content
stringlengths 0
129k
|
|---|
ভিডিওটির উৎস মুছে ফেলুন
|
<# } #> <# ( ! _.( ..4 ) ) { ( ! _.( 5.4 ) ) { 5.4; } #> 4
|
ভিডিওটির উৎস মুছে ফেলুন
|
<# } #> <# ( ! _.( .. ) ) { ( ! _.( 5. ) ) { 5.; } #>
|
ভিডিওটির উৎস মুছে ফেলুন
|
<# } #> <# ( ! _.( .. ) ) { ( ! _.( 5. ) ) { 5.; } #>
|
ভিডিওটির উৎস মুছে ফেলুন
|
<# } #> <# ( ! _.( .. ) ) { ( ! _.( 5. ) ) { 5.; } #>
|
ভিডিওটির উৎস মুছে ফেলুন
|
<# } #>
|
<# ( ! _.( 5 ) ) { #>
|
5 এর সর্বোচ্চ সুবিধা পেতে বিকল্প সোর্স যুক্ত করুন <# _.( 5, (, ) { #>
|
{{ }}
|
<# } ) #>
|
<# } #> <# ( ! _.( .. ) ) { #> পোস্টার
|
পোস্টারের ছবিটি মুছে ফেলুন
|
<# } #>
|
আগে থেকেই লোড করুন
|
স্বয়ংক্রিয়
|
মেটাডেটা
|
কিছুই না
|
সংয়ক্রীয় চালু পুনরাবৃত্তি <# = ''; ( ! _.( .. ) ) { = ( .. ).( '' ); _.( .(), ( , ) { += .; #> ট্র্যাক সমুহ (সাবটাইটেল, ক্যাপশন, বিবরণ, অনুচ্ছেদ, অথবা মেটাডাটা) ভিডিও ট্র্যাকের ভাষা এবং ধরণ সেট করতে , এবং এর ভ্যালু গুলি এডিট করা যেতে পারে
|
২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) বিভিন্ন ধরনের সেবা রপ্তানি করে ৬১ কোটি ৯৯ লাখ ৭০ হাজার ডলার আয় করেছে বাংলাদেশ
|
আগের অর্থবছরের একই সময়ে আয় হয়েছিল ৫০ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার ডলার
|
সে হিসেবে এই দুই মাসে সেবা খাতে রপ্তানি আয় বেড়েছে ২৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ
|
২০১৭-১৮ অর্থবছরের উক্ত দুই মাসের সেবা রপ্তানির এই চিত্র সোমবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশ করেছে
|
প্রকাশিত চিত্রে দেখা যায়, শুধু আগস্টে সেবা খাত থেকে ৩১ কোটি ৫৬ ডলারের রপ্তানি আয় হয়েছে, যা ২০১৬-১৭ অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ১৮ শতাংশ বেশি
|
গত বছর এই আয় ছিল ২৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার
|
ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, এই রপ্তানি আয়ের মধ্যে ৬০ কোটি ৭০ লাখ ৪০ হাজারই সরাসরি সেবা খাত থেকে এসেছে
|
বাকিটা দেশের বন্দরগুলোতে পণ্যবাহী জাহাজগুলোর কেনা পণ্য ও সেবা এবং মার্চেন্টিংয়ের অধীনে পণ্য বিক্রির আয়
|
এ বিষয়ে ইপিবির সহকারী পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, দেশের স্থল, সমুদ্র বা বিমান বন্দরে বিদেশি পরিবহনগুলো সেসব পণ্য ও সেবা- যেমন জ্বালানি তেল ও মেরামত সেবা- কিনে থাকে সেগুলোকে সেবা খাতের আওতায় ধরা হয়েছে
|
আর কোনো অনাবাসীর কাছ থেকে পণ্য কিনে একই পণ্য কোনো অনাবাসীর কাছে বিক্রি করাকে মার্চেন্টিং বলে
|
এই প্রক্রিয়ায় মোট বিক্রি থেকে মোট ক্রয় বাদ দিয়ে নিট মার্চেন্টিং রপ্তানি আয় হিসাব করা হয়
|
সেবা খাতের একক উপখাত হিসেবে সরকারি পণ্য ও সেবা উপখাত থেকে সর্বোচ্চ আয় হয়েছে ১৯ কোটি ৬ লাখ ডলার
|
অন্য উপখাতগুলোর মধ্যে 'অন্যান্য ব্যবসায় সেবা' থেকে ১০ কোটি ৩৩ লাখ ডলার, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি থেকে ৮ কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার ডলার, বিভিন্ন ধরণের পরিবহন সেবা থেকে ৮ কোটি ৬৭ লাখ ২০ হাজার ডলার, বিমা ছাড়া আর্থিক সেবা খাত থেকে ৫ কোটি ৪৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার এবং ভ্রমণ সেবা উপখাত থেকে ৪ কোটি ৯১ লাখ ৭০ হাজার ডলার রপ্তানি আয় হয়েছে
|
