content
stringlengths
0
129k
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় এবার বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে ২৫ হাজার মাস্ক ও তিন হাজার পিপিই দিল দেশের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ
আজ বুধবার সকাল ১১টার দিকে বাংলাদেশ আনসারের ঢাকা মহানগর অফিসে মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কাজী শরীফ কায়কোবাদ, এনডিসি, পিএসসি, জি'র কাছে মাস্ক ও পিপিই হস্তান্তর করেন বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীর
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক ও নিউজ টোয়েন্টিফোরের সিইও নঈম নিজাম, বাংলাদেশ আনসারের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশন্স) মো. মাহবুব-উল-ইসলাম এবং আনসার ব্যাটালিয়নের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা
আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ-মহাপরিচালক (অপারেশন) মাহবুবুল ইসলাম বলেন, করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির শুরু থেকেই আমরা মহাপরিচালক স্যারের নির্দেশে সারাদেশে স্বাধীনভাবে কাজ করছি
প্রাথমিকভাবে যখন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী বিমানবন্দরে ডিউটি শুরু করেন তখন মহাপরিচালক স্যার নিজের উদ্যোগে পিপিই, মাস্ক ও অন্যান্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন
এরপরে সারাদেশে আমাদের বাহিনীকে নিরাপত্তা সামগ্রী দিয়ে বসুন্ধরা গ্রুপ যে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে তা অত্যন্ত প্রসংশনীয়
শুধু এখনই না দেশে যখন কোনো দুর্যোগ আসে তখনই বসুন্ধরা গ্রুপ অকাতরে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়
বসুন্ধরা গ্রুপের সুরক্ষা সামগ্রীতে আমরা উপকৃত হয়েছি
করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আনসার সদস্যদের উৎসাহিত ও সহায়তা করবে
বৈশ্বিক মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস মোকাবিলার লড়াইয়ে প্রথম থেকেই দেশ ও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ
এর অংশ হিসেবে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় হাসপাতাল তৈরিতে স্থাপনা দিয়ে সরকারকে সহযোগিতা করেছে এই শিল্পগ্রুপ
এছাড়া করোনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে ১০ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করেন বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান
অন্যদিকে, সামরিক চিকিৎসা সার্ভিস মহাপরিদফতরকে এক হাজার পিপিই ও ৫০ হাজার মাস্ক দেয় বসুন্ধরা গ্রুপ
ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক (উত্তর) বিভাগকেও ২৫ হাজার মাস্ক দেয় প্রতিষ্ঠানটি
নৌবাহিনীকে ৫০ হাজার মাস্ক, ৫০০ পিপিই ও দুই ট্রাক (৭০০ প্যাকেট) খাদ্যসামগ্রী দেয় তারা
এ ছাড়া র‌্যাবকে ৫০ হাজার মাস্ক ও চার ট্রাক খাদ্যসামগ্রী হস্তান্তর করা হয়
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কে ৫০ হাজার মাস্ক দেয় বসুন্ধরা গ্রুপ
এরপর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ- বিজিবিকে ২৫ হাজার মাস্ক ও এক হাজার পিপিই দেয় বসুন্ধরা গ্রুপ
উল্লেখ্য, বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে রাজধানীর দুস্থ ও নিম্ন আয়ের কয়েক হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তাও দেওয়া হয়েছে
শুক্রবার দিল্লিতে বসতে চলেছে এনপিআর বৈঠক
কিন্তু সেখানে যাচ্ছেন না বাংলার সরকারি প্রতিনিধি
বুধবার ধর্মতলায় টিএমসিপির ধরনা মঞ্চ থেকে একথা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি
পাশাপাশি বিরোধিতার স্বরকে সপ্তমে তুলে তাঁর বক্তব্য, পারলে রাজ্যের নির্বাচিত সরকার ভেঙে দেখাক কেন্দ্র
১৭ জানুয়ারি দিল্লিতে রেজিস্ট্রার জেনারেল অ্যান্ড সেন্সাস কমিশনার অফ ইন্ডিয়া বা আরজিসিসিআই জনগণনা এবং এনপিআর নিয়ে আলোচনা করতে বৈঠকে ডেকেছেন সব রাজ্যের মুখ্যসচিবদের
কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর আপত্তি জনগণনার সঙ্গে এনপিআরকে মিশিয়ে দেওয়া নিয়ে
এই বিরোধিতা সর্বোচ্চস্তরে নথিভুক্ত করতেই শুক্রবারের বৈঠকে প্রতিনিধি পাঠাচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গ
সোমবার প্রার্থী ঘোষণা রাজ্য বিজেপির! তালিকায় গুরুত্ব যুব ও...
27, 2021
কলকাতা পুরভোটে তৃণমূল প্রার্থী ক্ষিতি গোস্বামীর কন্যা...
27, 2021
প্রার্থী তালিকায় নেতা-মন্ত্রীদের পরবর্তী প্রজন্ম, লড়বেন...
