content
stringlengths
0
129k
1967
সূত্রঃ - 28 ( 2005)
কষ্টের ব্যাপার হলো এ কলেজের /বিখ্যাত ছাত্রদের ছবিগুলোর মাঝে সাকার ছবিটাও পেলাম
আশা করি আপনি আপনার বড়ভাইদের সাথে কথা বললেই এ ব্যাপারে আরো নিশ্চিত হতে পারবেন
কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)
নভে. ৪, ২০১০ @ ৪:০১ অপরাহ্ন
উপরের তথ্য সঠিক
সাকা এফ সি সি'তে ছিলেন সম্ভবতঃ নাইন পর্যন্ত
তার ছোট ভাই গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরি (গিকা) ও ১৩ তম ব্যাচের এক্স ফৌজিয়ান
সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!
মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
নভে. ৮, ২০১০ @ ৬:৫০ পূর্বাহ্ন
কষ্টের ব্যাপার হলো এ কলেজের /বিখ্যাত ছাত্রদের ছবিগুলোর মাঝে সাকার ছবিটাও পেলাম
এফসিসির বড়ভাইদের এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেবার জন্যে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি
এধরণের একটা ব্যাড এ্যাপল যে কোন প্রতিষ্ঠানের সুনামের ১২টা বাজানোর জন্যে যথেষ্ট-যেমন জর্জ বুশ হচ্ছেন বিশ্ববিখ্যাত "ইয়েল" এর গ্র্যাজুয়েট! তবে সুখের বিষয়-সম্ভবত ক্লাস নাইনেই এই কুলাঙ্গারটিকে কলেজ থেকে বের করে দেয়া হয় কারণ তা না হলে সে এখান থেকেই এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা দিত
এফসিসির একাধিক ক্যাডেট মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন-তাঁদের গৌরবে আশা করি এরকম একটা কুলাঙ্গারের(যাকে ক্লাস নাইনে বের করে দেয়া হয়েছিলো পুরো ৬ বছরের কোর্স শেষ হবার অনেক আগেই) কুকীর্তি ম্লান হয়ে যাবে
মেহেদি সাহেবকে ধন্যবাদ,তবে এই পোস্টে বিষয়টির অবতারণা করার কারণ এখনো বুঝতে পারলামনা
নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)
নভে. ১৭, ২০১০ @ ১০:৩৫ অপরাহ্ন
জনাব মেহেদি,
সাকা চৌধুরী এফসিসি-র ছাত্র ছিলেন এতে দুঃখ বা হতাশার কি আছে বুঝলামনা
তিনি তো সেখানে আর স্বাধীনতার পরে এসে ভর্তি হননি! সাকা যুদ্ধাপরাধী হলে তার দায় কি এফসিসির?
আর প্রসংগে:
সাকা চৌধুরীরা এখনো বাংলাদেশের রাজনীতির অংশ
যুদ্ধাপরাধের বিচার এখনো করে উঠতে পারিনি আমরা
যে বা যাঁরা তাকে হিসেবে ডিরেক্টরীতে জুড়ে দিয়েছেন তাঁদেরো স্বার্থের হিসাব থেকে থাকবে
এসব নিয়ে অবাক হবার কিছু নেই এই দেশে
এফসিসির ইয়াহু গ্রুপ মেইলেও সাকা-কে নিয়ে অনেক আলোচনা হয় , অনেকে আবার এড়িয়েও যাই
হ্যাঁ, আমরা বিব্রত যে, তিনি একই কলেজের প্রাক্তন ছাত্র
আমার শুধু এইটুকু উপলব্ধি: ইতিহাস সাকা-কে ক্ষমা করবেনা কখনো
যুদ্ধাপরাধের দণ্ড তাকে জীবিত অবস্থাতেই পেতে হবে
মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
নভে. ২২, ২০১০ @ ১০:১৯ অপরাহ্ন
অনেক অনেক ধন্যবাদ নূপুর ভাই
এফসিসির একজন প্রাক্তন ক্যাডেটের কাছ থেকেই উত্তর আসাটা যথোপযুক্ত ছিলো এবং আপনি ঠিক এই কাজটিই করলেন