এই দুই মাসে শুধু বিভিন্ন ধরণের পণ্য রপ্তানি থেকে বাংলাদেশের আয় হয়েছে ৬৬২ কোটি ৮৬ লাখ ডলার
|
তার সঙ্গে সেবা রপ্তানির আয় ৬১ কোটি ৯৯ লাখ ৭০ হাজার ডলার যোগ করে দেশের মোট রপ্তানি আয় হয়েছে ৭২৪ কোটি ৮৫ লাখ ৭০ হাজার ডলার
|
উল্লেখ্য, জুলাই-অগাস্ট সময়ে সার্বিকভাবে সেবা খাত থেকে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫৮ কোটি ৩৩ লাখ ৩০ হাজার ডলার
|
সে হিসেবে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ দশমিক ২৮ শতাংশ
|
--- বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
|
সরকারি অন্যান্য পোর্টাল দেখুন
|
বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
|
খুব শিগগিরই শেষ হতে যাচ্ছে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ
|
আগামী ফেব্রুয়ারি নাগাদ অবশ্যই একটি নতুন নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে
|
এরকমই আইনগত বাধ্যবাধকতা
|
সঙ্গত কারণেই ইসি গঠন নিয়ে রাজনৈতিক উত্তাপ কিছুটা জমে উঠেছে
|
সরকার আগের মতোই সার্চ কমিটি গঠনের মাধ্যমে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করতে চায়
|
আর বিরোধী দল নির্বাচন কমিশন নিয়ে যতটা আগ্রহী হওয়ার কথা, ততটা আগ্রহী নয়
|
আর সিভিল সোসাইটির লোকেরা দিচ্ছেন নানা প্রস্তাবনা
|
সবারই লক্ষ্য আগামী নির্বাচন
|
সরকারি দল মনে করে- দু'টি কমিশন সার্চ কমিটির মাধ্যমে গঠিত হওয়ার ফলে এটি একটি কনভেনশনে পরিণত হয়েছে
|
আর বিরোধী দল বলছে- সরকারি দল প্রতারণা ও নানা কলাকৌশলে তাদের অনুগত লোকদের দিয়েই কমিশন গঠন করতে চাচ্ছে
|
নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে সম্ভাব্য নাম চাওয়া হলেও চূড়ান্তভাবে তাতে কোনো ফল দেয় না
|
এ ক্ষেত্রে কলাকৌশলের মাধ্যমে যিনি নির্বাচন কমিশন প্রধান হন, তিনি অবশ্যই সরকারের আজ্ঞাবহ হিসেবে কাজ করেন
|
সুধীমহলের অভিমত, ইসি গঠনের জন্য আইন করা জরুরি
|
সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন নিয়োগের জন্য বিগত ৫০ বছরে কোনো সরকারই আইন করেনি
|
কারণ আইন একটি কাঠামো ও বাধ্যবাধকতার নির্দেশ করে
|
আইন করলে যাকে ইচ্ছা তাকে তো নিয়োগ দেয়া যায় না
|
সংবিধানের আলোকে প্রত্যাশিত আইন না থাকার কারণে প্রতিবারই জটিলতা দেখা দেয়
|
এবারো এই জটিলতা অবসানে নানা প্রস্তাবনা পেশ করছে সুশীলসমাজ
|
স¤প্রতি নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনে আইনপ্রণয়নের আহ্বান জানিয়ে এবং এ বিষয়ে আইনের কাঠামোগত সহায়তা দিয়ে সরকারকে সাহায্য করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় বুদ্ধিজীবীরা
|
এদের মধ্যে রয়েছেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম হাফিজ উদ্দিন খান, রাশেদা কে চৌধুরী, বিচারপতি আবদুল মতিন এবং আকবর আলি খান
|
বিবৃতিতে তারা বলেন, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে বর্তমান কমিশনের মেয়াদ শেষ হবে
|
এর প্রাথমিক পদক্ষেপ হবে আইন প্রণয়ন করা
|
সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন আহূত একটি গোলটেবিল বৈঠকে গত সপ্তাহে নানা প্রস্তাব উঠে এসেছে
|
'নির্বাচন কমিশন নিয়োগ আইন ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা' শীর্ষক এক ভার্চুয়াল গোলটেবিল বৈঠকে সমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা অংশ নেন
|
প্রবীণ আইনজীবী আমিরুল ইসলাম বলেন, নির্বাচন কমিশন নিয়োগ আইন করার ক্ষেত্রে সংবিধানের মধ্য থেকে কী কী করা যায়, সেটি ভাবতে হবে
