content
stringlengths
0
129k
তার ওপর গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে
এটা 'মরার উপর খাঁড়ার ঘা'
এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না
তারা বলেন, ২০১৫ সালে অক্টোবর মাসে অভিভাবক ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান বরাবর সব শিক্ষার্থীর জন্য অর্ধেক ভাড়ার ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন করেছিল
কিন্তু এ বিষয়ে তখনও তারা কোনো পদক্ষেন নেয়নি
বিষয়টি এতদিন ধামাচাপা পড়েছিল
ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, পাকিস্তান, ভূটান, ফিলিপাইনসহ বিভিন্ন দেশে শিক্ষার্থীদের গণপরিবহনে ভাড়ায় ছাড় দেওয়া হয়
তাই মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশেও গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের জন্য অর্ধেক ভাড়া নিশ্চিত করে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করার জন্য জোর দাবি জানান তারা
এমএইচএম/এমএএইচ/জেআইএম
শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন
আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়
আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে
আজই পাঠিয়ে দিন - [ ]
এ হাদীসের ব্যাখ্যায় হযরত থানভী (রহ.) বলেন, পীর মাশায়েখ জাহেরী ও বাতেনী আমলকে শক্তভাবে ধরার জন্য যে বায়আত করেন যাকে পীর, মুরীদীর বায়আত বলে
এক শ্রেণীর লোকেরা এই বায়আতকে বেদআত বলে
তারা বলে যে, পীর মাশায়েখ যে বায়আত করেন এ বায়আত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত নয়
তারা বলে যে, কাফেরদের ইসলাম গ্রহণের উপর বায়আত করা আর মুসলমানদেরকে জিহাদের উপর বায়আত করাই শুধু হাদীসে বর্ণিত আছে
অথচ অনেক হাদীস থেকে একথা স্পষ্টভাবে বুঝা যায় যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে সাহাবাদের থেকে যে বায়আত নিয়েছিলেন তা ইসলামের উপর বায়আত ছিল না
জিহাদের উপরও বায়আত ছিল না
বরং এ বায়আত ছিল নেক আমলকে শক্তভাবে ধরার উপর
সুতরাং পীর মাশায়েখ যে বিষয়ের উপর বায়আত করেন এটাই হলো সে বায়আত
এধরণের বায়আত অনেক হাদীস দ্বারা প্রমাণিত
হযরত থানভী রহ. বুখারী শরিফের হযরত উবাদা ইবনে সামেত রা. এর হাদীস উল্লেখ করার পর বলেন, এ হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবাদের থেকে যে বায়আত নিলেন এটা ইসলামের উপর বায়আত ছিল না, জিহাদের উপরও বায়আত ছিল না, বরং এটা ছিল গোনাহ ছাড়া এবং নেক কাজ শক্তভাবে ধরার উপর বায়আত
পীর মাশায়েখ এ বায়আতই করে থাকেন
সুতরাং এটাকে ছোট করে দেখা বা অস্বীকার করা মূর্খতার পরিচয়
দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় হৃ'দরোগ ইনস্টিটিউটের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগকে অ'নিয়মের স্বর্গরাজ্য করে রেখেছেন ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী
আর ছায়া হয়ে পাশে থেকেছেন 'ইউনিট প্রধান' ডা. কামরুল হাসান মি'লন
গত এক বছর ধরে কার্ডিয়াক সার্জারির বিভাগীয় প্রধানের কক্ষ এবং পদবি অ'বৈধভাবে দখ'ল করে রেখেছেন মি'লন
তাদের অ'নিয়মে অ'তিষ্ঠ হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও
জাতীয় হৃ'দরোগ ইনস্টিটিউটের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের একটি ইউনিটের প্রধানের দায়িত্বে আছেন ডা. কামরুল হাসান মি'লন
তার অধীনেই রেজিস্ট্রার চিকিৎসক হিসেবে কাজ করতেন ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী
অভি'যোগ রয়েছে, মি'লনের ছত্রছায়াতেই অ'নিয়মের চূড়ায় উঠিছিলেন সাবরিনা
সাবরিনার কর্মকা'ণ্ডের অনুস'ন্ধানে হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে টানা তিন দিন সময় সংবাদ
সহকর্মী বা অধীন'স্ত কেউই সরাসরি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে সা'হস করেন না
তবে সবার ভেতরেই ক্ষো'ভ, রয়েছে অভি'যোগের ফিরি'স্তিও
