনাকে কি কেনাকাটা করতে হবে
আপনি গর্ভাবস্থার ৩৭ সপ্তাহে পূর্ণ মেয়াদ হিসাবে এখানে কিছু জিনিস রয়েছে যা আপনি কেনাকাটা করতে পারেন:
শিশুর আগমন
শিশু যখন আসছে তখন তো সে কোন সুটকেস বহন করে আনতে যাচ্ছে না, তাই আপনাকে শিশুর জন্য কিছু প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে হবে
এগুলি হল শিশুর প্যাড, ন্যাপি, একটি কম্বল, এবং ইউনিসেক্স শিশুর জামাকাপড় যা ছেলে ও মেয়ে উভয় শিশুকেই পড়ানো যায়
আপনার আরামের জন্য
প্রসিবের প্রক্রিয়াটি কিছুটা সময় নিতে পারে এবং অস্বস্তিকর হতে পারে, তাই আপনি নিজেকে জন্য বই, একটি আরামদায়ক বালিশ এবং আপনার নিজের টয়লেটের সেট দিয়ে সজ্জিত করতে পারেন
এই সময়ে, আপনি প্রায় আপনার গর্ভাবস্থার শেষ দিকে রয়েছেন
এই মুহুর্তে কি করতে হবে তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল প্রসবের লক্ষণগুলির জন্য নজর রাখা
বাট্টা মুগল ও মুগল-পূর্ব যুগে বাজারে প্রচলিত নিম্নমানের টাকার ওপর আরোপিত অধিহার বা কর্তন
সুলতানি আমল থেকেই বাট্টা প্রথার প্রচলন দেখা যায়, তখন অর্থ-বাজারে বিচিত্র ধরনের স্থানীয় ও বৈদেশিক রৌপ্যমুদ্রা চালু হয়
বাট্টার মাধ্যমে অসম মূল্যের মুদ্রাগুলিকে মানসম্পন্ন মুদ্রার সমতুল্য করা হতো
বহুমুদ্রা অর্থনীতির ফসল হিসেবে বাট্টা মুগল আমলে বেশ জটিলতা সৃষ্টি করে বলে মনে হয়
রাজনৈতিক পদক্ষেপ ও মুদ্রানীতি হিসেবেও মুগল আমলে একজন নতুন সম্রাট তার সিংহাসনারোহণ উপলক্ষে 'সিক্কা' নামক রৌপ্য নির্মিত নতুন মুদ্রা জারি করতেন
প্রথাগতভাবে পূর্ববর্তী শাসনামলের মুদ্রা 'সানত' বা অচল ঘোষণা করা হতো এবং সেগুলি ক্ষতিপূরণ বাট্টা বা অধিহার ছাড়া রাজকোষে গ্রহণ করা হতো না
শাসক পরির্বতনের সঙ্গে সঙ্গে লোকজন রাজকোষ বা সররফদের (মুদ্রা ব্যবসায়ী) কাছ থেকে টাকশাল কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত হারে বাট্টা প্রদান করে নতুন সিক্কা সংগ্রহ করত
রাজনৈতিক দিক থেকে বাট্টা প্রথা একদিকে রায়ত বা প্রজাদের কাছে একজন নতুন শাসকের সিংহাসনারোহণের প্রজ্ঞাপন হিসেবে কাজ করত এবং অন্যদিকে সৃষ্টি করত রাজস্বের এক তাৎক্ষণিক উৎস
আঠারো শতকে বাট্টা প্রথা চরম জটিল রূপ ধারণ করে
ইউরোপীয় কোম্পানিগুলির বাণিজ্যিক কার্যক্রমের প্রভাবে ব্যবসায়ীরা ভারতের সকল টাকশালে উৎকীর্ণ মুদ্রা বাংলায় নিয়ে আসে এবং এর ফলে মুদ্রাবাজারে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়
মুর্শিদাবাদ টাকশালে উৎকীর্ণ সিক্কা রুপি ছাড়াও বাজারে মাদ্রাজ রুপি, আর্কট রুপি, পাটনা রুপি প্রভৃতি আরও বহু রকমের রুপি চালু ছিল
সৌকর্য ও ওজনের দিক থেকে এ সকল মুদ্রার মধ্যে পার্থক্য ছিল
মুর্শিদাবাদ টাকশালে উৎকীর্ণ মুদ্রা ছাড়া বাকি সব মুদ্রা 'সানত' বা অচল হিসেবে ঘোষিত হয়
এমনকি জারি হওয়ার তিন বছরের মধ্যেই মুর্শিদাবাদের সিক্কাও সানত ঘোষিত হয়
এ সকল মুদ্রার ঘাটতি বাট্টা প্রদানের মাধ্যমে সিক্কা রুপির সঙ্গে সমন্বিত করা হতো
সিক্কা রুপিতেই রাজস্ব আদায় করা হতো
কাজেই রাজস্বদাতাদের বাট্টা প্রদানের মাধ্যমে তাদের সানত বা অচল মুদ্রা সিক্কা রুপিতে রূপান্তরিত করতে হতো
ফলে গ্রামাঞ্চলে মুদ্রাবদলকারী সররফদের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হয়
তারাই বাট্টার হার নির্ধারণ করত বলে নিজেদের খুশিমতো বাট্টা দাবি করত
