content stringlengths 0 129k |
|---|
() শীতল স্রোতের সঙ্গে আগত হিমশৈল জাহাজ চলাচলে বাধা দেয় ও বিপদ সৃষ্টি করে |
(3) মাচড়া ও মৎস্য আহরণ : শীতলস্রোতের সঙ্গে আগত বরফ উয়স্রোতের সংস্পর্শে গলে গিয়ে সেই সঙ্গে আসা নুড়ি, বালি, কাদা অধঃক্ষিপ্ত হয়ে অগভীর মগ্নচড়া সৃষ্টি করে |
যেখানে প্ল্যাঙ্কটনের প্রাচুর্য থাকায় বিপুল পরিমাণ মৎস্যের সমাবেশ ঘটে ও বাণিজ্যিক মৎস্য আহরণ ক্ষেত্র তৈরি হয় |
যেমন - উত্তর পশ্চিম আটলান্টিক মহাসাগরীয় ক্ষেত্র |
(4) জীবজগতের ওপর প্রভাব : () স্রোতের মাধ্যমে সমুদ্রজলের উয়তা নিয়ন্ত্রিত হয় যা সামুদ্রিক জীবের বসবাস নিয়ন্ত্রিত হয় |
() উম্ন স্রোত সামুদ্রিক জীব, মাছ, প্রবাল, প্ল্যাঙ্কটন বিস্তারের আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে |
() স্রোতের উর্ধ্বমুখী প্রবাহ বা আবর্তের কারণে লবণতার পরিমাণ নির্ভর করে |
() অন্যদিকে এলনিনাের প্রভাবে পেরু চিলি উপকুলে প্ল্যাঙ্কটন ও মাছের ব্যাপক ক্ষতি হয় |
2. জোয়ার ভাটা কীভাবে সৃষ্টি হয় চিত্রসহ ব্যাখ্যা করাে |
উত্তর : প্রধানত দুটি কারণে পৃথিবীতে জোয়ার ভাটার সৃষ্টি হয় |
যথা-() পৃথিবীর ওপর চঁদ ও সূর্যের মিলিত মহাকর্ষ বলের প্রভাব এবং () পৃথিবীর আবর্তন জনিত কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাব |
() পৃথিবীর ওপর চাঁদ ও সূর্যের মিলিত মহাকর্ষ বলের প্রভাব : নিউটনের মহাকর্ষ নিয়ম অনুযায়ী পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য পরস্পর পরস্পরকে আকর্ষণ করে |
যে বস্তুর ভর যত বেশি আকর্ষণ বল তার তত বেশি এবং যে বস্তুর দূরত্ব যত বেশি তার আকর্ষণ বল তত কম |
পৃথিবী থেকে সূর্য গড়ে 15 কোটি কিমি দূরে অবস্থিত এবং চাঁদ ও 3 লক্ষ 84 হাজার 400 কিমি দূরে অবস্থিত |
তাই পৃথিবীর ওপর চাঁদের আকর্ষণ বল (2.2 গুণ) বেশি |
প্রধানত চাঁদের আকর্ষণেই সমুদ্রের জল স্ফীত হয়ে জোয়ারের সৃষ্টি করে |
জোয়ারের সমকোণস্থ অঞ্চলের জলতল নেমে গিয়ে ভাটার সৃষ্টি করে |
সূর্যের চন্দ্রের চেয়ে প্রায় 255 লক্ষ গুণ ভারি হলেও বহু দূরে (প্রায় 391 গুণ) অবস্থিত হওয়ার জন্য সূর্যের আকর্ষণে জোয়ার তত প্রবল হয় না |
সিজিগি অবস্থানে পৃথিবীর একই স্থানে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ কার্যকরী হওয়ায় জোয়ার খুব প্রবল হয় |
() পৃথিবীর আবর্তনজনিত কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাব : পৃথিবীর আবর্তনজনিত কারণে কেন্দ্রাতিগ বলের সৃষ্টি হয়, যার প্রভাবে সমুদ্রের জলরাশি বাইরের দিকে বিক্ষিপ্ত হওয়ায় প্রবণতা লাভ করে |
এই বল মহাকর্ষ বলের বিপরীতে কাজ করে |
অর্থাৎ চাঁদের আকর্ষণে যে স্থানে জোয়ার হয় তার বিপরীতে প্রতিপাদ স্থানে কেন্দ্রাতিগ বল অধিক কার্যকরী হওয়ায় সেখানে জোয়ার (গৌণ জোয়ার) হয়, তবে প্রাবল্য তুলনামূলক কম |
জোয়ারের স্থানে বিপুল জলরাশি সরবরাহের জন্য এদের মধ্যবর্তী সমকোণস্থ স্থানগুলিতে জলতল নেমে গিয়ে ভাটার সৃষ্টি করে |
এছাড়া, সমুদ্রতলের ঢাল, তটভূমির প্রকৃতি, জলস্তরের ওঠানামা, জলের পৃষ্ঠতলে বায়ুর গতিশক্তির ঘর্ষণ প্রভৃতি জোয়ারভাটা সৃষ্টিতে পরােক্ষভাবে প্রভাব বিস্তার করে |
3. ভরা কোটাল এবং মরা কোটাল কীভাবে সৃষ্টি হয় ব্যাখ্যা করাে |
উত্তর : ভরা কোটাল : আবর্তনকালে পূর্ণিমা ও অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করে (সিজিগি অবস্থান) |
এই সময় জোয়ার অতি প্রবল হয় এবং সাধারণ জোয়ার অপেক্ষা 20% জল বেশি ফুলে ওঠে |
একেই ভরা কোটাল বলে |
পূর্ণিমায় ভরা কোটাল : পূর্ণিমা তিথিতে সিজিগি অবস্থানে পৃথিবী থাকে চাদ ও সূর্যের মাঝখানে (প্রতিযােগ) |
এই অবস্থায় চাঁদের আকর্ষণে জোয়ার প্রবল আকার নেয় এবং বিপরীত অংশে কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাব ও সূর্যের আকর্ষণেও জোয়ার প্রবল হয় |
একেই পূর্ণিমার ভরা কোটাল বা তেজ কোটাল বলে |
অমাবস্যায় ভরা কোটাল : অমাবস্যা তিথিতে সিজিগি অবস্থানে চাদ থাকে পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে (সংযােগ) |
এই অবস্থায় পৃথিবীর যে অংশে চাদের আকর্ষণ বল কাজ করে সেখানেই সূর্যের আকর্ষণ বলও কাজ করে |
ফলে জল প্রবলভাবে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার অতি প্রবল আকার নেয় |
একে অমাবস্যার ভরা কোটাল বা তেজ কোটাল বলে |
পূর্ণিমার ভরা কোটাল অপেক্ষা অমাবস্যার ভরা কোটাল অনেক তেজি হয় |
মরা কোটাল বা মরা জোয়ার : কৃয় ও শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে পৃথিবীর সাপেক্ষে চাঁদ ও সূর্য পরস্পরের সমকোণে অবস্থান করে |
এরূপ অবস্থায় পৃথিবীর যে অংশ চাঁদের ঠিক সামনে থাকে সেখানে জোয়ার হয় |
এক্ষেত্রে চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ বল পরস্পরের বিপরীতে কাজ করে বলে সমুদ্রের জলরাশি সেভাবে ফুলে ওঠে না |
অষ্টমী তিথির এই জোয়ারকে মরা কোটাল বা মরা জোয়ার বলে |
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা |
বহু বিকল্পভিত্তিক প্রশ্নোত্তর []:[প্রতিটি প্রশ্নের মান-1] |
1. ছেড়া কাগজ থেকে পুনরায় কাগজ তৈরি করা হল যে ধরনের প্রক্রিয়া - |
[] পুনর্নবীকরণ [] পরিমাণ হ্রাস [] পৃথকীকরণ [] পুনর্ব্যবহার |
উত্তরঃ [] পুনর্নবীকরণ |
2. গৃহস্থালীর বর্জ্যের উদাহরণ হল - |
[] কীটনাশক [] তরিতরকারির খােসা [] ইনজেকশনের সিরি [] বীজ |
উত্তরঃ [] তরিতরকারির খােসা |
3. মৃতপ্রাণী বা গাছের পচা ডালপালা যে ধরনের বর্জ্যের উদাহরণ- |
[] গৃহস্থালী [] তেজস্ক্রিয় [] জৈব [] কৃষিজ |
উত্তরঃ [] জৈব |
4. বর্জ্য ব্যবস্থাপনার তিনটি মূল প্রক্রিয়া হল- |
[] 3 [] 3 [] 3 [] 3 |
উত্তরঃ [] 3 |
5. পরিবেশের জীবজ ও অজীব উপাদনের মধ্যে গড়ে ওঠা পারস্পরিক আন্তঃসম্পর্ককে বলা হয় - |
[] বাস্তুতন্ত্র [] গ্রিন হাউস [] জীবতন্ত্র [] জলতন্ত্র |
উত্তরঃ [] বাস্তুতন্ত্র |
6. পরিবেশে থাকা এক ধরনের সবুজাভ সহজ দাহ্য গ্যাস হল- |
[] মিথেন [] অক্সিজেন |
[] নাইট্রোজেন [] নাইট্রাস অক্সাইড |
উত্তরঃ [] মিথেন |
7. সিমেন্ট তৈরিতে যে প্রক্রিয়া প্রয়ােগ করা হয় সেটা হল - |
[] কম্পােজিট [] স্ক্র্যাবার [] ল্যান্ডফিল [] নিষ্কাশন |
উত্তরঃ [] স্ক্র্যাবার |
অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্নোত্তর : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-1] |