অভি'যোগ রয়েছে, সাবরিনা দিনের পর দিন কাজ না করেই নিতেন বেতন
ডা. মি'লনের সুনজরে থাকায় অনুপস্থিত থাকার পরও নাম উঠে যেত হাজিরা খাতায়
একজন স্টাফ জানান, ওনাকে একদিনও আমি দেখিনি
সাবরিনা-মি'লনের ঘনি'ষ্ঠতায় চ'টে গিয়েছিলেন সাবরিনার স্বামী আরিফ চৌধুরীও
এ নিয়ে হাসপাতালের ভেতরেই মি'লনের সঙ্গে বিবাদেও জড়ায় জেকেজি কর্নধার আরিফ
এ ঘটনায় জিডিও হয় থানায়
সাবরিনা বলেন, যদি এরকম কোনো সম্পর্ক হত, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমার বিরু'দ্ধে মাম'লাই করত
কেঁচো খুঁড়তে বেরিয়ে আসে সা'প, পদে না থেকেও কার্ডিয়াক সার্জারির বিভাগীয় প্রধানের কক্ষটি দীর্ঘদিন ধরে দখলে রেখেছেন 'ইউনিট প্রধান' কামরুল হাসান মিলন
নিজের নামের পাশেও লিখে রেখেছেন বিভাগীয় প্রধান
বাধ্য হয়ে বর্তমান বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক রামাপদ সরকার ছোট একটি কক্ষে নেমপ্লেট লাগিয়ে কোনোমতে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন
এ বিষয়ে ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে রাজিন হননি ডা. কামরুল হাসান মিল'ন
মি'লন বলেন, পরিচালক সাহেব বলেছেন, মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার আগে তাকে জানাতে
প্রশ্নের মুখোমুখি হৃদরোগ ইনস্টিটিউট প্রশাসনও
চোখের সামনে সবকিছু ঘটার পরও লিখিত অ'ভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবে, বলছে হাসপাতাল প্রশাসন
← গরিবের সাধ্যের মধ্যেই থাকবে করোনার ভ্যাকসিন: ড. আসিফ মাহমুদ → 'আপনাদের ঘরে কি মা-বোন নেই' বলেই কাঁদলেন ডা. সাবরিনা
দীর্ঘ ১৭ দিন পার হয়ে গেলেও এখনো উদ্ধার হয়নি পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের ছিনতাই হয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন
সেই সঙ্গে গ্রপ্তারও করা যায়নি ছিনতাইকারীকে
ফোন উদ্ধার ও ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তারে পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ছিনতাইয়ের পর এখন পর্যন্ত পরিকল্পনামন্ত্রীর ফোন বেশ কয়েকবার হাতবদল হয়েছে
ছিনতাইয়ের পর প্রথমে এক দোকানে ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয় ফোনটি
এরপর সেই দোকান থেকে কোনো এক ক্রেতা ২৫-৩০ হাজার টাকায় ফোনটি কিনেছেন
কিন্তু ওই ক্রেতা এখনো পর্যন্ত ফোনটিতে সিমকার্ড চালু না করায় ফোনটির অবস্থান শনাক্ত করতে পারছে না পুলিশ
বুধবার (১৬ জুন) এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জিএম ফরিদুল আলম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি আইফোন উদ্ধার করেছি
কিন্তু এর মধ্যে একটিও পরিকল্পনামন্ত্রীর ফোন ছিল না
এখন আমাদের লক্ষ্য ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করা
কারণ, তাকে গ্রেপ্তার করলে ফোনটি সবশেষ কার কাছে গেছে সেটা জানা যাবে
এ জন্য ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে
গত ৩০ মে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থেকে বের হয়ে বিজয় সরণি সিগন্যালে আটকা পড়ে মন্ত্রী
সে সময় মন্ত্রী গাড়ির গ্লাস নামিয়ে ফোনে কথা বলছিলেন
ঠিক তখনই কিছু বুঝে ওঠার আগেই হুট করে কেউ একজন মোবাইল নিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়
ওইদিনই মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী ডিএমপির কাফরুল থানায় একটি মামলা করেন
এরপর মঙ্গলবার (১ জুন) শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনের সম্মেলনকক্ষে একনেক বৈঠক শেষে তিনি নিজেই সাংবাদিকদের এ কথা জানান
এম এ মান্নান বলেন, রোববার সন্ধ্যায় পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থেকে যাওয়ার পথে বিজয় সরণিতে গাড়িতে বসে মোবাইল ব্রাউজিং করছিলাম
এ সময় গাড়ির জানালা খোলা ছিল
কিছু বুঝে ওঠার আগেই হুট করে কেউ একজন মোবাইল নিয়ে দৌড় দেয়