প্রথমে দর্শনী হুন্ডি ( ) প্রবর্তন এবং পরে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া কর্তৃক নিয়মিত কাগজি মুদ্রা চালু করার ফলে মুদ্রাবাজারে বাট্টা সমস্যার অবসান ঘটে
[সিরাজুল ইসলাম]
ভারত সরকারের 'স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় (মিনিস্ট্রি অব হেল্থ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার / এম ও এইচ এফ ডাব্লু') অন্তর্ভূক্ত 'জাতীয় স্বাস্থ্য প্রবেশদ্বার (ন্যাশনাল হেল্থ পোর্টাল /এন এইচ পি)'-র 'স্বাস্থ্য-তথ্য জ্ঞাপক কেন্দ্র (সেন্টার ফর হেল্থ ইনফরমেটিক্স/সি এইচ আই)' দ্বারা এই প্রবেশদ্বার (পোর্টাল)-টি পরিকল্...
ভারত সরকারের 'স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় (মিনিস্ট্রি অব হেল্থ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার / এম ও এইচ এফ ডাব্লু') অন্তর্ভূক্ত 'জাতীয় স্বাস্থ্য প্রবেশদ্বার (ন্যাশনাল হেল্থ পোর্টাল /এন এইচ পি)'-র 'স্বাস্থ্য-তথ্য জ্ঞাপক কেন্দ্র (সেন্টার ফর হেল্থ ইনফরমেটিক্স/সি এইচ আই)' দ্বারা এই প্রবেশদ্বার (পোর্টাল)-টি পরিকল্...
আজ সকাল ১০.০০ ঘটিকায় রাজশাহী-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের জ্যেষ্ঠ ভাইস-চেয়ারম্যান জনাব ফজলে হোসেন বাদশা রাজশাহী রেশম কারখানার ৫টি পাওয়ার লুমের কার্যক্রম পরীক্ষামূলকভাবে উদ্বোধন করেন
রাজশাহী রেশম কারখানা চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, রাজশাহী রেশম কারখানা চালু হওয়া তাঁর এবং রাজশাহীবাসীর স্বপ্ন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এই স্বপ্ন আজ সফল হওয়ার পথে
তিনি রেশম কারখানার ৫টি পাওয়ার লুমের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন
তিনি রেশম শিল্পকে রেশম কারখানার শিল্প না ভেবে এটিকে সামাজিক শিল্প হিসেবে বাস্তবায়নের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান
প্রথমত ট্রায়াল বেসিসে ৫টি লুমের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে এর পরিধি ক্রমান্বয়ে আরও বাড়ানোর কথা বলেন
২০০২ সালে রেশম কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার ফলে রাজশাহী তথা বাংলাদেশকে পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন
অন্যদিকে তিনি অন্যান্য সুবিধার পাশাপাশি বর্তমানে কারখানায় গ্যাস সংযোগ প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট সমাজ সেবক জনাব শাহীন আক্তার রেনী বলেন, রাজশাহী সিল্কের ব্রান্ডিং পেয়েছে
রাজশাহী এখন সিল্ক হেভেন
তিনি রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাওয়ার কথা বলেন
সভাপতির বক্তব্যে রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক বলেন, আমাদের গর্বের এবং আত্মসম্মানের প্রতীক হলো এই রেশম কারখানা
তৎকালীন সময়ে কারখানার লোকসান থাকলেও তা চালু রাখা যু্ক্তিযু্ক্ত ছিল বলে তিনি বলেন
তিনি রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য চীন, ভারত থেকে উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার বিষয়টি উল্লেখ করেন
এজন্য রেশম শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক অধ্যাপিকা তসলিমা খাতুন, স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধান উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ কর্মকর্তা মো: মাহবুবুর রহমান, আরও বক্তব্য দেন সিবিএ সভাপতি মো: আবু সেলিম