1. বর্জ্য পদার্থগুলিকে কোনাে স্থানে ফেলে জমাট করার পদ্ধতিকে বলে ____________ |
উত্তর : ভরাটকরণ বা |
2. বর্জ্য থেকে নির্গত একটি গ্যাস হল, ______________ |
উত্তর : মিথেন |
3. প্রকৃতির বৃক্ক' বলা হয় __________ |
উত্তর : জলাভূমিকে |
4. '-এর পুরাে নাম ____________ |
উত্তর : গঙ্গা অ্যাকশন প্ল্যান |
সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্নোত্তর : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-2] |
1. ইউট্রোফিকেশন কী? |
উত্তর : পরিপােষক দুষণের ফলে হ্রদ জলাশয় ও পুকুরে যে প্রক্রিয়ায় অ্যালগি জাতীয় জলজ উদ্ভিদের বৃদ্ধি ঘটে এবং জলাশয় ক্রমশ ভরাট হয়ে আসে, সেই প্রক্রিয়াকে ইউট্রোসিকেশন বলে |
2. - কী? |
উত্তর : জৈব পদার্থকে বন্ধ জায়গায় রেখে যে জ্বালানি গ্যাস উৎপন্ন করা হয়, তাকে - বা জৈব গ্যাস বলে |
জৈব গ্যাসের কাঁচামাল হিসাবে সাধারণত গােবর ব্যবহার করা হয় |
এটি একটি পুনর্ভব শক্তি সম্পদ ও পরিবেশমিত্র |
3. ল্যান্ডফিল কী? |
উত্তর : লােকালয় থেকে দুরে ফাঁকা জায়গায় কিংবা নীচু জমিতে বিপজ্জনক নয় এমন কঠিন বর্জ্য পদার্থ জমা করাকে 'ল্যান্ডফিল' বলে |
এ পদ্ধতি প্রয়ােগে খরচ কম হয় এবং এটি পরিকল্পনাহীন |
সাধারণ নির্মাণ সামগ্রী, গার্হস্থ্য ও কুটির শিল্পজাত সামগ্রী নিক্ষেপ করা হয় |
4. জীববিশ্লেষ্য বর্জ্য ও জীব অবিশ্লেষ্য বর্জ্য পদার্থ কী? |
উত্তর : জীববিশ্লেষ্য বর্জ্য পদার্থ হল সেই সমস্ত বর্জ্য পদার্থ যা যেকোনাে জীব, মূলত আণুবীক্ষণিক বিয়ােজক দ্বারা বিশ্লেষ্য হতে পারে |
উদাঃ - উচ্ছিষ্ট খাদ্য বস্তু যে সমস্ত বর্জ্য পদার্থ কোনাে জীব দ্বারা বিয়ােজিত হয় না তাদের জীব অবিশ্লেষ্য বর্জ্য পদার্থ বলে |
উদাঃ - কৃত্রিম পলিমার, প্লাস্টিক, ডিডিটি, কাচ ইত্যাদি |
5. ভার্মি কম্পােস্টিং কাকে বলে? |
উত্তর : জৈব বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় একটি পদ্ধতি হলাে ভার্মি কম্পােস্টিং |
এই পদ্ধতিতে জৈব বর্জ্য পদার্থ, মানুষ বা গবাদি পশুর মল ব্যাকটিরিয়া দ্বারা পচন ঘটিয়ে হিউমাসে পরিণত করা হয় |
কেঁচো, আবায়বীয় ব্যাকটেরিয়া দ্বারা জৈব বর্জ্যের সন্ধান প্রক্রিয়া ঘটে |
2-3 সপ্তাহের মধ্যে এই জৈবসার প্রস্তুত হয় |
6. ধোঁয়াশা () কী? |
উত্তর : নাইট্রোজেন অক্সাইড ও হাইড্রোকার্বনের সঙ্গে সূর্যরশ্মির আলােক রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটলে যে ধোঁয়াটে অবস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে ধোঁয়াশা বলে |
এর ফলে নাক, জ্বালা, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি হয় |
শীতকালে ধোঁয়াশা বেশি হয় |
7. ঘটনাটি কী? |
উত্তর : 1952 সালে বায়ুদূষণজনিত কারণে যে ভয়ঙ্কর ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছিল লন্ডন শহরে তা নামে পরিচিত |
শিল্প কারখানার অতিরিক্ত ভাসমান কয়লা গুড়াে, ঘূর্ণবাতের ফলে শহর জুড়ে ধোঁয়াশার একটি পুরু স্তর সৃষ্টি করেছিল যেটি 5 ডিসেম্বর 1952 থেকে 9 ডিসেম্বর 1952 পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.