27, 2021
বুধবার ধর্মতলায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ধরনা মঞ্চ থেকে এই ইস্যুতেই রণং দেহী অবস্থান নিলেন মমতা
সাফ জানিয়ে দিলেন আরজিসিসিআইয়ের ডাকা এনপিআর বৈঠকে রাজ্যের কোনও প্রতিনিধি যাবেন না
এবং এজন্য যদি কেন্দ্র রাজ্যের সরকার ভেঙে দেওয়ার পথে যায়, সেই লড়াইও লড়তে রাজি তৃণমূল নেত্রী
সেই সঙ্গে মমতা জানান, প্রথমে যখন এনপিআরের কাজ শুরু হয়, তখন প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে বিশদে জানতেন না তিনি
মমতা ব্যানার্জির কথায়, পরে যখন বুঝতে পারি এনপিআরের জন্য বাবা-মায়ের নাম, প্রমাণ সহ পিতা-মাতার জন্মস্থানের উল্লেখ এবং জন্ম তারিখ চাওয়া হচ্ছে, সঙ্গে সঙ্গে তা বন্ধ করে দিই
এসবের কী প্রয়োজন? এনসিআর চালু করার উদ্দেশেই কি এগুলো চাওয়া হচ্ছে? প্রশ্ন করেন মুখ্যমন্ত্রী
সভামঞ্চ থেকেই মমতা কার্যত হুঁশিয়ারি দেন কেন্দ্রীয় সরকারকে
বলেন, পারলে রাজ্যের সরকার ভেঙে দেখাক কেন্দ্র
তাঁর কথায়, কেন্দ্র এবং রাজ্য, দুজায়গাতেই মানুষের দ্বার নির্বাচিত সরকার রয়েছে
এরপরই নাম না করে রাজ্যপালকে বিজেপির এজেন্ট বলে আক্রমণ শানান
বলেন, এ রাজ্যে বিজেপির একজন মুখপাত্র আছেন
এ জন্য পারলে তিনি আমাদের সরকার ভেঙে দিন
তারপরই চ্যালেঞ্জের সুরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ক্ষমতা থাকলে সরকার ভেঙে দেখান
গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ এক সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ এর ৩৩(১) ধারা অনুযায়ী বরেন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্রেজারার পদে প্রফেসর ড. তারিক সাইফুল ইসলাম-কে ০৪(চার) বছরের জন্য নিয়োগ প্রদানে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর সানুগ্রহ সম্মতি প্রদান করেছেন
প্রফেসর ড. তারিক সাইফুল ইসলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান
২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তে তিনি বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে যোগদান করেন
উল্লেখ্য যে, তিনি অর্থনীতি বিষয়ে কানাডার ওয়াটার লু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ এবং আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচ. ডি. ডিগ্রি অর্জন করেন
বছর দুই আগে রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি থেকে খাগড়াছড়ি ফেরার পথে ১০ নং পুলিশ ফাঁড়ির পাশে সাজেকের নবনির্মিত রাস্তা চোখে পড়ে
পরবর্তীতে রাঙ্গামাটি জেলার সর্বউত্তরের মিজোরাম সীমান্তে অবস্থিত সাজেক ভ্যালির অপূর্ব নৈসর্গিক সৌন্দর্যের কথা নানা জায়গায় শুনেছি
পত্র-পত্রিকায়ও এ সম্পর্কে নানা তথ্য জানতে পারি
জানতে পারি ‌এখানে যাওয়ার দুর্গম পথ সম্পর্কেও
সেই থেকে সাজেক ভ্যালিতে যাবার জন্য মনে মনে ইচ্ছে দানা বাধলেও দুর্গম পথ এবং নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে যাওয়া হয়ে ওঠেনি
কিছুদিন আগে বাঘাইছড়ি প্রেসক্লাবের সভাপতি বন্ধুবর গিয়াস সাহেবের কাছে প্রসঙ্গক্রমে সাজেকের কথা বলতেই তাঁর আগ্রহ এবং অভয় পেয়ে মনে মনে সাজেক যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি
অবশেষে দেশের রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যেই গত ১৪ নভেম্বর আমরা দু'জন (আমি এবং আমার শ্যালক শিহাব) বিআরটিসি বাসে খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হই
রাতে খাগড়াছড়ি শহরে পৌঁছে হোটেলে অবস্থান করি
এর মধ্যেই গিয়াস ভাই'র সাথে যোগাযোগ হলে উনি পরদিন সকাল সাড়ে ৮টায় দিঘীনালায় আমাদের জন্য অপেক্ষায় থাকবেন বলে আশ্বস্ত করেন
পরদিন সকালে খাগড়াছড়ি শাপলা চত্বর থেকে অটোরিকশায় করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই দিঘীনালা পৌঁছাই
সেখানে আগে থেকেই দু'টি মোটর সাইকেল নিয়ে আমাদের জন্য অপেক্ষায় ছিলেন গিয়াস ভাই
মোটরসাইকেলে রওনা হওয়ার ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই পৌঁছলাম বাঘাইহাট বাজারে
এবার চা বিরতি
এরই ফাঁকে একটু ঘুরে-ফিরে দেখলাম বাজারটা
অধিকাংশ দোকানপাটই বন্ধ
জানতে পারলাম পাহাড়ি-বাঙালির কি এক দ্বন্দ্বের কারণে পাহাড়িরা বাজারে আসা বন্ধ করে দেয়
ফলে এত বড় বাজারের এই জীর্ণ দশা
মন কিছুটা খারাপ হয়ে গেল বাজারের এরকম অবস্থা দেখে
চা বিরতির পর রওনা দিয়ে প্রায় ১১টার দিকে কাসালং নদীর তীরে মাচালং বাজারে পৌঁছলাম
শুক্রবার হওয়ায় সাপ্তাহিক হাট বসেছে
দূরদূরান্ত থেকে পাহাড়ি নারী-পুরুষ অনেকেই তাদের উৎপাদিত পণ্য যেমন-আখ, বিভিন্ন তরকারি,কমলা, পেঁপে ইত্যাদি বিক্রি করতে আনেন,আবার তাদের সাপ্তাহিক প্রয়োজনীয় দ্রব্যও কিনে নিয়ে যান
আমরা যখন পৌঁছলাম তখন বাজার জমজমাট
তবে এই বাজারের বিশেষত্য হলো এখানকার অস্থায়ী দু-একজন বাঙালি ব্যবসায়ী ছাড়া ক্রেতা-বিক্রেতা সবাই পাহাড়ি
বাজারটা ঘুরে দেখলাম
আরও লক্ষ্য করলাম সাধারণত হাট-বাজারের মতো হৈ হুল্লোড় এখানে নেই
নেই কোনো হট্টগোলও
বেশ কিছু ছবি তুলে আবারও সাজেক'র দিকে রওনা
যেতে যেতে দেখি কিছুদূর পর পর পাহাড়িদের ঘরবাড়ি, তাদের প্রাত্যহিক সহজ-সরল জীবনযাত্রা
সুন্দর মসৃণ আঁকা বাঁকা রাস্তা, গগনস্পর্শী পাহাড়, মাঝে মাঝে রাস্তার পাশে গভীর খাদ, বহু নীচ দিয়ে চলা সরু নদী
সে এক ভয় ধরানো রোমাঞ্চকর অনুভূতি জাগায়, যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়
অবশেষে ১২টার দিকে আমার বহুদিনের প্রতীক্ষিত সাজেক'র রুইলুই ভ্যালির লুসাই পাড়ায় পৌঁছলাম
নেমেই চারপাশের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখে কিছুক্ষণের জন্য হতবিহ্বল হয়ে যাই
লুসাই পাড়াটি ছবির মতো সুন্দর
অধিবাসীরা সবাই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী
সবগুলো বাড়িই অনেকটা একই রকম, কাঠের তৈরি,সাজানো-গোছানো
তাদের জীবনযাত্রার মানও অন্য পাহাড়িদের তুলনায় বেশ উন্নত বলে মনে হলো
আবার প্রত্যেক বাড়িতে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের সুন্দর ব্যবস্থা
দিগন্তবিস্তৃত পাহাড়শ্রেণি,পরিষ্কার নীলাকাশ, সবুজ বনানীর এই নয়নাভিরাম সৌন্দর্য শুধু চোখে দেখার নয়, অনুভব করার,স্তব্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকার
যা কোনো ভাবেই ভাষায় বর্ণনা করা যায় না
এর কিছুক্ষণ পর গিয়াস ভাইয়ের পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে এলাকার প্রবীণ ব্যক্তি এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের আমন্ত্রণে তাঁর ঘরে গিয়ে বসলাম
যিনি 'বুড়া মাস্টার' নামে পরিচিত
তাঁর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় জানা গেল,স্বাধীনতার পরেও এই এলাকায় একশ'রও বেশি লুসাই পরিবার ছিলো
কিন্তু বিভিন্ন কারণে বেশির ভাগ পরিবারই ভারতের মিজোরাম রাজ্যে চলে গেছে
বর্তমানে ১৫-১৬টি পরিবার এই রুইলুই পাড়া এবং কনলাক পাড়ায় বসবাস করে
এছাড়াও আশপাশে কিছু সংখ্যক পাংখো এবং ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর বসতি রয়েছে
কিছুক্ষণ পর আমরা আরও প্রায় ১/২ কি.মি. উত্তরে সাজেক ভ্যালির উচ্চতম পাহাড় 'কনলাক পাড়া'য় গেলাম
সেখানেও গুটিকয়েক লুসাই পরিবারের বসবাস
এই পাড়াটিই এই এলাকার উচ্চতম বসতি
সেখানে কিছুক্ষণ কাটিয়ে আসার সময় কমলা বাগান দেখলাম
এখানে এখন কফির চাষও হচ্ছে