তিনি বলেন, কী ঘটেছে তা বুঝতেও কয়েক সেকেন্ড কেটে যায়
এরপর গাড়িতে থাকা গানম্যানকে বলি আমার মোবাইল নিয়ে গেল
তবে গাড়ি থামিয়ে গানম্যান ওই ছিনতাইকারীর পিছু নিলেও তাকে আর ধরতে পারেনি
নিজস্ব প্রতিবেদক, পুঠিয়া : রাজশাহীর পুঠিয়ায় থানায় এবার গাঁজা কেলেংকারির ঘটনা ঘটেছে
এক এসআই মালখানা থেকে পাঁচ কেজি গাঁজা বিক্রি করে দেয়
সেই গাঁজাসহ র‌্যাবের হাতে ধরা পড়ে তিন মাদক ব্যবসায়ী
বিষয়টি পুলিশ সুপারের কানে গেলে তাৎক্ষনিক ভাবে ওই এসআইকে প্রত্যাহার করা হয়
এর আগেই এ থানায় এধরনের একাধিক ঘটনা ঘটে
সাধারণ লোকজনকে মাদক দ্রব্য দিয়ে মামলা ও ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে পুলিশের অর্থ আদায়ের ঘটনা ঘটে
এমনকি সিগারেট খাওয়ার অপরাধে তরুণ-তরুনীকে রাতভর থানা হাজতে আটকে অর্থ দাবি করা হয়
টাকা না দেয়ায় মাদক সেবী হিসেবে তাদের চালান দেয়ার ঘটনা ঘটেছে এ থানায়
পুলিশের এই বানিজ্য থেকে রেহায় পায়নি সাংবাদকর্মীও
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে র‌্যাব-৫ এর একটি দল পুঠিয়া পৌরসভা এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচ কেজি গাঁজা তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে
গ্রেপ্তারের পর তারা র‌্যাবকে জানায় গাঁজাগুলো তারা কিনেছেন পুঠিয়া থানার এসআই মনিরুল ইসলামের কাছ থেকে
আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন, পুঠিয়া পৌরসভার এলাকার মৃত শেখ ফরিদ হোসেনের ছেলে জহুরুল ইসলাম বকুল (৩০), গৌরাঙ্গ চন্দ্র সরকারের ছেলে শ্রী গনেশ চন্দ্র সরকার (৩৮) এবং একই এলাকার আনছার আলীর ছেলে শিমুল ইসলাম (৩০)
এদিকে, গাঁজা বিক্রির ঘটনায় এসআই মনিরুল ইসলাম শুক্রবার প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়
জেলা পুলিশ সুপার তাকে প্রত্যাহারের আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন পুঠিয়া থানার ওসি সাকিল উদ্দিন আহম্মেদ
তবে গাঁজা কেলেংকারির বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে ওসি সাকিল দাবি করেছেন, 'একটি মাদক মামলার তদন্তে ধীর গতি থাকায় এসআই মনিরুলকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে
অপরদিকে পুলিশ ও র‌্যাবের সূত্র জানায়, গত ২৭ এপ্রিল পুঠিয়া সদরে একটি কাভার্ড ভ্যানে তল্লাশি করে ৯৬ কেজি গাঁজাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৫
পরে র‌্যাব বাদী হয়ে ২৮ এপ্রিল পুঠিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন
পুঠিয়া থানা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, র‌্যাবরে ৯৬ কেজি গাঁজা উদ্ধারের মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার দায়িত্ব দেয়া হয় এসআই মনিরুল ইসলামকে
মামলার আলামত হিসেবে জব্দকৃত ৯৬ কেজি গাঁজা তদন্ত কর্মকর্তা মনিরুলের কাছে হস্তান্তর করে র‌্যাব
পরে এসআই মনিরুল জব্দকৃত গাঁজাগুলো মালখানায় না রেখে থানা ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে নিয়ে রাখেন
সেখান থেকে গত বৃহস্পতিবার রাতে পাঁচ কেজি গাঁজা মাদক ব্যবসায়ী জহুরুল ইসলাম বকুলের কাছে বিক্রি করে দেয়
তবে ওই রাতে র‌্যাবের একটি দল অভিযান চালিয়ে পাঁচ কেজি গাঁজাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে
গ্রেপ্তারের পর বকুল র‌্যাবকে জানায় এসআই মনিরুল ইসলামের কাছ থেকে এই পাঁচ কেজি গাঁজা তারা কিনেছেন
বিষয়টি র‌্যাবের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপারকে জানানো হলে শুক্রবার এসআই মনিরুলকে প্রত্যাহারের আদেশ জারি করা হয়
যোগাযোগ করা হলে গাঁজা বিক্রির কথা অস্বীকার করে মনিরুল ইসলাম বলেন, তারা র‌্যাবের কাছে গ্রেপ্তার হওয়ার পর আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে
মামলা থেকে বাঁচতে তারা আমার উপর দোষ চাপিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি