content
stringlengths 0
129k
|
|---|
জায়মা, জাফিয়া ও জাহিয়া ছিল ঘুমিয়ে
|
ডা. জুবাইদা রহমান, আরাফাত রহমান ও শরমিলা রহমান নিজ নিজ কক্ষে ছিলেন
|
ঠিক সেই সময় গাড়ির আওয়াজ ও বুটের শব্দে সবাই হতবিহ্বল হয়ে পড়েন
|
এরপর শুরু হয় দরজায় ধাক্কাধাক্কি
|
বাসার দরজা ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হলে প্রচন্ড আওয়াজ ও বুটের শব্দে গোটা বাড়িজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে
|
ঘুমিয়ে ছিলেন যারা, সকলেই আঁৎকে ওঠেন
|
ভয়ে জড়সড়ো হয়ে শিশুরা কেঁদে ওঠে
|
বিশ্রামরত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই ভীতিকর পরিবেশে ছুটে আসনে বাড়ির প্রধান ফোটকের দিকে
|
তিনি জানতে চান- 'কে আপনারা?' জবাবে জানানো হয় তারা যৌথ বাহিনীর সদস্য, কোকোকে গ্রেফতার করতে এসেছেন
|
এ সময় বেগম খালেদা জিয়া তাদের উদ্দেশে বলেন- 'কোকোকে নিতে এসেছেন ভাল কথা, দরজা ভাঙছেন কেন? এতোটা নির্যাতন চালানো ভাল নয়!' সাবেক প্রধানমন্ত্রী জানতে চান, তাদের কাছে এরেস্ট ওয়ারেন্ট আছে কিনা? থাকলেও এতো রাতে কেন? দিনের আলোয় আমার ছেলেকে ডাকলেও তো সে সময়মতো যথাস্থানে চলে যেতো
|
এরপর হুড়মুড় করে বাসায় ঢুকে পড়ে যৌথ বাহিনী
|
ভেতরে ঢুকেই তারা দু ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়
|
একটি গ্রুপের সদস্যরা আরাফাত রহমান কোকোকে বলেন, আমাদের সাথে যেতে হবে
|
বলার সঙ্গে সঙ্গেই মৃদু হাসি দিয়ে বিনয়ী আরাফাত রহমান বিনা বাক্য ব্যয়ে যাবার প্রস্তুতি নেন
|
যৌথ বাহিনী তাঁকে নিয়ে যাওয়ার আগে আরাফাত রহমান মায়ের পা ছুঁয়ে সালাম করেন
|
এ সময় চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া
|
আরাফাত রহমানকে গাড়িতে তোলার সময় তাঁর স্ত্রী-সন্তান, বড় ভাই তারেক রহমানের স্ত্রী-সন্তানের অঝোর কান্নায় রাতের বাতাস ভারি হয়ে ওঠে
|
যৌথ বাহিনীর আরেকটি গ্রুপ তল্লাশির নামে রাত সাড়ে তিনটা পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করে
|
তারা আরাফাত রহমানের স্ত্রীকেও বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে
|
বাসা থেকে যাবার সময় তারা দুটি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ও বেশকিছু কাগজপত্র নিয়ে যায়
|
আরাফাত রহমান কোকোর গ্রেফতারের কথা শুনে আবেগাপ্লুত হয়ে কেঁদে ওঠেন কারাবন্দি তারেক রহমান
|
তিনি তখন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ছোট্ট একটি সেলে সুবিধাবঞ্চিত অবস্থায় অন্তরীণ
|
তাঁর কান্নার শব্দে ছোট্ট সেলটি যেন কেঁপে উঠছিল
|
দিনভর তিনি কেঁদেছেন
|
তাঁকে সাহস যুগিয়েছে, সান্ত্বনা দিয়েছে একই সেলে অপর বন্দি কবির
|
কারা কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদপত্রে রিপোর্ট বেরিয়েছে যে, সারাদিন কাঁদতে কাঁদতে তাঁর চোখ-মুখ ফুলে গেছে
|
কারা কর্তৃপক্ষ আরাফাত রহমান কোকোর গ্রেফতারের কথা তারেক রহমানকে জানাননি, তবে সেলে ছোট্ট একটি টেলিভিশন আছে, সেখানে কেবল বিটিভির অনুষ্ঠানমালা দেখা যায়
|
সেখানে সকাল এবং দুপুরের সংবাদে আরাফাত রহমান কোকোর গ্রেফতার হবার খবর প্রচার হয়েছিলো
|
তিনি টেলিভিশন দেখার আগেই অন্যান্য বন্দির কাছ থেকে খবরটি জেনেছেন
|
একমাত্র ছোট ভাই গ্রেফতার হওয়ার খবর তাঁকে মারাত্মকভাবে আঘাত করেছে
|
তারেক রহমান (পিনু) এবং আরাফাত রহমান কোকো পিঠাপিঠি দুই ভাই
