content
stringlengths
0
129k
ফেনী নদীর ওপর বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু গতকাল মঙ্গলবার চালুর পর মাত্র ১শ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে ত্রিপুরা রাজ্যের সাবরুমে পৌঁছা সম্ভব হবে
অর্থ্যাৎ নতুন এই মৈত্রী সেতু চালুর ভারতের সাতরাজ্যে পৌঁছতে সড়কপথের দুরত্ব ১১৫ কিলোমিটার দুরত্ব কমে আসবে
এতে সাত রাজ্যে যেমন দ্রুত পণ্য রপ্তানি সহজ হবে; তেমনি আমদানিও করা যাবে দ্রুত
একইসাথে ভারতও চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পণ্য দ্রুত নিজেদের শহরে নিতে পারবে
বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে চার হাজার কিলোমিটার স্থল সীমান্ত রয়েছে
ফেনী নদীর ওপর নির্মিত এটি একমাত্র সেতু যেটি দুদেশকে সড়কপথে যুক্ত করেছে
ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই মৈত্রী সেতুর মাধ্যমেই প্রতিবেশি দুই দেশ বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হবে
এতে পণ্য পরিবহনই নয়; ভ্রমন-চিকিৎসা নিতে যাওয়া বাংলাদেশি যাত্রীরাও লাভবান হবে
চট্টগ্রাম সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান বলেন, 'সেতু চালুর পর চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য পৌঁছানোর সময় অেেনক কমে আসবে
আগে চট্টগ্রাম-ঢাকা চার লেইন মহাসড়ক দিয়ে আখাউড়া দিয়ে গেলেও এখন একই মহাসড়ক ব্যবহার করে সরাসরি খাগড়াছড়ির রামগড় দিয়েই অনেক কম সময়ে পৌঁছানো সম্ভব হবে
তিনি বলছেন, রামগড় সেতু চালুর আগে থেকেই আরো তিনটি বিকল্প সড়ক আমরা নির্মান করছি
এরমধ্যে সবচে বড় প্রকল্প হচ্ছে ৮৪৫ কোটি টাকার রামগড়-বারৈয়ারহাট সড়ক
আর হাটহাজারী-ফটিকছড়ি সড়ক দিয়েও রামগড় যাওয়া সহজ হচ্ছে; ডিসেম্বরে এই সড়কের কাজ শেষ হবে
একইসাথে ফটিকছড়ি বারৈয়ারহাট সড়কটির কাজও ৮০ ভাগ শেষ হয়েছে
সুতরাং এসব প্রকল্প চালু হলে শুধু ট্রানজিট নয়; সড়ক যোগাযোগের কারণে পুরো অঞ্চলের চিত্রই আমুল পরিবর্তন হবে
জানা গেছে, ফেনী নদীর ওপর বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু চালুর আগেই ভারত ত্রিপুরার সাবরুম প্রান্তে একটি ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্টও নির্মান করেছে
কিন্তু বাংলাদেশ সরকার রামগড় প্রান্তে স্থলবন্দর ঘোষণা দিলেও কোন অবকাঠামো নির্মান এখন পর্যন্ত শুরু করেনি
ফলে সেতু চালু হলেও দুইদেশের পণ্য কিংবা যাত্রী চলাচল কিভাবে শুরু হবে তা এখনো নিশ্চিত নয়
ঘোষিত রামগড় স্থলবন্দর তদারকি করবে চট্টগ্রাম কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট
তাদের প্রস্তুতি জানতে চাইলে কাস্টমসের কমিশনার আকবর হোসেন বলেন, 'সরকার ঘোষণা দিয়েছে স্থলবন্দর হিসেবে
লোকবল, অবকাঠামো নির্মানেরও পরিকল্পনা চলছে
কিন্তু কবে নাগাদ সেটি চুড়ান্ত হবে এখনই বলা যাচ্ছে না
তবে তার আগপর্যন্ত খাগড়াছড়ি ভ্যাট দপ্তর থেকেই সেটি তদারকি করা হবে
কলকাতা থেকে আগরতলা পণ্য পৌঁছাতে ১৬ শ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়; মূলত বিপুল পণ্য পরিবহন ব্যয় কমাতেই ভারতের সাত রাজ্য চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে পণ্য নিতে চাইছে
২০২০ সালে জুলাই মাসে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে এক চালান ট্রানজিট পণ্য আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ত্রিপুরার আগরতলা পৌঁছেছিল
চালানটি জাহাজযোগে কলকাতা থেকে চট্টগ্রাম বন্দর পৌঁছে; সেখান থেকে সড়কপথে প্রথমবার আগরতলা গিয়েছিল
সেই চালানটি ছিল পরীক্ষামূলক
রামগড় সেতু চালুর পর নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে
বাংলাদেশ থেকে সিমেন্ট, স্টিল বার, বিস্কুটসহ প্রচুর পণ্য ভারতের সাতরাজ্যে রপ্তানি হয়
এতদিন সেটি আখাউড়া দিয়ে গেলেও এখন রামগড় মৈত্রী সেতু দিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড গত ১৩ জুলাই এক আদেশে ভারতীয় ট্রানজিট বা ট্রান্সশিপমেন্টের 'পরীক্ষামূলক পণ্য চালানের' জন্য মাসুল নির্ধারণ করে দিয়েছিল
এই সাতটি মাসুল হলো প্রতি চালানের প্রসেসিং ফি ৩০ টাকা, প্রতি টনের জন্য ট্রান্সশিপমেন্ট ফি ৩০ টাকা, নিরাপত্তা মাসুল ১০০ টাকা প্রতি টন, এসকর্ট মাসুল প্রতি টন ৫০ টাকা এবং অন্যান্য প্রশাসনিক মাসুল প্রতি টন ১০০ টাকা
এ ছাড়া স্ক্যানিং ফি (প্রতি কনটেইনার) ২৫৪ টাকা এবং বিধি অনুযায়ী ইলেকট্রিক সিলের মাসুল প্রযোজ্য হবে
এই নির্ধারিত সাতটি মাসুল অনুযায়ী একটি কনটেইনার থেকে শুধু চট্টগ্রাম কাস্টমস রাজস্ব আয় করবে সাত হাজার ৩৪ টাকা
এর বাইরে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ পণ্য উঠানামা মাসুল, রিভার ডিউজ, পোর্ট ডিউজ আদায় করবে
কিন্তু সেটি ছিল একটি চালানের জন্য
নিয়মিত ট্রানজিট পণ্য পরিবহন শুরু হলে এর হেরফের হতে পারে
" চট্টগ্রাম বোর্ডের আওতাধীন উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল প্রতিষ্ঠানে সোনালী ব্যাংক একাউন্ট থোলা সংক্রান্ত জরুরী বিজ্ঞপ্তি
" \"বঙ্গবন্ধু অলিম্পিয়াড\" শিক্ষামূলক গেম প্রতিযোগিতায় সকল শিক্ষার্থীকে অংশগ্রহণের জন্য অবহিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের অনুরোধ করা হল
" <<< এইচএসসি পরীক্ষা-২০২১ এর জন্য পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি >>>
" <<< ২০২১সালের এস এস সি পরীক্ষার পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি সংক্রান্ত >>>
" <<< ২০২০ সালের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ সনদ প্রদানের লক্ষ্যে এ প্রদান সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি >>>
" <<< চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের তালিকাভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রামীণফোনের সিম বিতরণ সংক্রান্ত জরুরী বিজ্ঞপ্তি
" <<< নো মাস্ক, নো সার্ভিস, নিজে সুরক্ষিত থাকুন, অন্যকে নিরাপদ রাখুন
" সতর্কীকরণ > >>এই বোর্ড দুর্নীতিমুক্ত -- একটি প্রতারক চক্র বোর্ডের কর্মকর্তাদের নামে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মোবাইলে অর্থ দাবী করছে
এইধরনের কোনও লেনদেন আপনারা করবেননা
বোর্ডের সাথে মোবাইলে টাকা লেনদেন হয়না
প্রতারক চক্র থেকে সাবধান
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ অনুযায়ী, মাধ্যমিক ভূগোলে মোট ছয়টি বিভাগ থেকে প্রশ্ন আসবে
প্রতিটি বিভাগের প্রশ্ন বিভাজন কেমন তা নীচে দেওয়া হলো-
◊বিভাগ-ক (বহুবিকল্পধর্মী প্রশ্ন):
এই বিভাগে মোট 14টি প্রশ্ন আসবে এবং প্রতিটি প্রশ্নের মান-1
এক্ষেত্রে কোনো বিকল্প প্রশ্ন থাকবে না
◊বিভাগ-খ (অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন):
এই বিভাগে থাকবে দু'একটি শব্দের উত্তর, শূন্যস্থান পূরণ, শুদ্ধ-অশুদ্ধ নির্বাচন ও স্তম্ভ মেলানো
মোট 26টি প্রশ্ন থাকবে, করতে হবে 22 টি প্রশ্ন
প্রতিটি প্রশ্নের মান-1.
◊বিভাগ-গ (সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন):
এই বিভাগে মোট 12টি প্রশ্ন থাকবে এবং উত্তর দিতে হবে 6টি প্রশ্নের
প্রতিটি প্রশ্নের মান-2 এবং প্রতিক্ষেত্রে বিকল্প প্রশ্ন থাকবে
প্রাকৃতিক ভূগোলের অধ্যায় থেকে চারটি প্রশ্নের মধ্যে দুটি করতে হবে
বর্জ্য ব্যাবস্থাপনা অধ্যায় থেকে দুটির মধ্যে একটি, ভারতের ভূগোল থেকে চারটি প্রশ্নের মধ্যে দুটি করতে হবে এবং উপগ্রহ চিত্র অধ্যায় থেকে দুটি প্রশ্নের মধ্যে একটি করতে হবে
◊বিভাগ-ঘ (সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন):
এই বিভাগে আটটি প্রশ্নের মধ্যে চারটির উত্তর করত হবে
প্রতিটি প্রশ্ন মান-3
প্রাকৃতিক ভূগোল, বর্জ্য ব্যাবস্থাপনা, ভারতের ভূগোল এবং উপগ্রহ চিত্র ও ভূবৈচিত্রসূচক মানচিত্র অধ্যায় থেকে যথাক্রমে একটি করে প্রশ্নের উত্তর করতে হবে
প্রতিটি প্রশ্নের একটি করে বিকল্প প্রশ্ন থাকবে
◊বিভাগ-ঙ (দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্ন):
এই বিভাগে মোট আটটি প্রশ্ন থাকবে এবং এর মধ্যে চারটি প্রশ্ন করতে হবে
প্রতিটি প্রশ্নের মান-5
প্রাকৃতিক ভূগোল থেকে চারটি প্রশ্নের মধ্যে দুটি এবং ভারতের ভূগোল থেকে চারটি প্রশ্নের মধ্যে দুটি প্রশ্নের উত্তর করতে হবে
এক্ষেত্রে বর্জ্য ব্যাবস্থাপনা এবং উপগ্রহ চিত্র ও ভূবৈচিত্রসূচক মানচিত্র অধ্যায় থেকে কোনো প্রশ্ন থাকবে না
বিভাগ-চ (মানচিত্র চিহ্নিতকরণ):এই বিভাগে দশটি মানচিত্র উপযুক্ত প্রতীক ও নামসহ চিহ্নিতকরণ করতে হবে
প্রশ্নমান-1
ভারতের প্রাকৃতিক ভূগোল থেকে 5টি এবং ভারতের অর্থনৈতিক ভূগোল থেকে 5টি মানচিত্র চিহ্নিতকরণ থাকবে
এক্ষেত্রে কোনো বিকল্প থাকবে না
বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ
✍বহু বিকল্পভিত্তিক প্রশ্নোত্তর [] : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-1]
1. বায়ুপ্রবাহের দ্বারা সুক্ষ্ম বালিকণা বহুদুর বাহিত ও সঞ্চিত হয়ে যে ভুমিরূপ গঠন করে তাকে বলে -
[] ড্রামলিন [] সিফ [] লােয়েস [] বার্খান
উত্তরঃ [] লােয়েস
2. পেডিমেন্ট সমভূমির মধ্যে অনুচ্চ পাহাড়গুলিকে বলে -
[] স্কুপ পর্বত [] ভঙ্গিল পর্বত [] মােনাক [] ইনসেলবার্জ
উত্তরঃ [] ইনসেলবার্জ
3. আবহবিকারের ফলে ভূমিরূপের পরিবর্তন হয় -
[] ধীরগতিতে
[] দ্রুত গতিতে [] ও উভয় গতিতে [] কোনােটিই ঠিক নয়
উত্তরঃ [] ধীরগতিতে
4, উপকুল অঞ্চলে হিমবাহের ক্ষয়ের ফলে সৃষ্ট জলমগ্ন উপত্যকাকে বলে -
[] নিমজ্জিত উপত্যকা
[] ঝুলন্ত উপত্যকা [] সার্ক উপত্যকা [] ফিয়র্ড উপত্যকা
উত্তরঃ [] ফিয়র্ড উপত্যকা
5. একটি আদর্শ নদীর উদাহরণ হল-
[] সিন্ধু [] লুনী [] তাপ্তী [] নর্মদা
উত্তরঃ [] সিন্ধু
6. ভূপৃষ্ঠস্থ চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহ যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অপসারিত হয়, তাকে বলে -
[] বিচূর্ণীভবন [] নগ্নীভবন [] অঙ্গারযােজন [] ক্ষয়ীভবন
উত্তরঃ [] ক্ষয়ীভবন
7. মরু অঞ্চলে ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে সমান্তরালভাবে অবস্থিত কঠিন ও কোমল শিলা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে যে ভুমিরূপ সৃষ্টি করে তাকে বলে -
[] জুইগেন [] গৌর [] ইয়াদাং [] মােনাক