আমিন (১৯৯৬-২০০২)
নভে. ৩, ২০১০ @ ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
লেখাটা বুকমার্কে রাখছিলাম
পড়ালেখার চাপে পরা হয় নাই
এখন সময় নিয়েই পড়লাম পুরা লেখাটা
মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধের গল্প শুনলেই রক্ত গরম হয়ে যায়
কিন্তু স্যারের প্রচারবিমুখী ভাব খুব জানার সুযোগ দিলো না
একই প্রবণতা অবশ্য আরও কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার মাঝেও দেখেছি
স্রেফ অসাধারণ পোস্ট হয়েছে মাস্ফ্যু
ভাষা আন্দোলন আর মুক্তিযুদ্ধ আসলেই আমাদের অসীম প্রেরণার উৎস
এখানে বিদেশি কারো সাথে একটু আলাপচারিতা হলেই তার সাথে আমি প্রথম শেয়ার করি ভাষা আন্দোলনের কথা তারপর মুক্তিযুদ্ধের কথা
এক ধরণের শিহরণ কাজ করে শরীরে
এই পোস্টের সবচেয়ে যেটা ভালো লেগেছে সেটা হলো জেনারেল অরোরার স্বী্কারোক্তি
বাপ বয়সী লোকদের বিরূপ মন্তব্যে বিব্রত ও বিভ্রান্ত দুই ই হতাম
আপাতত তার থেকে মুক্তি মিললো
আর সত্যিকার অর্থেই শিহরিত হয়েছি নারায়নগঞ্জের সেই বাঙালিবালার পরোক্ষ মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনে
আর হ্যা বীর খেতাব নিয়ে আমারো একটু কনফিউশন ছিলো এখনো আছে
আমাকে কি একটু পরিষ্কার করতে পারিস?
পরিশেষে মাস্ফ্যু স্যালুট ইউ
তুই যে এই পোস্ট টা লিখে আমাকে কতটুকু ইনসপায়ার করছিস , সেটা বলে বুঝাতে পারছি না
আর পোস্ট অবশ্যই প্রিয়তে
মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
নভে. ৩, ২০১০ @ ৩:০৯ অপরাহ্ন
আমিন ভাই- এ ব্যাপারটি নিয়ে ১৯৮১ সালে বিচিত্রায় স্যার একটি প্রবন্ধ লিখেছিলেন-বর্তমানের অতি-স্পর্শকাতরতার কারণে সেটি নিয়ে তিনি মুখ খুলতে চাননি
তবে তিনি যা বলেছেন তার মর্মার্থ অনেকটা এরকমঃ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা নিঃসন্দেহে বিতর্কের ঊর্ধ্বে,কিন্তু এ কথাও আমাদের মনে রাখতে হবে যে কোনও খেতাব না পাওয়া-নাম না জানা শত শত মুক্তিযোদ্ধা আছেন যাঁদের বীরত্বের কোন তুলনা হয়না
পদকপ্রাপ্ত যোদ্ধাদের বীরত্বগাথা(আবারও বলছি-তাঁদের বীরত্ব নিয়ে বিন্দুমাত্র প্রশ্ন তোলা হচ্ছেনা) সেক্টর এবং সাব-সেক্টর হেডকোয়ার্টার পর্যন্ত পৌঁছেছে এবং যোগ্যতাবলেই তাঁরা খেতাব পেয়েছেন
তবে এ কথাও সত্য যুদ্ধের ডামাডোলে বহু বীর যোদ্ধাদের আত্মত্যাগকেই স্বীকৃতি দেয়া হয়ে ওঠেনি(কারণ প্রত্যন্ত অঞ্চলে যুদ্ধ করে শহীদ হওয়া অনেক বীরের যুদ্ধকথা সে সময়ে সেক্টর এবং সাব-সেক্টর কমান্ডারদের কানে পৌঁছোয়নি)
এটি সম্ভবত ইচ্ছাকৃত নয় তবে নিঃসন্দেহে দুঃখজনক
হয়তো ভবিষ্যত ইতিহাস তাঁদেরকে সেই স্বীকৃতি দেবে
রেজা (৯২-৯৮)
নভে. ১৭, ২০১০ @ ৯:৩০ অপরাহ্ন
মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
নভে. ২২, ২০১০ @ ১০:১৯ অপরাহ্ন
কষ্ট করে পড়বার জন্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ,রেজা ভাই!
মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)
নভে. ২৩, ২০১০ @ ২:০৮ পূর্বাহ্ন
এই পোষ্টটা এই নিয়ে ছয়বার পড়লাম
কিন্তু কি লিখবো বুঝতে পারছি না
নানা বিষয় মাথার মধ্যে ভিড় জমাচ্ছে
আবেগের জায়গাটা দারুন উঠে এসেছে
::
তবে কিছু কথা না-বলা থেকে যাচ্ছে, যা' মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বেশিরভাগ লেখার ক্ষেত্রেই আমার মনে হচ্ছে
সেইদিক থেকে, তোমার লিখাটা আরো সমৃদ্ধ হতে পারতো
, .-
মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
নভে. ২৩, ২০১০ @ ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন
না-বলা কথাগুলোর উপস্থিতির দায় একান্তরূপেই আমার,এধরণের কাজে বিন্দুমাত্র টেকনিকাল নলেজ না নিয়ে শুধুমাত্র আবেগকে ভরসা করে এগুলে যা হয় আরকি
এই কারণেই এই লেখাটা শেষ পর্যন্ত "ব্লগ" বা ব্যক্তিগত কথামালার বেশি কিছু হয়ে উঠতে পারেনি বলেই আমি মনে করি
মাহমুদ ভাই,পরবর্তীতে আপনি দেশে আসলে চলেন দুইজন মিলে কিছু একটা করি-একজন রিসার্চার হিসেবে আপনার অভিজ্ঞতা নিঃসন্দেহে এই জাতীয় লেখালেখির ভুলত্রুটির পরিমাণ একেবারেই কমিয়ে দেবে
স্যারের সাথে আরেকবার সাক্ষাতের ইচ্ছে আছে রাজশাহী যাবার আগে- সেক্ষেত্রে না বলা জায়গাগুলো যদি একটু কষ্ট করে ধরিয়ে দিতেন তাহলে হয়তো লেখাটা আরেকটু সমৃদ্ধ করার সুযোগ থাকতো
অপেক্ষায় রইলাম
অনেক দিন পর আপনার মন্তব্য পেয়ে খুব খুব খুব ভালো লাগলো
অফ টপিকঃ এই বি-শা-ল লেখা ছয়বার পড়েছেন ভাবতেই মাথা ঘুরাচ্ছে!! 😮
আদনান (১৯৯৪-২০০০)
নভে. ২৬, ২০১০ @ ৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
মাসরুফ দারুন কাজ করছিস
মুক্তিযোদ্ধারা কি এক আজব কারনে নিজেদের ব্যাপারে বলতে চান না
কামরুল ভাইয়ের ব্যক্তিগত কথা জানতে পারলে আরো ভালো লাগতো
নভেন্বর তো শেষ হয়ে গেল পরের পর্ব কোথায় আর প্রশ্ন নিয়ে আলোচনাই বা কোথায়
তাড়াতাড়ি আপডেট কর
শেষে বলি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যে দারুন একটা কাজ করছিস এজন্য তোকে :: ভাল থাক
নভে. ২২, ২০১৬ @ ৮:৪২ অপরাহ্ন
একজন গুরুত্তপূর্ন মুক্তিযোদ্ধার সাক্ষাতকারের মাঝে এতো বেশি নিজের মনের মন্তব্য না দিলে ভাল হোত
কারন আমি বার বার গুলিয়ে ফেলছিলাম কোন টা সারের কথা আর কোনটা আপনার
নিজেদের কথা তো সব সময় ফেসবুক কি ব্লগে দিতেই থাকবেন