|
তাঁরা পরস্পর বন্ধু ও খেলার সাথীও
|
তাঁরা এক সাথে স্কুলে গেছেন, এক সাথে খেলাধুলা করেছেন, আব্বা-আম্মার কাছে এক সাথেই অনুযোগ-অভিযোগ-দাবি নিয়ে হাজির হয়েছেন, এক সাথে বেড়াতে গেছেন
|
সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীনের জবানিতে পাওয়া যায়, এক সাথে দু ভাই হজব্রত পালন করতে গেছেন, এক সাথে দু ভাই স্ত্রী-কন্যাসমেত চট্টগ্রামে বেড়াতে গিয়েছিলেন
|
দু ভাইয়ের মধ্যে চমৎকার বোঝাপড়া, চমৎকার হৃদ্যতা
|
হবেই না-বা কেন? দু ভাই যে অভিন্ন সুখ-দুঃখের সাথী
|
বাবা শহীদ হবার পর শিশুকাল থেকেই দুজন অনেক বিপদ-আপদ, ঝঞ্ঝাবহুল ইতিহাসের সাক্ষী
|
কখনো বাবাকে দেখেছেন তাঁরা রণাঙ্গনে, কখনো দেখেছেন অগোছালো সেনাবাহিনীকে সংগঠিত করতে, কখনো সেই সেনাবাহিনীর সদস্যদের হাতে পিতার আটক হওয়া আর মুক্ত হওয়ার ঘটনা এবং একই বাহিনীর কতিপয় বিপথগামী সদস্যের হাতে পিতার মর্মান্তিক শাহাদাতবরণের ঘটনারও তারা সাক্ষী
|
ছোট ভাইয়ের জন্য তারেক রহমানের যে কী অপরিমেয় স্নেহ-মমতা সেটা আরেকবার বোঝা গিয়েছিল আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর পর
|
২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ সময় দুপুর সাড়ে ১২টায় তিনি ইন্তেকাল করেন
|
সীমাহীন অপপ্রচার, অকথ্য অত্যাচার ও নির্মম-নির্যাতন চালানো হয় তাঁর ওপর
|
ভয়-ভীতি, হুমকি-ধমকিসহ নানারূপ মানসিক নির্যাতন চালিয়ে তাঁকে হৃদরোগী বানিয়ে ছেড়েছিল মইন-ফখরুদ্দীন সেনাসমর্থিত সরকার
|
তার ফলেই চিকিৎসারত অবস্থায় বিদেশে তাঁর করুণ মৃত্যু ঘটে
|
মৃত্যু সংবাদ শোনার সঙ্গে সঙ্গেই তারেক রহমান শোকে প্রায় পাথর হয়ে গিয়েছিলেন
|
অনেকটা সময় তিনি কোনো কথাই বলতে পারেননি
|
তারপর শুরু হয় তাঁর অন্তর্ভেদী হাহাকার, বুকফাটা কান্না
|
প্রিয় ভাইটির কথা মনে হলেই তাঁর অন্তর এখনো গুমরে কেঁদে ওঠে, দীর্ঘশ্বাস ফেলেন, নীরবে ও গোপনে অশ্রুপাত করেন
|
আমার সাথে ভাল সখ্য আছে, এমন এক রাজনৈতিক কর্মী মাঝে মাঝেই লন্ডনে যান এবং তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করে তাঁর কুশলাদি জানতে চান
|
তাঁর মুখ থেকে শোনা গল্পটি এরকম : দিন কয়েকের এক অনুষ্ঠানে লন্ডনে গেলাম
|
অনুষ্ঠানের মাঝখানে কিছুটা অবকাশ পাওয়া গেল
|
ভাবলাম, নেতার শারীরিক অবস্থা এখন কী রকম, দেখে আসি
|
দেখা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে আমি মুখ খোলার আগেই আমার কুশল জিজ্ঞেস করলেন
|
দেখলাম, তিনি আগের চেয়ে বেশ খানিকটা সুস্থ হয়ে উঠেছেন
|
ভীষণ ভালো লাগলো নিজের কাছে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর একজন ইতিবাচক প্রিয় তারেক রহমানকে দেখে
|
ভিন দেশেও পারিবারিক ও রাজনৈতিক কাজে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন
|
তাই সময় বেশি না নিয়ে বিদায় নেবার আগেই মনের কথা বুঝতে পেরে তিনি বললেন, তুমিতো সেন্ট্রাল লন্ডনের দিকেই থাকছো, চলো ওই দিকেই আমার গন্তব্য
|
এক পর্যায়ে তাঁর সঙ্গেই বেরিয়ে একটি অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে যাওয়ার সুযোগ হলো আমার
|
টেমস নদীর পাশে বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকায় একটি সড়কের পাশে হঠাৎ করেই তিনি গাড়ি থামালেন
|
ডানপাশে জানালার কাঁচ খুলে তিনি এক দৃষ্টিতে কী যেন দেখছেন, কাকে যেন খুঁজছেন
|
তারপর আমার দিকে তাকিয়ে ডান হাতের তর্জনী দিয়ে নির্দেশ করে বললেন- 'দেখো তো, দেখো তো কোকোর মতো লাগছে না? ঠিক যেন কোকো হেঁটে যাচ্ছে!' আমার বুঝতে বাকি রইলো না, স্নেহের ছোট ভাইকে আজও আগলে রেখেছেন বুকের মধ্যখানে
|
ভাইয়ের জন্য এখনো থামেনি তাঁর কান্না
|
রাস্তা-ঘাটে, সভা-সমাবেশে, বিপণিকেন্দ্রে বা লোকালয়ে যেখানেই যান, আজও তাঁর চোখ খুঁজে ফেরে আরাফাত রহমান কোকোকে
|
লেখক : আতিকুর রহমান রুমন, বিশেষ প্রতিনিধি, দৈনিক দিনকাল
|
বিষয়: খুঁজে তাঁর আজও ফেরে আরাফাত কোকোকে
|
সরকার বেগম খালেদা জিয়াকে ভয় পাচ্ছেন বলেই তাঁর চিকিৎসা নিয়ে গড়িমসি করছে - মঞ্জু
|
গুম হওয়া স্বামীকে খুঁজে ফেরা নারীর প্রাণহানি
|
অন্ধকার ঘরে একটি কালো বিড়ালের মতো গণতন্ত্রকে খুঁজে ফিরি - ইসি মাহবুব
|
সিলেট-৩ আসনে উপ-নির্বাচন : নিজের ভোট খুঁজে পেলেন না জাপা প্রার্থী আতিক
|
সিলেট-৩ আসনে উপ-নির্বাচন : নিজের ভোট খুঁজে পেলেন না জাপা প্রার্থী আতিক
|
'এই মুহূর্তে আমাকে কে বাসা খুঁজে দেবে' - পরীমনি
|
এই বিভাগের আরো খবর
|
সাগরে লঘুচাপ, দুদিন পর হতে পারে বৃষ্টি
|
জলবায়ু সমস্যার সমাধান নিজেদেরই করতে হবে
|
২০২০ সালে দেশে ৩৪৪০ নারী-শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছেন
|
শীর্ষ দূষিত ১০০ শহরের মধ্যে বাংলাদেশের ৪টি
|
১৬ কোটি ভোক্তার অধিকার নিশ্চিতে কাজ করছেন মাত্র ১০৮ জন
|
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
|
তারেক রহমান কর্তৃক সিটি পাবলিশিং হাউস লিমিটেড, ৯০ কাকরাইল, ঢাকা ১০০০ থেকে মুদ্রিত ও ৪৪১/১, তেজগাওঁ শিল্প এলাকা, ঢাকা ১২০৮ থেকে প্রকাশিত
|
ফোন পিএবিএক্স: ৮৮৭০৮৪৪, ৮৮৭০৮৪৬, ৮৮৭০৮৪৭, ফ্যাক্স: ৮৮৭০৮৪৫, ৮৮৭০৮৪৯, ইমেইল: @.
|
এই প্রবন্ধে, আমরা আপনাকে প্রথম প্রকৃত পাতাগুলির পর্যায়ে, বৃদ্ধির ব্যবস্থাপনা, রুট সিস্টেমের গঠন, রুট সিস্টেমের গঠন এবং প্রাথমিক খাওয়ানোর প্রস্তুতি এবং প্রাথমিক খাওয়ানো, ডুব, প্রতিস্থাপন, গঠন এবং এর বিন্যাস
|
বপন এবং অঙ্কুর
|
অবতরণ শুরু করার সময়
|
রাশিয়ার দক্ষিণে, ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে - মার্চের শুরু থেকেই আপনি মাঝামাঝি লেনে থেকে শুরু করতে পারেন
|
কি বীজ চয়ন করুন
|
ফসল বছরের জন্য মনোযোগ দিতে
|
পেটুনিয়া বীজের জৈবিক কার্যকারিতা শব্দটি
|
বীজ খুব ছোট
|
মাটি পৃষ্ঠের ঠিক আছে তা নিশ্চিত করুন
|
উল্লেখযোগ্যভাবে মধ্যে বীজ এই কাজ সহজতর
|
রোপণ করার আগে কোন প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজন নেই
|
কোন ক্ষেত্রে, বীজ অঙ্কুর ত্বরান্বিত ধ্বংস করার চেষ্টা করবেন না
|
কি ধরনের মাটি নির্বাচন করুন
|
চাষের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি হল মাটির পছন্দ
|
সেরাটি সর্বজনীন, পিটের উপর ভিত্তি করে, সূক্ষ্মভাবে ছড়িয়ে পড়ে
|
এটি লাঠি, , কীটপতঙ্গ লার্ভা, ইত্যাদি থাকতে হবে না, এমনকি খুব ভাল, এমনকি খুব ভাল, উপযুক্ত নয়
|
পরজীবী এবং সম্ভাব্য রোগগুলি বাদ দেওয়ার জন্য, মাটিটি ওভেনে অদৃশ্য হয়ে যাবে
|
কি হত্তয়া
|
বপন জন্য, প্লাস্টিক মুদি পাত্রে খুব সুবিধাজনক, যা কোন সুপারমার্কেট হয়
|
উপরন্তু, তারা একটি ঢাকনা দিয়ে বন্ধ থাকে, যা বীজ অঙ্কুরের প্রাথমিক পর্যায়ে প্রয়োজন হবে
|
কিভাবে বীজ
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.