content
stringlengths
0
129k
তারা- আকবর আলী, সাইফ হাসান, ইয়াসির আলি রাব্বি ও শহিদুল ইসলাম
যারা খেলবেন পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে
আকবর অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক
তাকে ১৬ সদস্যের দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে এসেছে বড় চমক
প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু দল ঘোষণার পর জানিয়েছেন, উইকেট কিপার হিসেবেই রাখা হয়েছে দলে
বিজ্ঞাপন
যদিও বিশ্বকাপে উইকেটের পেছনে থাকা নুরুল হাসান সোহান টিকে গেছেন দলে
পাকিস্তান সিরিজে সোহানের বিকল্প আকবর
ওপেনার হিসেব টেস্টের উদ্বোধনী সাইফকে আনা হল ছোট সংস্করণের স্কোয়াডে
ইয়াসির টেস্ট, ওয়ানডে দলে থাকলেও এখন পর্যন্ত অভিষেক হয়নি
দলের সঙ্গে ছিলেন বেশ কয়েকটি সিরিজে
জিম্বাবুয়ে সফরে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ওয়ানডে সিরিজ জিতল বাংলাদেশের মেয়েরা
শনিবার দ্বিতীয় ওয়ানডেতে স্বাগতিকদের ৯ উইকেটে উইকেটে উড়িয় দেয় টিম টাইগ্রেস
৫০ ওভারের ক্রিকেটে উইকেটের হিসেবে এটিই সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় বাংলাদেশের
বুধবার সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ৪৮ রানে গুঁড়িয়ে ৮ উইকেটে পাওয়া জয়টি ছিল আগের রেকর্ড
দ্বিতীয় ওয়ানডেতে লক্ষ্যটা একদম ছোট ছিল না
দ্বিতীয় উইকেটে মুর্শিদা খাতুন হ্যাপি ও ফারজানা হক পিংকির রেকর্ড ১১৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ২৪.৩ ওভারেই ১২২ রানের লক্ষ্য তাড়া করে বাংলাদেশ
ফারজানা ৬৮ বলে ৫৩ ও টাইগ্রেস ওপেনার মুর্শিদা ৬৫ বলে ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন
দলীয় ১০ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন শারমিন আক্তার (৮)
পরে আর কোনো উইকেট হারায়নি সফরকারীরা
দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে এটিই সর্বোচ্চ (১১৫*) রান বাংলাদেশের
বিজ্ঞাপন
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৪৬.৪ ওভার ব্যাটিং করে ১২১ রান তুলে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে
টাইগ্রেস পেসার জাহানারা আলম প্রথম বলে তুলে নেন উইকেট
পরের ওভারে সালমা খাতুন তুলে নেন আরও একটি উইকেট
'
২ রানে ২ উইকেট হারানো দলকে ৩৩ রানের ইনিংস খেলে লড়াইয়ে রাখেন মডেস্টার
লোয়ারঅর্ডারে ৩৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলের রান তিন অঙ্ক পার করেন নায়শা
বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনার নাহিদা আক্তার তিনটি, জাহানারা ও সালমা দুটি করে উইকেট নেন
ফাহিমা খাতুন ও রিতু মনি নেন একটি করে উইকেট
চোটের কারণে এ ম্যাচও খেলতে পারেননি অধিনায়ক-কিপার-ব্যাটার নিগার সুলতানা জ্যোতি
তার অনুপস্থিতিতে আগের ম্যাচের মতোই দলকে নেতৃত্ব দেন ফাহিমা
সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ আগামী রোববার
স্বাগতিকদের হোয়াইটওয়াশ করার হাতছানি নিয়ে খেলতে নামবে বাংলাদেশ
খুলনা বিভাগ---সিলেট বিভাগঢাকা বিভাগচট্রগ্রাম বিভাগরাজশাহী বিভাগময়মনসিংহ বিভাগরংপুর বিভাগবরিশাল বিভাগখুলনা বিভাগ
--- বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
সরকারি অন্যান্য পোর্টাল দেখুন
বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
জাতীয় উন্নয়নে দেশের সকল নাগরিকের সম-অংশীদারিত্বের সুযোগ সৃষ্টি একটি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব
এক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী নাগরিকদেরও রয়েছে উন্নয়নের ও অংশগ্রহণ এর সম্পূর্ণ অধিকার
প্রতিটি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিও বাংলাদেশের নাগরিক কিন্তু আমাদের অজ্ঞতা ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন মনোভাবের কারণে পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ খুবই কম
অথচ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭নং অনুচ্ছেদে বলা আছে- ''সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী''
সংবিধানের ২৮নং অনুচ্ছেদে বলা আছে, ''কেবল ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী, নারী, পুরুষ ভেদে বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করবে না''
উল্লেখিত ২টি অনুচ্ছেদ ছাড়াও সংবিধানের মৌলিক অধিকার অনুচ্ছেদে আরো কিছু অধিকারের কথা বলা হয়েছে, সেখানে রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিগণ অন্যান্য ব্যক্তির ন্যায় সমান অধিকার ভোগ করবে
এভাবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন দ্বারা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার স্বীকৃত রয়েছে