|
তিনি আরো বলেন, ইসি গঠনে বিভিন্ন রাষ্ট্রে যে বিধি-বিধান অনুসৃত হয়, সেগুলো বিবেচনায় আসতে পারে
|
সুজনের সভাপতি এম হাফিজ উদ্দিন খান মন্তব্য করেন, দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে
|
কোনো নির্বাচনই আর সুষ্ঠু হয় না
|
পরপর দু'টি সার্চ কমিটির পারফরম্যান্স মানুষকে হতাশ করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন
|
নির্বাচন নিয়ে এমন পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে যে, ভোটাররা ভোট দিতে চান না
|
কারণ তারা মনে করেন, ভোট দিয়ে কোনো লাভ নেই
|
তিনি আরো মন্তব্য করেন, নির্বাচন কমিশন গঠনে জোরেশোরে আন্দোলন করা ব্যতীত আর কোনো পথ নেই
|
সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন অভিযোগ করেন, এ টি এম সামশুল হুদা কমিশন নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় ২০১১ সালে নির্বাচন কমিশন নিয়োগ আইনের একটি খসড়া মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছিলেন
|
তারপর এটি আর আলোর মুখ দেখেনি
|
তিনি আরো অভিযোগ করেন, বড় কোনো দল এই আইনপ্রণয়ন নিয়ে সচেষ্ট, এমন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না
|
বর্তমান কমিশনের মেয়াদ আছে আর মাত্র চার মাস
|
যদিও সঙ্কীর্ণ সময়, তবুও সরকারের সদিচ্ছা থাকলে এই সময়ের মধ্যেও আইন প্রণয়ন সম্ভব
|
সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব অবশ্য অন্য কথা বলেন
|
তিনি নির্বাচন কমিশন নিয়োগের চেয়ে নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন
|
জনাব মজুমদার বলেন, এককেন্দ্রিক সরকার যেভাবে চায় সেভাবেই নির্বাচন হবে
|
এখানে পরিবর্তন না হলে অতীতে যেভাবে নির্বাচন হয়েছে সামনেও তা-ই হবে
|
তিনি আরো বলেন, অতীতের সার্চ কমিটিতে যারা ছিলেন তারা অযোগ্য ছিলেন না
|
কিন্তু সরকার যাদের চায় প্রকারান্তরে তারাই নিয়োগপ্রাপ্ত হন
|
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন নিয়োগ আইন কেমন হতে পারে, তার একটি প্রাথমিক খসড়া তৈরি করেছে সুজন
|
ওই আলোচনায় খসড়াটি তুলে ধরা হয়
|
খসড়ায় নির্বাচন কমিশন নিয়োগের লক্ষ্যে সাবেক জ্যেষ্ঠতম প্রধান বিচারপতিকে আহ্বায়ক করে একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে
|
এতে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার জন্য কিছু যোগ্যতা নির্দেশ করা হয়েছে
|
সুজনের প্রস্তাব কমিটি নাগরিকদের কাছ থেকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নাম আহ্বান করবে
|
এখান থেকে পাওয়া নামগুলো যাচাই-বাছাই করে কমিটি অন্তত পাঁচজন নারীসহ ২০ জনের একটি তালিকা এবং তাদের যোগ্যতা সম্পর্কে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে
|
বিচারপতি এম এ মতিন আলোচনায় অংশগ্রহণ করে বলেন, অনুসন্ধান কমিটিতে যে নামগুলো আসে তার বাইরে যাওয়া যায় না
|
তিনি বিচারপতিদের অনুসন্ধান কমিটিতে রাখার বিরোধিতা করেন
|
কারণ নিয়োগ দেয়ার পর কমিশন না হলে বিচারপতিদের নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে
|
তাদের এই বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখাই ভালো
|
গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, সংবিধান বদলানো যাবে না এমনটা নয়
|
সংবিধান বদলানো যায়
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.