এছাড়াও বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার সংক্রান্ত জাতিসংঘ সনদ অনুসমর্থন () করেছে
তাই প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য ২০০১ সালের 'বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ আইন' টি রহিত করে ২০১৩ সালে 'প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩' প্রণীত হয়
প্রতিবন্ধী ব্যক্তির আইনী অধিকার
এই লেখায় পাচ্ছেন:
প্রতিবন্ধি ব্যক্তি
প্রতিবন্ধিদের অধিকার
বৈষম্য করা যাবে না
সংরক্ষিত অধীকার
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ভঙ্গ করলে শাস্তি
কমিটি সূমহ
প্রতিবন্ধি সনদ
প্রতিবন্ধি সনদের জন্য আবেদন
প্রতিবন্ধি ব্যক্তি
প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩ অনুযায়ী প্রতিবন্ধিতা বলতে বোঝায়, দেহের কোন অংশ বা তন্ত্র যদি আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে ক্ষণস্থায়ী বা চিরস্থায়ী ভাবে তার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারায় সেই অবস্থা
ধারা ৩ অনুযায়ী, প্রতিবন্ধিতার ধরনসমূহ হইবে নিম্নরূপ, যথা:
(ক) অটিজম
(খ) শারীরিক প্রতিবন্ধিতা
(গ) মানসিক অসুস্থতা জনিত প্রতিবন্ধিতা
(ঘ) দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতা
(ঙ) বাকপ্রতিবন্ধিতা
(চ) বুদ্ধিপ্রতিবন্ধিতা
(ছ) শ্রবণপ্রতিবন্ধিতা
(জ) শ্রবণ-দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতা
(ঝ) সেরিব্রাল পালসি
(ঞ) ডাউন সিনড্রোম
(ট) বহুমাত্রিক প্রতিবন্ধিতা এবং
(ঠ) অন্যান্য প্রতিবন্ধিতা
প্রতিবন্ধিদের অধিকার
ধারা ১৬ অনুযায়ী প্রতিবন্ধিতার ধরণ ভেদে প্রত্যেক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির নিম্ন বর্ণিত ২১ টি অধিকার থাকিবে, যথাঃ
(ক) পূর্ণমাত্রায় বাঁচিয়া থাকা ও বিকশিত হওয়া;
(খ) সর্বক্ষেত্রে সমান আইনী স্বীকৃতি এবং বিচারগম্যতা;
(গ) উত্তরাধিকার প্রাপ্তি;
(ঘ) স্বাধীন অভিব্যক্তি ও মত প্রকাশ এবং তথ্য প্রাপ্তি;
(ঙ) মাতা-পিতা, বৈধ বা আইনগত অভিভাবক, সন্তান বা পরিবারের সহিত সমাজে বসবাস, বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন ও পরিবার গঠন;
(চ) প্রবেশগম্যতা;
(ছ) সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় ইত্যাদি ক্ষেত্রে, প্রতিবন্ধিতার ধরন অনুযায়ী, পূর্ণ ও কার্যকর ভাবে অংশগ্রহণ;
(জ) শিক্ষার সকল স্তরে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপযুক্ত সুযোগ সুবিধা প্রাপ্তি সাপেক্ষে, একীভূত বা সমন্বিত শিক্ষায় অংশগ্রহণ;
(ঝ) সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মে নিযুক্তি;
(ঞ) কর্মজীবনে প্রতিবন্ধিতার শিকার ব্যক্তি কর্মে নিয়োজিত থাকিবার, অন্যথায়, যথাযথ পুনর্বাসন বা ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তি;
(ট) নিপীড়ন হইতে সুরক্ষা এবং নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশের সুবিধা প্রাপ্তি;
(ঠ) প্রাপ্যতা সাপেক্ষে, সর্বাধিক মানের স্বাস্থ্যসেবাপ্রাপ্তি;
(ড) শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্র সহ প্রযোজ্য সকল ক্ষেত্রে 'প্রয়োজনীয় স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য উপযোগী পরিবেশ ও ন্যায্য সুযোগ সুবিধা' ( ) প্রাপ্তি;
(ঢ) শারীরিক, মানসিক ও কারিগরী সক্ষমতা অর্জন করিয়া সমাজজীবনের সকল ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভাবে একীভূত হইবার লক্ষ্যে সহায়ক সেবা ও পুনর্বাসন সুবিধা প্রাপ্তি;
(ণ) মাতা-পিতা বা পরিবারের উপর নির্ভরশীল প্রতিবন্ধী ব্যক্তি মাতা-পিতা বা পরিবার হইতে বিচ্ছিন্ন হইলে বা তাহার আবাসন ও ভরণ-পোষণের যথাযথ সংস্থান না হইলে, যথাসম্ভব, নিরাপদ আবাসন ও পুনর্বাসন;
(ত) সংস্কৃতি, বিনোদন, পর্যটন, অবকাশ ও ক্রীড়া কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ;
(থ) শ্রবণপ্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও বাকপ্রতিবন্ধী ব্যক্তির নিজ ইচ্ছা অনুযায়ী, যথাসম্ভব, বাংলা ইশারা ভাষাকে প্রথম ভাষা হিসাবে গ্রহণ;
(দ) ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা;
(ধ) স্ব-সহায়ক সংগঠন ও কল্যাণমূলক সংঘ বা সমিতি গঠন ও পরিচালনা;
(ন) জাতীয় পরিচয়পত্র প্রাপ্তি, ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি, ভোট প্রদান এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ; এবং
(প) সরকার কর্তৃক সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোন অধিকার
বৈষম্য করা যাবে না
এছাড়া উপধারা ২ এ বলা হয়েছে, কোন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে উল্লিখিত অধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা কোন প্রকারের বৈষম্য প্রদর্শন বা বৈষম্য মূলক আচরণ করতে পারবে না
সংরক্ষিত অধীকার